বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের স্কোয়াড ঘোষণা ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল আগ্রহ। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রথম বিশ্বকাপ দল ঘোষণাকে ঘিরে শুধু ব্রাজিলেই নয়, গোটা ফুটবল বিশ্বে এখন আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে বিষয়টি।
আগামীকাল সোমবার বিকেল ৫টায় রিও ডি জেনেইরোর বিখ্যাত মিউজিয়াম অব টমোরোতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিলের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি। সেই অনুষ্ঠান কাভার করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৭০০ সাংবাদিক উপস্থিত থাকবেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) বরাতে এমনটাই জানিয়েছে দেশটির জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ও’গ্লোবো।
সিবিএফ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটি দুই ভাগে আয়োজন করা হবে। মূল মঞ্চে প্রায় এক হাজার মানুষের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিকদের পাশাপাশি অতিথি ও পৃষ্ঠপোষকরাও থাকবেন। এ ছাড়া আলাদা একটি অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন আনচেলত্তি।
৩৪০ আসনের ওই অডিটোরিয়ামে থাকছে বিশেষ কিছু নিয়মও। ক্যামেরাপারসন ও সাউন্ড টেকনিশিয়ানদের নির্ধারিত স্থানে সরঞ্জাম বসাতে হবে। ফটোগ্রাফারের সংখ্যাও সীমিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি টিভি চ্যানেলকে মাত্র একটি ক্যামেরা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপ দল ঘোষণার এই অনুষ্ঠান ঘিরে আন্তর্জাতিক আগ্রহ কতটা তুঙ্গে, সেটার প্রমাণ মিলছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতেই। ব্রাজিলের বাইরে আরও ১৩টি দেশের সাংবাদিক এই অনুষ্ঠানের জন্য নিবন্ধন করেছেন। তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, চিলি, যুক্তরাষ্ট্র, এল সালভাদর, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, রাশিয়া, ইতালি, স্পেন, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাংলাদেশ ও জাপান।
এদিকে দল ঘোষণাকে ঘিরে ব্রাজিলজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ। বিশেষ করে নেইমারের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলছে তুমুল বিতর্ক। একদল এই ফরোয়ার্ডের বিশ্বকাপ দলে দেখতে চাইলেও, আরেকদল এর বিপক্ষে। আনচেলত্তি শেষ পর্যন্ত নেইমারকে ইস্যুতে কোন পথে হাঁটেন সেটা জানা যাবে আগামীকাল। সব মিলিয়ে এই ইতালিয়ান কোচের প্রথম বিশ্বকাপ দল ঘোষণা এখন শুধুই একটি দল ঘোষণার অনুষ্ঠান নয়; বরং এটা পরিণত হয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আকর্ষণে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে পৌঁছানোর আগেই চুরির শিকার হয়েছে ইংল্যান্ড ফুটবল দল। ঠিক কী কী সরঞ্জাম চুরি হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অনুশীলনের জন্য ব্যবহৃত বল, বুটসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী চুরি হয়ে থাকতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলের সরঞ্জাম বহনকারী কয়েকটি গাড়ি কানসাস সিটির সোয়োপ সকার ভিলেজ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ভেঙে ফেলা হয় এবং সেখান থেকেই চুরির ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার বিকেলে কানসাস সিটিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল এবং তার খেলোয়াড়দের। তাদের আগমনের আগেই সব সরঞ্জাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। গতকাল শুক্রবার রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে তদন্ত শুরু করে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে এফএর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিষয়টি তদন্ত করছে। আগামী বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইংল্যান্ড।
বাংলাদেশে একজন ভালো বেতনের চাকরিজীবী বছরে বেতন বাবদ ৬ লাখ টাকার মতো (৫০ হাজার মাসিক বেতন ধরে) ইনকাম করেন। সে হিসেবে রোনালদোর ৯০ মিনিটের সমান ইনকাম করতে বছরে প্রায় ৭৪৫ বছর লাগবে! এটিকে আয়ের পার্থক্য বলা ভুল হবে। এটি আসলে আস্ত একটি ‘টাইম মেশিন’! ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ ফুটবলার কেবল সৌদি আরবের ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি থেকেই বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়। বাংলাদেশি টাকায় হিসাব করলে যা প্রায় ২৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা মতো (২৪,৫৯৭,৬২০,০০০)। ধরে নেওয়া যাক, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে তিনি পুরো মৌসুমে গড়ে ৫৫টি ম্যাচ খেলেন। এবার তার বার্ষিক আয়কে এই ৫৫ দিয়ে ভাগ করলেই চোখ কপালে ওঠার মতো হিসাব বেরিয়ে আসবে— মাঠে খেলা প্রতিটি ম্যাচের জন্য তিনি পাচ্ছেন প্রায় ৪৪.