টেলিকম ও প্রযুক্তি

টেক্সট লিখেই ভিডিও এডিট করা যাবে, নতুন আপডেট অ্যাডোবির

মো: দেলোয়ার হোসাইন ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ভিডিও টুল ফায়ারফ্লাইয়ে বড় ধরনের আপডেট এনেছে অ্যাডোবি। নতুন এই আপডেটের মাধ্যমে এখন ব্যবহারকারীরা শুধু টেক্সট লিখে ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশে পরিবর্তন আনতে পারবেন। পুরো ভিডিও নতুন করে তৈরি করার দরকার হবে না।

 

টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের সংস্করণে কোনো পরিবর্তন করতে হলে ভিডিও আবার শুরু থেকে তৈরি করতে হতো। নতুন এডিটরে সেই সীমাবদ্ধতা দূর করা হয়েছে। এখন রং পরিবর্তন, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল ঠিক করা কিংবা ভিডিওর ভেতরের কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বদলানোর মতো কাজ সহজেই করা যাবে।

নতুন এডিটরে একটি টাইমলাইন সুবিধাও যোগ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ফ্রেম, অডিওসহ ভিডিওর বিভিন্ন কারিগরি দিক আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

অক্টোবরে পরীক্ষামূলকভাবে (প্রাইভেট বেটা) চালু হওয়া এই এডিটর এখন সবার জন্য উন্মুক্ত করেছে অ্যাডোবি। একই সঙ্গে ফায়ারফ্লাইয়ে যুক্ত করা হয়েছে অন্য প্রতিষ্ঠানের কিছু এআই মডেলও। এর মধ্যে রয়েছে ছবি তৈরির জন্য ফ্লাক্স.২ এবং ভিডিওর মান বাড়িয়ে ১০৮০পি ও ৪কে করার জন্য অ্যাস্ট্রা।

 

এছাড়া ফায়ারফ্লাই ভিডিওতে আরও উন্নত ক্যামেরা মুভমেন্টের সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। নতুন এই আপডেট ভিডিও নির্মাতাদের কাজ আরও সহজ ও দ্রুত করবে বলে মনে করছে অ্যাডোবি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

টেলিকম ও প্রযুক্তি

আরও দেখুন
ফেসবুক | ছবি: সংগৃহীত
ফেসবুকে আসছে বড় পরিবর্তন, ঘোষণা মেটার

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ফেইসবুকে আমূল পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছে এর মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (এআই) প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   মেটার এক সাম্প্রতিক ব্লগ পোস্টে জানানো হয়েছে, নতুন এই এআই ফিচারগুলো ফেইসবুকে তথ্য খোঁজা, কনটেন্ট তৈরি এবং যোগাযোগের ধরনকে পুরোপুরি বদলে দেবে। বদলে যাচ্ছে সার্চ পদ্ধতি নতুন পরিবর্তনের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ফেইসবুকের ‘এআই মোড’। এর ফলে ফেইসবুকে কোনো কিছু খোঁজার চিরাচরিত পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসবে। এখন থেকে কোনো তথ্য পেতে ব্যবহারকারীদের শত শত পোস্ট স্ক্রল করতে হবে না; বরং সাধারণ ভাষায় প্রশ্ন করলেই ‘মেটা এআই’ পাবলিক পোস্টগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি উত্তর জানিয়ে দেবে। তবে ব্যবহারকারীদের পোস্টের ওপর ভিত্তি করে এই সারাংশ তৈরি হওয়ায় এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা। ভিডিও এডিটিং ও এআই ফটো প্রিসেটে চমক ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের সৃজনশীলতা বাড়াতে মেটা নিয়ে এসেছে নতুন ভিডিও এডিটিং টুলস। এর পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে ‘এআই ফটো প্রিসেট’ নামক একটি বিশেষ ফিচার। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের ছবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পোশাক, চুলের স্টাইল এবং চেহারার ধরনে বৈচিত্র্য আনতে পারবেন। এর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে স্থির ছবিকে সচল করতে ‘অ্যানিমেটেড প্রোফাইল ফটো’ ফিচারও চালু করেছিল মেটা। এদিকে, ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশেষ কিছু ফিচারের ঘোষণা দিয়েছে মেটা। এজন্য তারা বিভিন্ন ব্রডকাস্টার, ফুটবল দল, খেলোয়াড় এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে। ফলে বিশ্বকাপের সময় ফেইসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ফুটবল বিষয়ক বিশেষ ইন্টারেক্টিভ ফিচার উপভোগ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৬, ২০২৬
এআই জেনারেটেড ছবি

অফিসের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ৫টি সেরা এআই টুল

ছবি : সংগৃহীত

ইনভার্টার নাকি সাধারণ এসি—কোনটি কিনলে লাভ বেশি?

