খেলাধুলা

ফক্সক্রফটের ৯৮, ব্লান্ডেলের ১৮৬ আর স্মিথের ৬ উইকেটে দাপট

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দিনের শুরুতে ব্যাট হাতে দৃঢ়তা দেখালেন টম ব্লান্ডেল ও ডিন ফক্সক্রফট। যদিও দুজনেরই রয়ে গেল কিছুটা আক্ষেপ। সম্ভাবনা জাগিয়ে ডাবল সেঞ্চুরি পেলেন না একজন, অন্যজন হাতছাড়া করলেন সেঞ্চুরির সুযোগ। পরে বল হাতে আগুন ঝরালেন ন্যাথান স্মিথ। তাতে পুড়ল আইরিশ ব্যাটিং।

 

বেলফাস্ট টেস্টে নিউ জিল্যান্ডের বড় সংগ্রহের পর ফলো অনে পড়ে ইনিংস হারের শঙ্কায় এখন আয়ারল্যান্ড। দ্বিতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে আইরিশদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৬৫ রান। এখনও ২৪৬ রানে পিছিয়ে আছে প্রথম ইনিংসে ১৭৯ রানে গুটিয়ে যাওয়া দলটি।

নিউ জিল্যান্ড এ দিন প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ৮ উইকেটে ৪৯০ রানে। ২২ চার ও তিন ছক্কায় ২৯২ বলে ক্যারিয়ার সেরা ১৮৬ রান করেন ব্লান্ডেল।

নিউ জিল্যান্ডের কিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে দেশের বাইরে টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংস এটিই। ১৯৭৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচি টেস্টে ওয়ারেন লিসের ১৫২ ছিল আগের সর্বোচ্চ।

ইউরোপের মাটিতে টেস্টে কোনো কিপার-ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডও এখন ব্লান্ডেলের ১৮৬। গত বছর এজবাস্টনে ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের জেমি স্মিথের অপরাজিত ১৮৪ ছিল আগের রেকর্ড।

 

অভিষেকে ১২৯ বলে ৯৮ রান করেন ফক্সক্রফট। টেস্ট অভিষেকে নব্বইয়ে কাটা পড়া চতুর্থ কিউই ক্রিকেটার তিনি।

ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৪০ রানে ৬ উইকেট নেন স্মিথ। পঞ্চম টেস্ট খেলতে নামা এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার প্রথমবার পেলেন পাঁচ উইকেটের স্বাদ।

৫ উইকেটে ৩৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামে নিউ জিল্যান্ড। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ব্লান্ডেল ও ফক্সক্রফট প্রথম ঘন্টা কাটিয়ে দেন নিরাপদেই।

ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে দ্বিতীয় ঘন্টার শুরুতে বিদায় নেন ব্লান্ডেল। একটু পর সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ফেরেন ফক্সক্রফট। নিউ জিল্যান্ড ইনিংস ঘোষণা করে সেখানেই।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই জোড়া ধাক্কা খায় আয়ারল্যান্ড, কোনো রান না দিয়েই স্টিভেন ডোহেনি ও কেড কারমাইকেলকে শূন্য রানে ফেরান স্মিথ।

সপ্তম ওভারে স্মিথের তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন অ্যান্ডি বালবার্নি। নিজের পরের ওভারে কার্টিস ক্যাম্ফার ও লর্কান টাকারকে শূন্য রানে ফিরিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন স্মিথ।

টেস্ট ইনিংসে প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানের চার জনকে শূন্য রানে আউট করা প্রথম বোলার হলেন তিনি। পাঁচ উইকেট পেলেন তিনি ২৯ বলে। টেস্টে নিউ জিল্যান্ডের হয়ে বোলিং স্পেলের শুরু থেকে দ্রুততম পাঁচ উইকেট শিকারের নজির এটি।

হ্যারি টেক্টরের দ্রুত বিদায়ে আইরিশদের স্কোর হয়ে যায় ৬ উইকেটে ৩৮। অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার চোখ রাঙানি তাদের সামনে তখন।

তবে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে সপ্তম উইকেটে ১১৬ রানের জুটিতে দলের স্কোর দেড়শ পার করেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন ও মার্ক অ্যাডায়ার। শুরুতে জীবন পাওয়ার সুযোগ কাজে লাগান ম্যাকব্রিন।

অ্যাডায়ারকে (৮৬ বলে ৪০) ফিরিয়ে জমে যাওয়া এই জুটি ভেঙে ষষ্ঠ শিকার ধরেন স্মিথ। ম্যাকব্রিনকে এক প্রান্তে রেখে বাকিরা যোগ দেন আসা-যাওয়ার মিছিলে।

