শিক্ষা

চাঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা: আসামিদের তথ্য নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসঙ্গতি

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামিরা। ছবি: সংগৃহীত
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামিরা। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিদের বয়স, ঠিকানা ও শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে পুলিশের দেওয়া তথ্যে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

 

 

পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ের লিখিত তথ্য ও একই ব্রিফিংয়ে উপস্থাপিত স্লাইডের তথ্য তুলনা করে এসব পার্থক্য দেখা গেছে।

 

 

 

পুলিশের লিখিত তথ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিনের বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিনি কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ফেল করে ২০২৫ সালে ড্রপআউট হন। বর্তমানে তিনি পড়ালেখা করেন না। একই ব্রিফিংয়ের স্লাইডেও তার বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 


তবে তুহিনের শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে পুলিশের তথ্যের সঙ্গে তার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বক্তব্যের অমিল রয়েছে।

 

 


তুহিনের মা রওশন আরা বেগমের দাবি, তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে তুহিন গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে নিয়মিত ক্লাস না করায় তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

 

 

 

এ বিষয়ে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘সাইফুল ইসলাম তুহিন ২০২৩ সালে আমাদের স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। এখানে নিয়মকানুন না মানায় ২০২৩ সালেই টিসি নিয়ে চলে যায়। পরবর্তী সময়ে সে কী করেছে, এর জন্য আমাদের স্কুল দায়ী নয়। আমাদের স্কুল সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।’

 

 

এদিকে অপ্রতিম হত্যা মামলার আরেক আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদের বয়স নিয়েও পুলিশের দেওয়া দুই তথ্যে পার্থক্য রয়েছে। লিখিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তার বয়স ১৫ বছর উল্লেখ করা হলেও একই ব্রিফিংয়ের স্লাইডে বয়স দেওয়া হয়েছে ১৬ বছর। লিখিত তথ্যে তাকে ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলা হয়েছে।

 

 

 

মো. কামরুল হাসানের ক্ষেত্রে পুলিশের লিখিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বয়স উল্লেখ করা হয়নি। তবে একই ব্রিফিংয়ের স্লাইডে তার বয়স ১৫ বছর দেখানো হয়েছে।

 

 

 

সবচেয়ে বড় পার্থক্য দেখা গেছে মো. সিয়ামের বয়সের ক্ষেত্রে। পুলিশের লিখিত তথ্যে তার বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাকে আফজাল খান ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী বলা হয়েছে। অথচ একই ব্রিফিংয়ে উপস্থাপিত স্লাইডে তার বয়স ১৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। স্লাইডে তার শিক্ষাগত পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি।

 

 

 

সিয়ামের ঠিকানার ক্ষেত্রেও দুই তথ্যে অমিল রয়েছে। লিখিত তথ্যে তার ঠিকানা এলাহীপুর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা উল্লেখ করা হলেও স্লাইডে গ্রাম হিসেবে ‘সুধনাপুর (নোয়াবাড়ি)’ লেখা হয়েছে।

 

 

 

পুলিশের লিখিত তথ্য ও স্লাইডের তথ্য পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, ফাহাদের বয়সে এক বছরের পার্থক্য রয়েছে। কামরুলের বয়স লিখিত তথ্যে না থাকলেও স্লাইডে ১৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। আর সিয়ামের বয়সে চার বছরের পার্থক্য রয়েছে। একই সঙ্গে তার ঠিকানাতেও অমিল রয়েছে।

 

 

 

অন্যদিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসামিদের বয়স ও পরিচয় নিয়ে তথ্যের পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আসামিদের পরিচয়, বয়স ও ঘটনার বিবরণে স্পষ্ট ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য দেওয়া প্রয়োজন।

 

 

 

ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভূইয়া বলেন, প্রেস ব্রিফিংয়ের তথ্য নিয়ে তাদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তার দাবি, কর্মসূচির আগে পুলিশকে দেওয়া চার দফা দাবি নিয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একই ঘটনায় আগে আনাস নামের একজনকে আটকের খবর প্রকাশিত হলেও পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ তা অস্বীকার করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

 

 

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল বলেন, ‘তুহিনকে গ্রেপ্তারের পর সে আনাসের নাম বলেছে বলে আমরা জানতে পেরেছিলাম। পরে আনাসকে বেলতলি থেকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর পেয়েছিলাম। কিন্তু প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আনাস নামে কাউকে আটক করা হয়নি। তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়ে থাকলে কেন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করা দরকার।’

 

 

 

সিয়ামের বয়স নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাজমুল। তার দাবি, পুলিশ সিয়ামের বয়স ১৫ বছর বললেও তাকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সিয়ামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলে ভিন্ন জন্মতারিখ দেখা যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের স্বাধীন যাচাই না হওয়ায় প্রতিবেদনে সেটিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

 

 

 

এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

শিক্ষা

আরও দেখুন
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামিরা। ছবি: সংগৃহীত
চাঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা: আসামিদের তথ্য নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসঙ্গতি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিদের বয়স, ঠিকানা ও শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে পুলিশের দেওয়া তথ্যে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।     পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ের লিখিত তথ্য ও একই ব্রিফিংয়ে উপস্থাপিত স্লাইডের তথ্য তুলনা করে এসব পার্থক্য দেখা গেছে।       পুলিশের লিখিত তথ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিনের বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিনি কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ফেল করে ২০২৫ সালে ড্রপআউট হন। বর্তমানে তিনি পড়ালেখা করেন না। একই ব্রিফিংয়ের স্লাইডেও তার বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।     তবে তুহিনের শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে পুলিশের তথ্যের সঙ্গে তার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বক্তব্যের অমিল রয়েছে।     তুহিনের মা রওশন আরা বেগমের দাবি, তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে তুহিন গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে নিয়মিত ক্লাস না করায় তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।       এ বিষয়ে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘সাইফুল ইসলাম তুহিন ২০২৩ সালে আমাদের স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। এখানে নিয়মকানুন না মানায় ২০২৩ সালেই টিসি নিয়ে চলে যায়। পরবর্তী সময়ে সে কী করেছে, এর জন্য আমাদের স্কুল দায়ী নয়। আমাদের স্কুল সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।’     এদিকে অপ্রতিম হত্যা মামলার আরেক আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদের বয়স নিয়েও পুলিশের দেওয়া দুই তথ্যে পার্থক্য রয়েছে। লিখিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তার বয়স ১৫ বছর উল্লেখ করা হলেও একই ব্রিফিংয়ের স্লাইডে বয়স দেওয়া হয়েছে ১৬ বছর। লিখিত তথ্যে তাকে ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলা হয়েছে।       মো. কামরুল হাসানের ক্ষেত্রে পুলিশের লিখিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বয়স উল্লেখ করা হয়নি। তবে একই ব্রিফিংয়ের স্লাইডে তার বয়স ১৫ বছর দেখানো হয়েছে।       সবচেয়ে বড় পার্থক্য দেখা গেছে মো. সিয়ামের বয়সের ক্ষেত্রে। পুলিশের লিখিত তথ্যে তার বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাকে আফজাল খান ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী বলা হয়েছে। অথচ একই ব্রিফিংয়ে উপস্থাপিত স্লাইডে তার বয়স ১৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। স্লাইডে তার শিক্ষাগত পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি।       সিয়ামের ঠিকানার ক্ষেত্রেও দুই তথ্যে অমিল রয়েছে। লিখিত তথ্যে তার ঠিকানা এলাহীপুর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা উল্লেখ করা হলেও স্লাইডে গ্রাম হিসেবে ‘সুধনাপুর (নোয়াবাড়ি)’ লেখা হয়েছে।       পুলিশের লিখিত তথ্য ও স্লাইডের তথ্য পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, ফাহাদের বয়সে এক বছরের পার্থক্য রয়েছে। কামরুলের বয়স লিখিত তথ্যে না থাকলেও স্লাইডে ১৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। আর সিয়ামের বয়সে চার বছরের পার্থক্য রয়েছে। একই সঙ্গে তার ঠিকানাতেও অমিল রয়েছে।       অন্যদিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসামিদের বয়স ও পরিচয় নিয়ে তথ্যের পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আসামিদের পরিচয়, বয়স ও ঘটনার বিবরণে স্পষ্ট ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য দেওয়া প্রয়োজন।       ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভূইয়া বলেন, প্রেস ব্রিফিংয়ের তথ্য নিয়ে তাদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তার দাবি, কর্মসূচির আগে পুলিশকে দেওয়া চার দফা দাবি নিয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একই ঘটনায় আগে আনাস নামের একজনকে আটকের খবর প্রকাশিত হলেও পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ তা অস্বীকার করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।       বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল বলেন, ‘তুহিনকে গ্রেপ্তারের পর সে আনাসের নাম বলেছে বলে আমরা জানতে পেরেছিলাম। পরে আনাসকে বেলতলি থেকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর পেয়েছিলাম। কিন্তু প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আনাস নামে কাউকে আটক করা হয়নি। তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়ে থাকলে কেন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করা দরকার।’       সিয়ামের বয়স নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাজমুল। তার দাবি, পুলিশ সিয়ামের বয়স ১৫ বছর বললেও তাকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সিয়ামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলে ভিন্ন জন্মতারিখ দেখা যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের স্বাধীন যাচাই না হওয়ায় প্রতিবেদনে সেটিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।       এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ, শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর

রাজশাহী রেলস্টেশনে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর

ছবি: সংগৃহীত

আজ থেকে শুরু একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম, যেভাবে আবেদন করবেন

