শিক্ষা

ছবি : সংগৃহীত
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের দাবি, আইনি নোটিশ পাঠানো হলো

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই নোটিশ পাঠানো হয়।   বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া এই আইনি নোটিশ পাঠান। নোটিশ প্রেরণকারী আইনজীবী সিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া জানান, আগামী ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে নির্ধারিত লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পরবর্তী কোনো তারিখে নতুন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুঞ্জনের মধ্যেই শুক্রবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই দিন বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ৬১টি জেলায় একযোগে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে অংশ নেবেন প্রায় ১১ লাখ চাকরিপ্রার্থী। এদিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে রংপুর থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ নাকচ করেছেন। তাদের দাবি, পরীক্ষার তারিখ এক দফা পেছানো এবং প্রশ্নপত্র জেলাপর্যায়ে পাঠানোর পর প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা প্রার্থীদের সঙ্গে কৌশলে যোগাযোগ করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তারা জানিয়েছেন।   প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে প্রতিটি পদের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ০৯, ২০২৬ 0
ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ইউজিসি অডিটোরিয়ামে এই অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।   ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম।   অনুষ্ঠানে কমিশনের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের পরিচালক এবং ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ওমর ফারুখ, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স বিভাগের পরিচালক ড. দুর্গা রানী সরকার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন পারভিন, অডিট বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নাহিদ সুলতানা, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সদ্য সাবেক পরিচালক ড. শামসুল আরেফিনসহ ইউজিসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।   প্রফেসর ফায়েজ দেশের উচ্চশিক্ষার একমাত্র তদারকি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধিতে ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ সকলকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। মিথ্যা ও অপতথ্য দিয়ে কমিশনের মর্যাদাহানি করা থেকে সংশ্লিষ্টদের তিনি বিরত থাকার আহ্বান জানান।   এ সময় তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে ইউজিসি পরিচালনা ও কমিশনের সবার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।   ইউনিয়নের সদ্য বিদায়ী সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মহিবুল আহসান, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান, সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন খান বক্তব্য দেন।   উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির পঞ্চম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৯ সদস্যের এই কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।   কমিটির অন্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- সাধারণ সম্পাদক মো. মোক্তার জামান (স্বাধীন), সহ-সভাপতি মো. নুরে আলম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম মুসা, কোষাধ্যক্ষ মো. রনি আকন, প্রচার সম্পাদক মো. বশির উদ্দিন, দফতর সম্পাদক মো. মামুন খান এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৮, ২০২৬ 0
ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, আন্দোলনে যেতে বাধা প্রদান, হুমকি এবং ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারীদের তথ্য সরবরাহের অভিযোগে চার্জ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন বহিষ্কার করা হবে না— এ মর্মে শোকজ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।   তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের যে দাবি জানানো হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এ-সংক্রান্ত বিষয়ে সিনেট বরাবর সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট।   বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ এই সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।   প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ জানান, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।   অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন— অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ও অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।   এর আগে, গত ২১ ডিসেম্বর ডাকসু শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচ স্থাপনা পরিবর্তনের দাবিতে উপাচার্যের অফিসের মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে বিরোধিতাকারী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানান তারা।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
জকসু নির্বাচনে ৬৬৬ ভোটে এগিয়ে শিবির প্যানেলের ভিপি প্রার্থী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনের ৩১টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সবশেষ ফলাফলে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম ৬৬৬ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও আইন বিভাগের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ অনুযায়ী, ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলামের ভোট ৪,৩১৯, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এ কে এম রাকিবের ভোট ৩,৬৫৩। জিএস পদে সর্বোচ্চ ভোট নিয়ে এগিয়ে আছেন শিবির সমর্থিত আব্দুল আলীম আরিফ (৪,৩৪৫ ভোট), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১,৭৩৪ ভোট। ভোটের ব্যবধান ২,৬১১। এজিএস পদে শিবির সমর্থিত মাসুদ রানা পেয়েছেন ৩,৮৭২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৩,৮৭ ভোট, ব্যবধান ৭৮৫। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো শান্তিপূর্ণভাবে জকসু ও নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১৬,৬৪৫, যেখানে প্রায় ৬৫% ভোট পড়েছে। হল সংসদে ভোটার ছিলেন ১,২৪২, সেখানে প্রায় ৭৭% ভোট পড়েছে। বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্সগুলো কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে নিয়ে আসা হয়। গণনা শুরু হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছয়টি ওএমআর মেশিনে, তবে মাঝে গড়মিল দেখা দেওয়ায় কাজ বন্ধ থাকে। পরে গভীর রাতে গণনা পুনরায় শুরু হয়। এখন পর্যন্ত ৩১টি কেন্দ্রের ভোট গণনা সম্পন্ন, বাকি ৮টি কেন্দ্রের ভোট গণনার কাজ বাকি আছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত তিন সাংবাদিক।
‘জুলাই সম্মাননা স্মারক’ পেলেন রাবির তিন সাংবাদিক

