সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মুন্সিগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মামলার আসামি ‘শান্তির ছেলে’ খ্যাত মো. বাবু সরকার ওরফে আব্দুল জব্বার (৩৭)কে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

শনিবার (১৩ জুন) রাত ৯টা ১০ মিনিটে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনার অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সদর থানার বৈখর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাদল মন্ডলের বসতবাড়ি সংলগ্ন রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত বাবু সরকার ওরফে আব্দুল জব্বার বৈখর পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত অফিজ উদ্দিন সরকার এবং শান্তি বেগমের সন্তান। তিনি স্থানীয়ভাবে ‘শান্তির ছেলে’ নামে পরিচিত।

 

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত বাবুর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ২৪টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

 

আরও জানা যায়, এর আগেও গত বছরের ২ ডিসেম্বর তাকে ২ কেজি গাঁজা ও ৮০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক ব্যক্তির হাতের কবজি কেটে দেওয়ার ঘটনায় পুনরায় আলোচনায় আসেন।

 

অবশেষে শনিবার রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
হাম মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানদের বিরুদ্ধে মামলার আদেশ ১২ জুলাই

অবহেলাজনিত কারণে হামে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে যে মামলার আবেদন হয়েছে সে বিষয়ে আগামী ১২ জুলাই আদেশের দিন রেখেছে আদালত।   রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ দিন নির্ধারণ করে বলে তথ্য দেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক।   মামলার আবেদনে মুহাম্মদ ইউনূস ও নূরজাহান বেগম ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমকে আসামি করার আবেদন করা হয়।   এর আগে একই ধরনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মুহাম্মদ ইউনূস, নূরজাহান বেগমদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আবেদন খারিজ হয়েছে।   এদিন সকালে হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সি সাউদা নুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম আদালতে সাবেক প্রধান উপদেষ্টাসহ তাদের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন।   আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখে। পরে বিকালে আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়।   আবেদনে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক ও মার্চের শুরুর সময়ে শরীয়তপুর সদরের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ৯ মাস বয়সি মেয়ে সাউদা নুসকান জ্বরে আক্রান্ত হয়। মার্চের প্রথম সপ্তাহে হামসহ শিশুটিকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২২ মার্চ স্থানান্তর করা হয়।   আবেদনে অভিযোগ করা হয়, কিন্তু সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সদের চিকিৎসায় ‘অসহযোগিতা এবং অবহেলার কারণে’ গত ২৬ মার্চ সাউদা মারা যায়।   আবেদনে শিশুদের টিকার যোগান সময়মত না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও তা দেওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মারাত্মক খামখেয়ালিপনা’ এবং অবহেলাজনিত কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সাউদা মুসকান অন্যতম বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মৃত্যুবরণ করেছেন

ছবি : সংগৃহীত

দেশে প্রথম ‘প্রবাসী হেল্প ডেস্ক কর্নার’ উদ্বোধন গোলাপগঞ্জে

পৃথক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫ নেতা | ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের ৫ নেতার পদত্যাগ

ছবি - সংগৃহীত
আড়াইহাজারে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও গোপনে ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ এবং পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইলিয়াস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সবশেষ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধর্ষণচষ্টোর ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর হামলারও অভিযোগ করা হয়েছে।   ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তার স্বামী দুবাই প্রবাসী। স্বামী বিদেশে থাকায় একই এলাকার ইলিয়াস তাকে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। রাজি না হওয়ায় প্রায় ১০ মাস আগে গোপনে তার গোসলের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে। ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বারবার তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায় এবং সেগুলোরও ভিডিও ধারণ করে। এসব ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিদেশ থেকে স্বামীর পাঠানো পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ইলিয়াস।    অভিযোগে আরও বলা হয়, সবশেষ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইলিয়াস ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চাপ দেয়। এতে রাজি না হলে আরও টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ইলিয়াসকে আটক করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সামনে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে সুযোগ বুঝে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।    তার দাবি, অভিযোগের তদন্ত শেষে পুলিশ চলে যাওয়ার পর রাতেই অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা হামলা চালিয়ে তার দেবরের স্ত্রী, বড় ভাই, চাচাতো ভাই ও ছোট ভাইকে মারধর করে আহত করেন।    থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ হওয়ায় বিস্তারিত তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযোগ দায়েরের প্রায় ১৮ ঘণ্টা পরও সেটি মামলা হিসাবে নথিভুক্ত হয়নি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি - সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলন ঘিরে ‘অপপ্রচার’: আনিস আলমগীরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে জিডি

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ছবি : সংগৃহীত

সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু, রোববার প্রথম ফ্লাইট

ছবি - সংগৃহীত

সাগরে লঘুচাপ, ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

ছবি - সংগৃহীত
মুকসুদপুরে হ্যান্ডকাফ ও খেলনা পিস্তলসহ ভুয়া পুলিশ আটক

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পুলিশের পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে রাকিব শেখ (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে পুলিশের কটি (ভেস্ট), হ্যান্ডকাফ, খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।   শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ননীক্ষির ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক রাকিব উপজেলার বড়ভাটরা গ্রামের মৃত হাই শেখের ছেলে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বনগ্রাম গ্রামের গণবালা (৪২)-এর বাড়ির আশপাশে দীর্ঘ সময় ধরে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছিলেন রাকিব। তিনি উপজেলার বড়ভাটরা গ্রামের মৃত হাই শেখের ছেলে। তার আচরণ ও পরিচয় নিয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।   খবর পেয়ে সিন্দিয়াঘাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাকিব শেখকে হেফাজতে নেয়। পরে তার কাছ থেকে একটি পুলিশের কটি (ভেস্ট), একটি হ্যান্ডকাফ, একটি খেলনা পিস্তল এবং একটি চাকু উদ্ধার করা হয়।   পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করা হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে তিনি পুলিশের সরঞ্জামসদৃশ সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে।   এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৪, ২০২৬
ছবি - সংগৃহীত

যেকোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

ছবি : সংগৃহীত

মিরপুর ডিবির ডিসি হিসেবে যোগ দিলেন রাকিব খান

ছবি : সংগৃহীত

চকবাজারে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৬ ইউনিট

0 Comments