সারাদেশ

কোরবানির বাজারে দেশি মাঝারি গরুতেই বেশি আগ্রহ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা এখন মুসলমানদের দরজায়। ঢাকার কুরবানির পশুর হাটগুলোয় বিক্রি জমে উঠেছে। দামাদামি করে সাধ্যের মধ্যে পশু কিনতে পারছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারাও খুশি। এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে রাজধানীর পশুর হাটগুলোয়। সরেজমিন দেখা যায়, বিভিন্ন হাটে বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গরুর হাঁকডাক, দরদাম আর মানুষের ভিড়ে মুখর হাটগুলো।

 

দুই সিটির আওতায় এবার ২৭টি পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১১টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৬টি হাট পরিচালিত হচ্ছে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট গাবতলী রয়েছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। ডিএসসিসির আওতাধীন অস্থায়ী হাটগুলো বসেছে পোস্তগোলা, শাহজাহানপুর, রহমতগঞ্জ, আমুলিয়া, শ্যামপুর, আফতাবনগর, কাজলা-মাতুয়াইল, দয়াগঞ্জ-জুরাইন, বনশ্রী, গোলাপবাগসহ বিভিন্ন এলাকায়। অন্যদিকে ডিএনসিসির অধীনে মিরপুর, কালশী, বছিলা, উত্তরা দিয়াবাড়ি, ভাটারা, বাড্ডা, মহাখালী ও বসুন্ধরাসংলগ্ন এলাকাগুলোয় বসেছে অস্থায়ী পশুর হাট।

 

সোমবার ভোর থেকেই রাজধানীর পশুর হাটগুলোয় ঘুরে দেখা গেছে ব্যাপক কোলাহল। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকভর্তি গরু, ছাগল ও মহিষ আসছে হাটে। ভালো দামের আশায় কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, কুমিল্লা, নওগাঁ, রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার খামারিরা তাদের পশু নিয়ে রাজধানীর বাজারে এসেছেন।

 

দেশি মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি : মধ্যবিত্ত ও নিুমধ্যবিত্ত ক্রেতাদের বড় একটি অংশ সাধ্যের মধ্যে ভালো পশু খুঁজছে। অনেকেই পরিবার নিয়ে হাটে এসে পশু দেখছেন, দরদাম করছেন এবং পছন্দের পশু কিনে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ শুধু হাটের পরিবেশ উপভোগ করতেও আসছেন। ক্রেতার কাছে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তারা বলছেন, কয়েক দফা দরদামের পর তুলনামূলক সহনীয় দামে পশু পাওয়া গেলেও বড় আকারের গরুর দাম এখনো বেশ চড়া। যদিও বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর খামারিদের আনা পশুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় বাজারে নানা দামের পশু পাওয়া যাচ্ছে। তবে ঈদের আগের শেষ দুই দিনেই সবচেয়ে বেশি বিক্রির আশা করছেন তারা।

 

গাবতলী হাটে কথা হয় যশোরের মনিরামপুরের ব্যবসায়ী মনিরুল হকের সঙ্গে। তিনি জানান, খাদ্য ও পরিবহণ খরচ বেড়েছে। তাই কিছুটা বেশি দাম চাইতেই হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের সাধ্যের কথাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। পশুখাদ্যের কারণে একেবারে কমে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে যে দামে ক্রেতারা গরু পাচ্ছেন, তা স্বাভাবিক সময়ের পশুর দামের চেয়ে খুব বেশি না।

 

যুগান্তরের ডেমরা প্রতিনিধি জানান, সোমবার সকাল থেকে ডেমরা হাটে ক্রেতাদের বিপুল পদচারণা লক্ষ করা গেছে। তবে কয়েক ঘণ্টা বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এখনো নদীপথ ও সড়কপথে প্রতিনিয়ত কুরবানির পশু আসছে ডেমরার ঐতিহ্যবাহী সারুলিয়া ও আমুলিয়া মডেল টাউন পশুর হাটে। তবে রোববার বিকাল থেকেই হাটগুলোয় ক্রেতারা নেমেছেন তাদের পছন্দের কুরবানির পশু কিনতে। ধীরে ধীরে বেচাকেনাও জমে উঠছে।

