জাতীয়

রোববার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৮, ২০২৬
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন রোববার (১৯ জুলাই)। দ্বিপক্ষীয় এ মহড়ায় দুই দেশের ১৬০ জনের বেশি সামরিক সদস্য অংশ নেবেন।

 

শনিবার (১৮) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাস।

 

এতে বলা হয়, মহড়াটির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

 

এবারের মহড়ায় জঙ্গলাঞ্চলে অভিযান, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উভয় দেশের সামরিক সদস্যরা একে-অপরের দক্ষতা ও কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পাবেন।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’ ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর লক্ষ্য, পেশাগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, সামরিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও আন্তঃকার্যক্ষমতা আরও জোরদার করা।

 

‘টাইগার লাইটনিং’ ২০১৭ সালে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া। কোভিড-১৯ মহামারির সময় এটি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও, পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

মহড়াটি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের অনুশীলনের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। এর সমাপনী পর্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা। ছবি : সংগৃহীত
রোববার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’

মার্কিন সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন রোববার (১৯ জুলাই)। দ্বিপক্ষীয় এ মহড়ায় দুই দেশের ১৬০ জনের বেশি সামরিক সদস্য অংশ নেবেন।   শনিবার (১৮) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাস।   এতে বলা হয়, মহড়াটির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।   এবারের মহড়ায় জঙ্গলাঞ্চলে অভিযান, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উভয় দেশের সামরিক সদস্যরা একে-অপরের দক্ষতা ও কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পাবেন।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’ ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর লক্ষ্য, পেশাগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, সামরিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও আন্তঃকার্যক্ষমতা আরও জোরদার করা।   ‘টাইগার লাইটনিং’ ২০১৭ সালে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া। কোভিড-১৯ মহামারির সময় এটি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও, পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   মহড়াটি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের অনুশীলনের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। এর সমাপনী পর্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আগস্টেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’র পরীক্ষামূলক কার্যক্রম

সংগৃহীত ছবি

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চীনের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত

কোটি টাকার সাপের বিষ উৎপাদন হলেও বাজারে যেতে পারছে না পটুয়াখালীর খামার

ছবি: সংগৃহীত
এলডিসি উত্তরণে আরও তিন বছর সময় চায় বাংলাদেশ

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বানও জানিয়েছে সরকার।   স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ অনুরোধ জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।   বৈঠকে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ নির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পুরো সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি।   বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর উদ্দেশ্য এলডিসি থেকে উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়া নয়। বরং কাঠামোগত সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, আর্থিক খাতের উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে উত্তরণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও টেকসই করা।   বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, এলজিইএবির সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।   ইকোসকের সভাপতি লোক বাহাদুর থাপা এবং সহ-সভাপতি আমর বেনজামার উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে সফল, টেকসই ও স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

গোপন পাহাড়ি পথে বাংলাদেশে ঢুকছে রোহিঙ্গারা, সক্রিয় মানবপাচার চক্র

ছবি: সংগৃহীত

ইউনিসেফ সদর দপ্তরে তিতুমীর-সাকি, চাইলেন ঋণ পুনর্গঠনের কার্যকর উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা পরিবার, ‘বাড়ি ভেঙে গেলে কোথায় যাব’

ছবি: সংগৃহীত
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এনসিপির জয়পুরহাট জেলা আহ্বায়কের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জয়পুরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া তাপস ব্যক্তিগত ও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।   তিনি জানান, গত ২ জুলাই দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে সাংগঠনিক সম্পাদকের মাধ্যমে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এখনো কেন্দ্রীয়ভাবে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   পদত্যাগপত্রে গোলাম কিবরিয়া তাপস উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে জয়পুরহাট জেলা শাখার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু বয়সজনিত শারীরিক অসুস্থতার কারণে সংগঠনের দায়িত্ব আগের মতো সক্রিয়ভাবে পালন করা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় দলের কার্যক্রম ব্যাহত না হোক, সে বিবেচনায় তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   তিনি আরও বলেন, পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও সাধারণ সদস্য হিসেবে দলের কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন এবং দলের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার চেষ্টা করবেন। দায়িত্ব পালনের সময় সহযোগিতার জন্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।   এ বিষয়ে গোলাম কিবরিয়া তাপস বলেন, “আমি ২ জুলাই লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। কেন্দ্র থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তাই স্থানীয়ভাবে আমার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছি।”   অন্যদিকে, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ইমরান ইমন বলেন, তিনি বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে শুনেছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র তার কাছে এখনো পৌঁছায়নি।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

টানা বর্ষণে যশোরে ফের জলাবদ্ধতা, প্লাবিত ২২০ মাছের ঘের

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

সরকারের ৫ মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

ছবি : সংগৃহীত

২০ হাজার কোটি টাকার এলএনজি কিনছে সরকার, চুক্তির দামের চেয়ে ৫০% বেশি ব্যয়

0 Comments