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সরাসরি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ও সাহসী ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের পক্ষ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রেসক্লাবের তিনজন সাংবাদিককে ‘জুলাই সম্মাননা স্মারক’ প্রদান করা হয়েছে।   বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।   অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত তিন সাংবাদিক হলেন— রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক নয়া দিগন্তের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জুবায়ের জামিল, বর্তমান সভাপতি জাগো নিউজের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মনির হোসেন মাহিন এবং বর্তমান সহসভাপতি দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আশিকুল ইসলাম ধ্রুব। জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে তথ্য সংগ্রহ, সংবাদ প্রচার এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।   অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় সদ্য আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক প্রেসার গ্রুপ ‘আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে। আন্দোলন চলাকালে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, সাহসী ভূমিকা এবং ঘটনাস্থল থেকে বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য তাদের এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।   অনুভূতি প্রকাশ করে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন মাহিন বলেন, প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনকে, যারা জুলাই আন্দোলনে নিহত হওয়া শহীদ পরিবার ও আহতদের নিয়ে এমন সুন্দর আয়োজন করেছে। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে ইনসাফের পক্ষে ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। সাংবাদিকদেরও মূল্যায়ন করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।   তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে ক্যাম্পাস সাংবাদিক হিসেবে গোয়েন্দা সংস্থার হয়রানি এবং ঐ সময় ক্যাম্পাসের দোকানপাট বন্ধ থাকায় না খেয়েও দিন পার করতে হয়েছে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের। আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল কলমকে অস্ত্র বানিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা— কারণ সাংবাদিকদের দেখলেই তাদের সাহস বহুগুণে বেড়ে যেত। জুলাই আন্দোলনের পর সাংবাদিকদের সেভাবে কেউ মূল্যায়ন করেনি। ফলে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনকে।   আন্দোলনের পরিস্থিতির কথা স্মরণ করে রাবি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি জুবায়ের জামিল বলেন, জুলাই আন্দোলনে সরাসরি মাঠে থেকে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে আমাদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। এটি আমাদের জন্য একদিকে সম্মান, অন্যদিকে দায়িত্বের স্মারক।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
কৃষি গুচ্ছের ফল প্রকাশ

কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ৯টার দিকে ফল প্রকাশ করা হয়।   বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ৯টার দিকে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) উপাচার্য ও ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান ফল প্রকাশ ঘোষণা করেন।   এরপর কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়।     বিস্তারিত আসছে...

