বিনোদন

৯, ২৪, ১০০০ : তারকাদের ছবির ওপর এই সংখ্যার রহস্য কী?

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২৭, ২০২৫ 0
৯, ২৪, ১০০০ : তারকাদের ছবির ওপর এই সংখ্যা। ছবি: সংগৃহীত
৯, ২৪, ১০০০ : তারকাদের ছবির ওপর এই সংখ্যা। ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েক দিন ধরে দেশের জনপ্রিয় নারী তারকাদের পোস্টে অদ্ভুত সব সংখ্যা নজর কাড়ছে। কারও ছবিতে লেখা ‘৯’, কারও ‘২৪’, আবার কারও ছবিতে জ্বলজ্বল করছে ‘১০০০’। হঠাৎ তারকারা কেন এসব সংখ্যা পোস্ট করছেন, তা নিয়ে কৌতূহল জেগেছে নেটিজেনদের মনে। অবশেষে জানা গেল এই সংখ্যার পেছনের আসল রহস্য।

 

মূলত ডিজিটাল সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন তারকারা। তারা একটি অভিনব প্রতিবাদী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন, যার নাম দেওয়া হয়েছে—‘মাই নম্বর, মাই স্টোরি’। তারকারা তাদের ছবির ওপর যে সংখ্যাটি লিখছেন, তা মূলত নির্দেশ করে—প্রতিদিন গড়ে কতবার তারা অনলাইনে হয়রানি বা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন।

গত ২৫ নভেম্বর এই আন্দোলনের সূচনা করেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। নিজের ছবিতে ‘৯’ লিখে তিনি জানান, প্রতিদিন অন্তত ৯ বার তিনি অনলাইনে হয়রানির শিকার হন। এ প্রসঙ্গে তিশা লেখেন, ‘সংখ্যা থেকে কণ্ঠস্বর, আসুন আমাদের গল্প সবার সামনে তুলে ধরি। তোমার নম্বরের গল্প বলো, আরও জোরে আওয়াজ তোলো। মানুষ হয়তো কেবল একটি সংখ্যা দেখতে পারছেন, কিন্তু আমি যা সহ্য করেছি এবং যা কাটিয়ে উঠেছি, তার সবই দেখতে পাচ্ছি।’

তিশার পর এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন শোবিজের আরও অনেক নারী তারকা। অভিনেত্রী রুনা খান তার ছবিতে লিখেছেন ‘২৪’, অর্থাৎ দিনে ২৪ বার তিনি বুলিংয়ের শিকার হন। শবনম ফারিয়ার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি আঁতকে ওঠার মতো—‘১০০০’। এ ছাড়া প্রার্থনা ফারদিন দিঘী ‘৩’, মৌসুমী হামিদ ‘৭২’, সাজিয়া সুলতানা পুতুল ‘৯’ এবং আশনা হাবিব ভাবনা ‘৯৯ প্লাস’ লিখে নিজেদের হয়রানির পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী রুনা খান। তিনি বলেন, ‘শুধু তারকা নয়, যেকোনো নারীই সামাজিকমাধ্যমে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গত দশ বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়া যত দ্রুত মানুষের হাতে পৌঁছেছে, তার সঠিক ব্যবহারবিধি অনেকেই শেখেনি।’

রুনা খান আরও যোগ করেন, ‘নারীরা কখনোই শতভাগ নিরাপদ ছিলেন না। তবে ৫ আগস্টের পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা প্রতিনিয়ত হয়রানি, অপমান ও কটূক্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।’

 

আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটাল সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ‘মাই নম্বর, মাই স্টোরি’ শীর্ষক এই অনলাইন ক্যাম্পেইনটি টানা ১৬ দিন চলবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
শাহরুখ খান I ছবি: সংগৃহীত
বিমানবন্দরে তল্লাশির মুখে শাহরুখ খান

