জাতীয়

বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা বাড়ছে

বিদেশ ভ্রমণে বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা বাড়ছে: শিক্ষা, চিকিৎসা ও শ্রমবাজারে সংকট

Dihan সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

বিদেশ ভ্রমণে বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষার্থী, পর্যটক কিংবা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়া হোক—সব ক্ষেত্রেই ভিসা পাওয়া এখন আগের তুলনায় কঠিন হয়ে পড়েছে। কর্মসংস্থানের জন্য প্রচলিত শ্রমবাজারগুলোও একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

 

শিক্ষার্থী ভিসায় বড় ধাক্কা

যুক্তরাষ্ট্রে একসময় শতকরা ৩০ জন শিক্ষার্থী ভিসা পেলেও বর্তমানে ৯৫ শতাংশ আবেদন রিজেক্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা পরামর্শকরা। ইউরোপেও ভিসা প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে যেসব দেশে দূতাবাস বাংলাদেশে নেই। ফলে আবেদনকারীদের অন্য দেশে গিয়ে ভিসা করতে হচ্ছে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে শিক্ষার্থী ভিসায় যাওয়া কিছুটা বেড়েছে।

 

পর্যটন ও চিকিৎসা ভিসার বাধা

ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ নিকটবর্তী দেশগুলোতে পর্যটন ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভিসা পেতে এখন দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এমনকি আগে অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেওয়া দেশগুলোও নতুন করে শর্ত আরোপ করেছে। ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর দাবি, অনেকেই ভিসার সুযোগ নিয়ে বিদেশে থেকে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

 

শ্রমবাজার সংকুচিত

মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত শ্রমবাজারগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মালয়েশিয়া, দুবাই, বাহরাইন, ওমান, কাতার কার্যত বন্ধ, শুধু সৌদি আরব আংশিক খোলা রয়েছে। ইউরোপের কিছু দেশ যেমন রোমানিয়া, পোল্যান্ডে সীমিত সুযোগ থাকলেও দূতাবাস না থাকায় ভিসা পাওয়া জটিল হয়ে উঠেছে।

 

ভিসা না পাওয়ার কারণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ অভিবাসন, ভুয়া কাগজপত্র, বিদেশে গিয়ে থেকে যাওয়া, এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েনই মূলত ভিসা না পাওয়ার প্রধান কারণ। এতে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও শ্রমবাজার সংকুচিত হচ্ছে, রেমিট্যান্স প্রবাহেও প্রভাব পড়ছে।

 

সমাধানের পথ

সাবেক রাষ্ট্রদূতরা বলছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়ানো, দক্ষ কর্মী তৈরি, অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং নকল ডকুমেন্ট বন্ধ করলেই পরিস্থিতি উন্নত হতে পারে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা সমস্যার সমাধানে তারা বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন আর্থিক সহায়তা

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজারের পেকুয়ার বাঘগুজারা বাজারপাড়া এলাকায় সফরসঙ্গীদের সাথে নিয়ে ওয়াসিম আকরামের কবরের পাশে তিনি মোনাজাত করেন।    পরে ওয়াসিম আকরামের মা জোসনা বেগমসহ পরিবারের সদস্যদের সাথে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন এবং সার্বিক খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি ২০ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র তুলে দেন।   সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে কক্সবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।    পাতলী খাল পুনঃখনন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন।   মেরিন ড্রাইভ সড়কে সমুদ্র দর্শন ও সুধী সমাবেশ শেষে ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটে রাতেই তার ঢাকা ফেরার সূচি নির্ধারিত রয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৩, ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে হাওরে এমপির আনন্দভ্রমণ

সর্ববৃহৎ বাজেটেও নেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পথনকশা

ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
গাইবান্ধায় রাম বিগ্রহ নির্মাণ স্থগিত, অপসারণে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মাণাধীন রাম বিগ্রহকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ক ও উত্তেজনার মধ্যে প্রকল্পটির কাজ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যেই স্থানীয় ইমাম-ওলামা পরিষদ নির্মাণাধীন স্থাপনাটি অপসারণের দাবি জানিয়ে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।   শুক্রবার জুমার নামাজের পর পলাশবাড়ী উপজেলার চারমাথা এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। এ সময় বক্তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিগ্রহ অপসারণ এবং প্রকল্পের পেছনের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।   এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্দির কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেয়। সংবাদ সম্মেলনে মন্দির কমিটির উপদেষ্টা শ্যামল কুমার মহন্ত বলেন, কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপের কারণে নয়, বরং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, ভবিষ্যতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পটির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে মন্দিরের নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।   স্থানীয়ভাবে আলোচিত এই প্রকল্পটিকে ‘বৃহৎ রাম বিগ্রহ’ নির্মাণ উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে কর্মসূচি পালন করে।   এদিকে ইমাম-ওলামা পরিষদ একাধিক দাবিও উত্থাপন করেছে। তাদের দাবি, প্রকল্পের অর্থায়নের উৎস, ব্যয়ের পরিমাণ, দেশি-বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়গুলো তদন্ত করা হোক। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর কোনো প্রভাব রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।   উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শুক্রবার পলাশবাড়ীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।   প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান সম্ভব হবে এবং এলাকায় বিদ্যমান সম্প্রীতির পরিবেশ অক্ষুণ্ণ থাকবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সড়ক থেকে ইট অপসারণ: যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: ডিসি ফরিদা

ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে শিবির নেতা জিসান বহিষ্কার, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, নিজেই গাড়ি চালিয়ে কর্মসূচিতে রওনা

কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে কর্মসূচিস্থলে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি কক্সবাজারে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর তিনি চালকের আসনে বসে পাতলী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের নজর কাড়ে।   সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরীসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।   দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, জনসভা এবং সুধী সমাবেশসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।   সব কর্মসূচি শেষে তিনি রাতে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে রওনা দেবেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের চিকিৎসা দিতে ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমীর

0 Comments