বিশ্ব

সোনালি বিবি ও তাঁর ছেলেকে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিচ্ছে ভারত

খবর৭১ ডেস্ক, ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫ 0

বাংলাদেশি দাবি করে জবরদস্তি সে দেশে ঠেলে পাঠানো অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবি ও তাঁর আট বছর বয়সী ছেলেকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মত হওয়ার কথা আজ বুধবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর এজলাসে জানান।

আদালত বলেছেন, সোনালি বিবিদের বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরত এনে তাঁদের চিকিৎসার বন্দোবস্তও সরকারকে করতে হবে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলা থেকে কাজের সন্ধানে সোনালি বিবি ও তাঁর পরিবার দিল্লি এসেছিল। গত জুন মাসে বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁদের ধরা হয়। তারপর আসাম সীমান্ত দিয়ে জবরদস্তি করে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর পর পুলিশ তাঁদের অনুপ্রবেশের অপরাধে গ্রেপ্তার করে। সেই থেকে তাঁরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংশোধনাগারে ছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পান।

ভারতীয় নাগরিক হওয়ার যাবতীয় প্রমাণ সাপেক্ষে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্ট সোনালি বিবিদের ফেরত আনার নির্দেশ দেন। তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার তেমন উদ্যোগী হচ্ছিল না।

এ পরিস্থিতিতে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মানবিক কারণে সোনালি বিবিদের দ্রুত ফেরত আনার নির্দেশ দেন। আজ বুধবার তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টকে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতির কথা জানান।

সোনালি বিবি বারবার বলেছেন, তিনি চান দ্রুত ভারতে ফিরে আসতে, যাতে তাঁর সন্তান ভারতে জন্মাতে পারেন। সুপ্রিম কোর্টও সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আজ তুষার মেহতা তাঁদের দিল্লি নিয়ে আসার কথা জানালে প্রধান বিচারপতি বলেন, সোনালি বিবিদের বীরভূমের বাড়িতে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হোক। সেখানে স্থানীয় মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নেবেন। সোনালির পরিবারও তেমনই চায়। সোনালির প্রসবসংক্রান্ত সব চিকিৎসা–সুবিধা বিনা মূল্যে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।

আজ প্রধান বিচারপতি কেন্দ্রীয় সরকারের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পদ্ধতি নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা আপনাদের কাজে বাধা দিচ্ছি না। কিন্তু নাগরিকত্বের যাচাই যেভাবে হচ্ছে, সেই পদ্ধতি ঠিক নয়।’

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে বলেন, মামলার বাদী ভদু শেখ ভারতীয়। তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে কেন্দ্র প্রশ্ন তোলেনি। তিনি সোনালির বাবা। তাহলে তাঁর মেয়ে সোনালিও ভারতীয়। কিন্তু নাগরিকত্ব প্রমাণের পদ্ধতি মানা হয়নি।

এই একই কথা কেন্দ্রীয় সরকারকে শুনতে হয়েছিল গত ২৫ নভেম্বরের শুনানিতেও। সেদিনও বলা হয়েছিল, ঠিকমতো যাচাই না করেই সোনালি বিবিসহ ছয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছিল। সোনালিদের কোনো ওজর-আপত্তি শোনা হয়নি। তথ্যপ্রমাণও গ্রাহ্য করা হয়নি।

সোনালি বিবিদের ভারতে ফেরত আনার বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য সামিরুল ইসলাম। এখন দেখার বিষয়, সোনালি বিবিরা কত দ্রুত দেশে ফিরতে পারেন। এ মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ ডিসেম্বর।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ফাইল ছবি : রয়টার্স
ট্রাম্পের হুমকিতে ভাঙা আস্থা ‘পুনর্গঠনে’ গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সিনেটররা

যুক্তরাষ্ট্রের একদল সিনেটর সোমবার গ্রিনল্যান্ড সফর করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর্কটিক দ্বীপটি দখলের হুমকিতে যে আস্থা ভেঙে পড়েছে, তা ‘পুনর্গঠনের’ লক্ষ্যেই এ সফর বলে জানিয়েছেন আইন প্রণেতারা। রাশিয়া ও চীনের নিরাপত্তা হুমকির কথা উল্লেখ করে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ডেনমার্কের এই ভূখণ্ড দখলের বারবার হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মারকোস্কি বলেন, ‘মাত্র কয়েকটি বাক্য ও শব্দের মধ্যেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গড়ে ওঠা আস্থা ক্ষয়প্রাপ্ত ও ভেঙে পড়েছে। আমাদের সেই আস্থা পুনর্গঠনের জন্য কাজ করতে হবে।’ এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ট্রাম্পের অবস্থান থেকে একাধিকবার সরে দাঁড়ানো মধ্যপন্থী মারকোস্কি, স্বতন্ত্র সিনেটর অ্যাঙ্গাস কিং এবং ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স ও ম্যাগি হাসান। তারা পিটুফিকে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের দ্বীপটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোট্‌সফেল্টের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে। গত মাসে ট্রাম্প ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে একটি ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ চুক্তি করার পর গ্রিনল্যান্ড দখলের পুনরাবৃত্ত হুমকি থেকে সরে আসেন। ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরো বাড়ানো। আর্কটিক অঞ্চলে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র–ডেনমার্ক–গ্রিনল্যান্ডের একটি কর্মীদল গঠন করা হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স বলেন, ‘আমাদের এমন একজন প্রেসিডেন্ট আছেন, যিনি সেই আস্থা ভেঙেছেন… আমি মনে করি, তা উল্লেখযোগ্যভাবেই, এবং এখন আমাদের সেটি মেরামত করতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আপনাদের বন্ধু বলে বিবেচনা করি। আমরা চাই আপনারাও আমাদের আপনাদের বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করুন।’ ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়ে একমত। তবে আলোচনায় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা তাদের কাছে একটি ‘রেড লাইন’ বলেও তারা জোর দিয়ে উল্লেখ করেছে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি : এআই