ভারতের মুম্বাই বিমানবন্দরের ব্যস্ত টার্মিনালে হঠাৎ যেন থমকে গেল মুহূর্ত—ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, কৌতূহলী দৃষ্টি আর ফিসফাসে ভরে উঠল চারপাশ। কারণ মুম্বাই বিমানবন্দরে তল্লাশির মুখে পড়েছেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরে ঘটে এই ঘটনা। আর সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।   ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গতকাল ভোরের দিকে তাড়াহুড়ো করে বিমানবন্দরে প্রবেশ করছিলেন শাহরুখ। সে সময় তাকে দেখা যায় পুরো ডেনিম পোশাকে—মাথায় টুপি ও চোখে রোদচশমা পরা অবস্থায়। নিরাপত্তা চেকপোস্টে পরিচয়পত্র দেখানোর পরও কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে রোদচশমা খুলতে অনুরোধ করেন। নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে কোনো আপত্তি করেননি কিং খান। বরং শান্ত ও হাসিমুখে রোদচশমা খুলে নিরাপত্তা তল্লাশিতে সহযোগিতা করেন। তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন তিনি। এমনকি দায়িত্বে অবিচল থাকা এক নিরাপত্তারক্ষীর পিঠ চাপড়ে প্রশংসাও জানান বিদায়ের আগে। শাহরুখের এই বিনয়ী ও পেশাদার আচরণে মুগ্ধ হয়েছেন উপস্থিত নিরাপত্তাকর্মী ও যাত্রীরা। ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের মন্তব্য—এই কারণেই তিনি শুধু সুপারস্টার নন, মানুষের হৃদয়ের বাদশা। তবে ঠিক কোথায় যাচ্ছিলেন শাহরুখ খান—সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
দীপিকা পাড়ুকোন ও সাই পল্লবী। ছবি : সংগৃহীত

কঠিন শর্তের বেড়াজালে দীপিকা; ‘কল্কি’র সিক্যুয়েলে থাকছেন সাই পল্লবী!

তারেক রহমান I ছবি : সংগৃহীত

তারেক রহমানের প্রিয় সিনেমা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’

সাই পল্লবী I ছবি : সংগৃহীত

কল্কির সিক্যুয়েলে সাই পল্লবী

শবনম ফারিয়া। ছবি : সংগৃহীত
মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই স্পষ্টবক্তা অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা—সবই অকপটে শেয়ার করেন ভক্তদের সঙ্গে। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মাঝে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়ে গেল এই অভিনেত্রীর। ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে বাবার শান্ত স্বভাব এবং নিজের পরিবারের নারীদের ‘শাসন’ নিয়ে মজার এক স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।   আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে লড়ছেন মির্জা আব্বাস। সম্প্রতি তার নির্বাচনী প্রচারণার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওগুলো দেখেই ফারিয়ার উপলব্ধি—তার বাবার মতোই অসীম ধৈর্য এই রাজনীতিবিদের। ফারিয়া লিখেছেন, “গত কিছুদিন নির্বাচনী প্রচারের বিভিন্ন ভিডিওতে মির্জা আব্বাস সাহেবের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ছে।” কেন মির্জা আব্বাসের ধৈর্য তাকে বাবার কথা মনে করিয়ে দিল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ফারিয়া বেশ রসিকতার ছলে। তিনি জানান, তার বাবা ছিলেন ভীষণ ঠান্ডা স্বভাবের মানুষ, কিন্তু মা ছিলেন ঠিক তার উল্টো। দাদির কড়া শাসনে বড় হওয়া বাবার জীবন কেটেছে মা, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনে। ফারিয়া কৌতুক করে লেখেন, “আমি প্রায়ই হাসতে হাসতে বলি আমার বাবার তো জান্নাত অনেকটাই কনফার্মই। আমার বাবা এই দুনিয়ায় ৪১ বছর আমার মাকে, ৬২ বছর তার মাকে এবং পরবর্তীতে তার তিন কন্যাকে—এই ভয়ংকর ৫ মহিলাকে হাসিমুখে সহ্য করে গেছেন। তার শাস্তি তো দুনিয়াতেই শেষ, আর কী শাস্তি পাবে!” ফারিয়ার স্ট্যাটাসটি যে নিছকই মজা করে দেওয়া এবং এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মের কোনো গভীর যোগসূত্র নেই, তা মনে করিয়ে দিতেও ভোলেননি অভিনেত্রী। পোস্টের শেষলগ্নে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তার বিশেষ অনুরোধ, “আল্লাহ ওয়াস্তে এইটা নিয়ে নিউজ করবেন না। প্লিজ। আর দয়া করে ধর্মীয় কিছু রিলেট করবেন না, এইটা কোনো সিরিয়াস স্টেটমেন্ট না।” যদিও ফারিয়ার এই ‘নিউজ না করার’ অনুরোধই শেষ পর্যন্ত ভাইরাল নিউজে রূপ নিয়েছে। ভক্তরা তার রসবোধ এবং বাবাকে নিয়ে এমন মিষ্টি স্মৃতিচারণের প্রশংসা করছেন মন্তব্যের ঘরে।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0
পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর।