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি নিয়ে বড় সুখবর

আবারও বেসরকারি স্কুল-কলেজকে এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।   বুধবার (৭ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগ এ-সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী।   গণবিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে অনলাইনে নন-এমপিও স্কুল ও কলেজ এমপিওভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ শুরু করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এ আবেদন।   এ বিষয়ে উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী গণমাধ্যমকে জানান, ২০২৫ সালে জারি হওয়া স্কুল-কলেজের এমপিও নীতিমালার আলোকে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত হবে।’   স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি নিয়ে বড় সুখবর ট্রেনিং ও বিদেশি বৃত্তি নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নতুন নির্দেশনা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকেই নতুন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিও সুবিধা পাবে বলেও জানান তিনি।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
জকসু নির্বাচন : ২৮ কেন্দ্রের ফলাফলে ছাত্রদল এগিয়ে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ২৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের একেএম রাকিবের চেয়ে ৪৩১ ভোটে এগিয়ে আছেন। তার মোট ভোট ৩৭২৯।   বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জকসুর ৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ২৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ।   ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে শিবির সমর্থিত রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭২৯ ভোট। অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত একে এম রাকিব পেয়েছেন ৩২৯৮ ভোট।   এদিকে জিএস ও এজিএস পদে মোট ভোটে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। জিএস পদে ছাত্রশিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ ৩৮৪২ এবং ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা ১৪৬৫ ভোট পেয়েছেন (অর্থনীতি বিভাগের প্রাপ্ত ভোট বাদে)।   এজিএস পদে শিবিরের মাসুদ রানা ৩৩৩৭ এবং ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল ২৯৩৯ ভোট পেয়েছেন।   জকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া যায়। আগের ২২ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন ছাত্রদলের রাকিব, তবে পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে ব্যবধান কমিয়ে লিড নেন রিয়াজুল।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল (বামে) ও ভিপি প্রার্থী রাকিব। ছবি : সংগৃহীত
২৬ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, এগিয়ে রিয়াজুল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিবের চেয়ে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৪ ভোট। অন্যদিকে এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৩ হাজার ১৩ ভোট। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জকসুর মোট ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ। এদিকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মোট ভোটে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। জিএস পদে ছাত্রশিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ ভোট, আর ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭৯ ভোট। এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৩ হাজার ১০৬ ভোট এবং ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ২ হাজার ৬৭৭ ভোট। জকসু নির্বাচনের শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যায়। আগের ২২টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন ছাত্রদল সমর্থিত রাকিব। তবে পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে ব্যবধান কমিয়ে এগিয়ে যান রিয়াজুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, হল সংসদে প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং কেন্দ্রীয় সংসদে প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভোট গণনা শুরু হলেও প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর কারিগরি কারণে তা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুনরায় ভোট গণনা শুরু করা হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জকসুর ১৪ কেন্দ্রের ফল: ভিপিতে এগিয়ে ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ১৪টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে সহ-সভাপতি (ভিপি) ছাড়া বাকি দুই পদ—জিএস ও এজিএসে এগিয়ে আছে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। আর ভিপি পদে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টা পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলে এই চিত্র দেখা যায়। এখনও হল সংসদসহ মোট ২৫টি কেন্দ্রের ফল প্রকাশ বাকি রয়েছে। ১৪টি কেন্দ্রের ফল অনুযায়ী, ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী একেএম রাকিব ১৬৭৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৪২৪ ভোট। জিএস পদে ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ ১৬১২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। একই পদে ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের খাদিজাতুল কোবরা পেয়েছেন ৭৯৩ ভোট। এজিএস পদে ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের মাসুদ রানা ১৪৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ১২৫৮ ভোট। এদিকে শীর্ষ তিন পদ ও অধিকাংশ সম্পাদকীয় পদে শিবির সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে থাকলেও পাঠাগার ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে এখনও ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি নির্বাহী সদস্য পদেও ওই প্যানেলের কয়েকজন প্রার্থী ভালো অবস্থানে আছেন। প্রসঙ্গত, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জকসু নির্বাচনের ভোট গণনা দীর্ঘ সময় স্থগিত ছিল। পরে ম্যানুয়াল ও মেশিন—উভয় পদ্ধতিতে পুনরায় গণনা শুরু হলেও এখনো ভোট গণনা সম্পন্ন হয়নি। মঙ্গলবার জকসু ও হল সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
জকসু নির্বাচন: ৪ কেন্দ্রে এগিয়ে ছাত্রশিবির

