মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।
যাতে করে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সারা বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে কাজ করে যাচ্ছেন।
আজ শুক্রবার সকালে কালকিনি উপজেলার সিডি খান ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে চরফতে বাহাদুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী পরবর্তী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খোকন তালুকদার আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রাণ। তাকে নিয়ে আমাদের বিরোধী বন্ধুরা অহেতুক সমালোচনা করে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তারেক রহমানকে যদি বিতর্কিত করতে চান তাহলে আমরা মনে করবো আপনারা বাংলাদেশকে বিতর্কিত করলেন এবং আপনারা বাংলাদেশের শত্রু।
এসময় সিডি খান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরদার, পৌর বিএনপির সাধারণ কামাল হোসেন বেপারী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম হাওলাদার, যুবদল নেতা মামুন শিকদারসহ বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে যে পাঁচ স্থাপনা রয়েছে, সেগুলোর নাম পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভে সভা থেকে ‘ওয়াকআউট’ (বর্জন) করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের পাঁচ সদস্য। সোমবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে। সিনেট সভার চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের নামে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, সুলতানা কামাল হোস্টেল) পাঁচ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের জন্য সিনেট সদস্যদের মতামত আহ্বান করেন। এ সময় সিনেট সদস্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান এ সিদ্ধান্তটি সিন্ডিকেট কর্তৃক গৃহীত হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সিনেটের চেয়ারম্যান হয়নি বলে জানান। এ ক্ষেত্রে অধ্যাপক লুৎফর রহমান সিনেটের নিয়ম মোতাবেক কোনো সিদ্ধান্ত সিনেটে আসার আগে সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদনের জন্য আহ্বান জানান। তবে সে নিয়মকে উপেক্ষা করে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এদিনই সিনেট অধিবেশনে নেওয়া যায় কি না, সে দাবি জানান ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ। এস এম ফরহাদ বলেন, ফ্যাসিবাদের আইকনগুলো এখনো থাকায় সেই হলগুলোর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জায়গায় বঞ্চিত হচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন তিনি। ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম একটা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘স্মৃতিসৌধে শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা ফুল দিতে গেলে সেখানে পুলিশের সদস্যরা তাঁদের দৌড়ানি দেয় শুধু এ নাম দেখে। এরপর এই নাম দেখে ডিবেট ক্লাবে অনেকে ফান্ড না দেওয়ায় কার্যক্রম চালানো যায়নি। এর দ্বারা শিক্ষার্থীরা ভিক্টিমাইজড (ভুক্তভোগী) হচ্ছেন।’ এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিষয়টি সিন্ডিকেটে নিয়ে নিয়ম মোতাবেক পরিবর্তন করার কথা জানালে ডাকসু থেকে মনোনীত পাঁচ সদস্য ওয়াকআউট করেন। এই সদস্যরা হলেন ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ ও কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বুয়েটের সেকেন্ড ক্যাম্পাস পূর্বাচলে করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। জাতি গঠনে যেনো সবাই কনট্রিবিউট করতে হবে, সেই জায়গায় আমরা যাচ্ছি। শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বুয়েটের আউটপুট অনেক ভালো। আমার অফিসের সচিব বুয়েটের, এসপি বুয়েটের, যেখানে যাই সেখানেই বুয়েট। আমি সত্যিই আনন্দিত, এই বুয়েট শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে মেধা অবারিত রয়েছে। আমাদের দেশে জনসংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের যদি থাকারই জায়গা না থাকে তাহলে পড়াশোনা করবে কীভাবে? আমি আবরার ফাহাদের নামে বুয়েটে হল করার জন্য অনুরোধ করবো প্রধানমন্ত্রীর কাছে। শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
বুয়েনস আয়ার্স, রিও ডি জেনেইরো কিংবা গ্লাসগো নয়, হাজারো কিলোমিটার দূরের বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ফুটবল উন্মাদনাই জায়গা করে নিল বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার প্রেসিডেন্টর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাসের একটি ভিডিও নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের ম্যাচ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে খেলা উপভোগ করতে জড়ো হন হাজারো শিক্ষার্থী ও ফুটবলপ্রেমী। ব্রাজিলের গোল হতেই মুহূর্তেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে পুরো মিলনায়তন। হলুদ জার্সি, ব্রাজিলের পতাকা আর সমস্বরে উদযাপনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সুবাধে ফিফা প্রেসিডেন্টের নজরেও পড়ে। পরে তিনি সেটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন। বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে উচ্ছ্বাস, বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আবেগ, নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই পরিচিত উন্মাদনাকে ছাড়িয়ে দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ফুটবলপ্রেম পৌঁছে গেছে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দীর্ঘদিন ধরেই খেলাধুলাবান্ধব পরিবেশ ও সক্রিয় ক্রীড়া সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। বিশ্বকাপ কিংবা স্থানীয় খেলা সব ক্ষেত্রেই ক্যাম্পাসে তৈরি হয় আলাদা এক উৎসবমুখর আবহ। এবারের বিশ্বকাপেও ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের ম্যাচ ঘিরে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। এর আগেও ড্যাফোডিলের ফুটবল উন্মাদনা আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় এসেছে। ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার এক ভিডিওতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন এবং তার অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের প্রতি ম্যাচের উচ্ছ্বাসের একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মাধ্যম ও সাংবাদিকদের মধ্যে, যার মধ্যে রয়েছে ফক্স সকার, ইএসপিএন, মার্কা, টিওয়াইসি স্পোর্টস, দিয়ারিও ওলে এবং সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ড্যাফোডিলের ব্রাজিল সমর্থকদের ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, আমাদের এই সুন্দর খেলাটি আমাদের সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে দেয়। ফুটবল বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী সৌরভ বলেন, ফুটবল আমাদের কাছে শুধু একটি খেলা নয়, এটি আবেগ, পরিচয় এবং ভালোবাসার আরেক নাম। আমরা বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও আমাদের উচ্ছ্বাস ও সমর্থন আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল মঞ্চ পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। ফিফা সভাপতির মতো একজন ব্যক্তিত্বের নজরে আসা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য গর্বের বিষয়। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইভন বলেন, নেইমারের লাইক থেকে শুরু করে আজ ফিফা সভাপতির পোস্ট এসবই প্রমাণ করে বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতি কতটা প্রাণবন্ত। ফুটবলই আজ বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ ও ড্যাফোডিলকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। আমরা চাই, একদিন বিশ্বের সেরা ফুটবলাররাও বাংলাদেশের সমর্থকদের এই ভালোবাসার কথা জানুক। ফিফা সভাপতির ইনস্টাগ্রামে ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের উল্লাসের ভিডিও স্থান পাওয়াকে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের এই আবেগ, ভালোবাসা ও সমর্থনের গল্প আরও বড় পরিসরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।