জাতীয়

ডেভিড ইমনের কাছ থেকে উদ্ধার ভারতীয় আধার কার্ড, নাম ‘আজহার খান’

আক্তারুজ্জামান জুলাই ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের কাছ থেকে ভারতের নাগরিক পরিচয়পত্র আধার কার্ড উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কার্ডে তার নাম ‘আজহার খান’ উল্লেখ রয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কার্ডে জন্মতারিখ হিসেবে ১২ মে ১৯৯৮ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এটি আসল নাকি জাল—সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আধার কার্ড হলো ভারতের ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) কর্তৃক ইস্যুকৃত ১২ সংখ্যার বায়োমেট্রিকভিত্তিক পরিচয়পত্র, যা দেশটিতে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবায় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

 

হত্যা মামলার তদন্তে গ্রেপ্তার: চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।

 

পরে ২২ জুলাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অস্ত্রের মজুত এবং সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।

 

যশোরে অভিযান; এসপি জানান, ধামা ইলিয়াছের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ জুলাই যশোর জেলার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমন (২৫), **আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫), মো. শামীম (২৮) ও মো. সাফায়েত হোসেন (২৪)**কে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে যশোর জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে।

 

একাধিক মামলার আসামি: প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

ফটিকছড়িতে অস্ত্র উদ্ধার: গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের পাইট্রাল টিলাপাড়ার একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি এবং আরও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডটির সত্যতা, এটি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে আন্তসীমান্ত অপরাধচক্রের কোনো সংযোগ আছে কি না—সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমাদের পরিচয়ের ক্ষেত্রে পাহাড়, সমতল, জাতি-গোষ্ঠী কিংবা ধর্ম কোনো বিভাজনের কারণ হতে পারে না, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, আমরা বাংলাদেশি।   তিনি বলেন, সকলের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে সাম্য, স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।    তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ধর্মই সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের কথা বলে। যার যার ধর্মীয় অনুশাসন যথাযথভাবে পালন করলে সমাজব্যবস্থা আরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হবে।   শুক্রবার রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।   ডেপুটি স্পিকার বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে এ বছরের দুর্গাপূজা ছিল অত্যন্ত উৎসবমুখর। এত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আগে কখনো এই দেশে পালিত হয়নি। এর অন্যতম কারণ বর্তমানে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আমরা ফিরে পেয়েছি, যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা মানুষের আইনি অধিকার এবং সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার কারণে সকলে পরিপূর্ণভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারছি।   বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ ও বিকশিত করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের সকল শ্রেণি, গোষ্ঠীকে একত্রিত করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এই দেশে ১০টি কালচারাল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার মধ্যে নেত্রকোণার দুর্গাপুরেও একটি কালচারাল একাডেমি রয়েছে। দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।    তিনি বলেন, আমরা কালচারাল একাডেমির কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করতে চাই। তিনি ‘ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬’-এর আয়োজকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, বনানী এলাকায় একটি কালচারাল একাডেমি এবং একটি গির্জা প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ শিগগিরই গ্রহণ করা হবে।    ডেপুটি স্পিকার বলেন, আসন্ন ২০২৬ সালের বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ২ কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিলেন।    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খ্রিষ্টান ধর্মের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তাদের উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করার জন্য আবেদনের চেয়ে ১ কোটি টাকা বেশি অর্থাৎ ৩ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।    কায়সার কামাল তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এমন একজন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বই দেখতে চায়, যিনি এভাবে সকল ধর্মের প্রতি, মানবতার প্রতি এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল থেকে প্রতিটি মানুষের অধিকারকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করবেন।    ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়ে আমরা একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেয়েছি। আমরা অতীতকে ভুলে সকলের অংশগ্রহণে আগামীতে এমন এক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই যেখানে প্রত্যেকের মানবিক মর্যাদা থাকবে, সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হবে।    গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী  করার জন্য, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য তিনি শ্রেণি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬’-এর নকমা জন দ্রং।    অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঢাকা ওয়ানগালার প্রাক্তন নকমা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক দীপঙ্কর রিছিল।    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর আবাসিক প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আন্দ্রিয় দ্রং, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ডা. মো. আনোয়ারুল কবির, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউর রহমান ফাহিম, বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান, ঢাকা কর অঞ্চল-৩-এর যুগ্ম কর কমিশনার কর্ণেলিউস কামা, নয়ানগর ক্রিশ্চিয়ান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি রিপন রিচার্ড সরদার, ঢাকার দ্য ক্রিশ্চিয়ান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট মাইকেল গোমেজ এবং গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি হেড বার্টিন গোমেজ।    মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার ‘ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬’- এর স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন।    আলোচনা পর্ব শেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।    উৎসবে গারো সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন নভেম্বর ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

