অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে ভারত। টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে ১০০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। সেইসঙ্গে রেকর্ড ষষ্টবারের মতো যুব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অবিস্বরণীয় কীর্তি গড়ে ধোনি-কোহলিদের উত্তরসূরীরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বৈভব সূর্যবংশীর ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ৪১১ রান করে ভারত। জবাবে ৩১১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ইনিংস।
হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুস মাত্রে। ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৯ রান করে আউট হন ওপেনার অ্যারন জর্জ। দ্বিতীয় উইকেটে নামেন দলনেতা মাত্রে। তাকে নিয়েই ক্রিজে ব্যাটি তাণ্ডব চালান ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৯০ বলে দুজন মিলে গড়েন ১৪০ রানের জুটি। ৫৩ রানে থামেন মাত্রে। এরপর ভেদেন্ত ক্রিভেদীকে নিয়ে মাত্র ৩৯ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন বৈভব। তাতেই মাত্র ২৫ ওভারেই ২৫০ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত। মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুত সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন বৈভব। তার ইনিংস থামে ১৭৫ রানে। মাত্র ৮০ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ১৫টি করে চার ও ছয়ে সাজানো। এরপর ভেদেন্ত ৩২, ভিয়ান ৩০, অভিজ্ঞান ৪০, এব্রিস ১৮, চৌহান ৩৭, খিলান ৩, হেনিল ৫ ও দিপেশ ০ রান করেন।
ইংল্যান্ডের হয়ে জেমস মিন্টো সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন সেবিস্টেইন মরগান ও অ্যালেক্স গ্রিন। আর একটি উইকেট নেন ম্যানি লুমসডেন।
৪১২ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তাড়ায় ব্যস্ত ছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। তাদের রানের গতি ছিল ঠিকই, কিন্তু উইকেট পতনের ধারা থামাতে পারেনি ইংল্যান্ড। তাতেই ক্রমান্বয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে ইংলিশরা। এক পর্যায়ে অসহায় আত্মসমর্থন করে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ক্যালেব ফেলকোনের। মাত্র ৭০ বলে তিনি করেন ১২০ রান। ফিফটির দেখা পেয়েছেন ওপেনার বেন ডাওকিনস। আউট হওয়ার আগে করেন ৫৬ বলে ৬৬ রান। এছাড়া বেন মেয়ার্স ৪৫, থমাস রে ৩১ ও জেমস মিন্টো ২৮ রান করেন। বাকি ব্যাটাররা বিশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।
ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার আরএস এব্রিস। তিনি নেন তিনটি উইকেট। দিপেস ও চৌহান নেন দুটি করে উইকেট। আর একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন দুজন বোলার।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দুই তারকা হলেও নেইমার জুনিয়র এবং লিওনেল মেসির বন্ধুত্ব দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবল দুনিয়ার আলোচনায় রয়েছে। আর্জেন্টাইন মহাতারকার ৩৯তম জন্মদিনে সেই সম্পর্কেরই আরেকটি দৃষ্টান্ত দেখা যায়। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট নিশ্চিত করার পর ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারে মেসির জন্মদিন নিয়ে নেইমারের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। এ সময় তিনি মেসির প্রতি তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। নেইমার বলেন, ‘মাঠের বাইরে মেসি আরও ভালো একজন মানুষ।’ তখন সাংবাদিক মজা করে বলেন, ‘মাঠেও তো সে অসাধারণ।’ জবাবে হাসতে হাসতে সম্মতি জানান ব্রাজিলিয়ান তারকা। এরপর নেইমার আরও বলেন, ‘এই কারণেই আমি তাকে চিনি এবং তার সঙ্গে খেলেছি বলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। সে আমার খুব ভালো বন্ধু। গত কয়েক দিনেও আমাদের অনেক কথা হয়েছে। সে জানে আমি তাকে কতটা ভালোবাসি।’ দুই ফুটবল তারকার এই বন্ধুত্বের সূচনা এক দশকেরও বেশি আগে। ২০১৩ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর তরুণ নেইমারকে আপন করে নেন মেসি। পরে লুইস সুয়ারেজকে সঙ্গে নিয়ে তারা গড়ে তোলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত ও শক্তিশালী আক্রমণত্রয়ী ‘এমএসএন’, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর আক্রমণ ত্রয়ী হিসেবে বিবেচিত। ২০১৫ সালে তাদের অসাধারণ সমন্বয়ে বার্সেলোনা জেতে ঐতিহাসিক ট্রেবল। ইউরোপের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভেঙে দেওয়া এই ত্রয়ী আজও ফুটবলপ্রেমীদের মনে জায়গা করে আছে। পরে ২০১৭ সালে রেকর্ড ট্রান্সফারে নেইমার যোগ দেন পিএসজিতে। ভিন্ন ক্লাবে খেললেও দুইজনের সম্পর্ক অটুট থাকে। ২০২১ সালে মেসিও পিএসজিতে যোগ দিলে আবারও তারা একসঙ্গে খেলার সুযোগ পান, যদিও ইউরোপীয় সাফল্য প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। ২০২৩ সালে দুজনেই পিএসজি ছাড়েন—মেসি যান ইন্টার মিয়ামিতে এবং নেইমার যোগ দেন আল-হিলালে। পরবর্তীতে ইনজুরির কারণে কঠিন সময় কাটিয়ে নেইমার ফিরে আসেন শৈশবের ক্লাব সান্তোসে। এদিকে চলমান বিশ্বকাপে মেসি দারুণ ফর্মে আছেন। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার করা পাঁচ গোলের সবগুলোই তার, যা আবারও তার প্রভাবশালী পারফরম্যান্সের প্রমাণ দিচ্ছে।
