জাতীয়

ঢাবির সড়ক-স্পিড ব্রেকার সংস্কারে উদ্যোগ, এক সপ্তাহেই শেষের আশা

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচল নিশ্চিত করতে অভ্যন্তরীণ সড়ক, স্পিড ব্রেকার ও যাত্রীছাউনির সংস্কারকাজ শুরু হচ্ছে। ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে আবেদনের পর এসব কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়, শ্যাডোর সামনে দেবে যাওয়া সড়ক, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের (এফবিএস) সামনের ফাটল এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত করা হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্পিড ব্রেকারে নতুন করে রং করা হবে এবং মুহসীন হলের গেটসংলগ্ন ভাঙা স্পিড ব্রেকারও সংস্কার করা হবে। এসব কাজ এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করার আশা করা হচ্ছে।

 

এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাবির প্রধান প্রকৌশলীর কাছে চিঠি দিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সড়ক, স্পিড ব্রেকার ও যাত্রীছাউনিগুলোর জরুরি সংস্কারের দাবি জানান এবি জুবায়ের।

 

আবেদনে তিনি জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ক্যাম্পাসের বেশ কয়েকটি সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শ্যাডোর সামনে রাস্তা দেবে গিয়ে দুটি বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া বসুনিয়া তোরণের সামনে বড় গর্ত এবং এফবিএস গেটের কাছে ল্যাম্পপোস্টের নিচে আড়াআড়ি ফাটলের বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

 

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে শ্যাডো, এফবিএসের মধ্যবর্তী সড়ক, এমবিএ ভবনের সামনের অংশ এবং বোটানি বিভাগ থেকে ফজলুল হক মুসলিম হল পর্যন্ত সড়কেও কার্পেটিং ও সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে আবেদনে জানানো হয়।

 

স্পিড ব্রেকার সংস্কারের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে নতুন স্পিড ব্রেকার স্থাপনেরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট ও দোয়েল চত্বরের মধ্যবর্তী সড়ক, টিএসসি থেকে মেট্রোরেল স্টেশনমুখী সড়ক এবং মোতাহার ভবনের সামনে নতুন স্পিড ব্রেকার স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।

 

ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন স্থানে নতুন স্পিড ব্রেকার স্থাপনের প্রস্তাব এসেছে। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে।

 

এদিকে কার্জন হল এলাকার অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কারের টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। শিগগিরই সেখানে কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে ডাকসু।

 

ক্যাম্পাসের বিভিন্ন যাত্রীছাউনির অবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে নাজুক। সেগুলোর সংস্কারকাজও দ্রুত শুরু করার কথা জানিয়েছে ডাকসু।

 

ডাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনের আগে চাপে নেতানিয়াহু, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

ইসরাইলের আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হয়ে উঠেছে ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থার ভয়াবহ ব্যর্থতা।   ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ঘটনার পর ইসরাইলের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অধিকাংশই দায়িত্ব হারালেও নেতানিয়াহু এখনো পদে বহাল রয়েছেন। এ বিষয়টি বিরোধী দলগুলোর অন্যতম প্রধান সমালোচনার কারণ।   নেতানিয়াহুর জন্য সবচেয়ে বড় চাপগুলোর একটি হলো ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় নেওয়ার প্রশ্ন। বিরোধীদের অভিযোগ, তিনি এ ঘটনার দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের বিষয়েও অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন।   নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেসের সাবেক চিফ অব স্টাফ গাডি আইসেনকট তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোকে নিজের প্রধান রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর দাবি, সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে সময়মতো প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা তথ্য দেননি। তার এই বক্তব্যও জনমনে অসন্তোষ বাড়িয়েছে।   নির্বাচনী জরিপেও নেতানিয়াহুর জন্য খুব একটা স্বস্তির খবর নেই। গত নির্বাচনে তার দল লিকুদ পার্টি ৩২টি আসন পেলেও এবার তাদের আসনসংখ্যা ২০ থেকে ২২-এ নেমে আসতে পারে বলে জরিপে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরাইলি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। অথচ নেতানিয়াহুর মধ্য-ডানপন্থী জোট ৫০ থেকে ৫৪টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে।   তবে আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া বিরোধী দলগুলোর পক্ষেও সহজে ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কঠিন হতে পারে। তারপরও বর্তমান পরিস্থিতিতে এককভাবে ক্ষমতা ধরে রাখা নেতানিয়াহুর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   এদিকে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলাগুলোও নির্বাচনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। তিনি ক্ষমতা হারালে বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার বা তা দীর্ঘায়িত করার রাজনৈতিক সুযোগ কমে যাবে। বিপরীতে নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি ফলাফলকে জনগণের সমর্থন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করতে পারেন।   আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও নেতানিয়াহু কিছুটা চাপের মধ্যে রয়েছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য তাকেই দায়ী করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, ওই ব্যর্থতা ইসরাইলের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে।   ইসরাইলের নির্বাচনটি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে মার্কিন কংগ্রেসে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।   সূত্র: অ্যাক্সিওস

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সারের জন্য দীর্ঘ লাইন, নাটোর-মানিকগঞ্জে কৃষকদের ভোগান্তি

ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় অটোরিকশা-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

ছবি: সংগৃহীত

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, নীলফামারীতে ইউএনওর বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের

চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মাছুম (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে ধনিয়ালা পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   স্থানীয় সূত্র ও হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ি জানায়, রাত ১১টার দিকে ডি টি রোডের ধনিয়ালা পাড়া রাস্তার মাথায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে মোটরসাইকেল চালক মাছুম গুরুতর আহত হন।   দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   নিহত মাছুম ডি টি রোডের ধনিয়ালা পাড়ার মগবুল মঞ্জিল এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত রমজান আলী।   চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় এক মোটরসাইকেল চালককে হাসপাতালে আনা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শালিসি বৈঠকে উত্তেজনা, ঝিনাইদহে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

ছবি: সংগৃহীত

আবরারের আত্মত্যাগ প্রতিরোধের প্রেরণা হয়ে থাকবে : রিজভী

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১)। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে বড় বিপদ থেকে যেভাবে রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট

ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী মুহাম্মদ আনিস মাত্তা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।   আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।   সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।   এ সময় ভবিষ্যতে পারস্পরিক কল্যাণে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।   উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার উপমন্ত্রী আনিস মাত্তা ৫ থেকে ৯ অক্টোবর সরকারি সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ০৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অনুমোদন

সংগৃহীত ছবি

ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

এয়ারবাসের সঙ্গে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ

0 Comments