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে চারটি কেন্দ্রে ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ ও এজিএস মাসুদ রানা এগিয়ে রয়েছেন।   বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে জকসু নির্বাচন কমিশন এসব কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করে। ঘোষিত চারটি কেন্দ্রের সম্মিলিত ফলে ভিপি পদে ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন মোট ৪২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৩৯৪ ভোট। জিএস পদে ৩৮৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন শিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ। ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২০৫ ভোট। এজিএস পদে শিবির–সমর্থিত মাসুদ রানা ৪০৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদলের বিএম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৩২১ ভোট। ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ১০০ ভোট এবং একেএম রাকিব পেয়েছেন ৯১ ভোট। জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৯০ ভোট, খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৪৫ ভোট। এজিএস পদে মাসুদ রানা পেয়েছেন ৯৮ ভোট, আর তানজিল পেয়েছেন ৪৫ ভোট। নৃবিজ্ঞান বিভাগে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ১২৮ ভোট, একেএম রাকিব পেয়েছেন ১১৮ ভোট। জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ১২৩ ভোট, খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৭৩ ভোট। এজিএস পদে মাসুদ রানা পেয়েছেন ১০২ ভোট, আর বিএম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ১২৬ ভোট। লোক প্রশাসন বিভাগে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ১২২ ভোট এবং একেএম রাকিব পেয়েছেন ১৩২ ভোট। জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ১২৩ ভোট, খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৬২ ভোট। এজিএস পদে মাসুদ রানা পেয়েছেন ১৩০ ভোট এবং তানজিল পেয়েছেন ১০৬ ভোট। ফার্মেসি বিভাগে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ ভোট, একেএম রাকিব পেয়েছেন ৫৩ ভোট। জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৮৩ ভোট, খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২৬ ভোট। এজিএস পদে মাসুদ রানা পেয়েছেন ৭৮ ভোট, আর তানজিল পেয়েছেন ৪৫ ভোট। এর আগে রাত ১টার দিকে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় ৩০০ ভোট কাস্ট হয়েছে এমন একটি কেন্দ্রের ভোট প্রথমে ম্যানুয়ালি গণনা করা হয়। এরপর দুটি ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে একই ভোট পুনরায় গণনা করা হয়। ম্যানুয়াল গণনার ফলাফলের সঙ্গে যে মেশিনের ফল মিলে, সেই মেশিন দিয়েই পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ভোট গণনা সম্পন্ন করা হবে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৭৮টি ভোট দিয়ে নতুন করে গণনা শুরু করা হয়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে ভোট গণনার মেশিনে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে পুরো প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সমস্যার সমাধান শেষে দীর্ঘ বিরতির পর আবার ভোট গণনা শুরু করে নির্বাচন কমিশন।   মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি বিভাগের কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এসব ভোটারও ভোট দেন। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
জকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণা চলছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা চলছে। বুধবার সকাল থেকে ফল ঘোষণা শুরু হয়েছে।   এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে ভোট গণনা বন্ধ হয়ে যায়। নির্বাচন কমিশনার শহীদুল ইসলাম জানান, দুটি মেশিনে ভিন্ন ভিন্ন ফল আসায় ভোট গণনা স্থগিত রাখা হয়। পরে প্যানেল ও স্বতন্ত্র ভিপি, জিএস এবং এজিএস প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পর মধ্যরাত সাড়ে ১২টার পর পুনরায় ভোট গণনা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে প্রথমে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ভোট গণনা করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বেলা তিনটা পর্যন্ত জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি বিভাগের কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এসব ভোটারও ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং একমাত্র ছাত্রী হল সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। জকসু নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। এতে মোট চারটি প্যানেল অংশ নেয়। প্যানেলগুলো হলো ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট–সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি–সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।   এ ছাড়া স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে ভিপি (সহসভাপতি) পদে ১২ জন, জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ৯ জন এবং এজিএস (সহসাধারণ সম্পাদক) পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
জাকসুর এখনো বাকি ৩৫ কেন্দ্রের ফলাফল