৭২ কোটি (৪৪ কোটি ৭২ লাখ) টাকার মতো। অন্য কথায় বলতে গেলে, ৯০ মিনিটের একটি ফুটবল ম্যাচ আর সাথে সামান্য ইনজুরি টাইম— তাতেই রোনালদো যে টাকা আয় করেন, বাংলাদেশের অনেক বড় কোম্পানি পুরো বছরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন বাবদও এত টাকা বরাদ্দ রাখে না। এবার চোখ রাখা যাক তার মোট সম্পত্তির খতিয়ানে। ধারণা করা হয়, রোনালদোর নেট ওয়ার্থ বা মোট সম্পদের পরিমাণ এখন অনায়াসেই ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যদি আমরা একদম কম করেও ধরি, তবে এই অঙ্কটা অন্তত ১২০ কোটি ডলার। বর্তমান মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় বাংলাদেশি সংখ্যায় এটি ১৪ হাজার ৬৪০ কোটি! দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পাওয়া চড়া বেতন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বোনাস, ইমেজ রাইটস, স্পন্সরশিপ চুক্তি, নানা ব্যবসায়িক উদ্যোগ আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিশাল ফ্যানবেস— সব মিলিয়েই গড়ে উঠেছে তার এই অঢেল সম্পদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা তো বিশ্বের অনেক দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। এবার এই বিশাল অঙ্কের পাশে বাংলাদেশের ১ম গ্রেডের একজন সরকারি চাকরিজীবীকে দাঁড় করানো যাক। বর্তমান (২০১৫ সারের) প্রচলিত পে স্কেল অনুযায়ী প্রথম গ্রেডের একজন কর্মকর্তার বেসিক বা মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। রোনালদোর প্রতি ম্যাচের আয়: প্রায় ৪৪ কোটি টাকা বাংলাদেশের প্রথম গ্রেডের চাকরিজীবীর বার্ষিক মূল বেতন: ৯ লাখ ৩৬ হাজার রোনালদো মাত্র একটি ম্যাচে যা আয় করেন, সেই সমপরিমাণ টাকা আয় করতে ওই চাকরিজীবীর প্রয়োজন হবে প্রায় ৪৭০ বছরের কঠোর পরিশ্রম! (৪৪০০০০০০০ ÷ ৯৩৬০০০= ৪৭০) অন্যভাবে বলতে গেলে, একজন মানুষ যদি উদারহস্তে টানা ৪০ বছরও চাকরি করেন, তবুও রোনালদোর পাহাড়সম সম্পদের সামনে তা বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলবে না। আর রোনালদোর সমান সম্পদ বানাতে গেলে বছরে ৬ লাখ আয় করা প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের এক বছরের আয় লাগবে। এছাড়া রোনালদো ফুটবল মাঠে কাটানো প্রতি ঘণ্টার জন্য প্রকৃতপক্ষে প্রায় ২০ কোটি রুপি আয় করছেন। জমকালো লাইফস্টাইল, ট্রফির রাজত্ব আর ইনস্টাগ্রামের কোটি কোটি ফলোয়ার— সবকিছু যদি বাদও দেওয়া হয়, তবুও এই সাধারণ গাণিতিক হিসাবটাই আসল সত্য বলে দেয়। আধুনিক ফুটবলের একদম চূড়ায় বসে থাকা একজন মানুষের মাত্র ৯০ মিনিটের মূল্য, অন্য কারোর হাজার বছরের সকাল-সন্ধ্যা খাটুনির চেয়েও অনেক বেশি!
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলকে খেলতে হবে সুপারস্টার নেইমার ছাড়াই। এমনকি পুরো গ্রুপপর্বের ম্যাচেও তিনি মাঠের বাইরে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে শুক্রবার (১২ জুন) আনচেলোত্তি বলেন, ‘সে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহে সে পুরোপুরি অনুশীলনে ফিরতে পারবে।’ গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের বাকি দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ১৯ জুন হাইতির এবং ২৪ জুন স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। ক্যাফ ইনজুরির (পায়ের পেছনের পেশির চোট) প্রভাব এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি নেইমার। সম্প্রতি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছিল, ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিনও দলের অনুশীলনে দেখা যায়নি বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ট্রান্সফারের মালিক এই ফুটবলারকে। সান্তোসের এই স্ট্রাইকার চমক দেখিয়ে কোচ আনচেলোত্তির ঘোষিত দলে ফেরার ডাক পাওয়ার পরও পানামা ও মিসরের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারেননি। ব্রাজিলের ইতিহাসে প্রথম বিদেশি কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া আনচেলোত্তি বলেন, শুধু ফুটবলীয় সামর্থ্যের জন্য নয়, অভিজ্ঞতার কারণেও তিনি নেইমারকে দলে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলে থাকা তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য সে একটি ভালো উদাহরণ হতে পারে।’ দলীয় সতীর্থ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নেইমারকে নিজের আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সে আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি এবং তাকে আবার মাঠে দেখার অপেক্ষায় আছি।’ অন্যদিকে মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াবি বলেছেন, নেইমার খেলুক বা না খেলুক—তাদের প্রস্তুতিতে কোনো পরিবর্তন নেই। তিনি বলেন, ‘নেইমারকে নিয়ে এবং নেইমারকে ছাড়া—দুই ধরনের ম্যাচের জন্যই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের জন্য কিছুই বদলাচ্ছে না।’ তবে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন নেইমারের বিপক্ষে খেলতে না পারায়। পিএসজির এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘আমি সবসময় সেরাদের বিপক্ষে খেলতে চাই। আর নেইমার অবশ্যই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন।’