 

সারুলিয়া ও আমুলিয়া পশুর হাটে সরেজমিন দেখা যায়, প্রতিদিনই গরু আনছেন ব্যাপারী এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খামারিরা। হাট দুটিতে সোমবার সকাল থেকেই উৎসুক জনতাসহ ক্রেতাদের পদচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। সারুলিয়া হাটে ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার গরু রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাট পরিচালক মো. আহাদুল্লাহ। আমুলিয়া মডেল টাউন হাটে এরই মধ্যে বিক্রির পরও ১০ হাজারের বেশি গরু তোলা হয়েছে। নানা জাতের পছন্দসই ছোট-বড় অনেক গরু উঠেছে ডেমরায়।

 

আমুলিয়া মডেল টাউন গরুর হাটের ইজারাদার জয়নাল আবেদীন রতন বলেন, আমাদের হাটে অনেক জায়গা। ফলে ক্রেতাদের সুবিধার্থে ফাঁকা-ফাঁকা করে পাইকারদের গরু রাখার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। সারুলিয়া হাটে পাবনা থেকে আসা বড় পাইকার সিদ্দিক মেম্বার বলেন, বৃহস্পতিবার ১১০টি গরু এবং সঙ্গে বেশ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে সারুলিয়া হাটে এসেছি। ইতোমধ্যে কয়েকটি গরু বিক্রি করতে পারলেও মঙ্গল ও বুধবারের মধ্যে আশা করছি সব বিক্রি হয়ে যাবে। এ বছর গরুর খাদ্যের দাম অনেক। তাই দামও আগের তুলনায় বেশি।

 

এদিকে হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জাল টাকার ব্যবহার ঠেকাতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীর প্রতিটি বড় হাটে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক স্থাপন করেছে জাল টাকা শনাক্তকরণ বুথ ও টাকা গণনার মেশিন। অনেক ব্যাংক মাত্র পাঁচ মিনিটে হিসাব খোলার সুবিধাও দিচ্ছে পশু ব্যবসায়ীদের।

 

রাজধানীর কুরবানির পশুর বাজার পরিদর্শন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশে এবার কুরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশে কুরবানিযোগ্য গবাদি পশুর সংখ্যা ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। সে হিসাবে চাহিদার তুলনায় ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
খাদ্য উৎপাদনে শীর্ষে, উন্নয়নে পিছিয়ে রংপুর