অক্সফোর্ড-কেমব্রিজকে পেছনে ফেলল ইম্পেরিয়াল কলেজ

যুক্তরাজ্যের অন্যতম পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয় ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন ২০২৭ সালের ‘গুড ইউনিভার্সিটি গাইড’-এ বর্ষসেরা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানটি অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ—দুই বিশ্ববিদ্যালয়কেই পেছনে ফেলেছে।   দ্য টাইমস ও দ্য সানডে টাইমসের প্রকাশিত এই গাইডে ইম্পেরিয়াল কলেজকে ‘ইউনিভার্সিটি অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করা হয়েছে। গতবারের তুলনায় তিন ধাপ এগিয়ে এই স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।   জাতীয় র‍্যাঙ্কিংয়েও ইম্পেরিয়াল কলেজের অবস্থান উন্নত হয়েছে। ষষ্ঠ স্থান থেকে উঠে এবার তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কেমব্রিজ চতুর্থ এবং অক্সফোর্ড পঞ্চম স্থানে রয়েছে।   গুড ইউনিভার্সিটি গাইডের ৩৩ বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ শীর্ষ তিনের বাইরে রয়েছে।   ইম্পেরিয়াল কলেজ আরও দুটি বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি স্নাতকদের চাকরির সুযোগের দিক থেকে ‘ইউনিভার্সিটি অব দ্য ইয়ার’ এবং চিকিৎসা শিক্ষার জন্য ‘মেডিকেল স্কুল অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছে।   গাইডের হিসাবে, ইম্পেরিয়াল কলেজের ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি বা দ্বিতীয় শ্রেণির উচ্চতর ফল অর্জন করেছেন। আর ৯৩ শতাংশ স্নাতক উচ্চ দক্ষতার চাকরি বা উচ্চশিক্ষায় যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।   বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার হার ৯৫ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম বর্ষ শেষ করার পর বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই পরের বর্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যান।   জাতীয় র‍্যাঙ্কিংয়ে এবার প্রথম হয়েছে সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স বা এলএসই।   লন্ডনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এলএসই প্রথম এবং জাতীয়ভাবে দ্বিতীয়। ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের মধ্যে দ্বিতীয় এবং জাতীয়ভাবে তৃতীয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন বা ইউসিএল লন্ডনে তৃতীয় এবং জাতীয়ভাবে ১৪তম। কিংস কলেজ লন্ডন লন্ডনে চতুর্থ এবং জাতীয়ভাবে ২৯তম।   লন্ডনের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে রয়্যাল হলোওয়ে, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন। জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ৩৩তম।   গুড ইউনিভার্সিটি গাইডের সম্পাদক হেলেন ডেভিস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।   তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা খাত বর্তমানে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন চাকরির বাজারের মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন স্নাতকেরা।   বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার হার এবং স্নাতকদের চাকরির সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে এই গাইড তৈরি করা হয়।   ২০২৭ সালের সংস্করণে যুক্তরাজ্যের ১৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি ৭০টি বিষয়ে আলাদা র‍্যাঙ্কিং এবং গবেষণা, সুযোগ-সুবিধা, বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তার তথ্যও দেওয়া হয়েছে।   সূত্র: ইয়াহু নিউজ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশিত

ছবি: সংগৃহীত

চুয়েটের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত

সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদানের প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত
একাদশে প্রথম ধাপের ফল, জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, জিপিএ-৫ অর্জন করেও ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে আসন পায়নি।   বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রথম ধাপে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের মোট ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে আসন বরাদ্দ পায়নি। তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাই ২ হাজার ২০৫ জন।   চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। এসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজের পছন্দক্রমে মোট ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫টি আবেদন জমা দেয়। প্রথম ধাপে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থীকে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।   বোর্ডভেদে চিত্র: ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৭২ হাজার ২৪৮টি আসন রয়েছে। এ বোর্ডে আবেদন করা ৩ লাখ ১২ হাজার ৪১ জনের মধ্যে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫৪৮ জন শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে কলেজে আসন পেয়েছে। চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৬ হাজার ২৪০ জন আবেদনকারীর মধ্যে ৮০ হাজার ২৯০ জন এবং রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৩ জন আবেদনকারীর মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার ১৯১ জন শিক্ষার্থী আসন পেয়েছে।   বিভাগভিত্তিক আসন বরাদ্দ: মানবিক বিভাগে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করে ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫০ জন। তাঁদের মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৭৭১ জন শিক্ষার্থী আসন পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে মোট আসন ৬ লাখ ২৬ হাজার ২৭১টি। এই বিভাগে আবেদন করেছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬২৫ জন এবং প্রথম ধাপে আসন পেয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯০৯ জন। অন্যদিকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫২ জন। তাঁদের মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৭ জনকে কলেজে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হোম সায়েন্স, মিউজিক, ইসলামিক স্টাডিজ এবং মাদ্রাসা বোর্ডের বিভিন্ন গ্রুপেও শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম ও নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আসন বরাদ্দ করা হয়েছে।   এরপরের কার্যক্রম: প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। পছন্দক্রমের ভিত্তিতে মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। ফলে একাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষায় বছরজুড়ে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ বিষয় অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা

ছবি: সংগৃহীত

মানসম্মত পাঠ্যবই ও গবেষণা প্রকাশে তিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা

ছবি: সংগৃহীত

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল আজ রাত ৮টার পর

0 Comments