যুদ্ধের ফলে বন্য আচরণ করছে পোষা কুকুর : গবেষণা

জেফরি এপস্টেইনকে তার কারাকক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ছবি : সংগৃহীত

এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি : সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে বিশাল জয় আনুতিনের, ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়

ছবি : সংগৃহীত
১৯ বছর পর পাকিস্তানে ঘুড়ি উৎসব

নিরাপত্তাজনিত কারণে দীর্ঘ ১৯ বছর বন্ধ থাকার পর পাকিস্তানের লাহোরে আবার ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব ‘বসন্ত’। শহরের আকাশে রঙিন ঘুড়ি উড়ছে, বাড়ির ছাদে মানুষ আনন্দে চিৎকার করছে এবং ঢোলের শব্দে বসন্তের আগমনী বার্তা বেজে উঠেছে। বসন্ত উৎসবের সঙ্গে রয়েছে বহু মানুষের দুর্ঘটনার স্মৃতি। ২০০৭ সালে তাই এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অতীতে ধারাল সুতা ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে পথচারী বা মোটরসাইকেল আরোহী আঘাত পেয়েছেন, ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু ঘটেছে এবং উৎসবের সময় গুলি ছোড়ার কারণে অনেক মানুষ আহত হয়েছে। এবারের উৎসবের নিরাপত্তা বাড়াতে কড়া ব্যবস্থাপনা নেওয়া হয়েছে। উৎসবকে সীমিত করা হয়েছে মাত্র তিন দিন, বড় ঘুড়ি ও ঝুঁকিপূর্ণ সুতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নাবালকদের ঘুড়ি উড়ানো বন্ধ রাখা হয়েছে। মোটরসাইকেল হ্যান্ডেলে ধাতব দণ্ড বসানো হয়েছে যাতে সুতা গলায় না পেঁচায়। কিছু রাস্তায় জাল বসানো হয়েছে এবং ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে ছাদ ও আকাশ নজরে রাখা হচ্ছে। উৎসব শুরুর আগে বিপজ্জনক সুতার ঘুড়ি জব্দ করা হয়েছে। লাহোর পুলিশের উপ-ইন্সপেক্টর জেনারেল জানান, তারা এক লাখের বেশি ঘুড়ি এবং দুই হাজারের বেশি সুতার রিল জব্দ করেছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

প্রেমিককে ডেকে এনে স্বামীর সঙ্গে নির্মম কাণ্ড নববধূর

ছবি : সংগৃহীত

ইরানে সংস্কারপন্থি চার নেতা গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে কেন গণভোট হলো

শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরানের মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি | ছবি : সংগৃহীত
শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির সাড়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড

ইরানে শান্তিতে নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মাদিকে সাড়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) তার আইনজীবী মোস্তফা নিলি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। খবর এএফপির। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, অপরাধ করার উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ও এতে যোগসাজশের অভিযোগে নার্গিস মোহাম্মাদিকে ৬ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২ বছরের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তার ওপর। এছাড়া রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের অভিযোগে নার্গিস মোহাম্মাদিকে দেড় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে ইরানে মৃত্যুদণ্ড ও নারীদের জন্য বাধ্যতামূলক পোশাক নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থানের কারণে গত ২৫ বছর ধরে বারবার বিচার ও কারাবরণের মুখে পড়েছেন নার্গিস মোহাম্মাদি। গত এক দশকের অধিকাংশ সময় তিনি কারাগারেই কাটিয়েছেন। মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ করে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালে নার্গিস মোহাম্মাদিকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি

জেদ্দায় মার্কিন নৌবাহিনীর অবস্থান, প্রস্তুত সৌদি আরব

ছবি : সংগৃহীত

সফর মজার করতে স্বর্ণকেশী তরুণীর ব্যবস্থা করো, এপস্টিনকে আম্বানি

ভারত-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী, প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বে ঐকমত্য | ছবি : সংগৃহীত

কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব জোরদারে সম্মত ভারত-মালয়েশিয়া

0 Comments