বিনোদন

বীরের সঙ্গে ব্রেকআপের গুঞ্জনের যা বললেন তারা

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬ 0
তারা সুতারিয়া ও বীর পাহাড়িয়া I ছবি: সংগৃহীত
তারা সুতারিয়া ও বীর পাহাড়িয়া I ছবি: সংগৃহীত

লিউড পাড়ায় তারা সুতারিয়া ও বীর পাহাড়িয়ার বিচ্ছেদ গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। গত ডিসেম্বর থেকে চলা এই জল্পনার মাঝেই অভিনেত্রী শোনালেন মানসিক শান্তির কথা। পরিস্থিতি যাই হোক, জীবনে মানসিক শান্তি বজায় রাখাটাই যে সবচেয়ে জরুরি—অকপটে জানালেন ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার ২’ খ্যাত এই তারকা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তারা বলেন, “সাফল্য একেক জনের কাছে একেক রকম। কিন্তু সবাই দিনশেষে মানসিক শান্তি খোঁজে। তাই মানসিক শান্তি ও ভালোবাসার মানুষের সংস্পর্শে থাকার চেয়ে ভালো আর কিছু হয় না।” তিনি আরও জানান, খুব ছোট বয়স থেকে স্পটলাইটে থাকায় তিনি জানেন কীভাবে নিজেকে শান্ত রাখতে হয় এবং স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। বাইরের সমালোচনা তাকে বিচলিত করে না, কারণ তিনি মনে করেন সত্যটা তার কাছের মানুষ জানলেই যথেষ্ট।

গুঞ্জন রয়েছে, বড়দিনে গায়ক এ পি ধিলোঁর কনসার্টে তারার ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তীতে প্রেমিক বীরের জন্মদিনের পার্টিতে অনুপস্থিতিই এই বিচ্ছেদের কারণ। যদিও তারা বা বীর কেউই মুখ খোলেননি, তবে ‘মানসিক শান্তি’ নিয়ে তারার এই মন্তব্য ব্রেকআপ জল্পনায় নতুন করে ঘি ঢেলেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
ভালোবাসা দিবসে নিস্তব্ধ ছোট পর্দা I ছবি : সংগৃহীত
ভালোবাসা দিবসে নিস্তব্ধ ছোট পর্দা