১২ চারে ১০৫ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত রয়ে যান ম্যাকব্রিন।

৩১১ রানের লিড পেয়ে আয়ারল্যান্ডকে ফলো অন করায় নিউ জিল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা মোটামুটি ভালো করে আইরিশরা। প্রথম ৯ ওভার কাটিয়ে দেয় নিরাপদে।

বালবার্নিকে ফিরিয়ে ৪২ রানের শুরুর জুটি ভাঙেন ব্লেয়ার টিকনার। দিনের শেষ দিকে কারমাইকেলকেও ফেরান তিনি। অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ডোহেনি ও মায়েস।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল‍্যান্ড ১ম ইনিংস: ১১৯ ওভারে ৪৯০/৮ (ডিক্লে.) (আগের দিন ৩৬১/৫) (ব্লান্ডেল ১৮৬, ফক্সক্রফট ৯৮, স্মিথ ১৭, ফোকস ০*, টিকনার ০*; অ‍্যাডায়ার ২০-৬-৬৬-৩, মায়েস ২৩-৯-৫২-০, উইলসন ২৫-২-৮৯-১, ম‍্যাককার্থি ২৪-২-১৩০-১, ম‍্যাকব্রিন ২২-২-৯৯-১, টেক্টর ৫-০-৩৩-১)

 

আয়ারল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৪৫ ওভারে ১৭৯ (ডোহেনি ০, বালবার্নি ১৩, কারমাইকেল ০, টেক্টর ১৬, ক্যাম্ফার ০, টাকার ০, ম‍্যাকব্রিন ৭৩*, অ্যাডায়ার ৪০, মায়েস ৩, ম্যাককার্থি ১, উইলসন ০; স্মিথ ১৪-৩-৪০-৬, ফোকস ১১-৩-৩২-১, টিকনার ৮-১-৪০-১, সিয়ার্স ৮-১-২৭-২, মিচেল ৩-০-১২-০, ফক্সক্রফট ১-১-০-০)

 

আয়ারল্যান্ড ২য় ইনিংস: ১৮ ওভারে ৬৫/২ (ফলো অন) (ডোহেনি ৩৬*, বালবার্নি ১৪, কারমাইকেল ৬, মায়েস ৪*; স্মিথ, ৪-০-১৯-০, ফোকস ৩-১-১৬-০, টিকনার ৫-২-১৪-২, সিয়ার্স ৪-১-১২-০।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
জার্মানিকে হটিয়ে বিশ্বকাপে আবারও শীর্ষে ব্রাজিল

ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে ব্রাজিল। হাইতির বিপক্ষে দাপুটে জয়ের পর জার্মানিকে পেছনে ফেলে এই অবস্থান পুনরুদ্ধার করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।   ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে ব্রাজিলের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ২৪১। ফলে আগের শীর্ষে থাকা জার্মানিকে (২৩৯ গোল) ছাড়িয়ে যায় সেলেসাওরা।   এর আগে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে বড় জয়ের মাধ্যমে জার্মানি সাময়িকভাবে রেকর্ডটি নিজেদের করে নিয়েছিল। তবে পরবর্তী ম্যাচে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সে আবারও বদলে যায় শীর্ষস্থান।   বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা, যাদের গোলসংখ্যা ১৫৫। এরপর যথাক্রমে ফ্রান্স (১৩৯), ইতালি (১২৮), স্পেন ও ইংল্যান্ড (১০৮), নেদারল্যান্ডস (৯৮), উরুগুয়ে (৯০) এবং হাঙ্গেরি (৮৭)।   বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আসরে ব্রাজিল ও জার্মানির মধ্যে এই রেকর্ড নিয়ে প্রতিযোগিতা আরও দীর্ঘ হতে পারে, যদিও আর্জেন্টিনাসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে ব্যবধান এখনো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

আক্তারুজ্জামান জুন ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব ম্যাচের আগে বার্তা ইয়ামালের, পুরো ম্যাচ খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

ছবি: সংগৃহীত

দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডকে হারাল মরক্কো

ছবি: সংগৃহীত

হাইতির জালে ৩ গোল, গ্রুপসেরা ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত
ব্রাজিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে রঙিন ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম

ব্রাজিল ও হাইতির মধ্যকার ম্যাচ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল এক টুকরো ব্রাজিলে। খেলা শুরুর অনেক আগে থেকেই হলুদ-সবুজ জার্সিধারী সমর্থকদের উপস্থিতিতে স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ জমে ওঠে।   প্রেসবক্সে আসনসংখ্যা সীমিত হওয়ায় ব্রাজিল ও হাইতির সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও সেখানে পূর্ণাঙ্গ মিডিয়া সুবিধা ছিল না, তবে দর্শকদের উচ্ছ্বাস কাছ থেকে উপভোগ করার সুযোগ ছিল।   ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের বড় অংশই ছিলেন ব্রাজিলের সমর্থক। ফলে ব্রাজিলের প্রতিটি আক্রমণ ও গোলের সুযোগে গ্যালারিতে উল্লাসের ঝড় ওঠে। প্রথমদিকে একটি গোল বাতিল হলে সমর্থকদের মধ্যে হতাশাও দেখা যায়।   গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিলের সাও পাওলো থেকে আসা রিকার্ডো ও তার ছেলে ওহিও। ব্রাজিলের প্রতিটি গোলেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন তারা। খেলার ফাঁকে পর্তুগিজ ভাষায় বাবা-ছেলের ফুটবল আলোচনা ও খুনসুটি নজর কাড়ে। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা ব্রাজিলের প্রতি বাংলাদেশিদের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।   মাঠের খেলায়ও আধিপত্য দেখায় ব্রাজিল। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় দলটি। তৃতীয় গোলের পর পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে ‘ওলে, ওলে, ব্রাজিল’ ধ্বনি দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিধ্বনিত হয়।   অন্যদিকে, গোলপোস্টের পেছনের অংশে কয়েক হাজার হাইতি সমর্থক নিজেদের দলকে উৎসাহ দিলেও ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতির কারণে তাদের কণ্ঠ তুলনামূলকভাবে চাপা পড়ে যায়। ফলে পুরো ম্যাচজুড়েই ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের উৎসবমুখর আবহ।

আক্তারুজ্জামান জুন ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

মেসির ট্যাকল নিয়ে রেফারির বিরুদ্ধে ফিফায় অভিযোগ আলজেরিয়ার

ছবি : সংগৃহীত

স্কটল্যান্ডকে ব্রাজিলের চেয়েও শক্তিশালী মনে করেন মরক্কোর কোচ

ছবি : সংগৃহীত
পরীক্ষার্থীদের কারণে তুরস্কে বিশ্বকাপের ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধ

শনিবার (২০ জুন) সকালে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে তুরস্ক। তবে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ম্যাচটি বড় পর্দায় দেখানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির সরকার।   তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব প্রদেশের গভর্নরদের নির্দেশ দিয়েছে, যেন বিশ্বকাপ ম্যাচ উপলক্ষে কোথাও লোকজনের খেলা দেখানোর  জন্য বড় স্ক্রিন স্থাপনের অনুমতি না দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের মতে, এতে শব্দদূষণ ও যানজট কম থাকবে, যা শনি ও রোববার অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থী—ওয়াইকেএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য সহায়ক হবে।   এ পরীক্ষার মাধ্যমে দেশটির লাখো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, ম্যাচ ঘিরে জনসমাগম ও শব্দদূষণ পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।     এর আগে স্থানীয় প্রশাসন প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তুরস্কের এই ম্যাচটি বিভিন্ন শহরে বড় পর্দায় প্রদর্শনের পরিকল্পনা করেছিল। তবে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পাওয়ার পর সেই আয়োজন বাতিল করা হয়।   জনসংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখের দেশ তুরস্কে ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০০২ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়ার পর এবারই প্রথম তারা বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলছে। তবে গ্রুপ ‘ডি’তে নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াইয়ে শুরুটা ভালো হয়নি—প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২–০ গোলে হেরেছে দলটি। একই গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।   এর আগে ১৫ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ইস্তাম্বুলসহ বিভিন্ন শহরে বড় পর্দায় দেখানো হয়েছিল। তখন পার্ক ও জনসমাগমস্থলে ব্যাপক দর্শক উপস্থিতি দেখা যায়। এমনকি দক্ষিণাঞ্চলীয় আনতালিয়া প্রদেশের একটি প্রাচীন অ্যাম্ফিথিয়েটারেও বিপুল সমর্থক ম্যাচ উপভোগ করেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

হাইতির বিপক্ষে সম্ভাব্য কৌশলী একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

ছবি : সংগৃহীত

আমার আইডল নেইমার হলেও ইতিহাসের সেরা মেসি: লামিন ইয়ামাল

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিল–জার্মানি ম্যাচ হতে পারে কোন পর্যায়ে?

0 Comments