বিশ্ব

সরকার সব দাবি মেনেছে, আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা সিজেপির

মারিয়া রহমান জুলাই ২৫, ২০২৬
ছবি - সংগৃহীত
ছবি - সংগৃহীত

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দাবি করেছে, তাদের উত্থাপিত সব দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

 

 

শনিবার জন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থলে সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাংকা বলেন, দলের সব দাবি সরকার গ্রহণ করেছে। তাই আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ করে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করা হলো।

 

 

রাংকা বলেন, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি ও পরবর্তী কৌশল সম্পর্কে পরে দলের পক্ষ থেকে জানানো হবে।

 

 

এদিকে আরশোলাদের আন্দোলনের অন্যতম মুখ সোনম ওয়াংচুক দলের নেতা-কর্মীদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা শুরু থেকেই এই ইস্যু তুলে ধরে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।

 

 

অন্যদিকে আশুতোষ রাংকা বলেন, সিজেপির দাবিগুলো কোনোভাবেই চরমপন্থি ছিল না; বরং এগুলো ছিল সাধারণ ও মৌলিক দাবি। সরকারের সব দাবি মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্তে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি : সংগৃহীত
ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের সংঘর্ষে নিহত ৮১

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া তীব্র সংঘর্ষে অন্তত ৮১ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া লড়াইয়ে লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকা এবং তায়েজ অঞ্চলে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।   বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকার সামরিক কর্মকর্তা ও চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। তাদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে সরকারি বাহিনীর ৩৯ জন এবং হুথি যোদ্ধা ৪২ জন রয়েছেন। লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় সরকারি বাহিনীর ২৪ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক সামরিক কর্মকর্তা। তায়েজের অভ্যন্তরীণ এলাকায় আরও ১৫ সরকারি সদস্য নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছেন আরেক কর্মকর্তা। অন্যদিকে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকার চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তাদের অন্তত ৪২ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।   রকেট ও ড্রোন হামলা বৃহস্পতিবার ইয়েমেনে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হলে হুথি বাহিনী লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকা এবং তায়েজের কাছে রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়। এর পাশাপাশি তারা স্থল অভিযানও শুরু করে। সংঘর্ষের ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকা ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি সামরিক সূত্রের দাবি, হুথিরা গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখাকে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাব আল মান্দাব প্রণালির কাছাকাছি কৌশলগত এলাকায় অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে হুথিরা বলেও জানিয়েছে সরকারি সূত্র।   দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ ইয়েমেনে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। দেশটির সরকারি বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। সৌদি আরব সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথিদের সংঘাতের কারণে দেশটির রাজনৈতিক ও মানবিক পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই সংকটপূর্ণ। ২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতের প্রভাবে ইয়েমেনও আবার সরাসরি উত্তেজনার মধ্যে পড়ে। গত জুলাইয়ে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে এবং হুথিরা সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হওয়া আগের যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে দেয়। নতুন করে সংঘর্ষ বাড়ায় ইয়েমেনের পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও বাব আল মান্দাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছাকাছি সামরিক তৎপরতা বাড়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সূত্র: বাসস, এএফপি

মোঃ নাহিদ হোসেন সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৬
মার্কিন সিনেট। ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলকে বয়কট করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিল পাস

ছবি- সংগৃহীত

নেপালে ধসের ৯ দিন পর টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার ২ শ্রমিক

‘জু্ইশ পাওয়ার’ পার্টির নেতা ইতামার বেন-গভির।ছবি: রয়টার্স

৭ বছরের মধ্যে গাজার সব বাসিন্দাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ইসরায়েলি মন্ত্রীর

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় প্রস্তুত ভারত: জয়শঙ্কর

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে সহায়তা করতে ভারত প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। প্রয়োজন হলে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করতেও নয়াদিল্লি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কিয়েভ সফরকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জয়শঙ্কর বলেন, সংঘাতের অবসান ঘটাতে ভারত যেকোনো উপায়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহার সঙ্গে যৌথভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘ভারত কোনোভাবে সহায়তা করতে পারলে আমরা সেখানে আছি।’ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। বৈঠকে দুই মন্ত্রী রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার বিষয়েও আলোচনা করেন। বর্তমানে ইউক্রেন সফরে রয়েছেন জয়শঙ্কর। সফরে তিনি ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা এবং পোল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী রাদোস্লাভ সিকোরস্কির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরটির মূল লক্ষ্য দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা। পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করাও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। এদিকে জয়শঙ্করের কিয়েভ সফরের আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত সোমবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মোদি বলেন, ‘ভারত শান্তির সব প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও তা করে যাবে।’ তিনি বলেন, যুদ্ধের প্রতিটি দিন মানবতাকে পিছিয়ে দেয়। বিপরীতে শান্তির দিকে নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ মানুষের মধ্যে নতুন আশা ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। মোদি আরও বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই অন্তহীন যুদ্ধ থেকে সরে এসে যুদ্ধের অবসানের দিকে এগোতে হবে।’ দ্রুত সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গান্ধী ও বুদ্ধের ভূমি ভারতের বার্তা একটাই—শান্তির পথ। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে অনুষ্ঠেয় ১৮ তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পুতিনের ভারত সফরের কথা রয়েছে। সেখানে দুই নেতার আবারও বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৬
ছবি: রয়টার্স