ফ্রিজ নষ্ট হওয়ার আগে দেয় ৫ সতর্ক সংকেত, বেশিরভাগ মানুষই অবহেলা করেন

সংগৃহীত ছবি
কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে বাংলালিংক

৯ মাসের সহজ কিস্তিতে নির্দিষ্ট মডেলের স্মার্টফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে বাংলালিংকের ডিজটাল প্ল্যাটফর্ম টেকভ্যান। এ অফারের আওতায় ‘টেকনো স্পার্ক ৫০’ ও ‘টেকনোস্পার্ক গো থ্রি’ মডেলের দুটি স্মার্টফোন কিস্তিতে কেনার পাশাপাশি এক বছরের ডেটা-বান্ডেল বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন ক্রেতারা। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলালিংক। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলালিংকের যেকোনো গ্রাহক ফোনগুলো কিনলে এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে ৮০ গিগাবাইট ইন্টারনেট, ৮০০ মিনিট টকটাইমসহ জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। দেশের যেকোনো প্রান্তে থাকা টেকনো রিটেইল আউটলেট এবং বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে স্মার্টফোন দুটি কেনা যাবে। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, দেশে ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের পথে স্মার্টফোনের দাম এখনো বড় একটি বাধা। টেকভ্যানের মাধ্যমে সহজ কিস্তি সুবিধা ও বান্ডেল অফারের সাহায্যে আমরা স্মার্ট ডিভাইস এবং ডিজিটাল সংযোগ আরও সহজলভ্য করে তুলতে কাজ করছি। টেকনো স্পার্ক গো থ্রি মডেলের স্মার্টফোন কিনতে গুনতে হবে ১৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। আর টেকনো স্পার্ক ৫০ মডেলের ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

মারিয়া রহমান মে ২৫, ২০২৬
ফাইল ছবি

মেয়েদের ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার প্রসঙ্গে যা বললেন ইলন মাস্ক

অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ফাইল শেয়ারিং আরও সহজ করতে নতুন ফিচার চালু করছে গুগল।

অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোনে সরাসরি ফাইল শেয়ারের সুবিধা চালু

ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ছাড়াই শীতল বাতাস, নতুন প্রযুক্তিতে চমক সউদী বিজ্ঞানীদের

ছবি: সংগৃহীত
খবর পেতে মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে ঝুঁকছে, জরিপে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রে অনেক এলাকায় স্থানীয় সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে মানুষ খবর পাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইনফ্লুয়েন্সার ও পরিচিতদের ওপর বেশি নির্ভর করছে— নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির মেডিল লোকাল নিউজ ইনিশিয়েটিভের এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। জরিপ বলছে, যেসব এলাকায় কোনো স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নেই, সেসব জায়গার ৫১ শতাংশ মানুষ স্থানীয় খবর পায় অ-পেশাদার উৎস থেকে। অর্থাৎ ফেসবুক গ্রুপ, বন্ধু-পরিবার, ইনফ্লুয়েন্সার বা সার্চ ইঞ্জিনই এখন অনেকের প্রধান তথ্যের উৎস হয়ে উঠেছে। প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ থেকে স্থানীয় খবর দেখে এবং ৪১ শতাংশ মানুষ স্থানীয় টিভি সংবাদ দেখে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই এলাকাগুলোর মানুষ মনে করে তারা খবরের অভাবে ভুগছে না। নিউজ ডেজার্ট অর্থাৎ যে এলাকায় সংবাদমাধ্যম কম, সেসব এলাকায় ৪৯ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন স্থানীয় খবর দেখে, আর যেখানে সংবাদমাধ্যম আছে সেখানে এই হার ৫৩ শতাংশ। অর্থাৎ মানুষ খবর দেখছে ঠিকই, কিন্তু তা সব সময় যাচাই করা সাংবাদিকতার মাধ্যমে নয়। গবেষকরা বলছেন, এখানেই বড় ঝুঁকি। মানুষ বুঝতে পারছে না যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবর তারা পাচ্ছে না। আর যাচাই করা সাংবাদিকতা না থাকলে স্থানীয় সরকার বা ক্ষমতাবানদের ওপর নজরদারি কমে যেতে পারে। জরিপে আরও দেখা গেছে, যেসব এলাকায় স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নেই সেখানে মানুষের সংবাদমাধ্যমের প্রতি আস্থা কম। সংবাদসমৃদ্ধ এলাকায় প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ স্থানীয় সংবাদে আস্থা রাখে, কিন্তু নিউজ ডেজার্ট এলাকায় এই হার মাত্র ৪৬ শতাংশ। সাংবাদিকদের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগও কমে গেছে। গত ২০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪০ শতাংশ সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ কোটি মানুষ এখন স্থানীয় সংবাদে সীমিত সুযোগ নিয়ে বসবাস করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় সাংবাদিক না থাকলে ভুল তথ্য দ্রুত ছড়াতে পারে এবং নাগরিক অংশগ্রহণ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মানুষ খবর পাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু যাচাই করা সাংবাদিকতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে—এটাই এই গবেষণার বড় সতর্কবার্তা। তথ্যসূত্র : পয়েন্টার

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

অনুবাদে গুগলকে টেক্কা দিতে চ্যাটজিপিটির নতুন ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত

হোয়াটসঅ্যাপে নতুন সিকিউরিটি ফিচার

প্রতীকী ছবি : এআই

বিভিন্ন রোগের নতুন চিকিৎসার পথ খুলবে গুগলের নতুন এআই টুল

0 Comments