বিশ্ব

যুক্তরাজ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল বছরের রেকর্ড

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

স্যাঁতস্যাঁতে ও মেঘলা আবহাওয়ার জন্য পরিচিত যুক্তরাজ্য ২০২৫ সালে ইতিহাসের সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল বছর উপভোগ করেছে।

বুধবার দেশটির আবহাওয়া দপ্তর এ কথা জানায়।

যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে গড়ে ১ হাজার ৬২২ ঘণ্টা সূর্যের আলো রেকর্ড করা হয়েছে, যা ইতোপূর্বে ২০০৩ সালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

সংস্থাটি জানায়, বসন্তকালে ‘ব্যতিক্রমধর্মী’ পরিমাণ রোদ ও গ্রীষ্মজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে পরিষ্কার আকাশ এই রেকর্ড গড়তে সহায়তা করেছে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ঘন ঘন উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবের কারণে মেঘের পরিমাণ কমে যায় এবং দেশের অনেক অংশে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া দেখা যায়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। 

দীর্ঘ সময় পরিষ্কার আকাশ থাকার ফলে, ২০২৫ সালকে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্মকাল হিসেবে ধরা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সেপ্টেম্বর মাসে জানায়, গ্রীষ্মকালীন মাসগুলোতে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৬.১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০১৮ সালের আগের রেকর্ড ১৫.৭৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে ছাড়িয়ে গেছে।

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে মানবসৃষ্ট দূষণের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বজুড়ে আরও ঘন ঘন ও তীব্র আবহাওয়াজনিত পরিবর্তন ঘটছে।

তবে বুধবারের বিবৃতিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে আকাশে সূর্যের অবস্থানের পরিমাণে কোনো নির্দিষ্ট প্রবণতার সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।’

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, ১৯৮০-এর দশক থেকে যুক্তরাজ্যে সামগ্রিকভাবে সূর্য দেখা দেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। যদিও “এই প্রবণতার কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
 
আবহাওয়া অফিস জানায়, ‘এটি প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলেও হতে পারে, তবে বায়ুমণ্ডলে অ্যারোসল কমে যাওয়াও একটি কারণ হতে পারে।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

মরুভূমির বুকে ‘অদৃশ্য’ হোটেল, খুঁজতেই কেটে যায় সময়

  সাধারণত বিলাসবহুল রিসোর্ট বা হোটেলগুলো তৈরিই করা হয় সবার নজর কাড়ার জন্য। তবে আফ্রিকার দেশ নামিবিয়ায় সম্পূর্ণ উল্টো এক উদ্দেশ্যে কিছু বিলাসবহুল হোটেল গড়ে তোলা হচ্ছে; যার মূল লক্ষ্যই হলো, এগুলোকে খুঁজে পাওয়া যেন যতটা সম্ভব কঠিন হয়। দূরবর্তী ও প্রত্যন্ত প্রকৃতির সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিশিয়ে তৈরি করা এই ‘অদৃশ্য স্থাপত্যকলা’র জনপ্রিয়তা এখন নামিবিয়ায় তুঙ্গে।   সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন অঞ্চলগুলোর একটি হলো নামিবিয়ার স্কেলেটন কোস্ট। ৩১০ মাইল দীর্ঘ এই বালুময় উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে আছে শত শত ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের কঙ্কাল। এই নরকের দরজা খ্যাত উপকূলেই গড়ে উঠেছে শিপরেক লজ। আটলান্টিকের ঘন কুয়াশার মধ্য থেকে তাকালে দেখা মেলে বিলাসবহুল ১০টি কেবিনের, যা দেখতে ঠিক সমুদ্রসৈকতে পড়ে থাকা ভাঙা জাহাজের মতো। বিখ্যাত নামিবিয়ান স্থপতি নিনা মারিৎজের হাত ধরে ২০১৮ সালে এটি চালু হয়। শত শত বছর আগে এই উপকূলে আটকে পড়া নাবিকদের আশ্রয় খোঁজার সেই মরিয়া অনুভূতিকে ফুটিয়ে তুলতেই তিনি এই নকশা করেছিলেন।   নিনা মারিৎজ বলেন, সেখানে গেলে মনে হবে আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রত্যন্ত কোনও জায়গায় আছেন। সারাদিন রোদ, বালু আর বাতাসের মধ্যে থাকার পর ক্লান্ত কোনও পর্যটক যখন এই কেবিনে ঢুকবেন, তখন তিনি এক পরম আশ্রয় ও প্রশান্তি খুঁজে পাবেন। প্রকৃতির বিশালতার সামনে আমরা যে কতটা ক্ষুদ্র, এই ভবনটি সেই বৈপরীত্যই মনে করিয়ে দেয়।   রাজকীয় বিছানা, নিজস্ব বাথরুম আর ওয়াইফাই সুবিধা থাকা এই কেবিনগুলো তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে সাধারণ কাঠ, যেন নামিবিয়া সরকারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হলে এগুলো সহজেই সরিয়ে নেওয়া যায়। নিনা মারিৎজ আরও বলেন, স্থাপত্য এখন কেবলই নান্দনিকতার ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমার কাছে ভবনকে প্রকৃতির চেয়ে বড় করে দেখানোর চেয়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে রাখাই আসল উদ্দেশ্য।   অন্যদিকে, নামিবিয়ার রুক্ষ পাথুরে মরুভূমি দামারাল্যান্ডে অবস্থিত অনদুলি এনক্লেভ নামের আরেকটি বিলাসবহুল রিসোর্ট নিজেকে প্রকৃতির সঙ্গে এমনভাবে লুকিয়ে রেখেছে যে দেখলে মনে হবে এটি পাহাড়েরই অংশ। নামিবিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত ব্র্যান্ডবার্গের কাছে একটি গ্রানাইট পাথরের পাহাড়ের ওপর অবস্থিত এই প্রাইভেট ভিলাটি। এর লালচে রঙের ছাদ পাহাড়ের পাথরের সঙ্গে মিশে থাকে। ভেতরে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা, সুইমিং পুল এবং কাচের দরজা থাকলেও বাইরে থেকে এটি সহজে দেখাই যায় না।   এই রিসোর্টের গাইড বারওয়াল্ড আউইসেব জানান, অনেক পর্যটক কাছাকাছি এসেও রিসোর্টটি খুঁজে না পেয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘আমরা আর কত দূরে? রিসোর্টটি কি আদৌ এখানে আছে?’ যখন তারা একদম কাছে গিয়ে পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা ভবনের কাঠামোটি দেখতে পান, তখন বিস্মিত হয়ে যান। ডিজাইনার ট্রেভর নট মূলত এই রিসোর্টের নকশা করেছেন স্থানীয় কাঠ ও পাথর দিয়ে অত্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে। তিনি বলেন, আপনি যখন ওপরের দিকে হেঁটে যাবেন, তখন হঠাৎ করেই আপনার সামনে এক নতুন পৃথিবী খুলে যাবে। সেই দৃশ্য দেখে চোখ দিয়ে জল চলে আসতে বাধ্য।   সূত্র: সিএনএন

