সারাদেশ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নির্বাচনী জনসভা ও শোভাযাত্রা করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে কালীগঞ্জ শহরের নলডাঙ্গা ভুষণ হাইস্কুল মাঠে এ জনসভার আয়োজন করে কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

এর আগে দুপুরের পর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল সভাস্থলে আসতে শুরু করে। এসময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের হাতে হাতে প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন দেখা যায়। বিকাল ৫ টার আগেই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পদচারণায় ভূষণ বিদ্যালয়ের মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এসময় নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীক কাপ-পিরিচ হাতে নিয়ে সভায় অংশ নেন।

জনসভায় প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ছাড়াও তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস রহমান মিঠু সহ কয়েকজন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আমি কালীগঞ্জের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। এই জনপদের মানুষ আমার পাশে রয়েছে। আমি কালীগঞ্জের আপামর সাধারণ মানুষের প্রার্থী। আমার বিশ্বাস, কালীগঞ্জবাসী কাপ-পিরিচ প্রতীকে ভোট দিয়ে কালীগঞ্জের তৃণমূল জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমাকে সুযোগ দেবে।

এসময় তিনি তার নির্বাচনী জনসভায় আসার পথে হামলা চালিয়ে তিন সমর্থককে আহত ও বিভিন্ন স্থানে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেন।

জনসভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহরের জনতা ব্যাংক মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। মনোনয়ন না পেয়ে এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য বহিষ্কৃত সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা ভাষার সঙ্গে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না : বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ- এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আমি যে এ কথা বললাম, হয়তো দেখা যাবে- আমাকে ভারতের দালাল বানিয়ে ফেলা হবে। তবুও আমি বলব, এটা বলার জন্যই মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। এই ভূখন্ড তৈরি হয়েছে বলেই আমি মন্ত্রী হয়েছি। দেশকে ভালোবাসতে শুধু বক্তৃতা নয়, পরিশিলীত হতে হবে। তবেই বাংলা ভাষা রক্ষা করা যাবে। বিদ্যুৎমন্ত্রী মন্ত্রী বলেন, ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরেও আমাদের ভাষাকে সুরক্ষিত করতে পারিনি। এজন্য পারিনি যে আমরা ইতিহাসের ব্যাপারে যত্নবান ছিলাম না। যে জাতি তার নিজের ইতিহাস জানে না, সেই জাতি উন্নতি করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, আমরা নিজের ভাষাকে ঠিকমত জানার চেষ্টা করিনি বলে আমাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদ জন্ম নেয়নি। এই যে আজকালকার ছেলে-মেয়েরা বলে ইনকিলাব। ইনকিলাব তো অন্যদের ভাষা, যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। আমার রক্তক্ষরণ হয়। আমি নিজেকে মাথার চুল থেকে পা পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী মনে করি। সেজন্যই জীবন দিতে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। ছাত্রজীবনে সমাজ পরিবর্তনের জন্য রাজনীতি করতাম। ইনকিলাব, আজাদি যেটা আমাদের ভাষাই নয়, সেটিই আমাদের ছেলেদের ভাষা হয়ে গেছে। মন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষার যে ইতিহাস, অনেক কম ভাষারই এমন ইতিহাস আছে। নিজেকে ভালবাসুন; নিজের ভাষাকে ভালোবাসুন; নিজের যা, সবকিছুকে ভালোবাসুন। তাহলেই দেশ ঘুরে দাঁড়াবে। নিজের ভাষা, নিজের সংস্কৃতি আমাদের গড়তে হবে, কেউ গড়ে দিয়ে যাবে না। একুশে ফেব্রুয়ারি এলো; ফুল দিলাম; মায়ের ভাষায় গান গাইলাম; সভা সেমিনার করলাম; তারপর শেষ, তাহলে তো চলবে না। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ করুণা রানী সাহা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সান্তু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলাল ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। এর আগে শনিবার ভোররাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন মন্ত্রী।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জে ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

রাজশাহী সার্কিট হাউসে ভূমিমন্ত্রী।

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়াই সরকারের মূল লক্ষ্য : ভূমিমন্ত্রী

হাসিনা পারভীন মিনু
সড়কে মিলল আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা আওয়ামী লীগ নেত্রী হাসিনা পারভীন মিনুর (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা-ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসের সার্ভিস লেনের গাবতলী নামক স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, নিহত কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার কোরিকান্দি গ্রামের মহিউদ্দিন আহমেদের মেয়ে। তিনি ঢাকার শাজাহানপুর থানার শান্তিনগর এলাকার শান্তিবাগ বাজার গলি এলাকায় বসবাস করতেন। বুধবার সকালে পথচারীরা মরদেহটি দেখতে পেয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে ভাঙ্গা  থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। ভাঙ্গা থানার উপ পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, নিহত নারীর পরিচয় প্রথমে পাওয়া যায়নি। পরে প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্টের সাহায্যে তার পরিচয় সনাক্ত করা গেছে।  তিনি আরো বলেন, নিহত নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলিম জানান, নিহত নারীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী এক বছর আগে মারা গেছেন। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তার তিন ছেলে নিয়ে বসবাস করতেন। কিভাবে তার লাশ এখানে এলো এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য উদঘাটন করা যায়নি। যতটুকু জানা গেছে তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
মাহমুদুর রহমান মান্না। ফাইল ছবি

মান্নার জামানত বাজেয়াপ্ত, নেপথ্যে কী?

শপথ গ্রহণের পরপরই নিজ নির্বাচনী এলাকায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শপথ নিয়েই শহীদ ও আহতদের পাশে হাসনাত

ছবি : সংগৃহীত

বিজয়ী সংসদ সদস্যের হাতে ইশতেহার তুলে দিল পরাজিত প্রার্থী

ছবি : সংগৃহীত
টিসিবির তেলের কার্টনে মিলল পানির বোতল

রমজান উপলক্ষে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য টিসিবির সরবরাহ করা পণ্যের একটি চালানে তেলের পরিবর্তে পানি পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে। পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় টিসিবির তেলের কার্টন খুলে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে ৯ বোতল পানিভর্তি বোতল পাওয়া যায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালানটি গ্রহণ না করে ফেরত পাঠায়। গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সংলগ্ন এলএসডি গুদামে একটি ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের সময় এ ঘটনা ধরা পড়ে। ট্রাকটি দিনাজপুরের দশমাইল টিসিবি ডিপো থেকে বোদা উপজেলা এলএসডি গুদামে পণ্য সরবরাহের জন্য আসে। গুদাম সূত্রে জানা যায়, ট্রাক থেকে কার্টুন নামানোর সময় শ্রমিকদের কাছে ওজন নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে একটি কার্টন খুলে দেখা যায়, সেখানে ২ লিটার ধারণক্ষমতার ৯টি বোতল রয়েছে, যেগুলোতে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে পানি ভর্তি। বোদা উপজেলা এলএসডি গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল করিম সিদ্দিকী জানান, সন্দেহের ভিত্তিতে একটি কার্টন খোলা হলে তেলের বদলে পানির বোতল পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয় এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট চালান গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাকটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মাটিরাঙ্গায় ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, কৃষকের আয় বাড়ছে

ছবি : সংগৃহীত

আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে অফিস-আদালত

ছবি : সংগৃহীত

২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ

0 Comments