প্রবাসী

কুয়েতে গৃহকর্মী নিয়োগ: ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১০, ২০২৬
বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাইন। ছবি : সংগৃহীত
বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাইন। ছবি : সংগৃহীত

কুয়েতে গৃহকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করতে নতুন সার্কুলার জারি করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সবশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ১০টি দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং আবেদন প্রক্রিয়া গভর্নরেটভিত্তিক সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

 

অনুমোদিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- দক্ষিণ আফ্রিকা, বেনিন, সেনেগাল (শুধু পুরুষ কর্মী), ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, ভারত, ভিয়েতনাম এবং নেপাল।

 

অন্যদিকে, নতুন তালিকায় ২৭টি দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ারের সুপারিশ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র নারী গৃহকর্মীদের জন্য প্রযোজ্য।

 

কর্তৃপক্ষের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে গৃহকর্মী নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে নিয়োগকারী ও কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় নতুন নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন।

 

বাংলাদেশ থেকে দীর্ঘদিন থেকে সরকারিভাবে নারী গৃহকর্মী প্রেরণ বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু পুরুষ গৃহকর্মী, দারোয়ান, বাবুর্চী, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাচ্ছেন কুয়েতে। বর্তমানে প্রকাশিত অনুমোদিত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম না থাকায় কুয়েতে গৃহকর্মী পাঠানোর বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে কুয়েত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনো সমঝোতা বা নতুন সিদ্ধান্ত আসার অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশিদের।

 

আবার অনেকে মনে করছেন, নতুন অনুমোদিত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম না থাকার ফলে বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের বিষয়ে হয়তো পূর্বের অবস্থানেই রয়েছে কুয়েত সরকার।

 

এদিকে সবশেষ প্রতিবেদনে ১০টি অনুমোদিত দেশের কথা উল্লেখ থাকলেও, ২৭টি নিষিদ্ধ দেশের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে শুধু মহিলা গৃহকর্মীদের আনার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

 

কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ারের (পিএএম) যৌথ সুপারিশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
দূতাবাসের সহযোগিতায় দেশে ফিরলেন আহত প্রবাসী আব্দুর রউফ

মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশি দূতাবাসের সহযোগিতায় দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নির্মাণ শ্রমিক আব্দুর রউফ।   একটি সড়ক দুর্ঘটনা সারাজীবনের কান্না। রাজধানী ঢাকা কিংবা দূর পাল্লার বাসে প্রায়ই চোখে পড়ে এমন লেখা। তবে সেই লেখা বাস্তবে মিলে গেছে বগুড়ার আব্দুর রউফ ও তার পরিবারের সঙ্গে।   মালয়েশিয়ায় নির্মাণ শ্রমিক আব্দুর রউফ প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এরপর দেশটির মালাকার স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক অস্ত্রোপচারসহ আলাদা করা হয় মাথার খুলির একটি অংশ।   দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে ধার দেনায় ৫ লাখ টাকা খরচ করে ২০২৩ সালে কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া পাড়িজমান তিনি। ঋণের বোঝা মাথা নিয়ে সেখানে দিন রাত কাজ করেন। সামান্য আয়ে ধীরে ধীরে অভাব কিছুটা দূর হতে থাকে। তবে চলতি বছরের মার্চ মাসে জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় এক অন্ধকার।   একটি দুর্ঘটনা জীবনকে থমকে দেয়। কয়েকমাস হাসপাতালের কোমায় থাকা রউফ চলাফেরা আর কথা বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেন। ইতোমধ্যে জায়গা জমি বিক্রি করে প্রায় ১৮ লাখ টাকা তার চিকিৎসায় ব্যয় করে পরিবার। পরিবারের একমাত্র ছেলের এমন করুন পরিস্থিতিতে অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মা, অর্থের অভাবে থেমে যায় চিকিৎসা।   বিষয়টি জানতে পেরে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ মিশনের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী এগিয়ে আসেন। তার দিকনির্দেশনায় দূতাবাসের লেবার মিনিস্টার মো. সিদ্দিকুর রহমান এবং প্রেস সচিব তারিকুল ইসলাম গত শনিবার (৬ জুন) মালাকা গিয়ে আহত রউফের সার্বিক খোঁজ খবর নেয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা দেন।   ব্যয় বহুল চিকিৎসার অভাবে জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়ার প্রহর গুনছিল পরিবার, ঠিক এমন সময় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি সোশ্যাল ওয়ার্কার মোহাম্মদ হৃদয় মিয়া বিষয়টি হাইকমিশনের নজরে আনেন।   দরিদ্র পরিবারের পক্ষে যখন চিকিৎসার ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছিল না তখন দূতাবাসে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করা হয়। তবে বাজেট স্বল্পতা আর নিয়ম নীতির কাছে দূতাবাসের বেশি কিছু করার ছিলো না। কিন্তু মানবিকতার কাছে নিয়মনীতি আর শর্ত আজীবন মূল্যহীন। অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় দূতাবাস।   সোমবার (৮ জুন) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরেন আহত রউফ। তাকে দেশে আনতে ফ্লাইটের যাবতীয় কার্যক্রম দ্রুত প্রসেস করে সহযোগিতা করে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থাটি।   একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার এমন করুণ পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকা সহায়তা দেয় প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এছাড়াও দেশে যাওয়ার পরে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার কথা জানায় বাংলাদেশ হাইকমিশন।  

