আন্তর্জাতিক

বার্সেলোনায় ট্রেন দুর্ঘটনায় চালক নিহত, আহত বহু

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ২১, ২০২৬

মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে স্পেনে আবারও ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বার্সেলোনায় একটি কমিউটার ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে। এতে চালক প্রাণ হারান। এছাড়া আহত হন ৩৭ জন। যারমধ্যে পাঁচজনের অবস্থা বেশ গুরুতর।

 

এরআগে গত রোববার দক্ষিণ স্পেনে আরেক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অন্তত ৪০ জন নিহত হন।

 

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ট্রেনটি রেললাইনের পাশের দেয়ালে ধাক্কা খায়।

 

কাতালুনিয়া আঞ্চলিক ফায়ার ইন্সপেক্টর ক্লাউডি গালার্দো জানিয়েছেন, ট্রেন থেকে সব যাত্রীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

 

স্পেনের বিভিন্ন জায়গায় গত কয়েকদিন ধরে বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করছে। দেশটির উপকূলীয় এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে উচ্চসতর্কতা জারি করা হয়েছে। এরমধ্যেই পরপর দুটি বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটল।

 

দুর্ঘটনার পর ট্রেনের ভেতর এক যাত্রী আটকা পড়েছিলেন। পরবর্তীতে তাকে বের করে নিয়ে আসতে সমর্থ হন উদ্ধারকারীরা। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা বেশ গুরুতর। ছয়জন তাদের চেয়ে কম আহত হয়েছেন। আর ২৬ জন মাঝারি মাত্রার আঘাত পেয়েছেন।

 

এ দুর্ঘটনার সময় বার্সেলোনায় আরেকটি কমিউটার ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। তবে সেখানে কেউ হতাহত হননি। দেশটির এক রেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঝড়ের কারণে লাইনে পাথর পড়ে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়।

 

সূত্র: বিবিসি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে মার্কিন সিনেটে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

ইরানে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন সিনেটে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এ প্রস্তাব অনুসারে ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে বা পরবর্তী কোনো পদক্ষেপের আগে কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক অনুমোদন নিতে হবে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।    এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে পাস হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদিত হয়েছিল।   সিনেটে বর্তমানে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে চার রক্ষণশীল দলের বাইরে গিয়ে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অর একজন বাদে বাকি সব ডেমোক্রেট সদস্যরা এতে সমর্থন জানান।    মার্কিন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধসংক্রান্ত প্রস্তাব কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সফলভাবে পাস হয়েছে। যদিও এটি মূলত একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ ধারণা করা হচ্ছে, এ প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেটো দেবেন।    দলের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়া চার চার রিপাবলিকান হলেন লুইসিয়ানার বিল কাসিডি, আলাস্কার লিসা মুরকোস্কি, মেইনের সুসান কলিন্স এবং কেনটাকির র‍্যান্ড পল। এছাড়া কেনটাকির মিচ ম্যাককনেল এবং পেনসিলভেনিয়ার ডেভ ম্যাককরমিক নামের দুজন রিপাবলিকান ভোট দেননি।     ডেমোক্রেট নেতা চাক শুমার বলেন, বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্প ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি এই বিপর্যয়কর যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকান জনগণের জন্য কেবল সর্বোচ্চ বিভ্রান্তি, বিশৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি বয়ে এনেছেন।   তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ভুলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এ ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে ইতিহাসে লেখা থাকবে।   যুদ্ধ সংক্রান্ত এ প্রস্তাবে ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা বন্ধ করে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে ট্রাম্প ইরানে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের ওপর ‘আসন্ন কোনো হামলা’ প্রতিরোধের জন্য সীমিত সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।   আইডাহোর রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বলেন, এই প্রস্তাব পাস হলে সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনায় ট্রাম্পের অবস্থান দুর্বল হবে। এটি পাস হলে ইরানিরা আলোচনা ছেড়ে উঠে যাবে। তারা বলবে কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। আমরা যা খুশি করতে পারি।   এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং ইপসোসের মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৪ শতাংশ আমেরিকান এই যুদ্ধকে যৌক্তিক মনে করেছেন।   সূত্র: আল জাজিরা 

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু মোকাবিলায় মাঠে নামছে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল আদায়ের সুযোগ থাকবে না: মার্কো রুবিও

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে চলতি বছরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা পৌঁছালো ১০০-তে