একসময় ভালোবাসা দিবস মানেই ছিল নাটকের উৎসব। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই টিভি চ্যানেল আর ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা আসত একের পর এক রোমান্টিক নাটকের। পোস্টার, টিজার প্রকাশ করে চলত প্রচারণা। জনপ্রিয় জুটির নতুন গল্প, নতুন গান, নতুন সংলাপ—সব মিলিয়ে দর্শকের জন্য ছিল বাড়তি আনন্দ। অথচ এ বছর সেই পরিচিত দৃশ্য অনুপস্থিত। ভালোবাসা দিবস এলেও টিভি কিংবা ইউটিউব, কোথাও নেই উল্লেখযোগ্য কোনো বিশেষ নাটক। হঠাৎ এ শূন্যতা কেন?    ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। মাত্র আর কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। প্রতি বছর এ দিবস কেন্দ্র করে নাটকপাড়া জমে ওঠে উৎসবের আমেজে। অথচ এবার ছোট পর্দা যেন নিস্তব্ধ। ভালোবাসা দিবসে পর্দায় নেই ভালোবাসার গল্পের উপস্থিতি। টিভি কিংবা ইউটিউব, কোথাও দেখা যাচ্ছে না বিশেষ কোনো নাটকের ঘোষণা। বিষয়টি বিস্ময়কর মনে হলেও, এর পেছনের রয়েছে বাস্তবতা। কেন এই শূন্যতা এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনই (১২ ফেব্রুয়ারি) এ বছর ভালোবাসা দিবসের নাটক নির্মাণে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে ব্যস্ততা। রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রচারণা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আর প্রশাসনিক প্রস্তুতিতে কার্যত পুরো দেশই নির্বাচনমুখী হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিনোদন শিল্পও যে প্রভাবিত হবে, সেটাই স্বাভাবিক। এ ছাড়া স্পন্সর জটিলতা রয়েছে বলেও দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। টেলিভিশন-সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনের সময় চ্যানেলের পুরো ফোকাস থাকে সংবাদ ও বিশেষ রাজনৈতিক কনটেন্টে। বিনোদনমূলক বিশেষ নাটক প্রচারের জায়গাই থাকে না। প্রশ্ন উঠেছে, ভালোবাসা দিবস কি তবে গুরুত্ব হারাল? টেলিভিশনের অনুষ্ঠান-সংশ্লিষ্টরা জানান, এমন নয় যে ভালোবাসা দিবসের আবেদন কমে গেছে। বরং এ বছর পরিস্থিতির চাপে সেটি পেছনের সারিতে চলে গেছে। নির্বাচন একটি জাতীয় বাস্তবতা, যার প্রভাব পড়ে সমাজের সব স্তরে, বিনোদনও এর বাইরে নয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ বছর ভালোবাসা দিবসে নাটক না আসা কোনো স্থায়ী প্রবণতা নয়। এটি সময় ও পরিস্থিতিনির্ভর সিদ্ধান্ত। ভালোবাসা দিবস প্রতি বছরই আসে, কিন্তু জাতীয় নির্বাচন আসে পাঁচ বছরে একবার। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আবারও নিয়মিত নাটক, রোমান্টিক গল্প আর বিশেষ আয়োজন ফিরবে, এমনটাই প্রত্যাশা। তবে এটুকু স্পষ্ট, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন এ বছর ভালোবাসা দিবসের নাটককে পুরোপুরি ছাপিয়ে গেছে। ভালোবাসার গল্প থেমে নেই, শুধু অপেক্ষায় আছে সময়ের অনুকূল পরিবেশের। এরই মধ্যে ভালোবাসা দিবসের আগে ও পরে একাধিক নাটক মুক্তির ঘোষণা এসেছে। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এবার দর্শকদের জন্য এক ভিন্নধর্মী নাটক নিয়ে হাজির হচ্ছেন নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন। জনপ্রিয় জুটি ফারহান আহমেদ জোভান ও নাজনীন নীহাকে নিয়ে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘যে কথা হয়নি বলা’ নামে একটি নাটক। এর প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, নাটকটি ভালোবাসা দিবসের আগেই মুক্তি পাবে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে। ভালোবাসা দিবসে প্রচারের লক্ষ্যে রুবেল আনুশ নির্মাণ করেছেন ‘মায়া বনের হরিণ’ নামে একটি নাটক। এতে জুটি বেঁধেছেন নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন আব্রাহাম তামিম। নাটকটি প্রকাশ করা হবে নাফ এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে। এদিকে ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস সামনে রেখে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি নিয়ে আসছে একটি ফ্ল্যাশ ফিকশন। রাকায়েত রাব্বি নির্মিত ফিকশনটির নাম ‘টিফিন বক্স’। এতে অভিনয় করছেন রুকাইয়া জাহান চমক ও প্রান্তর দস্তিদার। ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে স্ট্রিম হবে এটি। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু নাটক আসবে দিবসটি কেন্দ্র করে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার যে ছোট পর্দা নিস্তব্ধ এটি স্বীকার করছেন নাটক-সংশ্লিষ্টরা। এ প্রসঙ্গে অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান বলেন, ‘ভালোবাসা দিবস কেন্দ্র করে নাটক নির্মাণের একটা আমেজ সবসময় থাকে। আমরাও চেষ্টা করি দর্শকের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভালো নাটক উপহার দেওয়ার। কিন্তু এ বছর ভালোবাসা দিবসে খুব বেশি নাটক নির্মাণ হয়নি এটি সত্য। কারণ, কিছুদিন পরেই রোজা। তবুও একেবারেই যে হয়নি এটা বলা যাবে না, কিছু নাটক নির্মাণ হয়েছে। এগুলো মুক্তি পাবে।’ অভিনেত্রী কেয়া পায়েল বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও রমজানের জন্য এবার ভালোবাসা দিবসের নাটক কিছুটা কম হয়েছে। এরপরও কিছু নাটক নির্মিত হয়েছে সেগুলো মুক্তি পাবে। আমার অভিনীতও কয়েকটি নাটক আসবে। অন্যদেরও কিছু নাটক আসবে। সবমিলিয়ে সাময়িক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার কিছুটা আমেজ কম এটি সত্য। তবে ঈদ কেন্দ্র করে নাটকের ব্যস্ততা রয়েছে। আশা করি এ শূন্যতা ঈদে পূরণ হয়ে যাবে।’ অভিনেত্রী নাজনীন নীহা বলেন, ‘এবারের ভালোবাসা দিবসে নাটক কম প্রচার হবে এটা আসলে আমি বুঝতে পারছি না। কারণ, আমার তিনটি নাটক আসবে, তাই আমার কাছে কম মনে হচ্ছে না। এর বাইরের খবর খুব একটা বলতে পারব না। আমি সবসময়ই নাটক নির্বাচনে সচেতন থাকি, অনেক কাজ করি না। তবুও কোরবানির ঈদ পর্যন্ত আমার শিডিউল ঠিক করে রাখা।’   অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘এবার ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে কোনো কাজ করিনি। তাই আমার কোনো কাজ থাকছে না। আগের কিছু কাজ আসতে পারে। অবশ্য আমি নিশ্চিত নই আসবে কি না। এবার ভালোবাসা দিবসের আমেজ এমনিতেও একটু কম। এটি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও রমজান কেন্দ্র করেও হতে পারে। তবে ঈদের কাজের একটি ব্যস্ততা লক্ষ করছি। নিজেও তিনটি নাটকের কাজ করেছি।’

