বিশ্ব

ভারত মহাসাগরে মিলল ৫৩ লাখ বছরের প্রাচীন তিমির জীবাশ্ম

মারিয়া রহমান জুন ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারত মহাসাগরের (Indian Ocean) তলদেশে বিশাল এক খোঁজ করলেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্বের বৃহত্তম ‘তিমির সমাধিক্ষেত্র’ (Whale Graveyard) আবিষ্কৃত হয়েছে এখন। চীনা বিজ্ঞানীদের এই ঐতিহাসিক আবিষ্কার থেকে জানা গেছে যে, লক্ষ লক্ষ বছর পুরোনো তিমির কঙ্কালে ভরা এই বিস্তৃর্ণ এলাকাটি এখন গভীর সমুদ্রে প্রাণী ও নতুন প্রজাতির আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক জার্নাল, ‘নেচার’ (Nature)-এ প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রকাশ করেছে যে, ভারত মহাসাগরের গভীরে আবিষ্কৃত তিমির সমাধিক্ষেত্রটি পৃথিবীর গভীরতম এবং এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে প্রাচীন। এর মধ্যে কিছু জীবাশ্মের বয়স প্রায় ৫৩ লক্ষ বছর।


ভারত মহাসাগরের গভীরে বিজ্ঞানীদের অভিযান


রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনা বৈজ্ঞানিকরা ‘ফেনদৌজে’ নামের একটি ছোট ডুবোজাহাজ ব্যবহার করে দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরে এই অভিযান চালিয়েছেন। এই সাবমেরিনটি গোটা ২০২৩ সালে জুড়ে মোট ৩২ বার গভীর সমুদ্রে ডুব দেয়। আর প্রতিটি অভিযান থেকে পাওয়া তথ্য এখন নেচার পত্রিকার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। তিমির এই অতিপ্রাচীন কঙ্কালগুলো পরিচিত অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমে ভারত মহাসাগরের ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। সমুদ্রের তলদেশের এই অঞ্চলটি ‘ডায়ামান্টিনা জোন’ (Diamantina Zone) নামে পরিচিত।


রোবটিক হাতের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা সমুদ্রপৃষ্ঠের ৭ কিলোমিটার গভীর থেকে ৫০০ টিরও বেশি তিমির হাড়ের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এত পরিমাণ কঙ্কাল বিস্মিত করেছে বিজ্ঞানীদের। তারা মনে করছেন ওই অঞ্চল জুড়ে প্রায় ১ কোটিও বেশি তিমির জীবাশ্ম রয়েছে।


হোয়েল ফল (Whale Fall) কী?

যখন একটি তিমি মারা যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই তার বিশাল দেহটি জলের নীচে ডুবে যায়। একেই বলে হোয়েল ফল। এই দেহগুলিই ঠান্ডা, অন্ধকার পরিবেশে থাকা সামুদ্রিক প্রাণীদের খাদ্যের উৎস হয়ে ওঠে। ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলটি তিমিদের শিকার ধরার একটি পছন্দের জায়গা হয়ে থাকতে পারে। তাছাড়া সমুদ্রের ওই অংশে একটি ‘ভি’ (V) আকৃতির খাদ রয়েছে, যার ফলে মৃতদেহগুলি সরাসরি তলদেশে গিয়ে একত্রিত হয়েছে।


এই গবেষণাপত্রের সহ-লেখক পেং ঝোউ জানিয়েছেন যে, স্বচক্ষে এই বিশাল ও প্রাচীন তিমির সমাধিক্ষেত্র দেখাটা সত্যিই তার কাছে এক অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা ছিল। সমুদ্রের নিষ্প্রাণ, অন্ধকার ও ঠান্ডা তলদেশে এই তিমির কঙ্কালগুলোকে ঘিরে শ্বাস নিচ্ছিল একটি প্রাণবন্ত বাস্তুতন্ত্র।


লক্ষ লক্ষ বছরের প্রাচীন এই কঙ্কালগুলোর মধ্যে বসবাসকারী অনেক বিচিত্র প্রাণীকে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে কিছু প্রজাতি সম্ভবত বিজ্ঞানের কাছেও নতুন। তিমির সমাধিক্ষেত্রে দেখা গেছে অনন্য প্রজাতির জেলিফিশ, ব্রিটল স্টার। এছাড়াও দেখা মিলেছে হাড়খেকো কৃমি এবং বাইভালভ নামের এক মোলাস্কের। জীবাশ্মগুলির মধ্যে একটি বিলুপ্ত তিমির প্রজাতিকেও খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যার নিদর্শন আগে কখনও পাওয়া যায়নি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান/ছবি: সৌদি প্রেস এজেন্সি
আমন্ত্রণের জন্য ম্যাক্রোকে ধন্যবাদ জানালেও অংশ নেবেন না সৌদি প্রিন্স