দেশের মোট ভুট্টা উৎপাদনের ৫০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, আলুর ৩৪ দশমিক ২৭ শতাংশ, গমের ৩১ দশমিক ২২ শতাংশ, সবজির ১৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং চালের প্রায় ১৭ শতাংশ উৎপাদিত হয় রংপুর বিভাগে।   কৃষি উৎপাদনে শীর্ষে থাকলেও যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পায়নি উত্তরাঞ্চল। প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটেও রংপুর বিভাগের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো নতুন প্রকল্প বা বিশেষ বরাদ্দ না থাকায় উন্নয়ন বৈষম্যের অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।   বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে উদ্বোধন করা হয় চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রেলপথ। চালু হয় আন্তঃদেশীয় ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস। এতে উত্তরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে মিতালী এক্সপ্রেসের চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক রেল যোগাযোগের সম্ভাবনাও অনেকটা থমকে গেছে। একই সময়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালুর আগেই বাতিল হয়ে যায় চিলাহাটি স্থলবন্দর প্রকল্প।   অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার উদ্যোগও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিমানবন্দরটি ভারত, নেপাল ও ভুটানের কাছাকাছি হওয়ায় এটিকে আঞ্চলিক যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় বছরের পর বছর ধরে আটকে আছে সম্প্রসারণ প্রকল্প। এখনো শুরু হয়নি মূল অবকাঠামো নির্মাণকাজ।   শিল্পায়নের সুবিধার্থে বগুড়া থেকে রংপুর হয়ে সৈয়দপুর পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫০ কিলোমিটার গ্যাস সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে গ্যাস সরবরাহ শুরু না হওয়ায় শিল্প খাতে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ আসেনি। উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানির নিশ্চয়তা ছাড়া বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব নয়।   এদিকে ২০২৪ সালে কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য ভুটানের রাজা জমি পরিদর্শন করলেও প্রকল্পটির দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। একই অবস্থা রংপুর ইপিজেড সম্প্রসারণ এবং পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটের পরিকল্পিত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর। ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশাও পূরণ হচ্ছে না।   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর বিভাগে বেকারের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৬ হাজার। সংশ্লিষ্টদের মতে, শিল্পায়ন ও বড় বিনিয়োগের অভাবে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত তরুণ চাকরির বাজারে প্রবেশ করলেও পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না।   দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনাও এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পেলে চীন প্রকল্পটির কাজ শুরু করতে প্রস্তুত। কিন্তু সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় প্রকল্পটি এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।   রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক উমর ফারুক বলেন, ‘দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় রংপুর পিছিয়ে রয়েছে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা গেলে ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে কম খরচে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আন্তঃদেশীয় রেল যোগাযোগ চালু হলে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রাজস্ব আয় বাড়বে।’   একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে রংপুর বাজেট বৈষম্যের শিকার। এই অঞ্চলের বিপুল শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পায়নের বিকল্প নেই। সরকারকে বিশেষ নীতি গ্রহণ করে দ্রুত শিল্পায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।’   সুজন রংপুর মহানগরের সভাপতি খন্দকার ফকরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, রংপুর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, সিটি করপোরেশনের জনবল কাঠামো অনুমোদন এবং রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় এই অঞ্চল আরও পিছিয়ে পড়বে।’   সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনার বড় অংশ এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। যোগাযোগ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ এবং চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন ছাড়া রংপুর বিভাগের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৫, ২০২৬
মানিকগঞ্জ ডিসির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় কথা বলেন মন্ত্রী আফরোজা খান রিতা

আপনার নেগেটিভ মাইন্ড, আপনাকে নিয়ে আগাতে পারব না: এক্সেনকে মন্ত্রী

প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, নদী থেকে লাশ উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংকের হিসাব থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, ১৬ বছরের বঞ্চনা ঘোচানোর আশা জেলাবাসীর

