জাতীয়

জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে বাসা থেকে বের হয়েছেন তারেক রহমান

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫ 0

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে গুলশানের বাসা থেকে বের হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৫২ মিনিটে বাসা থেকে বের হয়ে রওনা হন। সেখানে ফাতিহা পাঠ ও কবর জিয়ারত শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন তিনি।

 

 

তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সমাধিসৌধ এলাকায় ভিড় করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যে সেখানে পৌঁছেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারাও।

 

এদিকে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে জনগণ সাদরে গ্রহণ করে নিল তারেক রহমানকে। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

 

 

আর তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সকল ধোঁয়াশা কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি
সংসদে বেসরকারি সদস্যদের ৯ বিল পাস

জাতীয় সংসদে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নেই- এমন সংসদ সদস্যদের বেসরকারি সদস্য বলা হয়। তাদের উত্থাপিত বিলগুলো বেসরকারি বিল হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ থেকে দ্বাদশ সংসদ পর্যন্ত বেসরকারি সদস্যদের আনা মোট নয়টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল বিরোধী দলের সদস্যের উত্থাপিত, আর বাকি আটটি বিল এসেছে ক্ষমতাসীন দল বা জোটের সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে। মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় সংসদের ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব’ সম্পর্কিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সূত্র জানায়, অতীতের ১২টি সংসদের মধ্যে প্রথম, ষষ্ঠ ও দ্বাদশ সংসদে বেসরকারি সদস্যরা কোনো বিল উত্থাপন করেননি। এর মধ্যে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র ১২ দিন। প্রথম সংসদের মেয়াদ ছিল ২ বছর ৭ মাস এবং দ্বাদশ সংসদের মেয়াদ ছিল ৬ মাস ৮ দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় গত ১২ মার্চ এবং শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। প্রথম দিনের বৈঠকেই ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব’ সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহানকে। তার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বেসরকারি সদস্যদের বিলের খসড়া প্রস্তুতে সংসদ সদস্যদের সহায়তা দিতে সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং ইউনিটকে আরও সক্রিয় হওয়ার সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান ছাড়াও বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, আমানউল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, তাহসিনা রুশদীর, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, শাহজাহান চৌধুরী এবং নূরুল ইসলাম। সংসদ অধিবেশন চলাকালে বৃহস্পতিবার সাধারণত বেসরকারি সদস্যদের কার্যদিবস হিসেবে প্রাধান্য পায়, যা ‘বেসরকারি দিবস’ নামে পরিচিত। তবে স্পিকার চাইলে দিনটি সরকারি কার্যদিবস হিসেবেও নির্ধারণ করতে পারেন।

মারিয়া রহমান মে ১২, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতে দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে : জ্বালানি মন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে কিউআর কোড যুক্ত করার নির্দেশ

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ-পুশইন রোধে বিজিবি সর্বদা জাগ্রত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
দেশে স্থিতিশীলতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, শিক্ষার্থীদের জনমত গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া কোনো দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।   আজ এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঠিক তথ্যভিত্তিক জনমত গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।   তিনি আরও বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বিভ্রান্তি নয়, বরং যুক্তি, শিক্ষা ও সচেতনতার ভিত্তিতে সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে।”   সরকারপ্রধান জানান, বর্তমান বিশ্ব প্রতিযোগিতামূলক। এই অবস্থায় উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতিও বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেন এবং দেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় তরুণদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি ও অপচয় রোধে মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

‘জাতীয়তাবাদী আদর্শ’ মন্তব্যে যা বোঝাতে চাইলেন ডিআইজি রেজাউল করিম

ছবি: সংগৃহীত
ঈদুল আজহা ঘিরে ১৪ দিনের বিশেষ নিরাপত্তা নজরদারি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। ঈদের আগে সাত দিন এবং পরে সাত দিন পুলিশ সদর দপ্তরে বিশেষ মনিটরিং সেল চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য জানান।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ ছুটির সময় রাজধানী ঢাকা ও সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের বিশেষ মনিটরিং সেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পুলিশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার হটলাইন নম্বর চালু রাখা হবে এবং তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।   তিনি জানান, ঈদকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ অধিদপ্তর, এনএসআই, ডিজিএফআই, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসন, বিজিবি ও কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।   কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫টি, দক্ষিণে ১১টিসহ সারাদেশে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৫৯টি পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। এসব হাটে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   জাল নোট প্রতিরোধে পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হাট ইজারাদারদেরও নিজস্ব উদ্যোগে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে।   তিনি বলেন, পশুবাহী যানবাহন ও নৌপথে চাঁদাবাজি ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি থাকবে। কোথাও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হবে।   ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে মহাসড়কে স্পিডগান ব্যবহার, রেকার প্রস্তুত রাখা এবং সড়কের খানাখন্দ দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নৌপথের নিরাপত্তায় বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ‘১৬১১৩’ এবং ফায়ার সার্ভিসের জরুরি নম্বর ‘১০২’ সার্বক্ষণিক চালু থাকবে।   গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে যেন কোনো শ্রমিকের বেতন ও বোনাস বকেয়া না থাকে, সে বিষয়ে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।   কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে লবণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।   তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়ানোর দুই ঘণ্টার মধ্যে লবণ দিয়ে সংরক্ষণের বিষয়ে মসজিদের ইমাম, ইসলামী ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে।   বিরোধীদলীয় নেতার চাঁদাবাজি বৃদ্ধির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ৩০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।   পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য সরকারের কাছে নেই। তবে সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-কে সতর্ক রাখা হয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দলমত নয়, উন্নয়নই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য: তথ‍্য প্রতিমন্ত্রী

‘ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

হামের টিকার সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয়-আন্তর্জাতিক তদন্ত হবে: জাহেদ উর রহমান

0 Comments