ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তার ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন। লক্ষ্য একটাই, শেষবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি জয় করা। বর্তমানে ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হলেও বিশ্বকাপ শিরোপা এখনো তার ক্যারিয়ারের বড় অপূর্ণতা।
২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল ছিল তার সর্বোচ্চ সাফল্য। এরপর আর কখনো কোয়ার্টার ফাইনালের গণ্ডি পার হতে পারেননি তিনি।
পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ ২৭ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন। দলে অতিরিক্ত একজন গোলরক্ষকও রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই ফিট থাকলেও কিছু খেলোয়াড় সামান্য ইনজুরিতে ছিলেন।
রোনালদোর পাশাপাশি এবার দলের প্রধান তারকা হিসেবে ধরা হচ্ছে ব্রুনো ফার্নান্দেসকে। মধ্যমাঠে ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেস এবং রক্ষণভাগে নুনো মেন্ডেস দলের শক্তি বাড়িয়েছে।
আক্রমণভাগে নজর থাকবে জোয়াও ফেলিক্স এবং রাফায়েল লেওর পারফরম্যান্সে।
পর্তুগালের বিশ্বকাপ দল
গোলকিপার: দিয়োগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্ডো ভেলো
ডিফেন্ডার: টোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো ডালোট, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা
মিডফিল্ডার: সামু কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বের্নার্দো সিলভা, ভিতিনহা
ফরোয়ার্ড: ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেতো, গনসালো রামোস, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ফ্রান্সিসকো ট্রিনকাও।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। সোমবার (১৮ মে) দিবাগত রাতে রিও ডি জেনিরোর ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’তে জমকালো এক অনুষ্ঠানে সেলেসাওদের বিশ্বকাপ দল প্রকাশ করেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এবারের দল ঘোষণার সবচেয়ে বড় চমক পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়রের প্রত্যাবর্তন। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো’র তথ্যমতে, ১৩টি দেশের প্রায় ৭০০ সংবাদকর্মীর উপস্থিতিতে আনচেলত্তি যখন নেইমারের নাম উচ্চারণ করেন, তখন পুরো মিলনায়তন উল্লাস আর করতালিতে ফেটে পড়ে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম এবং আনচেলত্তি ব্রাজিলের কোচ হওয়ার পর এবারই প্রথম জাতীয় দলে ডাক পেলেন ৩৪ বছর বয়সী এই মহাতারকা। দীর্ঘ চোট ও ফিটনেস জটিলতার কারণে নেইমারের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে তুমুল বিতর্ক ছিল। তবে নেইমারকে দলে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, ‘আমরা নেইমারকে পুরো বছরের পারফরম্যান্স দিয়ে মূল্যায়ন করেছি। সাম্প্রতিক সময়ে সান্তোসের হয়ে তার ধারাবাহিক খেলা এবং শারীরিক অবস্থার অভাবনীয় উন্নতি আমাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিল। বিশ্বকাপে অন্যদের মতো তারও একই ভূমিকা থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক বেশি। এটা সত্যি যে কিছু পজিশনে আমরা অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিই।’ বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেলেও নেইমার যে সরাসরি শুরুর একাদশে সুযোগ পাবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই সফল কোচ। আনচেলত্তি সরাসরি বলেন, ‘নেইমার বিশ্বকাপে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে এখানে আপনার শুরুর একাদশে খেলার, না খেলার, কিংবা কেবল বেঞ্চে বসে কাটানোরও সম্ভাবনা আছে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগপর্যন্ত নিজের শারীরিক অবস্থা আরও উন্নত করার সুযোগ তার সামনে রয়েছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি সবার সাথে স্বচ্ছ ও সৎ থাকতে চাই। যদি নেইমার শুরুর একাদশে থাকার মতো যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন, তবেই খেলবেন। আমার মাথায় একটা শুরুর একাদশ আছে, তবে আমি অনুশীলনে সবার প্রস্তুতি দেখতে চাই। নেইমারের ক্ষেত্রেও নিয়মটা একই।’ ব্রাজিল দল যেন একক কোনো খেলোয়াড়-নির্ভর না হয়ে পড়ে, সে বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন এই অভিজ্ঞ ট্যাকটিশিয়ান। আনচেলত্তি বলেন, ‘শুধু একজন খেলোয়াড়ের ওপর প্রত্যাশার চাপ আটকে রাখা ঠিক নয়। দলগতভাবে পারফর্ম করা আমাদের মূল দায়িত্ব। বিশ্বকাপ জিততে হলে স্কোয়াডের সবাইকে অবদান রাখতে হবে। আমি শুধু বড় তারকা চাই না, আমি এমন ফুটবলার চাই যারা দলকে ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করবে।’ নেইমারকে কেবল সাইডবেঞ্চ গরম করার জন্য নেওয়া হয়নি জানিয়ে কোচ বলেন, ‘নেইমারকে রিজার্ভ ফুটবলার হিসেবে নেওয়া হয়নি, তিনি দলের মান বাড়াবেন। এমনকি তিনি যদি মাঠে এক মিনিটের জন্যও নামেন, ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন। আমরা এমন ফুটবলারদের ডেকেছি যারা উপযুক্ত দলকে এগিয়ে নেবে। তারা ঠিক কত মিনিট খেলবে? সেটা আমি এখনো জানি না।’