বিয়ের ১৪ বছর পর সাইফকে নিয়ে কোন অভিযোগ কারিনার?

জেনিফার উইঙ্গেট। ছবি: সংগৃহীত

জেনিফারের বিয়ের গুঞ্জন, করণ বললেন সস্তা প্রচার

নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও দিলশাদ নাহার কনা। ছবি: সংগৃহীত

কনা আমার শত্রু জানতামই না, ভক্তকে ন্যান্সি

প্রথমবার নাটকে জুটি বেঁধেছেন আলভী ও সিনথিয়া। ছবি: সংগৃহীত
প্রথমবার জুটি হলেন জাহের আলভী ও সিনথিয়া

ঈদের জন্য নির্মিত বিশেষ নাটক ‘হেট ইউ বউ’। রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই নাটকে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী এবং আদ্রিজা আফরিন সিনথিয়া। নতুন এই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় দেখার আগ্রহ ইতোমধ্যেই দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে।    নাটকটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন অনামিকা মন্ডল। পরিচালনায় রয়েছেন নাজমুল রনি। চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে আছেন শরীফ রানা। ঈদের বিশেষ বিনোদন হিসেবেই নাটকটি নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে হাসি, ভালোবাসা আর সম্পর্কের টানাপোড়েন উঠে আসবে হালকা ও উপভোগ্য ভঙ্গিতে।  নাটকটিতে সিনথিয়া অভিনয় করেছেন জাহের আলভীর গার্লফ্রেন্ডের চরিত্রে। কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি জানান, জাহের আলভীর সঙ্গে কাজ করে তার দারুণ লেগেছে। তিনি খুব সহযোগিতাপূর্ণ এবং প্রতিভাবান একজন অভিনেতা। ঈদে দর্শক এই নাটক দেখে আনন্দ পাবেন বলেই তার বিশ্বাস। অভিনয় ও মডেলিং নিয়ে নিজের ভাবনার কথাও জানান সিনথিয়া। তিনি বলেন, এই পেশাটাকে তিনি অনেক শ্রদ্ধা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করতে চান। সেই সঙ্গে সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেন তিনি।  সব মিলিয়ে, নতুন জুটি, হালকা গল্প আর ঈদের আমেজে নাটক ‘হেট ইউ বউ’ দর্শকদের বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন নাটকটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0
রাফসান সাবাব ও জেফার রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জেফারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাফসান

ছবি : সংগৃহীত

৩৬ বছর আগে মুখোমুখি হয়েছিলেন অক্ষয়-ঐশ্বরিয়া, কোন সিনেমার জন্য জানেন?

ফারাহ খান ও ঐশ্বরিয়া রায়। ছবি: সংগৃহীত

ঐশ্বরিয়া বলিউডের একমাত্র ন্যাচারাল বিউটি : ফারাহ খান

0 Comments