রোহিঙ্গাদের অস্তিত্ব অস্বীকার করেই প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি মিয়ানমারের

ছবি: সংগৃহীত

হোটেল না পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে ফুটপাতেই রাত কাটাচ্ছেন বাংলাদেশি রোগীরা

বসনিয়া সীমান্তে আটকদের একাংশ। ছবি : সংগৃহীত

অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে বসনিয়ায় ৩৬ বাংলাদেশিসহ আটক ৯৬

ব্রনওয়েন জেমস। ছবি: সংগৃহীত
কিশোর ছাত্রের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে ব্রিটিশ শিক্ষিকা বিচারের মুখে

উইম্বলডন দেখার সময় এক কিশোর ছাত্রের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সী ব্রিটিশ জিম শিক্ষিকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান ও নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার তার শুনানিতে প্রসিকিউটররা ঘটনার বর্ণনা দেন। তারা জানান, ব্রিটিশ জিম শিক্ষিকা উইম্বলডন দেখার সময় তার কিশোর ছাত্রের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। ওই ছাত্র তাকে ‘মিস’ বলে সম্বোধন করত। কিন্তু অভিযুক্ত সেই সম্মান রক্ষা করতে পারেননি।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী ব্রনওয়েন জেমস ১৬ বছর বয়সী ছাত্রের সঙ্গে ‘প্রেমপূর্ণ’ সম্পর্ক শুরু করেন। পরে গোপনে স্ন্যাপচ্যাটে মেসেজ পাঠিয়ে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।   উইনচেস্টার টাউন কোর্টে ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের (সিপিএস) যুক্তি অনুসারে, ছাত্রটি আরও দাবি করেছে যে অভিযুক্ত নারী চাইতেন তারা যখন একা থাকতেন, তখন সে তাকে ‘মিস’ বলে ডাকুক।   সিপিএস দাবি করেছে, উইল্টশায়ারের এই শিক্ষিকা কিশোরটির সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। আর এ কাজে ছাত্রকে প্ররোচিত করতে মিথ্যা আশ্বাস দেন। আশ্বাসটি এমন ছিল, তিনি ওই ছাত্রকে ‘ভালোবাসেন’ এবং একসঙ্গে ‘অন্যত্র চলে যেতে’ চান।   ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনের বিটার্ন পার্ক স্কুলে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন জেমস এই কাজ করেন।   প্রসিকিউটর এডওয়ার্ড কালভার বলেন, জেমস নিয়মিত ক্লাসের সময় ছাত্রদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন। তখনই ছেলেটি প্রথমবার তার স্ন্যাপচ্যাট হ্যান্ডেলে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে জানায়। প্রথমে অভিযুক্ত তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।   কালভার আদালতকে বলেন, ‘তিনি প্রথমে স্ন্যাপচ্যাটে তাকে যুক্ত করার চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করলেও পরে তা করতে রাজি হন।’   প্রসিকিউটররা বলেন, ‘তারা একে অপরকে মেসেজ করা শুরু করে। মেসেজগুলো প্রেমমূলক হয়ে ওঠে। তারা দুজন দেখা করে। তারা গাড়িতে একে অপরকে চুম্বন করে।’ এক পর্যায়ে জেমসের বাড়িতে ওই ছাত্রকে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে টিভি দেখার ভান করলেও পরে দুজন শারিরীক সম্পর্কে জড়ায়।   ভুক্তভোগী ছাত্রের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে প্ররোচিত করে শারিরীক সম্পর্ক করেন।   তবে জেমস অভিযোগগুলো অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি মামলা চালিয়ে যাবেন। মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে আদালতে প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন করতে প্রস্তুত।   সূত্র: দ্য সান ও নিউইয়র্ক পোস্ট

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাজি ধরে ১৩ বিলিয়ন ডলারে ‘হাগিং ফেস’ কিনছে এনভিডিয়া

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলা এখনো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয় : ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

ডেনমার্কে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া, গোয়েন্দা সতর্কতা

0 Comments