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজারে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফলে জেলাজুড়ে বিএনপিসহ সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এ ছাড়া জেলার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিক দাবি উত্থাপন ও বাস্তবায়নের প্রত্যাশায় রয়েছেন জেলার লাখো মানুষ। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে মৌলভীবাজারের মানুষের মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, রাজনগরের খেয়াঘাটে কুশিয়ারা নদীতে সেতু নির্মাণসহ আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ধারায় জেলাবাসীর উপেক্ষিত এসব দাবি পূরণ হবে বলে আশা করি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে জেলা সদর ও শ্রীমঙ্গলে দুটি জনসভা সফল করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসন ও বিএনপির নেতারা ব্যস্ত ‌সময় পার করছেন। প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে আসছেন আগামী বুধবার। তাঁর আগমন ঘিরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও জেলা সদরের মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুটি জনসভার আয়োজনে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।  মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম শেলুন বলেন, জনসভা রাজনগর কলেজ মাঠে নাকি জেলা সদরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা মুখ্য নয়। রাজনগরকে পৌরসভায় রূপান্তর, উপজেলা সদরে গ্যাস সংযোগ, রাজনগর ও বালাগঞ্জের জনসাধারণের মানুষের নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার নিমিত্তে খেয়াঘাট নামক স্থানে কুশিয়ারা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের দাবিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের আবেদন জানানো হবে।  মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান জানান, উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মৌলভীবাজার জেলা পিছিয়ে রয়েছে। তাই এ জেলাকে এ গ্রেডে উন্নীত করে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ণাঙ্গ টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপনে প্রধানমন্ত্রী আশু প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।  মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান জানান, নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান জনগণের কাছে জেলার চারটি আসন চেয়েছিলেন। জনগণ তাঁর চাওয়া শতভাগ মূল্যায়ন করেছেন। তাই আশা করি, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ছাড়া অপর তিন জেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবার মৌলভীবাজার জেলায় প্রধানমন্ত্রী মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেবেন।  তিনি আরও বলেন, মৌলভীবাজারের প্রচুর মানুষ প্রবাসে অবস্থান করেন। চা বাগান ও চা নিলাম কেন্দ্রের জন্য এবং শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলে স্বল্প সময়ে যোগাযোগের জন্য কমলগঞ্জের শমশেরনগর বিমানবন্দর চালুর জন্য জোর দাবি জানানো হবে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জেলা। প্রতি মাসে প্রচুর পর্যটক মৌলভীবাজারে আসেন। স্বল্প খরচে সহজে শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়ায় যাতায়াতের জন্য ট্রেনের বিশেষ বগির ব্যবস্থা করার দাবি রয়েছে। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, জনগণের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মৌলভীবাজারে আসছেন। তাঁকে বরণে জেলার লাখো মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকেন্দ্রিক আয়োজিত জনসভাকে সফল করতে সব ধরনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান জুন ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রূপগঞ্জে ময়লার ভাগাড় উচ্ছেদ, গাছ লাগালেন প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি এমপির বাড়ির পর হাসপাতালসহ দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে চুরি