ফাইল ছবি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৫৩৫

সংগৃহীত ছবি

মোটরসাইকেলসহ সব চালকের জন্য বিআরটিএর কড়া নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
ভবিষ্যতে দেশকে পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল।   তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’   আগামীকাল ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয়ভাবে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।   বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’   তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্ম ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদবাক্য প্রণিধানযোগ্য—‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। তাই সারাবেলা ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।   তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।   তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।   ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।   তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান—ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটাই। তা হলো, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ।   বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের এই ঐতিহাসিক দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।   ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। 

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ০৬, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

শ্রমিক আন্দোলনকে ঢাল বানিয়ে নাশকতার ছক, ঢাকায় ক্যাডার জড়ো

ছবি: সংগৃহীত

‘ফ্যাসিস্ট আমলের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি’, কৃষকদল নেতার অভিযোগ

ফাইল ছবি।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নির্ধারিত ৫১ মেডিকেল সেন্টার, প্রকাশ তালিকা

ছবি: সংগৃহীত
পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের উপস্থিতি ৮০ শতাংশ

টানা ৫ দিনের শ্রমিক আন্দোলন ও উত্তেজনার পর সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। খুলে দেওয়া হয়েছে অধিকাংশ তৈরি পোশাক কারখানা।    শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বন্ধের দিন থাকলেও বেশ কিছু কারখানায় শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। সকাল থেকেই সাভার হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মৌর এবং আশুলিয়ার নরসিংহপুর,বাইপাইল, জিরাবো, পুকুরপাড় এলাকায় শ্রমিকরা সারিবদ্ধভাবে কারখানায় যোগ দেয়। এ সময় সিকিউরিটি গার্ড তাদের আইডি কার্ড চেক করে। পাশাপাশি পুলিশও শ্রমিদের নজরদারিতে ছিল। দুপুর ১টা পর্যন্ত  কারখানাগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।   তবে বিভিন্ন কারখানার এইচআর ডিপার্টমেন্ট সূত্র জানা যায়, ৮০ শতাংশ শ্রমিক কাজে যোগদান করেছেন। তারা বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় এ উপস্থিত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে শনিবার থেকে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। উপস্থিতিও শতভাগ হবে।   সকালে ঢাকা-আরিচা ও আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত বেশ কিছু পোশাক কারখানা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি খুলে দেয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মস্থলে যোগ দিতে দেখা যায়। এখন পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।    পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা ও বাইপাইল–আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।   এদিকে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শিল্পাঞ্চলে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে বিজিবির ১৩ প্লাটুন সদস্য। এছাড়া দায়িত্ব পালন করছেন আটজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।   আশুলিয়া শিল্প পুলিশের এসপি মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বিগত কয়কদিন যা ঘটেছে তা শ্রমিক আন্দোলন নয় বরং ফ্যাসিস্টরা তাদের ব্যর্থ শক্তি প্রদর্শন করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে আন্দোলনের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। অতীতেও তারা পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে এবং পুলিশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।   শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার পর ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়াসহ আশপাশের শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। টানা শ্রমিক অসন্তোষের পর শিল্পাঞ্চল এখন শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বেশ কিছু কারখানা বন্ধ থাকায় নিরব পরিবেশ বিরাজ করছে আশুলিয়া ও সাভারে।   একজন গার্মেন্টস মালিক জানান, শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করেছিল। পতিত সরকারের দোসরা আত্মগোপনে থেকে এ সব ষড়যন্ত্র করছে বলে বিভিন্ন গোয়েন্দা তত্ত্বে উঠে এসেছে। জানুয়ারি মাসেই নতুন বেতন পাবেন শ্রমিকরা। মজুরি কমিশন বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই অনেক গামের্ন্টসের উৎপাদন শুরু হয়েছে।        কয়েকদিন ধরে ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ, ধাওয়া পালটা ধাওয়া ফলে সাভার-আশুলিয়ায় শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি ছিল থমথমে।   গত ৫ দিনে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সাভার ও আশুলিয়া থানায় ৭টি মামলায় কয়েক হাজার দুবৃর্ত্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৩৬ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতাররা কেউ শ্রমিক নন বলে জানান সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম।   ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামিমা পারভীন শিল্পী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকায় মজুরি কমিশন বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী জানুয়ারিতে ডিসেম্বরের শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির টাকা পাবেন।   শক্রবার বেশির ভাগ গামের্ন্টস শিল্প সপ্তাহিক বন্ধ থাকার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি  স্বাভাবিক রয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সব কারাগারে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৭ নির্দেশনা

ফাইল ছবি

হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

মানবিক মূল্যবোধ, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

0 Comments