সংগৃহীত ছবি
নিষেধাজ্ঞা মওকুফে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পর অবরুদ্ধ করে রাখা ১২ বিলিয়ন (১ হাজার ২০০ কোটি) ডলারের ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এই তথ্য জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।   স্পিকার গালিবাফ বলেন, অবরুদ্ধ হয়ে থাকা ১২ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।   এদিকে এই চুক্তির পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ বা অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের ওপর থাকা বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে মওকুফ করেছে। আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের অপরিশোধিত খনিজ তেল, পেট্রোকেমিক্যাল এবং পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রির ওপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা মওকুফ করা হয়েছে।    

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ কোম্পানির ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দিল চীন

ছবি: সংগৃহীত

পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ফিরিয়ে দিলেন জেলেনস্কি

ভর্তি পরীক্ষায় ২ নম্বরের জন্য ব্যর্থ, সেই শিক্ষার্থীই এখন ইসরোর বিজ্ঞানী

ছবি: সংগৃহীত
মুসলিম ইস্যুতে পাকিস্তানের মন্তব্য, প্রত্যাখ্যান ভারতের

ভারতে প্রায় হাজার বছরের পুরোনো মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের বিরুদ্ধে আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তাঁর এ মন্তব্যকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘বিদ্বেষপ্রসূত পরিকল্পিত রাজনৈতিক আক্রমণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। নয়াদিল্লি বলেছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো এখতিয়ার ইসলামাবাদের নেই।   ভারতের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে জারদারির এক্সে শেয়ার করা একটি পোস্টের পর। সেখানে তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসীর ঐতিহাসিক মসজিদ-ই-গাঞ্জে শাহীদা এবং ভারতের বিভিন্ন মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুরের হুমকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে বলা হয়, ভারতে ঐতিহাসিক মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে দেওয়া হুমকি উদ্বেগজনক। তিনি দাবি করেন, এসব স্থাপনার মধ্যে বারাণসীর হাজার বছরের পুরোনো মসজিদ-ই-গাঞ্জে শাহীদাও রয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ভারতকে অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ভারতকে বিচ্ছিন্নতা ও দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। পাশাপাশি তিনি সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং যৌথ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান জানান। জারদারির এই মন্তব্যের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের করা মন্তব্য ভিত্তিহীন এবং ভারত তা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। তিনি বলেন, যা হোক, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার কোনো অবস্থান বা অধিকার তাঁর নেই। জয়সওয়াল আরও বলেন, মানবাধিকার ইস্যুতে পাকিস্তানের নিজস্ব রেকর্ড অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় এ ধরনের মন্তব্য আরও বেশি অযৌক্তিক বলে মনে হয়। তাঁর ভাষ্য, ‘পাকিস্তানের নিজস্ব মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচনার বিষয়। বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে দীর্ঘদিন ধরে পদ্ধতিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ও নিপীড়নের যে ইতিহাস পাকিস্তানের রয়েছে, তা সুপরিচিত।’ ভারতের বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, গত কয়েক বছরে পাকিস্তানে সক্রিয় বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ও পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো দেশটিতে ধর্মভিত্তিক সহিংসতার ধারাবাহিকতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। বিশেষ করে হিন্দু ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতার বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে ভারত বলেছে, ধর্ম অবমাননা-সংক্রান্ত সহিংসতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হামলা পাকিস্তানে এখনও অব্যাহত রয়েছে। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সরকারি নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আইনও এ পরিস্থিতিকে উৎসাহিত করছে। রণধীর বলেন, জারদারির মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তা পাকিস্তানের বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতানির্ভর রাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন। তিনি বলেন, এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে কেবল একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক আক্রমণ হিসেবেই দেখা যায়, যা পাকিস্তানের বিদ্বেষ ও ঘৃণানির্ভর জাতীয় নীতির দ্বারা পরিচালিত।’ ভারতের অবস্থান হলো, ইসলামাবাদের ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয় এবং এ ধরনের বিষয়ে পাকিস্তানের মন্তব্য দেশটি আগেও একাধিকবার প্রত্যাখ্যান করেছে। খবর দি ইন্ডিপেন্ডেন্টের।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারত, ফিলিস্তিনে কেন যোগব্যায়াম কূটনীতি?

ছবি: সংগৃহীত

কাতারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল ভারত-পাকিস্তানের শ্রমিকদের

ছবি: সংগৃহীত

তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন, মমতার স্থলাভিষিক্ত অরুপ রায়

0 Comments