জাতীয়

কর্মবিরতি নয়, ক্লাসে ফিরুন—সহকারী শিক্ষকদের কড়া নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

তিন দফা দাবিতে কর্মবিরতিতে থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কাজে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি চলমান বার্ষিক পরীক্ষায় বাধা দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।

 

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ ডিসেম্বর থেকে সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি এবং আজ থেকে ঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির বিষয়ে মন্ত্রণালয় অবগত। দাবি বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবি, ১০ ও ১৬ বছর চাকরি শেষে উচ্চতর গ্রেড পাওয়া সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা অর্থ উপদেষ্টা এবং বেতন কমিশনের সভাপতির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

এর আগে ৭ আগস্ট সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১৩তম থেকে ১১তম গ্রেডে উন্নীত করতে জাতীয় বেতন কমিশনকে চিঠিও দেওয়া হয়। পরে ১০ নভেম্বর অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে জানানো হয়, পে-কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে জানায়, এত উদ্যোগ নেওয়ার পরও কিছু সংগঠন বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা দিচ্ছে, এমনকি কোথাও কোথাও পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষকদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটেছে। এসব কার্যক্রমকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের জন্য হুমকি এবং সরকারি চাকরি আইন ও আচরণ বিধিমালার পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়।

 

এই পরিস্থিতিতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অবিলম্বে কাজে যোগ দিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ এ নির্দেশ অমান্য করলে আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
৬৩ শিক্ষকের মধ্যে ৫৭ জন অবৈধ—প্রতিষ্ঠানে তোলপাড়!

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৩ শিক্ষকের ৫৭ জনই ‘অবৈধ’ বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি এখনও প্রশাসনিক তদন্তাধীন থাকায় প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়নি।   সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিআইএর এক কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কিছু ক্ষেত্রে শুধু জাল সনদ নয়, অবৈধ নিয়োগ, ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ এবং অনুমোদনহীন বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের ঘটনাও রয়েছে। সূত্রটি আরও বলছে, চূড়ান্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামও প্রকাশ করা হচ্ছে না। এদিকে, গত প্রায় এক বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানে ৩৩০ এবং মাদ্রাসা খাতে আরও ১৩৬-সহ মোট ৪৬৬ জনের জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। তবে জনবল সংকট ও ফাইলজটের কারণে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। অনেক ক্ষেত্রে একের পর এক ফাইল জমা হলেও তা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। সূত্র : ঢাকা পোস্ট

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ত্রিশালে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স স্থাপন করবে বিওএ: সেনাপ্রধান

ছবি : সংগৃহীত

৪ দিনে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১৩১ ফ্লাইট বাতিল

ছবি : সংগৃহীত

আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে না সরকার

ছবি : সংগৃহীত
সমালোচনার মুখে খামে‌নি হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের সমবেদনা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-কে লক্ষ্যবস্তু হামলায় হত্যার ঘটনায় ভ্রাতৃপ্রতিম দেশটির জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ সমবেদনা জানানো হয়।   বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে মর্মাহত। এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিষ্ঠিত নিয়মের পরিপন্থী। বাংলাদেশ সরকার ইরানের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে। এতে আরও বলা হয়, সংঘাত কখনো স্থায়ী সমাধান বয়ে আনে না। বরং সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্যই বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যকর পথ হতে পারে। এর আগে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় রোববার (১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরেকটি বিবৃতি দেয়। সেখানে ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তার নিন্দা জানানো হয়। তবে ওই বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি এবং ইরানে হামলার ঘটনাও আলাদাভাবে নিন্দা জানানো হয়নি। বিবৃতিটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী, তীব্র দুর্ভোগ

জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে ৬ হুইপ নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক কেক আর্ট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের গোল্ড মেডেল অর্জন

ছবি : সংগৃহীত
যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, ঢাকার যানজট সমস্যা সমাধানে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কার্যকরভাবে ঢেলে সাজানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষজ্ঞদের মতামত নেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়–এর প্রকৌশলী শামসুল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বৈঠকে অংশ নেন। এর আগে সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। আগের দিন রোববারও তিনি সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, শেরেবাংলা নগর–এ প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–র সমাধিস্থলের সংস্কার ও উন্নয়ন নিয়েও প্রধানমন্ত্রী স্থপতিদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং তাদের মতামত শোনেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরাও এসব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নারীদের জন্য ছয় মাসে মধ্যে ইলেকট্রিক বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুতে সরকারের বিবৃতি

ছবি : সংগৃহীত

চার আসনে কারচুপির অভিযোগ: ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতের নির্দেশ হাইকোর্টের

0 Comments