বিশ্ব

হরমুজ প্রণালির নতুন তদারকি ব্যবস্থা করল ইরান

মারিয়া রহমান মে ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন তদারকি ব্যবস্থা ও অনুমতি প্রক্রিয়া চালু করেছে ইরান। বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ নতুন একটি নজরদারি অঞ্চলের সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।

ইরানের হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন তদারকি অঞ্চলটি ইরানের কুহ মোবারক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দক্ষিণ আল-ফুজাইরাহ পর্যন্ত এবং কেশম দ্বীপ থেকে উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত বিস্তৃত।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত যোগাযোগ ফ্রিকোয়েন্সির আওতায় থাকা সব জাহাজকে কৌশলগত এই জলপথ অতিক্রমের আগে পারস্য উপসাগর জলপথ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমতি নিতে হবে।

এর আগে রয়টার্স জানায়, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে ইচ্ছুক জাহাজগুলোর জন্য অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর মধ্যে একটি সম্পৃক্ততা নথি জমা দিতে হবে। তাতে নিশ্চিত করতে হবে যে জাহাজটির যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নতুন অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জাহাজ চলাচলে এক সপ্তাহ পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ফি দেড় লাখ ডলারেরও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওমানের সহযোগিতায় কয়েকটি দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে তেহরান।

তিনি বলেন, আমরা বহু দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি, যাতে তাদের জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান এমন কোনো কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না যা তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে। সূত্র : শাফাক নিউজ

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মজা করে বলেছেন, ইসরায়েলে আমি অত্যন্ত জনপ্রিয়। ভবিষ্যতে আমি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদেও নির্বাচন করতে পারি। বুধবার যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলে আমি অত্যন্ত জনপ্রিয়। তিনি বলেন, হয়তো এটা শেষ করার পর আমি ইসরায়েলে যাব, প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করব। আজ সকালে একটি জরিপ দেখেছি, সেখানে আমি ৯৯ শতাংশ সমর্থন পেয়েছি। তবে তিনি কোন জরিপের কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন মেয়াদে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনায় ট্রাম্প বরাবরই নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, তিনি ভালো আছেন, খুব ভালো মানুষ। আমি যা চাইব, তিনি তাই করবেন। এ সময় নেতানিয়াহুকে যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলে নেতানিয়াহুকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। সূত্র : ইউএসএ টুডে।

মারিয়া রহমান মে ২১, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি: পিটিআই

অবৈধ বাংলাদেশি হটাতে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতি শুভেন্দুর

ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। ফাইল ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

ইরানে বাঘের গালিবাফ কি ক্ষমতার নতুন কেন্দ্র

ছবি : সংগৃহীত

ওমরাহ শুরুর তারিখ জানাল সৌদি আরব

ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালির নতুন তদারকি ব্যবস্থা করল ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন তদারকি ব্যবস্থা ও অনুমতি প্রক্রিয়া চালু করেছে ইরান। বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ নতুন একটি নজরদারি অঞ্চলের সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। ইরানের হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন তদারকি অঞ্চলটি ইরানের কুহ মোবারক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দক্ষিণ আল-ফুজাইরাহ পর্যন্ত এবং কেশম দ্বীপ থেকে উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত বিস্তৃত। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত যোগাযোগ ফ্রিকোয়েন্সির আওতায় থাকা সব জাহাজকে কৌশলগত এই জলপথ অতিক্রমের আগে পারস্য উপসাগর জলপথ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমতি নিতে হবে। এর আগে রয়টার্স জানায়, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে ইচ্ছুক জাহাজগুলোর জন্য অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর মধ্যে একটি সম্পৃক্ততা নথি জমা দিতে হবে। তাতে নিশ্চিত করতে হবে যে জাহাজটির যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নতুন অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জাহাজ চলাচলে এক সপ্তাহ পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ফি দেড় লাখ ডলারেরও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওমানের সহযোগিতায় কয়েকটি দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে তেহরান। তিনি বলেন, আমরা বহু দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি, যাতে তাদের জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান এমন কোনো কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না যা তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে। সূত্র : শাফাক নিউজ

মারিয়া রহমান মে ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

তামিলনাড়ুতে জোট টিকাতে পিছু হটলো বিজয়ের দল

ছবি : সংগৃহীত

ইরানি পতাকাবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে, ইরানের কড়া বার্তা

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চীন ও রাশিয়ার যৌথ বিবৃতি, নতুন কূটনৈতিক বার্তা

হরমুজ প্রণালি নিয়ে চীন ও রাশিয়া এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ জলপথে একতরফাভাবে হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে দুই দেশ।   বুধবার (২০ মে ) ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিছু নির্দিষ্ট রাষ্ট্র, আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট এবং তাদের মিত্রদের একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনকে বাধাগ্রস্ত করছে। এমন হস্তক্ষেপের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ জলপথের অখণ্ডতা এবং সামগ্রিকভাবে সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। যদিও বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে কোনো গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হরমুজ প্রণালির দিকে ইঙ্গিত করেই দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন্দরসহ সামুদ্রিক অবকাঠামোতে সহযোগিতা বাজারভিত্তিক ও বাণিজ্যিক নীতির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত, যাতে রাজনৈতিকীকরণ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা চেষ্টা এড়ানো যায়। এদিকে, প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল বহনকারী দুটি চীনা ট্যাংকার বুধবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। কেপলার এবং এলএসজিএ’র শিপিং ডেটা অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলবাহী দুটি চীনা সুপারট্যাংকার পারস্য উপসাগরে দুই মাসের বেশি সময় অপেক্ষার পর বুধবার হরমুজ প্রণালি ত্যাগ করে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অল্প কয়েকটি জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করেছে, তবে সফলভাবে চলাচল পুনরায় শুরু হওয়া এবং হোয়াইট হাউসের ক্রমশ নরম সুরে অবস্থানের ফলে তেলের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি সন্নিকটে রয়েছে, তবে তিনি উল্লেখ করেন যে কোনো চুক্তি হলে তা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে। সুত্র : বিবিসি

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২১, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কড়া মন্তব্য

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা দাদাগিরির কড়া সমালোচনা চীন ও রাশিয়ার

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে এক দিনে কয়েক দফায় কমলো তেলের দাম

0 Comments