  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্থগিত ছিল। পরে ম্যানুয়াল ও মেশিন উভয় পদ্ধতিতে গণনা শুরু হলেও ভোট গণনা শেষ করতে পারেননি নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।   মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১টা পর্যন্ত ভোট গণনা স্থগিত থাকে। ঘণ্টাখানেক পর পুনরায় গণনা শুরু হলেও আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টা পর্যন্ত মাত্র ৪টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এখনো ৩৫টি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাকি রয়েছে। ফলাফল ঘোষণা হওয়া চারটি কেন্দ্র হলো—নৃবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন, ভূগোল ও ফার্মেসি। এর আগে রাত ১টার দিকে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রায় ৩০০ ভোট কাস্ট হয়েছে এমন একটি কেন্দ্রের ভোট প্রথমে ম্যানুয়ালি গণনা করা হবে। এরপর দুটি ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হবে। ম্যানুয়াল গণনার সঙ্গে যে মেশিনের ফল মিলবে, সেই মেশিনের মাধ্যমেই পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ভোট গণনা করা হবে। সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথমে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৭৮টি কাস্টিং ভোট দিয়ে নতুন করে ভোট গণনা শুরু করা হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ 0
জকসুর ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্স নেওয়া হচ্ছে কমিশনার কার্যালয়ে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের (জকসু) ভোট গ্রহণ শেষে বিভিন্ন বিভাগ থেকে ব্যালট বাক্স প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।  মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের ব্যালট বাক্স নিয়ে যেতে দেখা গেছে। তবে ভোট গ্রহণের নির্ধারিত সময় ৩টা পার হলেও লাইনে থাকা শিক্ষার্থীদের ভোটগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। এর আগে সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।   গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন সকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে ৬ জানুয়ারি নির্বাচনের নতুন তারিখ ধার্য করে নির্বাচন কমিশন।   জকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। এতে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। সেগুলো হলো— ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট–সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি–সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ 0
জকসু নির্বাচন : রসায়ন বিভাগে উৎসবমুখর ভোট, বেলা গড়াতে পোলিং ৩৫ শতাংশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত রসায়ন বিভাগে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচনের শুরু থেকেই এ বিভাগে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।  বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, রসায়ন বিভাগে মোট ভোটার সংখ্যা ৫৩৫ জন। বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৮০টি ভোট সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ভোট প্রদানের হার ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।   মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের রসায়ন বিভাগ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটারদের সুশৃঙ্খল দীর্ঘ সারি। বিভাগের নবীন থেকে প্রবীণ সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে কেন্দ্রটি মুখরিত হয়ে ওঠে। অনেক শিক্ষার্থীকে ভোট দেওয়ার পর দলবেঁধে ছবি তুলতে এবং বিজয় চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়। রসায়ন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আকরাম আহমেদ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথমবার ভোট দিচ্ছি, এটা অন্যরকম এক অনুভূতি। আমাদের বিভাগে ভোটের পরিবেশ খুবই চমৎকার। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই, সবাই লাইন ধরে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছি।’ প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘প্রথম ভোটার হিসেবে একটু নার্ভাস ছিলাম, কিন্তু বড় ভাই বোনদের সহযোগিতা এবং সুন্দর পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
কড়া নিরাপত্তায় জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন–২০২৫-এর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই কড়া নজরদারির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট দিয়ে নির্ধারিত পাস কার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে তারা ক্যাম্পাসে ঢোকেন। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ভোটার শিক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ভোট প্রদান শেষে শিক্ষার্থীরা ২ ও ৩ নম্বর গেট দিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করবেন। এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ের আগে শুধু ২ নম্বর গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবশ্যই আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে যাতায়াত করতে পারবেন না। নির্বাচনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক গেট ও পোগোজ স্কুল গেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে বসবাসরত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের ভোট চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পাসে চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরু থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত একটি মেডিকেল টিম ক্যাম্পাসে অবস্থান করবে। নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত নন—এমন সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ পরিস্থিতির কারণে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৬ জানুয়ারি নতুন তারিখে জকসু নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জকসু নির্বাচন আজ, ক্লাস–পরীক্ষা বন্ধ

