প্রবাসী

প্রবাসীদের নিয়ে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২২, ২০২৬


আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি।

পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লিখেন, “আসন্ন নির্বাচনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনি আপনার ভোটাধিকার ইনশাআল্লাহ প্রয়োগ করবেন। দেশে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য এদিন আপনি দুটি মূল্যবান ভোট প্রদান করবেন। একটি— ৫৪ বছরের ঘুণে ধরা শাসনব্যবস্থা, দুর্নীতি ও দুঃশাসনে দেশকে ডুবিয়ে দিয়েছে—তার সংস্কারের জন্য গণভোট। সংস্কার ও পরিবর্তন চাইলে আপনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন।”

‘দ্বিতীয়টি—ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক, দুর্নীতি ও দুঃশাসনবিরোধী, জনআকাঙ্ক্ষাভিত্তিক একটি বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে। সকল প্রকার দুর্নীতি ও দুঃশাসনের সঙ্গে যাদের সম্পর্ক রয়েছে, তাদের প্রত্যাখ্যান করুন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে সকলেরই ভোট চাওয়ার অধিকার আছে। বেশি দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই—২৪-এর জুলাই-পরবর্তী কার্যক্রম বিবেচনায় নিলেই ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে। আপনার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীক অবশ্যই আপনি বেছে নেবেন।’

সবশেষে জামায়াতে আমির প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেন, ‘মনে রাখবেন, ভোট শুধু আপনার অধিকার নয়; দেশ ও জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য এটি আপনার পবিত্র দায়িত্ব।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
দুবাই ভিসার মেয়াদ বাড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

দুবাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি(ভিসা এক্সটেনশন) নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সপ্তাহখানেকের মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।   বৃহস্পতিবার(১৬ জুলাই) দুপুরে সিলেটের ইসকন মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ের শ্রমবাজার নিয়ে কোনো ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে কি না, সেটিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করছে। পাশাপাশি বিশ্বের যেসব দেশে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব দেশের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে।   চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিষয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতিতে বিশ্বাস করে। তাই চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।   এর আগে আলোচনা সভা শেষে প্রদীপ প্রজ্বলন ও ফিতা কেটে রথযাত্রা মহোৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, ইসকন সিলেটের নেতা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আবহা বিমানবন্দরে হামলার প্রভাব, সৌদিতে বাতিল হচ্ছে একের পর এক ফ্লাইট

সৌদি প্রবাসীদের সরকারি লোগো ব্যবহারে সতর্ক করল জেদ্দা কনস্যুলেটের

ছবি: সংগৃহীত

সৌদির কারখানায় মেশিন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি কর্মীর

ছবি: সংগৃহীত
দেশে ফেরা হলো না ইতালিপ্রবাসী ফখরুলের, বিমানে অসুস্থ হয়ে জর্জিয়ায় মৃত্যু

দীর্ঘ সাত বছর ইতালিতে কর্মজীবন শেষে পরিবারের কাছে ফেরার উদ্দেশ্যে দেশে রওনা দিয়েছিলেন মৌলভীবাজারের ফখরুল ইসলাম। কিন্তু সেই ফেরা আর হলো না। বাংলাদেশে আসার পথে বিমানে অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরি অবতরণের পর জর্জিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।   নিহত ফখরুল ইসলাম মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর এলাকার মহুবন্দ গ্রামের বাসিন্দা এবং আবদুল অকিদের ছেলে।   পারিবারিক সূত্র জানায়, টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ইতালি থেকে দেশে ফিরছিলেন ফখরুল। যাত্রাপথে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পাইলট জরুরি ভিত্তিতে জর্জিয়ায় বিমান অবতরণ করান। পরে দ্রুত তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। গত সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।   ফখরুলের মামা লাল মিয়া জানান, সোমবার রাতেই তারা মৃত্যুর খবর পান। বর্তমানে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।   ফখরুলের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর শোকের ছায়া নেমে আসে মহুবন্দ গ্রামে। স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে। পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘদিন প্রবাসে পরিশ্রম করা এই তরুণের এমন আকস্মিক মৃত্যু স্থানীয়দেরও মর্মাহত করেছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি দুই ভাই

