আন্তর্জাতিক

রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ২, আহত ১৫

মোঃ নাহিদ হোসেন অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুই দেশের কর্মকর্তারা হতাহতের এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

রুশ নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের এক যাত্রী নিহত হন। ওই অঞ্চলের মস্কো নিয়োগ করা গভর্নর ইয়েভগেনি বালিৎস্কি এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সিমফেরোপোল থেকে মস্কোগামী বাসটিতে ৩১ জন যাত্রী ছিলেন। প্রিমোরস্ক শহরের কাছে বাসটি ড্রোন হামলার শিকার হয়। এতে একজন নিহত হন এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

বালিৎস্কি আরও জানান, যেসব যাত্রীর হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়নি, তাঁদের খাবার ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান।

 

অন্যদিকে, ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার হামলায় একজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন।

 

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, রাতভর ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এসব হামলায় স্থলভিত্তিক নির্ভুল নিশানার অস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

 

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, কিয়েভের প্রতিরক্ষা শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন অবকাঠামো, খারকিভ অঞ্চলের একটি সরবরাহকেন্দ্র এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর স্বার্থে ব্যবহৃত কয়েকটি জাহাজ হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। তবে এসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ফলাফল সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

 

রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা চলমান সংঘাতের মানবিক ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করেছে।

Tags

#Khobor71-#RussiaUkraineWar-#RussiaUkraine-#UkraineNews-#Kyiv-#Zaporizhzhia-#DroneAttack-#WarNews-#Russia-#Ukraine
Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
পদচ্যুতের শঙ্কা মাথায় নিয়েই ইরানে হামলার বিরোধিতা করেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির। তাঁর আশঙ্কা, এমন পদক্ষেপে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হতে পারে। পাশাপাশি ইসরায়েলের নির্বাচনও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।   ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের প্রস্তাবিত সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন জামির। এ অবস্থানের কারণে ভবিষ্যতে নেতানিয়াহু সরকার গঠন করতে পারলে তাঁকে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।   মঙ্গলবারের নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নিয়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মহলে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে এসেছে। চ্যানেল ১২ ও চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, নেতানিয়াহু পরবর্তী সরকার গঠন করলে জামির নিজে পদত্যাগ না করলে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারেন।   এর আগে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলা পুনরায় শুরু করতে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ দিয়েছিল ইসরায়েল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে সম্মতি দেননি। হামলা হলে ইসরায়েলের নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতৃত্বকে সতর্ক করেছিলেন জামির, এমন তথ্যও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।   তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পরিকল্পনার খবর অস্বীকার করেছেন। সোমবার কাটজ জানান, নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই ইসরায়েলের।   ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কা   চ্যানেল ১২ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে জামির আরও আলোচনা চেয়েছেন। একই সঙ্গে পদক্ষেপটির আইনি অনুমোদনসংক্রান্ত নেতানিয়াহুর স্বাক্ষরিত নথি দেখতে চেয়েছেন তিনি।   উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, জামির সতর্ক করেছিলেন যে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত পদক্ষেপকে ইরান ভুলভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। এর ফলে ইরান আগাম হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।   অন্যদিকে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান রোমান গোফম্যান প্রস্তাবিত পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের পক্ষে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   মোসাদের ভেতরেও মতপার্থক্য   ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজের পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার প্রস্তাব নিয়ে মোসাদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একাংশের বিরোধিতার মুখে পড়েছেন সংস্থাটির প্রধান রোমান গোফম্যান।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কর্মকর্তাদের উদ্বেগ হলো, ইরানে হামলার পরিকল্পনায় নিরাপত্তাগত বিবেচনার পাশাপাশি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক স্বার্থও ভূমিকা রাখতে পারে।   মোসাদ তাদের পরিচালনাগত কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে সংস্থাটি বলেছে, অভ্যন্তরীণ আলোচনা একটি প্রতিষ্ঠানের শক্তির উৎস, দুর্বলতার লক্ষণ নয়। তাদের দাবি, সংস্থাটি নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিবেচনার ভিত্তিতেই কাজ করে।   ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ইসরায়েলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এই মতপার্থক্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে, এমন কোনো তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

মোঃ নাহিদ হোসেন অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রতীকী ছবি

ডিভি লটারি পুনরায় চালু করতে ট্রাম্প প্রশাসনকে মার্কিন আদালতের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ২, আহত ১৫

ছবি : রয়টার্স

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল উৎপাদন নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম ওপেকের

ছবি: সংগৃহীত
ইরাকের উপকূলে জাহাজে আগুন

ইরাকের আল-ফাও উপকূল থেকে ৬৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে একটি জাহাজে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে।   সোমবার যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ইউকেএমটিও এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।   সংস্থাটি বলেছে, তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে জাহাজটিতে আগুন লাগার খবর পেয়েছে তারা।   তবে জাহাজটির নাবিকদের অবস্থা, ক্ষতির পরিমাণ কিংবা পরিবেশের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়েছে কিনা, তা এখনো জানা যায়নি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ আজ, ক্ষমতায় থাকছেন নাকি বিদায় নিচ্ছেন

ছবি: সংগৃহীত

পারস্য উপসাগরে তেল দূষণ দ্বিগুণ, হুমকিতে সামুদ্রিক প্রাণী-বিশুদ্ধ পানি

ছবি: সংগৃহীত

ভোট জালিয়াতির তথ্য দিলেই ১০ লাখ ডলার পুরস্কার, ঘোষণা ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা নিজেদেরই নিশ্চিত করতে হবে: মহসেন রেজাই

পশ্চিম এশিয়ার (মধ্যপ্রাচ্য) নিরাপত্তা এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে এবং যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ ঠেকাতে হবে বলে একমত হয়েছে ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।   তেহরানে চার দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকের পর ইরানের জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান এই কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সামরিক উত্তেজনা এড়াতে আলোচনার ওপর জোর দিয়েছে সৌদি আরব।   ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজাইর বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এক খবরে বলা হয়েছে, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর এই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।    মহসেন রেজাই বলেন, ইরানের জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরোধের কারণে এই অঞ্চলে এখন একটি নতুন ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।   তিনি বলেন, ইরানের জনগণের এই প্রতিরোধের সুফল দিন দিন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। চার দেশের কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, আঞ্চলিক সমস্যার সমাধান চার দেশের একসঙ্গে কাজ করার মধ্যেই নিহিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় নিরাপত্তাব্যবস্থা হতে হবে নিজস্ব এবং যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ অবশ্যই রোধ করতে হবে।   এদিকে, সোমবার তেহরানে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ভুক্ত দেশগুলোর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে ইরানের সঙ্গে পুনরায় সামরিক উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আলোচনার পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।   সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইরান যুদ্ধ’ নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অবদান রাখতে সংকটে জড়িত পক্ষগুলোর ইতিবাচক ও বাস্তবমুখী অংশগ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ’ অবসানে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকেও সমর্থন জানিয়েছে রিয়াদ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন ইরান ও কাতারের শীর্ষ নেতারা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচন: ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ‘জিহাদি’ বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রতীকী ছবি

. সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে মিসরের পার্লামেন্টের চূড়ান্ত অনুমোদন

0 Comments