প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর আজ মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। ভোট শেষে ওএমআর পদ্ধতিতে ভোট গণনা করা হবে।   কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৩৮টি ভোটকেন্দ্র এবং হল সংসদের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৪টি পদের বিপরীতে মোট ১৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৫৭ জন এবং হল সংসদে ৩৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। ভোটার সংখ্যা কেন্দ্রীয় সংসদে ১৬ হাজার ৭৩৫ জন এবং হল সংসদে ১ হাজার ২৪৭ জন। নির্বাচন উপলক্ষে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট ও বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। তবে প্রশাসনিক সব দপ্তর খোলা থাকবে। জকসু নির্বাচন ঘিরে পুরো ক্যাম্পাসকে কঠোর নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।   জগন্নাথ কলেজ থাকাকালীন সর্বশেষ ১৯৮৭ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কলেজ থেকে ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পর এবারই প্রথম কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ 0
চবি শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ তুলে চবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ

  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এ এফ রহমান হলে মাস্টার্স পর্যায়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট প্রকাশের পূর্বেই জোরপূর্বক হলত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে শাখা ছাত্রদল। সোমবার (০৫ জানুয়ারি) শাখা দপ্তর সম্পাদক আবু হাসনাত মো. রুকনুদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নিন্দা প্রকাশ করা হয়। স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় আসন বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, মাস্টার্স পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব ও আবাসিক বৈধতা বহাল থাকে। অথচ এ নীতিমালাকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র ভাইভা বা পরীক্ষা শেষ হওয়ার অজুহাতে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত, অমানবিক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নীতিমালার ২০(ঙ) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, রেজাল্ট প্রকাশের পরেই কেবল আসন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। সেখানে জোরপূর্বক উচ্ছেদের কোনো বিধান নেই। তবুও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে ‘আইন’ হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, আবাসন ও ভবিষ্যৎকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’ এ বিষয়ে এএফ রহমান হলের প্রোভস্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাছলিম উদ্দিন বলেন, ‘২০(ঙ) যেটা বলেছে ওইটাও ঠিক আছে, কিন্তু ২০(গ) অনুযায়ী পরীক্ষা পর্যন্তই সিট থাকে। এবং ২৪-এর কলামে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে যে প্রোভস্ট পরীক্ষা শেষের পরে তাগিদ দেওয়ার জন্য নোটিশ দিতে পারবে। আমি নোটিশে দিয়েছি, কাউকে তো বের করে দেইনি। শিক্ষার্থীদের যদি কোনো অসুবিধা থাকে, আমার সঙ্গে বলতে পারত। আমি প্রোভস্ট হয়ে প্রত্যেকের রুমে রুমে যেতে পারব না- এই কারণে আমি নোটিশ দিয়েছি তাগিদ দেওয়ার জন্যই।’ এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘এখানে হল সংসদ এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। ওই অনুযায়ী আমরা আমাদের বিজ্ঞপ্তিটা দিয়েছি।’

