খেলাধুলা

দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ লিগে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপে ডাক পেলেন স্পিনার রিশাদ

মারিয়া রহমান আগস্ট ০৫, ২০২৬
রিশাদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
রিশাদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ এসএ২০-তে ডাক পেয়েছেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। প্রতিযোগিতার পঞ্চম আসরকে সামনে রেখে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ করেছে।

 

 

তিনবারের শিরোপাজয়ী এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বুধবার রিশাদকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্কোয়াডে বিদেশি কোটায় যে দুজন নতুন খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাদের একজন রিশাদ। অন্যজন হলেন অস্ট্রেলীয় অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ; তিনিও এই টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো মাঠে নামবেন। গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান টি-টোয়েন্টি বোলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা রিশাদ ইস্টার্ন কেপ স্কোয়াডে আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার এএম গাজানফারের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

 

 

২৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক স্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। সেই আসরে তিনি ১৪টি উইকেট শিকার করেছিলেন, যা আফগান তারকা রশিদ খানের সাথে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহের রেকর্ড।

 

 

এরপর থেকেই রিশাদ বাংলাদেশের সাদা বলের ক্রিকেটে নিয়মিত মুখ হয়ে উঠেছেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর নজর কেড়েছেন। এ পর্যন্ত এসএ২০-এর চার আসরের মধ্যে তিনটি শিরোপাজয়ী সানরাইজার্স তাদের দলের মূল শক্তিকে ধরে রেখেছে। দলটির অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ট্রিস্টান স্টাবস। স্কোয়াডে আরও রয়েছেন মার্কো ইয়ানসেন, অ্যানরিখ নরকিয়া এবং কুইন্টন ডি ককের মতো তারকা প্রোটিয়া ক্রিকেটাররা। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলার অ্যাডাম মিলনেও রয়েছেন এই দলে।

 

 

মিচেল মার্শের অন্তর্ভুক্তি এই শক্তিশালী দলটিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারও রিশাদের মতোই প্রথমবারের মতো এসএ২০ লিগে খেলতে নামবেন।

 

 

এসএ২০-এর পঞ্চম মৌসুম আগামী ১৭ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির বাকি জায়গাগুলো পূরণের জন্য আগামী ৭ অক্টোবর একটি মিনি-নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ এই সাইনিংগুলোর পর সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপের স্কোয়াডে আর মাত্র দুটি জায়গা খালি রয়েছে।

 

 

সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপ স্কোয়াড: জেমস কোলস, লুইস গ্রেগরি, রিশাদ হোসেন, মিচেল মার্শ, অ্যাডাম মিলনে, ম্যাথু ব্রিটজকে, কুইন্টন ডি কক, জর্ডান হারম্যান, প্যাট্রিক ক্রুগার, সেনুরান মুথুসামি, অ্যানরিখ নরকিয়া, লুথো সিপামলা, ট্রিস্টান স্টাবস, মিচেল ভ্যান বুরেন, সিজে কিং, জেপি কিং ও মার্কো ইয়ানসেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ব্রাজিল ফুটবল দল। ছবি : এএফপি
সরকারি অর্থ নয়, স্পনসর আনলে ব্রাজিলের ঢাকা সফর সম্ভব: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়াঙ্গনে এই মুহুর্তে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ব্রাজিল-বাংলাদেশের ম্যাচ। আগামী অক্টোবরেই ঢাকায় বাংলাদেশের সঙ্গে যে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চেয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আর সফরটি আয়োজন করতে হলে বড় অঙ্কের অর্থই খরচ হবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে)। সে খরচ মেটাতে সরকারের দ্বারস্থ হওয়ার আভাস সোমবারই দিয়েছে বাফুফে। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় বক্সিং ফেডারেশন আয়োজিত কোচেস ট্রেনিংয়ের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এক প্রশ্নে উত্তরে ব্রাজিলের সফর নিয়ে সরকার কোনো অর্থ ব্যয়ের মানসিকতায় নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন। ভারতে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজনে বড় অঙ্কের খরচ ও অভ্যন্তরীণ সমালোচনা, পাশাপাশি দেশে চলমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এক কথায় উত্তর দিলে এই মুহূর্তে আমরা সরকারে পক্ষ থেকে...এ ধরনের অর্থ ব্যয় করে...যেহেতু আপনারা জানেন...বিদ্যুৎ-জ্বালানি বিভিন্ন সেক্টর নিয়ে আমাদের অনেক বেশি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে একটি ম্যাচকে উপলক্ষ করে সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের ব্যয় করার মতো মানসিকতা আমাদের ভেতরে নেই।’ এরপরই আমিনুল হক যোগ করেন, ‘বাফুফের সঙ্গে যেহেতু কথা হয়েছে (ব্রাজিল প্রতিনিধিদলের), তারা যদি বিভিন্ন স্পনসর এনে সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করব।’ ব্রাজিল সফরের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া এবং সরকারের কাছে বাফুফের সহযোগিতার প্রত্যাশা প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিষয়টা (ব্রাজিলের ঢাকা আসার সম্ভাবনা) একদম প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। বাফুফের সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক আলোচনাই করেছি। ব্যয়ভার বহনসহ আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে এখনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি।’ ব্রাজিল বাংলাদেশে এলে বাংলাদেশের ফুটবলে কী লাভ? এমন প্রশ্নও হয়েছে। আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা যেটা বিশ্বাস করি, ব্রাজিল টিম যদি বাংলাদেশে আসে, এসে যদি আবার বাংলাদেশ টিমের সঙ্গে খেলে, তাহলে সেটা বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় অ্যাচিভমেন্ট। কিন্তু আমার বাংলাদেশের ফুটবল কতটুকু এগোবে এর মাধ্যমে, এটা নিয়ে আমি খুব বেশি আশাবাদী নই এ কারণে, ম্যাচ হবে, হয়তোবা বাংলাদেশ ব্রাজিলের সঙ্গে খেলবে, মানুষের যে প্রত্যাশা...সেটা হয়তোবা পূরণ হবে। দর্শকেরা হয়তোবা একটু আনন্দিত হবেন, কিন্তু ব্রাজিল টিম খেলে গেলে যে বাংলাদেশের ফুটবলে পরিবর্তন আসবে—এ বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত নই।’ আমিনুল হক আরও বলেন, ‘এটা একদমই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। এখনো বিশদভাবে আলোচনা হয়নি। আদৌ ব্রাজিল দল বাংলাদেশে আসবে কি না, সেটা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো বার্তা নেই।’