নেদারল্যান্ডস জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ রায়ান কুক। পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। সম্প্রতি দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হয়েছেন কুক। পরিবারের প্রতি আরও বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনেও পরিচিত মুখ রায়ান কুক। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে দলের ফিল্ডিং মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। বাংলাদেশ অধ্যায় শেষ হওয়ার পর নেদারল্যান্ডস দলের সঙ্গে যুক্ত হন কুক। প্রথমে ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও পরে পূর্ণকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব পান। তার নেতৃত্বে ডাচ ক্রিকেট উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে আলোচনায় আসে। এছাড়া তার কোচিংয়েই দলটি দীর্ঘ ১২ বছর পর ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। ২০২৩ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশকে হারিয়ে আরও বড় চমক দেখায় ডাচরা। বিদায়ী বার্তায় রায়ান কুক বলেন, নেদারল্যান্ডস দলের সঙ্গে কাজ করা তার কোচিং জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। তিনি মনে করেন, বর্তমান সময়ে দলটির এমন একজন কোচ প্রয়োজন, যিনি শতভাগ সময় ও মনোযোগ দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। কুক বলেন, ডাচ ক্রিকেটের ভিত্তি এখন অনেক শক্তিশালী এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়। তিনি ক্রিকেট বোর্ড, খেলোয়াড় এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, নতুন প্রধান কোচ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত দলের ব্যাটিং কোচ ও সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার হাইনো কুন ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস বিদায়ী কোচের প্রশংসা করে বলেন, গত কয়েক বছরে ডাচ ক্রিকেটের উন্নয়ন ও দলের সংস্কৃতি গঠনে রায়ান কুকের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার নেতৃত্বে দল ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছেন তার ভক্তরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন কর্মস্থলে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বুধবার (২৪ জুন) জন্মদিন উপলক্ষে আর্জেন্টিনার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ নিজেদের মতো করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই ফুটবল মহাতারকাকে। স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘টেলেফে’ ‘লিওর জন্মদিন’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রচারণা চালায়। প্রচারণার অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ও রাত ১০টায় একযোগে মেসিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর আহ্বান জানানো হয়, যা তার বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সির প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্ধুবান্ধব, শিক্ষার্থী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী, জিমে শরীরচর্চায় ব্যস্ত মানুষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে মেসির জন্য শুভকামনা জানান। অনেকে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। রাজধানী বুয়েনস আয়ার্সের ঐতিহাসিক ওবেলিস্ক চত্বরে জড়ো হন শত শত সমর্থক। সেখানে উপস্থিত এক প্রবীণ ভক্ত বলেন, মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি আর্জেন্টিনার গর্ব এবং কোটি মানুষের আবেগের প্রতীক। মেসির জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দেশের এই কিংবদন্তি ফুটবলারকে শুভ জন্মদিন জানান এবং জাতীয় দলের জন্য শুভকামনা প্রকাশ করেন। চলমান বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন মেসি। সাম্প্রতিক ম্যাচে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় নতুন একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে পাঁচ গোল করে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। আর্জেন্টিনা দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘মেসি যেন সবসময় সুখে ও সুস্থতায় থাকে।’ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই তারকার জন্মদিন ঘিরে আর্জেন্টিনাজুড়ে যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে, তা তার জনপ্রিয়তা ও ভক্তদের ভালোবাসার আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।