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সুখবর জানালেন শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেছেন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের শূন্য পদগুলোতে ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে যাবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। এ বিষয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে। সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দেশের বেকারত্ব দূর করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ করা এ সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। সেটি পূরণে আরো একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি আদর্শ শূন্য পদ রয়েছে। এ শূন্য পদগুলোতে যোগ্যতম লোকদের নিয়োগ করার লক্ষ্যে এনটিআরসিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজকালের মধ্যে এনটিআরসি সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। উপদেষ্টা দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের মধ্যে যারা শিক্ষকতা পেশায় আন্তরিক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তাদেরকে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করে যথাযথ পদে আবেদন করার জন্য আহ্বান জানান। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে আজকের শিক্ষাকরাই আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থার রক্ষার জন্য কাজ করবে। তাই তিনি চান শিক্ষিত যোগ্য প্রার্থীরা শিক্ষকতা অন্তর্ভুক্ত হোক। তিনি বলেন, গত মাসে এনটিআরসি থেকে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শূন্য পদে নিয়োগের জন্য মন্ত্রণালয় আবেদন আসার পরে উপদেষ্টা নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাগুলোতে তিনি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সরকারের ঘোষিত নীতি হচ্ছে আমাদের যত শূন্য পদ রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেগুলো বিজ্ঞাপিত হয়ে পদ পূরণ করা। তিনি বলেন, আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের একটা লক্ষ্য ছিল শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা এবং তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ৬৭ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেই ব্যাপারে গণবিজ্ঞপ্তি আগামীকালের মধ্যেই হবে। তিনি বলেন, শূন্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অধীন ২৯,৩২৫টি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে অধীন ৮৩৩টি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে ৩৬,৮০৪টি, মোট ৬৬,৯৬২টি। উপদেষ্টা বলেন, এ সরকারের দিক থেকে শিক্ষাখাতকে আরও গতিশীল করা মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে এই ধরনের উদ্যোগ বড় রকমের ভূমিকা রাখবে এবং আমরা বিশ্বাস করি যে আমরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও আস্থার সাথে শেষ করে দিতে পারবো। তিনি বলেন, এ নিয়োগের ফলে দেশের বেকারত্ব সমস্যার সমাধান হবে এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে তরুণ ও মেধাবীরা সুযোগ পাবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য জরুরি নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এর প্রচারণায় ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিলবোর্ড বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের গণভোটের লিফলেট প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষার সব আঞ্চলিক উপ-পরিচালক, জেলা ও উপজেলা-থানা শিক্ষা কর্মকর্তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১ জানুয়ারির চিঠির নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভোট ২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত লিফলেট বহুল প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষকরাই এই প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের সচেতন করবেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৫, ২০২৬ 0
৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

  সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) নিম্নবর্ণিত শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হবে। আগ্রহী নিবন্ধন সনদধারী প্রার্থীদের নিকট থেকে নিম্নলিখিত শর্তে e Application আহ্বান করা হচ্ছে। স্কুল ও কলেজে শূন্য পদের সংখ্যা ২৯ হাজার ৫৭১। মাদরাসায় ৩৬ হাজার ৮০৪ এবং কারিগরিতে ৮৩৩টি পদ রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, e-Application ফরম পূরণ ও ফি জমা প্রদানের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনকারীর বয়স ও শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৪ জুন ২০২৫ তারিখে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর এবং শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ থেকে তিন বছর (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মরত ইনডেক্সধারী শিক্ষকগণ সমপদে আবেদনের যোগ্য হবেন না। শূন্য পদ ও নিয়োগের শর্তাবলি পদভিত্তিক শূন্যপদের তালিকা, আবেদন ফরম এবং নিয়োগের অন্যান্য তথ্য ও শর্তাবলী এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট www.ntrca.gov.bd এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ওয়েবসাইট http://ngi.teletalk.com.bd পাওয়া যাবে।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৫, ২০২৬ 0
Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

Top week

জাতীয়

হসপিটালিটি সেক্টরে অবহেলা: ন্যায্য বেতন ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হোটেল কর্মীরা

বিশেষ প্রতিবেদক জানুয়ারী ০৩, ২০২৬ 0