ছবি: সংগৃহীত

যেভাবে হজে যেতে পারবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে নতুন নীতিমালা, বদলে যাচ্ছে কোটা অনুমোদনের প্রক্রিয়া

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য সৌদির নতুন ভিসা সুবিধা

বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা-সংক্রান্ত নতুন উদ্যোগ চালু করেছে সৌদি আরব। দেশটি জানিয়েছে, সদ্য চালু হওয়া সমন্বিত ভ্রমণ প্যাকেজের সুবিধা প্রাথমিক পর্যায়ে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।   এর ফলে সৌদি আরবে ভ্রমণ আরও সহজ হবে।   শুক্রবার (১০ জুলাই) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই কর্মসূচির আওতায় একটি সমন্বিত ভ্রমণ বুকিংয়ের অংশ হিসেবে ভ্রমণকারীরা ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা পাবেন।   প্রাথমিক পর্যায়ে মিশর, জর্ডান, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর নাগরিকরা এ সুবিধা পাবেন। সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তীতে আরও বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।   এই প্যাকেজের আওতায় একটি বুকিংয়ের মাধ্যমেই পুরো ভ্রমণের ব্যবস্থা সম্পন্ন করা যাবে। এর মধ্যে রিটার্ন ফ্লাইট, অনুমোদিত পর্যটন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।   ফলে আলাদাভাবে ভিসার আবেদন জমা দেওয়া বা সৌদি দূতাবাসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।   মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যাকেজ কেনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে ভিসা ইস্যু করা হবে। অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে বুকিং করার পর ভ্রমণকারীরা ই-মেইলে তাদের ভিসা, ভ্রমণ বীমা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়ে যাবেন। বর্তমানে রিজারভাল ও আলমোসাফ নামে দুটি ট্রাভেল এজেন্সি এ পরিষেবা দেওয়ার অনুমতি পেয়েছে।   ভিসাটির মেয়াদ হবে তিন মাস। এ ভিসায় একবার প্রবেশ করা যাবে এবং দুই দিন থেকে ৮৮ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে থাকার অনুমতি থাকবে।   গালফ নিউজ জানিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রথম দুই দিনের সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার সৌদি রিয়াল। এরপর প্রতি অতিরিক্ত দিনের জন্য ১ হাজার সৌদি রিয়াল যোগ হবে। ভিসা প্রদান ও ভ্রমণ বীমাসহ মোট ভিসা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০২ দশমিক ২১ সৌদি রিয়াল। ভ্রমণকারীরা চাইলে বুকিংয়ের সঙ্গে ইভেন্টের টিকিট ও বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতার মতো ঐচ্ছিক পরিষেবাও যুক্ত করতে পারবেন।   তবে প্যাকেজগুলোতে মক্কা ও মদিনায় উমরাহ-সম্পর্কিত কোনো পরিষেবা বা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত নয়। যদিও ভিসাধারীরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর মক্কা ও মদিনাসহ দেশটির যেকোনো স্থানে ভ্রমণ করতে পারবেন।   এ ছাড়া, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বা থাকার ব্যবস্থা বাতিল হলে অর্থ ফেরত এবং বুকিং পরিবর্তনের বিষয়টি অনুমোদিত ভ্রমণসেবা প্রদানকারীর নীতিমালা অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   সূত্র: গালফ নিউজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় নির্মাণকাজের সময় ক্রেনের নিচে পড়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশি কর্মীর

ছবি: সংগৃহীত

জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কুমিল্লার প্রবাসী যুবক জিহাদের

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হলো সৌদি পর্যটক ভিসা, দূতাবাসে যেতে হবে না

0 Comments