আগামী সপ্তাহে জি-৭ এর শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেলেও অংশগ্রহণ করবেন না সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রিন্স সালমান। তবে, সৌদি প্রিন্সের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির কারণে ওই বৈঠকে তিনি উপস্থিত থাকবেন না। গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ম্যাক্রোকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেওয়া চিঠিতে তিনি উপস্থিত না থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে সৌদি প্রেস এজেন্সি।  এদিকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পর্যটন গন্তব্য প্রচারকে কেন্দ্র করে সহযোগিতা বাড়ানো। চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন সৌদি আরবের পর্যটনমন্ত্রী আহমেদ আল-কাতাব এবং ফ্রান্সের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, বাণিজ্য, কারুশিল্প, পর্যটন ও ক্রয়ক্ষমতা বিষয়ক মন্ত্রী সার্গে পাপিন। জাতিসংঘ পর্যটন নির্বাহী পরিষদের ১২৬তম অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই চুক্তি হয় বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আরব নিউজ। ম্যাক্রো বুধবার (১০ জুন) বলেন, আগামী মঙ্গলবারের জি-৭ সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে হরমুজ প্রণালির বন্ধ হওয়ার বিষয়টি। এর মূল কারণ এই জলপথ বন্ধ থাকায় জ্বালানি দামের বৃদ্ধি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে “বাস্তব প্রভাব” ফেলছে। এছাড়া ইরানের সমঝোতা সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে। ম্যাক্রোকে দেওয়া চিঠিতে ক্রাউন প্রিন্স সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত এবং সম্মেলনের সফলতা কামনা করেন।

মারিয়া রহমান জুন ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

লস অ্যাঞ্জেলেসের উড়ল ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পতাকা

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি: ইরানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ফাইল ছবি

