বিশ্ব

রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ২০৫ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময়

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়া ও ইউক্রেন ২০৫ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময় করেছে। উভয় পক্ষই এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার এ বিনিময় ঘটে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত বৃহৎ বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এই বিনিময় সম্পন্ন হয়। চুক্তিটি ছিল এক হাজারের বিপরীতে এক হাজার যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের উদ্যোগ।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্দি রুশ সেনাদের ফেরত আনার ক্ষেত্রে আরব আমিরাত মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

রুশ কর্তৃপক্ষ জানায়, মুক্তিপ্রাপ্ত সেনাদের বর্তমানে বেলারুশে রাখা হয়েছে, সেখানে তাদের মানসিক ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পরে তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য রাশিয়ায় নেওয়া হবে।

অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্ত ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দিদের মধ্যে সৈনিক, সার্জেন্ট ও কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই ২০২২ সাল থেকে রুশ বন্দিদশায় ছিলেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৪, আহত ১০

ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন।   অঞ্চলটির গভর্নর ওলেগ সিনেগুবভ জানিয়েছেন, খারকিভ অঞ্চলের চুগুইভ শহরে চালানো হামলায় ২২ বছর বয়সী এক তরুণীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে।   হামলার ফলে বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ১৮টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবনের জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং ভবনের বাইরের অংশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।   অন্যদিকে খারকিভ শহরের মেয়র ইগর তেরেখভ জানিয়েছেন, শহরের পৃথক একটি হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। কিয়েভের দাবি, এসব হামলা মূলত রাশিয়ার সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করেই পরিচালিত হচ্ছে।   জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেন-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অন্তত ১৫ হাজার ৮৫০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে আরও ২ হাজার ৮০০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। উভয় পক্ষের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এখন পর্যন্ত ৪৪ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

মারিয়া রহমান জুন ০৯, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু

ছবি : সংগৃহীত

বিদেশি কম্পানিকে সম্পত্তি কেনার সুযোগ দিচ্ছে সৌদি, মানতে হবে যেসব শর্ত

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান ট্রাম্পের, নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা

ছবি: সংগৃহীত
বেড়ার এপারে চলে আসবে মেঘালয়ের গ্রাম, বিচ্ছিন্ন হওয়া ঠেকাতে ঢাকার দ্বারস্থ দিল্লি

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার বর্তমান নকশা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র জটিলতা। মেঘালয়ের একটি সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী বেড়া দেওয়া হলে তাঁদের পুরো গ্রামটিই ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশের দিকে (বেড়ার ওপারে) পড়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অস্তিত্ব ও দেশটির মানচিত্রে টিকে থাকতে রবিবার থেকে তুমুল বিক্ষোভ শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর এই জটিলতা নিরসনে এবার ঢাকার দ্বারস্থ হয়েছে দিল্লি।   মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার ঠিক সীমান্ত রেখা বা ‘জিরো লাইনে’ অবস্থিত ‘লিংকং’ গ্রাম। এটি এমন এক অনন্য জনবসতি, যেখানে ভারতীয় নাগরিকদের ঘরের মাত্র কয়েক মিটার দূরত্বেই রয়েছে বাংলাদেশের সীমান্ত। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত জিরো লাইন থেকে অন্তত ১৫০ গজ ভেতরে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে হয়। আর এই নিয়মটিই এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে লিংকং গ্রামের মানুষের জন্য। ১৫০ গজ ভেতরে বেড়া দিতে গেলে পুরো গ্রামটিই ভারতের মূল নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরে পড়ে যায়।   কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে একটি বাঁশের বেড়া দিয়ে বাংলাদেশ থেকে গ্রামটিকে আলাদা করে রেখেছিলেন। কিন্তু স্থায়ী কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বর্তমান নকশা তাঁদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।   এই নকশার প্রতিবাদে আজ রবিবার গ্রামবাসীরা এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেন এবং পাইনুরস্লার সাব-ডিভিশনাল অফিসারের কাছে চলমান কাজ অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।   গ্রামপ্রধান রামু সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে বলেন, "আমরা সীমান্ত বেড়া দেওয়ার বিরুদ্ধে নই। তবে আমাদের দাবি, এই বেড়া যেন একদম জিরো লাইনেই দেওয়া হয়। যাতে আমাদের গ্রামটি ভারতের ভেতরে এবং বেড়ার নিরাপদ বেষ্টনীর মধ্যেই সুরক্ষিত থাকে।"   একই সুর শোনা গেল স্থানীয় বাসিন্দা রিমা খংসডির কণ্ঠেও। তিনি বলেন, "বর্তমান নকশায় বেড়া হলে আমাদের গ্রামটি ওপারে পড়ে যাবে। আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কে আছি। রাজ্য সরকার যেন আমাদের এই উদ্বেগের কথাটি কেন্দ্র সরকারকে জানায়।"   ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সমস্যাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। যেসব সীমান্ত এলাকায় মানুষের ঘরবাড়ি বা গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে আন্তর্জাতিক নিয়মের কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটিয়ে একদম জিরো লাইনেই ‘একক সারির বেড়া’ নির্মাণের একটি প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।   এই প্রস্তাবটি নিয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা শুরু করেছে ভারত। তবে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, "জিরো লাইনে একক সারির বেড়া নির্মাণের প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের কাছ থেকে এখনও এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা সম্মতি আসেনি।"   বর্তমানে মেঘালয়ের সাথে বাংলাদেশের ৪৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে স্থানীয় জটিলতা ও দুর্গম পাহাড়-নদীর কারণে ৮০ কিলোমিটারেরও কম অংশ বেড়াবিহীন অবস্থায় আছে।   উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রামবাসীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি দিতে ইতিমধ্যে লিংকং গ্রামে একটি বিশেষ সীমান্ত চৌকি স্থাপন করা হয়েছে। গ্রামে বিএসএফ-এর সার্বক্ষণিক উপস্থিতি রয়েছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে গ্রামবাসীদের দাবি একটাই—কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত জিরো লাইনেই বেড়া দেওয়ার সবুজ সংকেত আসুক ঢাকা থেকে।

মারিয়া রহমান জুন ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পুতিনের কাছে শান্তি আলোচনার বার্তা পাঠাতে আব্রামোভিচকে ব্যবহার করেছিলেন জেলেনস্কি

ছবি: সংগৃহীত

আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি

ছবি: সংগৃহীত

তীব্র সংঘাত শুরু, নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ ভারতের

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

ইরান সোমবার আবারও ইসরায়েলের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর ফলে তেল আবিব, জেরুজালেম, বিয়ারশেবা ও নেগেভ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।   ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। দক্ষিণ ইসরায়েল, ডিমোনা, মৃত সাগর এলাকা ও বিয়ারশেবার আকাশে প্রতিরোধমূলক অভিযান চালানো হয়।   ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ জেরুজালেমের পশ্চিমে বেইত শেমেশ এবং নেগেভের বিয়ারশেবা এলাকায় পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।   ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরানের বিভিন্ন রাডার স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলার জবাবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।   আইআরজিসির দাবি, তারা ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিমানঘাঁটি—নেভাতিম ও তেল নোফকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।   এদিকে পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।   অন্যদিকে, সোমবার ভোরে ইসরায়েলও ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, অস্ত্র কারখানা, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং রাডার স্থাপনা।   উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে আবারও চাপে পড়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

৪৮০০ জনকে ওপারে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু

ছবি: সংগৃহীত

ইরাকে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার পর আগুন, নিহত ২১

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৩, শান্তি প্রচেষ্টায় মিশর

0 Comments