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১০, ২০২৬
বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাইন। ছবি : সংগৃহীত

কুয়েতে গৃহকর্মী নিয়োগ: ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ

ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় পাঁচ মাসে আটক ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী

রবিন খুদা/ ছবি: লিংকডইন

ঢাকা থেকে সিডনি: বিলিয়নিয়ার হওয়ার গল্প রবিন খুদার

ছবি: সংগৃহীত
ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি প্রবাসীর

ওমানে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় শহিদুল ইসলাম (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ চার বছর পর পরিবারের কাছে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু দেশে ফেরার মাত্র কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনা তাঁর স্বজনদের আনন্দকে শোকে পরিণত করেছে।   জানা গেছে, আগামী শুক্রবার দেশে ফেরার জন্য তাঁর বিমানের টিকিট কাটা ছিল। পরিবারের সদস্যদের জন্য উপহার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করছিলেন তিনি। বিশেষ করে তাঁর ছোট ভাগনির জন্য চকলেট কিনতে ওমানের বেরুমি শহরের একটি শপিং সেন্টারে গিয়েছিলেন।   কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে সড়কের পাশে অপেক্ষা করার সময় দ্রুতগতির একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়ির চালককে আটক করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।   নিহত শহিদুল ইসলাম চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের জমাদার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওমানে একটি টেইলারিং ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন।   পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাঁর দেশে ফেরার খবরে পরিবারের সবাই আনন্দে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু আকস্মিক এই দুর্ঘটনার সংবাদ পুরো পরিবারকে গভীর শোকে নিমজ্জিত করেছে।   বর্তমানে তাঁর মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সৌদির আল-খার্জে হামলার আশঙ্কা, প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

মেলাক্কায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে তিন বাংলাদেশির পদোন্নতি

ছবি: সংগৃহীত
ওমানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পাসপোর্ট সংগ্রহে নতুন সুবিধা

ওমানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পাসপোর্ট সংগ্রহ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করতে নতুন সেবা চালু করেছে দেশটির সরকারি ডাক বিভাগ ‘ওমান পোস্ট’।   মাস্কাটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে চালু হওয়া এই সেবার মাধ্যমে এখন থেকে প্রবাসীরা নবায়ন করা পাসপোর্ট সরাসরি দূতাবাসে না গিয়ে নিকটস্থ ওমান পোস্টের শাখা থেকেই সংগ্রহ করতে পারবেন।   নতুন এই ‘পাসপোর্ট কালেকশন সার্ভিস’ চালুর ফলে দূতাবাসে দীর্ঘ ভ্রমণ, সময় নষ্ট এবং অতিরিক্ত খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য এটি বড় ধরনের স্বস্তির খবর।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেবাটি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রবাসীরা নির্ধারিত সময়ে সহজেই পাসপোর্ট গ্রহণ করতে পারবেন এবং প্রক্রিয়াটি আগের তুলনায় আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খল হবে।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে কর্মঘণ্টা নষ্ট না করেই জরুরি এই সেবা পাওয়া যাবে, যা প্রবাসী জীবনকে আরও সহজ করবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ০৮, ২০২৬
নিহত শহীদ উল্ল্যাহ

৫ বছর পর বাড়ি ফেরার স্বপ্ন, ফিরছেন লাশ হয়ে

ছবি : সংগৃহীত

সৌদিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে বিপুল মাদকসহ প্রবাসী বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

0 Comments