আরও একবার বৈভব সূর্যবংশীর তাণ্ডব দেখল আইপিএল। আজ মঙ্গলবার প্লে-অফের লড়াইয়ের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একপ্রকার অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেই নিজের দলকে জয় উপহার দিলেন ১৫ বছরের কিশোর। মূলত বৈভবের ৯৩ রানের ইনিংসের সুবাদেই রাজস্থান রয়্যালস ৭ উইকেটে হারাল লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসকে। এই জয়ের ফলে প্লে-অফের আরও কাছে চলে এল রাজস্থান। একই সঙ্গে রাস্তা কঠিন হয়ে গেল কেকেআরের। এদিন প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২২০ স্কোর তুলে এলএসজি। আইপিএলের প্রথম দিকে ওপেনিং জুটি সেভাবে পারফর্ম করতে পারছিল না তাদের। যার প্রভাব পড়ছিল দলের ব্যাটিংয়ে। জশ ইংলিশ আসার পর সেই সমস্যা অনেকটাই কেটেছে। মিচেল মার্শের সঙ্গে তাঁর জুটিতে বেশ ভালো শুরু করছে এলএসজি। এদিনও যেমন পাওয়ার প্লে-তে কোনও উইকেট না হারিয়েই তারা তুলে ফেলে ৮৩। ওপেনিং জুটিতে আট ওভারেই ১০৫ উঠে যায়। দুরন্ত ব্যাটিং করেন ইংলিশ (২৯ বলে ৬০)। একটুর জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না মার্শ (৯৬)। তার ৫৭ বলের ইনিংস সাজানো ১১ চার এবং পাঁচ ছক্কায়। তবে নিকোলাস পুরান (১৬) এবং ঋষভ পন্থ (২৩ বলে ৩৫) রান তোলার গতি সেভাবে ধরে রাখতে পারেননি। ফলে যে রানটা হয়তো ২৪০ হতে পারত, সেটাই থেমে যায় ২২০-তে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা প্রত্যাশিতভাবেই বিধ্বংসী করে রাজস্থান রয়্যালস। প্রথম উইকেটের জুটিতে মাত্র সাড়ে ৬ ওভারে ৭৫ রান তুলে দেয় তারাও। এদিন অধিনায়কত্বের দায়িত্বে থাকা জয়সওয়াল ২৩ বলে করেন ৪৩ রান। তবে আসল কাজটা আরও একবার করে যায় ১৫ বছরের বৈভব। অন্যদিনের মতো এদিন শুরুটা অতটা মসৃণ হয়নি বৈভবের। কিন্তু পাওয়ার প্লে-র পর যেন অন্য রূপে দেখা গেল তাকে। শেষপর্যন্ত অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও ৩৮ বলে ৯৩ রানের ইনিংসে রাজস্থানের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেয় বৈভব। সেই সঙ্গে অনবদ্য রেকর্ডও গড়েছে সে। আইপিএলের এক মৌসুমে ৫০০ রানের বেশি করা ব্যাটারদের মধ্যে বৈভবের স্ট্রাইক রেটই সবচেয়ে বেশি। চলতি মৌসুমে তার স্ট্রাইক রেট ২৩৬-এরও বেশি। এর আগে ২০১৯ সালে আন্দ্রে রাসেল ৫০০-র বেশি রান করেন ২০৪ স্ট্রাইক রেট রেখে। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। শেষে ধ্রুব জুড়েল করেন ৫৩ রান। এদিনের জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এল রাজস্থান। বৈভবদের সামনে প্লে-অফের অঙ্কটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। নিজেদের শেষ ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারালেই প্লেঅফে চলে যাবে রাজস্থান। সেক্ষেত্রে অন্য কোনও দলের দিকে তাকিয়েও থাকতে হবে না তাদের। বৈভবদের এদিনের জয় রাস্তা কঠিন করল কেকেআরের জন্যও। শেষ ম্যাচে রাজস্থান যদি মুম্বইয়ের কাছে না হারে, তাহলে নাইটদের আর কোনও সম্ভাবনা থাকবে না। এদিকে এবারের আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফ দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টস। এখন মূলত অন্যের যাত্রাভঙ্গই মূল কাজ তাদের। এদিন সেটা করতে পারলে খানিকটা সুবিধা হত নাইটদের।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ক্রোয়েশিয়া। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার লুকা মদরিচকেই অধিনায়ক রেখে দল সাজিয়েছেন কোচ জ্লাতকো দালিচ। এবারের বিশ্বকাপ হবে ৪০ বছর বয়সী মদরিচের চতুর্থ বিশ্বকাপ। গত মাসে গালের চোটে অস্ত্রোপচার করাতে হলেও বর্তমানে অনুশীলনে ফিরেছেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেতে কোনো সমস্যা হয়নি এই অভিজ্ঞ তারকার। দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার ইয়োশকো গাভার্দিওলও। চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলে মাঠে ফেরেন তিনি। সবশেষ দুই বিশ্বকাপে দারুণ সাফল্য পেয়েছে ক্রোয়েশিয়া। ২০১৮ সালে রানার্সআপ এবং ২০২২ সালে তৃতীয় হওয়া দলটি এবারও ভালো কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। তবে কোচ দালিচ জানিয়েছেন, তাদের প্রথম লক্ষ্য গ্রুপ পর্ব পার হওয়া। বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া রয়েছে ‘এল’ গ্রুপে। ১৭ জুন প্রথম ম্যাচে তারা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। গ্রুপের অন্য দুই প্রতিপক্ষ পানামা ও ঘানা। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বেলজিয়াম ও স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে খেলবে ক্রোয়েশিয়া।