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬ 0
রণবীর কাপুর, ইয়াশ রোহান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী I ছবি : সংগৃহীত

রণবীরের সঙ্গে ইয়াশের তুলনা, কী বললেন তটিনী?

টম হল্যান্ড ও জেন্ডায়া I ছবি: সংগৃহীত

বাবা হচ্ছেন ‘স্পাইডারম্যান’, মা জেন্ডায়া!

রিয়া চক্রবর্তী I ছবি : সংগৃহীত

কেউ কাজ দিতে চায়নি, ভেবেছিলাম ক্যারিয়ার শেষ : রিয়া

তারা সুতারিয়া ও বীর পাহাড়িয়া I ছবি: সংগৃহীত
বীরের সঙ্গে ব্রেকআপের গুঞ্জনের যা বললেন তারা

লিউড পাড়ায় তারা সুতারিয়া ও বীর পাহাড়িয়ার বিচ্ছেদ গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। গত ডিসেম্বর থেকে চলা এই জল্পনার মাঝেই অভিনেত্রী শোনালেন মানসিক শান্তির কথা। পরিস্থিতি যাই হোক, জীবনে মানসিক শান্তি বজায় রাখাটাই যে সবচেয়ে জরুরি—অকপটে জানালেন ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার ২’ খ্যাত এই তারকা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তারা বলেন, “সাফল্য একেক জনের কাছে একেক রকম। কিন্তু সবাই দিনশেষে মানসিক শান্তি খোঁজে। তাই মানসিক শান্তি ও ভালোবাসার মানুষের সংস্পর্শে থাকার চেয়ে ভালো আর কিছু হয় না।” তিনি আরও জানান, খুব ছোট বয়স থেকে স্পটলাইটে থাকায় তিনি জানেন কীভাবে নিজেকে শান্ত রাখতে হয় এবং স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। বাইরের সমালোচনা তাকে বিচলিত করে না, কারণ তিনি মনে করেন সত্যটা তার কাছের মানুষ জানলেই যথেষ্ট। গুঞ্জন রয়েছে, বড়দিনে গায়ক এ পি ধিলোঁর কনসার্টে তারার ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তীতে প্রেমিক বীরের জন্মদিনের পার্টিতে অনুপস্থিতিই এই বিচ্ছেদের কারণ। যদিও তারা বা বীর কেউই মুখ খোলেননি, তবে ‘মানসিক শান্তি’ নিয়ে তারার এই মন্তব্য ব্রেকআপ জল্পনায় নতুন করে ঘি ঢেলেছে।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বদলে গেল আরিফিন শুভর ‘নীলচক্র’ সিনেমার নাম

