জাতীয়

সেনাপ্রধানের চেকিয়া ও স্লোভাকিয়া সফর

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৮, ২০২৬
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : সংগৃহীত
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : সংগৃহীত

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে চেকিয়া ও স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

 

রোববার (২৮ জুন) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে।

 

তাদের ফেইসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, এই সফরে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সেনাপ্রধান চেকিয়া ও স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
জুলাই অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ইস্যুতে সংসদে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব ও মাস্টারমাইন্ড নিয়ে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকারি দল বিএনপি এবং বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত উঠে এসেছে। রোববার (২৮ জুৃন) অধিবেশন চলাকালে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। অধিবেশনে বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের একটি বক্তব্যের সূত্র ধরে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্ধৃত করে বলেন, আন্দোলনের প্রধান নায়ক হিসেবে তারেক রহমানকে কৃতিত্ব দিয়ে শফিকুর রহমান নিজেই এর বুদ্ধিবৃত্তিক ও সফল নেতৃত্বের কথা স্বীকার করেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে বলেই আজ দেশ এই জায়গায় এসেছে, তাই বাজেট নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পরপরই এর প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে একক কোনো মাস্টারমাইন্ড বা মাস্টারমাইন্ডের ধারণায় তিনি বিশ্বাস করেন না। ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি এই অবস্থানে অনড় আছেন জানিয়ে বলেন, ওই সময় যাদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান সফল হয়েছে, তাদের সবাইকে জাতি অন্তর থেকে সম্মান ও ভালোবাসার চোখে দেখে। তাদের এই অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখা অত্যন্ত জরুরি। শফিকুর রহমান আরও বলেন, এর আগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলমকে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেই ঘটনার পরপরই তিনিই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন যে, আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড নেই। তিনি তার বক্তব্যে পুরো ক্রেডিট বা কৃতিত্ব দেশের তরুণ সমাজ এবং ১৮ কোটি জনগণের ওপর ন্যস্ত করেন। সংসদ অধিবেশনে এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসের দায়বদ্ধতা ও কৃতিত্বের দাবি নিয়ে দুই দলের ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের চিত্রই তুলে ধরেছে। এক পক্ষ যেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকা ও পরিকল্পনার কথা বলছে, অন্য পক্ষ সেখানে গণ-অভ্যুত্থানকে একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করে এর কৃতিত্ব সাধারণ ছাত্র-জনতার হাতেই রাখতে চাচ্ছে।

মারিয়া রহমান জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মা-বাবার ভরণপোষণ আইন সংশোধন করছে সরকার, আনা হচ্ছে কড়া বিধিনিষেধ

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : সংগৃহীত

সেনাপ্রধানের চেকিয়া ও স্লোভাকিয়া সফর

ছবি : পিএমও

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত
পুলিশে বড় রদবদল, বদলি-পদায়ন ২১ কর্মকর্তা

পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক রদবদল করেছে সরকার। অতিরিক্ত আইজিপি থেকে পুলিশ সুপার পর্যায়ের মোট ২১ জন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে সিআইডির নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।   রোববার (২৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।   প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকায় অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে এনএসআই থেকে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ টেলিকম, ঢাকায় পদায়ন করা হয়েছে। আর র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশ, ঢাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, প্রলয় চিসিমকে পিটিসি নোয়াখালীতে ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। সিআইডির ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিমকে এপিবিএন-এর এফডিএমএন কার্যালয়ে ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ ওসমান গণিকে পিটিসি রংপুরে ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইভাবে এসবির ডিআইজি একেএম মোশাররফ হোসেন মিয়াজীকে পিটিসি খুলনায় ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়।   পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামানকে র‍্যাবে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্ব) এ কে এম আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ অধিদপ্তরে একই পদে বদলি করা হয়।   ২য় এপিবিএন-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. কুতুব উদ্দিনকে পুলিশ অধিদপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। আর আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আল মামুনকে ২য় এপিবিএন-এর ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।   হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে পিএসটিএস বেতবুনিয়া, রাঙ্গামাটিতে কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানকে বিপিএ, সারদা, রাজশাহীতে পদায়ন করা হয়।   নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল ওয়ারীশকে পিটিসি রংপুরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীরকে পুলিশ অধিদপ্তরে পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জাহিদুর রহমানকে বিপিএ, সারদা রাজশাহীতে পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।   অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সালমা সৈয়দ পলিকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার ঝিনাইদহের কমান্ড্যান্ট পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।   পুলিশ টেলিকম ঢাকার পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।   স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১১৬ জন

ছবি: সংগৃহীত

৪৭ তম বিসিএসে ১,৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করল পিএসসি

ছবি: সংগৃহীত

সংসদে সুদমুক্ত অর্থব্যবস্থার প্রস্তাব জামায়াতের এমপি আজহারের

ছবি: সংগৃহীত
পাবনায় গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় প্রবাসী স্বামীর বিচার দাবিতে মানববন্ধন

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে গৃহবধূ পাপিয়া খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় তার প্রবাসী স্বামী হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।   রোববার (২৮ জুন) দুপুরে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, পাপিয়া দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।   নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, হুমায়ুন কবীরের একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল এবং এ নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তাদের দাবি, এসব ঘটনার জের ধরে পাপিয়াকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।   মানববন্ধনে নিহতের চাচা আব্দুল আজিজ অভিযোগ করেন, হত্যার অভিযোগে মামলা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি বলেন, দ্রুত মামলা গ্রহণ ও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।   এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত হুমায়ুন কবীরকে গ্রেপ্তার করে ৫৪ ধারায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন দুপুরে দোগাছী ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাপিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৮, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের শাস্তি দেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় সংসদ

আগস্টেই গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

বাজেটে ‘যাকাত’ শব্দ নেই, সুদভিত্তিক অর্থনীতি বাতিলের দাবি জামায়াতের এমপি মুজিবুর রহমানের

0 Comments