লোকসভায় মমতার দলের আরও এক সাংসদের দলবদল, বিধানসভায়ও বাড়ছে বিদ্রোহী

ছবি : সংগৃহীত
ভারত মহাসাগরে মিলল ৫৩ লাখ বছরের প্রাচীন তিমির জীবাশ্ম

ভারত মহাসাগরের (Indian Ocean) তলদেশে বিশাল এক খোঁজ করলেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্বের বৃহত্তম ‘তিমির সমাধিক্ষেত্র’ (Whale Graveyard) আবিষ্কৃত হয়েছে এখন। চীনা বিজ্ঞানীদের এই ঐতিহাসিক আবিষ্কার থেকে জানা গেছে যে, লক্ষ লক্ষ বছর পুরোনো তিমির কঙ্কালে ভরা এই বিস্তৃর্ণ এলাকাটি এখন গভীর সমুদ্রে প্রাণী ও নতুন প্রজাতির আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক জার্নাল, ‘নেচার’ (Nature)-এ প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রকাশ করেছে যে, ভারত মহাসাগরের গভীরে আবিষ্কৃত তিমির সমাধিক্ষেত্রটি পৃথিবীর গভীরতম এবং এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে প্রাচীন। এর মধ্যে কিছু জীবাশ্মের বয়স প্রায় ৫৩ লক্ষ বছর। ভারত মহাসাগরের গভীরে বিজ্ঞানীদের অভিযান রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনা বৈজ্ঞানিকরা ‘ফেনদৌজে’ নামের একটি ছোট ডুবোজাহাজ ব্যবহার করে দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরে এই অভিযান চালিয়েছেন। এই সাবমেরিনটি গোটা ২০২৩ সালে জুড়ে মোট ৩২ বার গভীর সমুদ্রে ডুব দেয়। আর প্রতিটি অভিযান থেকে পাওয়া তথ্য এখন নেচার পত্রিকার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। তিমির এই অতিপ্রাচীন কঙ্কালগুলো পরিচিত অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমে ভারত মহাসাগরের ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। সমুদ্রের তলদেশের এই অঞ্চলটি ‘ডায়ামান্টিনা জোন’ (Diamantina Zone) নামে পরিচিত। রোবটিক হাতের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা সমুদ্রপৃষ্ঠের ৭ কিলোমিটার গভীর থেকে ৫০০ টিরও বেশি তিমির হাড়ের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এত পরিমাণ কঙ্কাল বিস্মিত করেছে বিজ্ঞানীদের। তারা মনে করছেন ওই অঞ্চল জুড়ে প্রায় ১ কোটিও বেশি তিমির জীবাশ্ম রয়েছে। হোয়েল ফল (Whale Fall) কী? যখন একটি তিমি মারা যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই তার বিশাল দেহটি জলের নীচে ডুবে যায়। একেই বলে হোয়েল ফল। এই দেহগুলিই ঠান্ডা, অন্ধকার পরিবেশে থাকা সামুদ্রিক প্রাণীদের খাদ্যের উৎস হয়ে ওঠে। ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলটি তিমিদের শিকার ধরার একটি পছন্দের জায়গা হয়ে থাকতে পারে। তাছাড়া সমুদ্রের ওই অংশে একটি ‘ভি’ (V) আকৃতির খাদ রয়েছে, যার ফলে মৃতদেহগুলি সরাসরি তলদেশে গিয়ে একত্রিত হয়েছে। এই গবেষণাপত্রের সহ-লেখক পেং ঝোউ জানিয়েছেন যে, স্বচক্ষে এই বিশাল ও প্রাচীন তিমির সমাধিক্ষেত্র দেখাটা সত্যিই তার কাছে এক অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা ছিল। সমুদ্রের নিষ্প্রাণ, অন্ধকার ও ঠান্ডা তলদেশে এই তিমির কঙ্কালগুলোকে ঘিরে শ্বাস নিচ্ছিল একটি প্রাণবন্ত বাস্তুতন্ত্র। লক্ষ লক্ষ বছরের প্রাচীন এই কঙ্কালগুলোর মধ্যে বসবাসকারী অনেক বিচিত্র প্রাণীকে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে কিছু প্রজাতি সম্ভবত বিজ্ঞানের কাছেও নতুন। তিমির সমাধিক্ষেত্রে দেখা গেছে অনন্য প্রজাতির জেলিফিশ, ব্রিটল স্টার। এছাড়াও দেখা মিলেছে হাড়খেকো কৃমি এবং বাইভালভ নামের এক মোলাস্কের। জীবাশ্মগুলির মধ্যে একটি বিলুপ্ত তিমির প্রজাতিকেও খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যার নিদর্শন আগে কখনও পাওয়া যায়নি।

মারিয়া রহমান জুন ১৪, ২০২৬
ইলন মাস্ক

উল্কার গতিতে উত্থান: ৬ বছরে ৩৮ গুণ বাড়ল মাস্কের সম্পদ

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি: এপি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিরাপত্তার জন্য হুমকি: ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

সৌদিতে বসবাসে যুক্ত হলো নতুন শর্ত

ছবি : সংগৃহীত
কেনেডি সেন্টার থেকে সরানো হলো ট্রাম্পের নাম

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে। একটি ফেডারেল আদালতের নির্দেশের পর শনিবার এই কাজ সম্পন্ন করা হয়।   কেনেডি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা জানিয়েছেন, ভবন ও এর আশপাশে থাকা ট্রাম্পের নামসংবলিত সব সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ভবনের সামনের বড় অক্ষরে লেখা ট্রাম্পের নামও সরিয়ে ফেলা হয়।   গত মে মাসে বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার রায় দেন, কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প কেনেডি সেন্টার’ করা আইনসম্মত হয়নি। তিনি বলেন, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেবল মার্কিন কংগ্রেসের রয়েছে। তাই ট্রাম্পের নাম সরাতে প্রশাসনকে ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল।   ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর নিজেকে কেনেডি সেন্টারের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে তার সমর্থকদের নিয়ে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী ভবনের গায়ে ট্রাম্পের নামও যুক্ত করা হয়েছিল।   আদালতের রায়ের পর কেনেডি সেন্টারের ওয়েবসাইট থেকেও ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়। নাম অপসারণের কাজ দেখতে শুক্রবার রাত থেকেই ভবনের বাইরে অনেক মানুষ জড়ো হন।   এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে সময় বাড়ানোর আবেদন করলেও বিচারক তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, বেআইনি সরকারি সিদ্ধান্ত দীর্ঘায়িত করা জনস্বার্থের পরিপন্থী।   কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কয়েকজন শিল্পী তাদের নির্ধারিত অনুষ্ঠানও বাতিল করেছিলেন।  সূত্র : জিওনিউজ

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি উদ্যোগে থাকবে না ইসরাইল: নেতানিয়াহু

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজের কাছে ১৪১টি জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে সেন্টকম

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ৭০টির বেশি স্থাপনায় হামলার দাবি ইসরায়েলের

0 Comments