পটুয়াখালীর বাউফলে মানবেতর জীবনযাপন করা সনাতন ধর্মাবলম্বী তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত নিজের এক মাসের বেতন-ভাতা তাদের সহায়তায় দেওয়ার পাশাপাশি বসতঘর পুনর্নির্মাণ ও নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ ঘোষণা দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
তিনি জানান, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের ধুলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠি গ্রামের প্রতিবন্ধী তিন ভাই—রিপন দাস, সাধু দাস ও নিধু দাসের পরিবারের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে তার এক মাসের সংসদ সদস্য ভাতা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বসতবাড়ি পুনর্নির্মাণ এবং নিয়মিত খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সংবাদমাধ্যমে প্রতিবন্ধী তিন ভাইয়ের দুর্দশার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি তার নজরে আসে। এরপর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের সব নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়নি। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শতভাগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এ সময় তিনি সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। বিএনপি নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে সে অবস্থান থেকে সরে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সরকারের প্রতি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই নেতা।
এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতি করে না। দলমত, ধর্ম-বর্ণ বা জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিককে সমানভাবে বিবেচনা করে দলটি। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করাও ইসলামের নির্দেশনা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চরম দারিদ্র্য ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন রিপন, সাধু ও নিধু দাস। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার ঘোষণা দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে প্রণীত ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত সংশোধিত আইনে শাস্তির মেয়াদ, জরিমানার পরিমাণ এবং কারাদণ্ডের বিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাজমুন নাহারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এই তথ্য জানান। সংসদকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট অংশীজন বা স্টেকহোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ সংশোধনের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনটি যুগোপযোগী করতে এবং এর কার্যকারিতা বাড়াতে সংশোধিত আইনে শাস্তির মেয়াদ, জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা রাখা হবে। এদিকে একই অধিবেশনে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা বিতরণে অতীতের রাজনৈতিক বিবেচনা ও নানা অনিয়মের অভিযোগের বিষয়েও কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্বীকার করে বলেন, বিগত বছরগুলোতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা ও অনিয়মের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এসব অভিযোগের বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে। মন্ত্রী আরও জানান, প্রকৃত দুস্থ, অসচ্ছল ও যোগ্য ব্যক্তিদের ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং ভুয়া কিংবা অযোগ্য সুবিধাভোগীদের বাদ দিতে এরইমধ্যে দেশব্যাপী একটি শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। এই লক্ষ্যে ভাতাভোগীদের বর্তমান তালিকা পুনরায় যাচাই করার জন্য গত ১৯ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করছে।
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় চার শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৬ জনের শরীরে। অধিদপ্তরের হিসাবে, সারাদেশে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। আর হামের লক্ষণ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৯ জনে। রোববার অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা) মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২ জন এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে রয়েছে। এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেটে ৩, রাজশাহী ও ময়মনসিংহে ২ জন করে মারা গেছে। হামের লক্ষণ নিয়েও সবচেয়ে বেশি ২৬৬ জনের প্রাণ গেছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৮, সিলেটে ৭৮, চট্টগ্রামে ৫১, বরিশালে ৩৯, ময়মনসিংহে ৬১, খুলনায় ২৮ এবং রংপুর বিভাগে ৮ জন মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৯৪১ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন। এর মধ্যে ৮৮৯ রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৮৭ জন, রাজশাহীতে ৩০, সিলেটে ৫৭, চট্টগ্রামে ১৯১, বরিশালে ১০৬, ময়মনসিংহে ৬০, খুলনায় ৪৬, রংপুরে ১২ জন রয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ৮৪৪ জন; যার মধ্যে ৭৯ হাজার ১৫২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। একই সময়ে মোট সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৯ হাজার ২০৭ জন এবং হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭১০ জন।
কোনো অবস্থাতেই প্রশ্নপত্র ফাঁস বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা দেশের মানুষ দীর্ঘদিন মনে রাখবে।’ রোববার (২৮ জুন) সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষায় নকল হয়নি, অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কোনো গণমাধ্যমে যদি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে এবং হেফাজতে নেবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন করা হয়েছে।’ সাইবার নিরাপত্তা ও আইনি সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস না হওয়া সত্ত্বেও যারা ফাঁসের মিথ্যা প্রচার চালাবে, তাদের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় এনে শনাক্ত করা হবে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি জাতীয় সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রী বলেন, ‘আপনি প্রোপাগান্ডা ছড়াবেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করবেন, আর আমরা কি চুপ করে বসে থাকব? এটা কোনো জোকস নয়, এটা শিক্ষা। বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করলেই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’ কলেজ জাতীয়করণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার ঢালাওভাবে কলেজ জাতীয়করণের পক্ষে নয়। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেই জাতীয়করণের আওতায় আনা হবে। তিনি জনস্বার্থ বিবেচনা না করে রাজনৈতিক কারণে কলেজ সরকারিকরণের সমালোচনাও করেন। এ সময় শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনো ধরনের অনিয়ম বা তদবির বরদাশত করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ডিজি অফিসে বসে কোনো ধরনের দালালি চলবে না।’ সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, শিক্ষা বোর্ডের সচিব চৌধুরী মামুন আকবর, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রোববার সকাল ৮টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। সেখানে সরকারি কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতারা তাকে স্বাগত জানান।