মারিয়া রহমান আগস্ট ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

কাউন্টিতে শরিফুলের বদলে কেন্টে যাচ্ছেন খালেদ

ছবি: সংগৃহীত

ফুলহ্যামকে হারিয়ে জয়ে প্রিমিয়ার লিগ শুরু চেলসির

ছবি: সংগৃহীত
ইনফান্তিনোর সমর্থনে মুখ খুললেন স্যামুয়েল ইতো

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে যখন সমালোচনা ও পদত্যাগের দাবি জোরালো হচ্ছে, তখন তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ক্যামেরুনের ফুটবল কিংবদন্তি স্যামুয়েল ইতো। ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা জানিয়ে ইতো বলেছেন, ফিফা সভাপতির কোনো ভুল হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না।   বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ে ফিফার টুর্নামেন্টগুলোর অংশীদারত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে উয়েফাসহ কয়েকটি আঞ্চলিক ও জাতীয় ফুটবল সংস্থা ইনফান্তিনোর ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের অবস্থান নেয়।   তবে এ সমালোচনার সঙ্গে একমত নন ক্যামেরুন ফুটবল ফেডারেশনের বর্তমান সভাপতি ইতো। তার মতে, আগামী বছরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেই ইনফান্তিনোকে ঘিরে বর্তমান বিতর্ক তৈরি হয়েছে।   সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইতো বলেন, ‘আমি মনে করি না প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কোনো ভুল করেছেন। আমার মনে হয় নির্বাচন সামনে থাকায় এসব বিষয় সামনে আনার জন্য এই সময়টাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।’   সম্প্রতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। উয়েফার পাশাপাশি এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ও কনকাকাফও তার প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) চলতি মাসের শুরুতে ইনফান্তিনোর প্রতি সর্বসম্মত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।   ইতোর বক্তব্যে সেই সমর্থনের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। আফ্রিকার সাবেক এই তারকা ফুটবলার ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে আফ্রিকান ফুটবলের উন্নয়নের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন।   ইতো বলেন, ইনফান্তিনো ফুটবলে পরিবর্তন এনেছেন এবং বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে ছোট দেশগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়িয়েছেন। তার মতে, আফ্রিকার ফুটবলের উন্নয়নেও ইনফান্তিনোর অবদান রয়েছে এবং ক্যামেরুন ফুটবল ফেডারেশনের অগ্রগতিতেও তার সহযোগিতা পাওয়া গেছে।   তিনি আরও বলেন, ইনফান্তিনো এখন পর্যন্ত যে কাজগুলো করেছেন, সেগুলোর জন্য তার প্রতি সমর্থন ও স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।   ইন্টার মিলান ও বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইতিহাস গড়া ইতো একই সঙ্গে অন্যান্য আফ্রিকান ফুটবল ফেডারেশনকেও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাকাই টেস্টের পিচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন ব্রড

ছবি: সংগৃহীত

দুই বছর পর ওয়ানডেতে ফিরছেন কামিন্স

উইকেট লাভের পর স্পিনার রুবেলের উল্লাস। ছবি: নদার্ন টেরিটরি ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়ায় হ্যাটট্রিক জয় বাংলাদেশের এইচপি দলের

ছবি: সংগৃহীত
প্রথমবার এসিসি সভায় যোগ দিয়েই বড় দায়িত্ব পেলেন তামিম

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান তামিম ইকবাল। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত সভায় তাকে এসিসির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এশিয়ার ক্রিকেটের উন্নয়ন, নতুন ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর সুযোগ বাড়ানো এবং ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কাজ করবে তামিমের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি।   গত শনিবার (২২ আগস্ট) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে হয় এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভা। বিসিবির প্রতিনিধি হিসেবে সভায় অংশ নেন তামিম ইকবাল। সেখানেই তাকে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।   সভায় প্রতিনিধি দেশগুলোর প্রত্যক্ষ ভোটে সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের সহসভাপতি খালিদ আল জারুনি এসিসির নতুন সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।   একই সভায় ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য নতুন নির্বাহী সদস্যও নির্বাচন করা হয়েছে। টেস্ট না খেলা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে কাতার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ আবদুল আজিজ বিন সৌদ আল থানি এবং সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহমুদ গাজনাভি নির্বাচিত হয়েছেন।   এছাড়া সহযোগী সদস্যদের মধ্যে মালদ্বীপের মোহাম্মদ ফয়সাল ও বাহরাইনের মোহাম্মদ মনসুর নির্বাচিত হয়েছেন। তারা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।   বার্ষিক সাধারণ সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড থেকেও এসিসি সভাপতি পদের জন্য মনোনীত হওয়ার সুযোগ দেওয়া।   এতদিন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ঘুরেফিরে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হতো। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে আফগানিস্তানও এসিসি সভাপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ পাবে।   সভায় প্রশাসন, ক্রিকেট উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা ও অর্থসহ বিভিন্ন বিষয়ে এসিসির একাধিক কমিটি গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।   এই কমিটিগুলোর অংশ হিসেবেই তামিম ইকবালকে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২৪, ২০২৬

৬ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে চায় ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিল প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর কী বার্তা দিচ্ছে?

ছবি: সংগৃহীত

দুইবার জীবন পেয়ে পাডিক্কালের সেঞ্চুরি, ৩০০ পেরোল ভারত

0 Comments