প্রার্থনা ফারদিন দীঘি I ছবি: সংগৃহীত

ছোটবেলায় ভ্যালেন্টাইন কার্ড দিতাম : দীঘি

শাকিব খান ও শবনম বুবলী I ছবি: সংগৃহীত

ইন্ডাস্ট্রি ইউনিভার্সিটি হলে শাকিব প্রিন্সিপাল : বুবলী

যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা শর্মা I ছবি: সংগৃহীত
যিশুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত নীলাঞ্জনার?

দীর্ঘ দুই দশকের দাম্পত্য জীবনে ইতি টানছেন নীলাঞ্জনা শর্মা? শুক্রবার গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার দেওয়া এক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে এমনই জল্পনা তুঙ্গে। সরাসরি বিচ্ছেদের কথা উল্লেখ না করলেও, ‘কৃতজ্ঞচিত্তে এক অধ্যায় সমাপ্তি’র কথা জানিয়ে নীলাঞ্জনা বুঝিয়ে দিলেন, যিশু সেনগুপ্তর সঙ্গে তার সম্পর্কের সুতো সম্ভবত পাকাপাকিভাবেই ছিঁড়ল। পোস্টে নীলাঞ্জনা লিখেছেন, “অর্থহীন বলেই যে কোনো কিছু শেষ হচ্ছে, তেমন নয়। বরং সেটা থেকে যা শেখার ছিল, তার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে... এই অধ্যায় আমার মধ্যে সাহস, স্পষ্টতা এবং নিজের প্রতি গভীর আস্থা এনেছে।” মাতৃবিয়োগ ও ব্যক্তিগত ঝড়ের পর নিজেকে সামলে নিয়ে দুই মেয়ে সারা ও জারাকে আঁকড়ে নতুন জীবন শুরুর কথাও উঠে এসেছে তার লেখনীতে। নীলাঞ্জনার এই পোস্টে সমর্থন জানিয়েছেন অভিনেত্রী বরখা বিস্ত, যার নিজের জীবনেও ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন রয়েছে। মন্তব্য বক্সে নীলাঞ্জনার পাশে দাঁড়িয়ে বরখা লিখেছেন, “তোমার পরিস্থিতি আমি খুব ভালো করে বুঝতে পারছি। অসংখ্য শুভকামনা রইল।” টলিপাড়ার দুই নারীর এই ভার্চুয়াল মেলবন্ধন বুঝিয়ে দিচ্ছে, ব্যক্তিগত লড়াইয়ে তারা একে অপরের ‘চিয়ার লিডার’ হয়ে উঠেছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0
শবনম বুবলীI ছবি: সংগৃহীত

‘বেবি বাম্প’ স্পষ্ট, ফের মা হচ্ছেন বুবলী?

ছবি : সংগৃহীত

ওটিটিতে আলোচিত সেই সিনেমা, আরও যা দেখবেন

নতুন লুকে বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল মালাইকা অরোরা। ছবি: সংগৃহীত

নতুন লুকে মালাইকা, বয়স নিয়ে ‘অবিশ্বাস’ নেটিজেনদের

0 Comments