জাতীয়

ভারতের বহুজাতিক বিমান মহড়ায় প্রথমবার অংশ নিল বাংলাদেশ

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ভারতের রাজস্থানের যোধপুর বিমানঘাঁটিতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের রাজস্থানের যোধপুর বিমানঘাঁটিতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর আয়োজনে বহুজাতিক বিমান মহড়া ‘তরঙ্গ শক্তি-২৬’-এ অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। ভারতের রাজস্থানের যোধপুর বিমানঘাঁটিতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বড় পরিসরের বহুজাতিক বিমান মহড়ায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন দেশের বিমানবাহিনীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।  

 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানায় বাংলাদেশস্থ ভারতীয় হাইকশিন। 

 

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্য এ অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এত বড় পরিসরের বহুজাতিক মহড়ায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন দেশের বিমানবাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়, পারস্পরিক শেখা এবং যৌথ অভিযানে সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 

মহড়ায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৯ সদস্যের একটি দল অংশ নেয়। এ দলে পাইলট ও কারিগরি সদস্যরা ছিলেন। এ ছাড়া আরও দুজন সদস্য পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেন।

 

তরঙ্গ শক্তি-২৬ মহড়ায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেয়। সব মিলিয়ে আটটি দেশের বিমান ও আকাশযান এ মহড়ায় যুক্ত ছিল। এ ছাড়া ৩২টি দেশের প্রতিনিধিরা পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

 

মহড়ায় প্রথমে ছোট পরিসরের বিমান অভিযান বা স্মল ফোর্স এনগেজমেন্টস (এসএফই) পরিচালনা করা হয়। পরে তা বড় পরিসরের অভিযান বা লার্জ ফোর্স এনগেজমেন্টসে (এলএফই) রূপ নেয়। এসব অভিযানে নেটওয়ার্কভিত্তিক পরিবেশে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪০টি উড়োজাহাজ অংশ নেয়। 

 

মহড়ায় অংশগ্রহণকারী বিমানবাহিনীগুলোকে প্রতিকূল আকাশসীমায় জটিল অভিযান পরিকল্পনা ও পরিচালনার অনুশীলন করতে হয়। এসব অনুশীলনে দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে আঘাত হানার সক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের (বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ-বিভিআর) হুমকি এবং দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (লং-রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স-এলআর-এডি) মোকাবিলার পরিস্থিতিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

এর আগে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘কোপ সাউথ’ ও ‘থান্ডার লাইটনিং’র মতো দ্বিপক্ষীয় মহড়ায় অংশ নিয়েছে। তবে একাধিক দেশের বিমানবাহিনীর সঙ্গে বৃহৎ পরিসরে সমন্বিত অভিযানে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে তরঙ্গ শক্তি-২৬ বাংলাদেশের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করেছে।

 

মহড়ার উড্ডয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। এ সময় যোগচর্চাসহ ভারতের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী অনুশীলন সম্পর্কে জানার সুযোগ পান তারা। পাশাপাশি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প পরিদর্শন করেন মহড়ায় অংশ নেওয়া সদস্যরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

সংগৃহীত ছবি
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাফল্য, ডিএমপির পুরস্কার পেলেন শ্রেষ্ঠরা

ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণকে পুরস্কৃত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।   মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের ৬ষ্ঠ তলার সম্মেলন কক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার।   পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম), অতিরিক্ত দায়িত্বে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) মো. ফারুক হোসেন। তিনি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় যারা শ্রেষ্ঠ হলেন তাদের নাম উপস্থাপন করেন।   সেপ্টেম্বর-২০২৬ মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে মিরপুর বিভাগ। মূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ থানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে মিরপুর মডেল থানা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আদাবর থানা এবং তৃতীয় স্থান উত্তরা-পশ্চিম থানা।   অপরদিকে, সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল বাসার মোল্যা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন।    শ্রেষ্ঠ এসআই ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মিরপুর থানার এসআই তারেক রহমান। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ডেমরা থানার এসআই কাকন মিয়া এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন কদমতলী থানার এসআই অশোক কুমার সরকার। এএসআইদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মোহাম্মদপুর থানার এএসআই মো. ইমদাদুল হক। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে পল্টন থানার এএসআই দুর্জয় বড়ুয়া এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই মোহাম্মদ মজলিশ মিয়া ।   গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে গোয়েন্দা-লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন গোয়েন্দা-লালবাগ বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ী চুরি প্রতিরোধ টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।   ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগ। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্টদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে মহাখালী-ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট আঞ্জুম আল হাসিব এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে এয়ারপোর্ট-ট্রাফিক জোনের মো. মারুফ রহমান ভূইয়া।   পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপির সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাra উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৪, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

ফাইল ছবি

দেশে ফেরা কর্মীদের পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী

ভারতের রাজস্থানের যোধপুর বিমানঘাঁটিতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতের বহুজাতিক বিমান মহড়ায় প্রথমবার অংশ নিল বাংলাদেশ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফাইল ছবি
সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি দোকান

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী সোমবার (১৯ অক্টোবর) সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অষ্টমী পূজা উপলক্ষে নেওয়া সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।   মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।   সংগঠনটির সভাপতি এনামুল হক খানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অষ্টমী পূজার দিন দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।    এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগামী ১৯ অক্টোবর সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সবার আন্তরিক সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৪, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

দেশের উন্নয়নে কৃষক ও কৃষিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

প্রতীকী ছবি

পাখি আমদানির নামে শত কোটি টাকা পাচার, বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

ফাইল ছবি

রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

দুই বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরাতে সৌদি সহায়তা চাইলেন শামা

সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আজ সৌদি আরবের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন জাফর আবিয়াহ আজ তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এ সময় তিনি এ অনুরোধ জানান বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।   প্রতিমন্ত্রী ওই হামলায় আহত বাংলাদেশিদের সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া চিকিৎসা ও সেবার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।   বৈঠককালে শামা সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি প্রকাশ করেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় শোক জানান।   তিনি উত্তেজনা প্রশমনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, উত্তেজনা নিরসন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সংলাপ ও কূটনীতিই হওয়া উচিত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পথ।   সৌদি রাষ্ট্রদূত এই কঠিন সময়ে সংহতি ও সমর্থন জানানোর জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।   বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টিও উঠে আসে। উলে¬খ্য, দেশটিতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস ও কাজ করছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ১৩, ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিরোধী দলকে নিয়েই সংবিধান সংশোধন চাই: সালাহউদ্দিন আহমদ

নতুন পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন-হাসনাত-আসিফ ও সারজিস

আল্লাহ আমাকে ভিসি হিসেবে নিয়োগ করাইছে তারেক রহমানকে দিয়ে

0 Comments