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৭, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

চলতি বছরে সাতবার পৃথিবীর সবচেয়ে উষ্ণ শহর ছিল ভারতের বান্দা

সংগৃহীত ছবি

পরবর্তী নিশানা ট্রাম্প? তেহরানের নতুন উসকানিমূলক বিলবোর্ড নিয়ে তোলপাড়

প্রতীকী ছবি
বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবি: নেপথ্যে রহস্যময় এক বিবৃতি

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে বলে জানা গেছে। এ-বিষয়ক একটি বিবৃতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র’ নামে প্রকাশ করা এই ভাইরাল বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এই প্রদেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে আর তারা তাদের অঞ্চলের ৮৫ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে আরও দাবি করা হয়েছে, বেলুচিস্তান একটি জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, নতুন মুদ্রা ও স্বাধীন প্রশাসনিক পদ্ধতি চালু করেছে। ভারতীয় সংবাদ চ্যানেল সিএনএন-নিউজ এইটিন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তারা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই বিবৃতিটির সত্যাসত্য যাচাই করতে পারেনি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেলুচিস্তান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে, ‘আমরা বেলুচিস্তানের সন্তান’কে নিজেদের জাতীয় সংগীত হিসেবে বেছে নিয়েছে, জাতীয় পতাকা গ্রহণ করেছে, নিজেদের মুদ্রা ‘বালুচি ফালুস’ প্রবর্তন করেছে আর এখন বেলুচিস্তানের ৮৫ শতাংশেরও বেশি অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ অনুশীলন করছে। নতুন প্রশাসন অঞ্চলটির খনিজ সম্পদের, গ্যাস ক্ষেত্রগুলো ও কয়লা খনিগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। তবে এ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় ৮১ বাংলাদেশিসহ ১১৩ অবৈধ অভিবাসী আটক

ছবি: সংগৃহীত

শুধু হামলা চালিয়ে হরমুজ সংকট দূর করা যাবে না: ভান্স

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের দাবি, বৈঠকে বসতে চায় ইরান; যুদ্ধকে ‘অস্তিত্বের লড়াই’ বললেন গালিবাফ

ছবি: সংগৃহীত
বন্দর আব্বাসে নতুন করে মার্কিন হামলা

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, হামলায় ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।     সেন্টকমের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক জাহাজ ও বাণিজ্যিক নৌযানে হামলার সক্ষমতা কমিয়ে আনাই এ অভিযানের উদ্দেশ্য।     এর আগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র জানায়, প্রায় ৯০ মিনিটের এক অভিযানে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং গ্রেটার তুনব দ্বীপের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ অবস্থানে হামলা চালানো হয়েছে।     তবে এখন পর্যন্ত ইরান এসব হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। হামলায় ঠিক কোন কোন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে সম্পর্কেও তেহরান কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৭, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি

মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা মৃত্যুর শঙ্কা: ইউএনএইচসিআর-আইওএম’র উদ্বেগ

করবো-লড়বো-বাঁচবো: বিজেপিকে মমতার ‘ফিরে আসার’ বার্তা

0 Comments