ছবি: সংগৃহীত

মসজিদের ভেতরে এলোপাতাড়ি গুলি, আহত ২ মুসল্লি

ছবি: সংগৃহীত
ফ্যামিলি কার্ড ‘পাবেন না’ যারা

দেশের প্রান্তিক, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত এই নীতিমালার মূল দর্শন হলো–‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬-এর বৈষম্যহীন ও মানবিক ‘সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।   শুক্রবার (১২ জুন) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়াটি প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে জনমত ও পরামর্শ আহ্বান করা হয়েছে। নীতিমালার খসড়া অনুযায়ী, পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশীদারিত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডটি সংশ্লিষ্ট পরিবারের মাতা অথবা উপযুক্ত জ্যেষ্ঠ নারী সদস্যের নামে ইস্যু করা হবে। প্রতিটি লক্ষ্যভুক্ত পরিবারের জন্য একটি স্থায়ী ও অনন্য পরিচিতি নম্বর বা ‘ওয়ান-আইডি’ প্রদান করা হবে, যা ‘ফ্যামিলি ট্রি’ রিলেশনল ডেটা মডেলের মাধ্যমে পরিবারের অন্য সদস্যদের আইডির সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর ফলে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নিয়মবহির্ভূতভাবে সমান্তরাল একাধিক সুবিধা বা ‘দ্বৈত সুবিধা’ গ্রহণ রোধ করা সম্ভব হবে।   প্রকৃত অভাবী পরিবার সঠিকভাবে শনাক্তকরণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক ‘প্রক্সি মিন্স টেস্ট’ স্কোরিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এই স্কোরের ভিত্তিতে জনগোষ্ঠীকে পাঁচটি অর্থনৈতিক স্তরে (কোয়াইন্টাইল) বিন্যাস করে অতি দরিদ্র ও দরিদ্রদের আবশ্যিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দুর্গম হাওড়, উপকূলীয় অঞ্চল ও পার্বত্য এলাকার জন্য থাকবে বিশেষ ‘আঞ্চলিক ওয়েটেজ’ বা অতিরিক্ত অগ্রাধিকার পয়েন্ট। এ ছাড়া ডেটাবেজে জালিয়াতি বা অসংগতি প্রতিরোধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।   বহুমুখী ডুয়াল ইন্টারফেস স্মার্ট কার্ড প্রস্তাবিত ফ্যামিলি কার্ডটি হবে একটি বহুমুখী ডুয়াল ইন্টারফেস (NFC ও চিপ-ভিত্তিক) স্মার্ট কার্ড। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত ‘টাকা পে’ অ্যাপলেট থাকবে, যার মাধ্যমে উপকারভোগীরা যে কোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এ ছাড়া ‘ই-আইডি’ অ্যাপলেটের মাধ্যমে কার্ডধারীর ছবি ও পরিবারের তথ্যসহ ২৭টি উপাদান সংরক্ষিত থাকবে, যা অফলাইনেও যাচাই করা যাবে। কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্ডের সক্রিয়তা পরীক্ষা করতে পারবেন। এই কর্মসূচির আওতায় কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) অ্যাকাউন্টে অর্থ প্রেরণের আইবাস++ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। তবে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একটি ‘নেতিবাচক তালিকা’ রাখা হয়েছে। পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী, নিয়মিত পেনশনভোগী, ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রের মালিক, চার চাকার মোটরযানের অধিকারী, নিয়মিত আয়কর দাতা কিংবা বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার বেশি হলে ওই পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে না।   দেশব্যাপী সমন্বিত পরিবার জরিপ ও ডিজিটাল-ফার্স্ট পদ্ধতি একটি বস্তুনিষ্ঠ তথ্যভান্ডর গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কারিগরি মানদণ্ড অনুসরণে দেশব্যাপী কাগজবিহীন বিশেষ ডিজিটাল পরিবার জরিপ পরিচালনা করা হবে। গণনাকারীরা সরাসরি ‘ফ্যামিলি কার্ড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন’ ব্যবহার করে সরেজমিন গৃহ পরিদর্শনের সময় বসতবাড়ির জিপিএস জিও-ট্যাগিং এবং স্থিরচিত্র গ্রহণ করবেন। ইন্টারনেট সুবিধা বঞ্চিত দুর্গম অঞ্চলের জন্য অ্যাপটিতে ‘অফলাইন মোড’-এর সুবিধা থাকবে। বাস্তবায়ন ও তদারকিতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি নীতিমালা বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ প্রধান নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়া সমাজকল্যাণ সচিবের নেতৃত্বে ‘কেন্দ্রীয় পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কমিটি’ এবং সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ‘জাতীয় কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা কমিটি’ দায়িত্ব পালন করবে। তৃণমূল পর্যায়ে যোগ্য পরিবার নির্বাচন ও তদারকির জন্য জেলা, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে পৃথক বাস্তবায়ন ও আপিল কমিটি গঠন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য হেডম্যান ও কারবারিদের প্রথাগত মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করার কথা নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। খসড়া নীতিমালায় আরও জানানো হয়, প্রতিবছর জানুয়ারি ও জুলাই মাসে মৃত বা ভুয়া উপকারভোগী বাদ দিতে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘লাইভ ভেরিফিকেশন’ করা হবে। কোনো পরিবার অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে দারিদ্র্যসীমা অতিক্রম করলে পদ্ধতিগত মূল্যায়নপূর্বক উক্ত কর্মসূচি হতে তাদের সফল উত্তরণ ঘটানো হবে এবং শূন্য আসনে নতুন যোগ্য পরিবারকে প্রতিস্থাপন করা হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াত ছাড়ার ঘোষণা বাগেরহাটের যুবকের

ছবি: সংগৃহীত

গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়েছিলেন ছাত্রদল নেতা, প্রথম স্ত্রীর ফোনে সব পণ্ড

বাগানে বিভিন্ন জাতের আম দেখাচ্ছেন রেজাউল করিম খন্দকার

মৌলভীবাজারে রেজাউলের শখের বাগানে ৫০-এর বেশি জাতের আম

0 Comments