বিশ্ব

ইরানে বিক্ষোভের সময় অস্ত্র আটকে রাখার অভিযোগ ট্রাম্পের

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারীদের জন্য পাঠানো অস্ত্র কুর্দি গোষ্ঠীগুলো আটকে রেখেছিল বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের জনগণ ‘নিরস্ত্র অবস্থায়’ রাস্তায় নেমেছিল। তিনি দাবি করেন, কুর্দিরা বিক্ষোভকারীদের অস্ত্র দেওয়ার কথা থাকলেও তা করেনি।

ট্রাম্প বলেন, আমরা ভেবেছিলাম কুর্দিরা অস্ত্র দেবে, কিন্তু তারা আমাদের হতাশ করেছে। তারা শুধু নেয়, নেয়, নেয়।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র গোলাবারুদসহ কিছু অস্ত্র পাঠিয়েছিল, যা বিক্ষোভকারীদের কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু তা আটকে রাখা হয়।

এর আগে এপ্রিল মাসে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্প একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ইরানের বিক্ষোভকারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র অনেক অস্ত্র পাঠিয়েছিল, কিন্তু কুর্দিরা সেগুলো নিয়ে নেয়।

তবে ইরানের কুর্দিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির (কেডিপিআই) এক কর্মকর্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলের কোনো কুর্দি দল ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এমন কোনো সহায়তা পায়নি।

সাবেক মার্কিন কূটনীতিক উইলিয়াম লরেন্স এর আগে মন্তব্য করেছিলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ভেতরের অস্থিরতা, বিশেষ করে কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে তেহরানের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। সূত্র : শাফাক নিউজ

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানসংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। তাদের বিরুদ্ধে ‘বৈরী তৎপরতা’ এবং যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে।   সোমবার যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তর (এফসিডিও) এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়।   নিষেধাজ্ঞার আওতায় সম্পদ জব্দ, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং কোম্পানির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   এতে ‘জিন্দাশতি নেটওয়ার্ক’ নামে একটি গোষ্ঠী এবং দুটি মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের নামও রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে ইরান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।   ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তালিকাভুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি যুক্তরাজ্য ও বিদেশে ব্যক্তি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা, হুমকি বা বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।   যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সব সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্পদ জব্দ করা হবে। এছাড়া সরকারি অনুমতি ছাড়া তাদের কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া নিষিদ্ধ থাকবে।   গত মাসে লন্ডনে ইহুদি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের কয়েকটি ঘটনার তদন্তে ইরানসংশ্লিষ্ট সম্পৃক্ততার সন্দেহের পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। ওই ঘটনার পর সন্ত্রাসবিরোধী তদন্ত শুরু করে ব্রিটিশ পুলিশ।   তবে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে হামলা বা ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে ইরান।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

ছবি: সংগৃহীত

সুদানে ড্রোন হামলায় ৮৮০ জনের বেশি বেসামরিক নিহত : জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে বিক্ষোভের সময় অস্ত্র আটকে রাখার অভিযোগ ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র টানাপোড়েন নিরসনের ইঙ্গিত নেই

 মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার শর্ত নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান টানাপোড়েনের কোনো সমাধানের ইঙ্গিত মিলছে না। তেহরান থেকে এএফপি জানায়, সোমবার ইরান জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাবের জবাবে নিজেদের জব্দকৃত সম্পদ ফেরত এবং মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, অপরিশোধিত তেলের দাম চার শতাংশেরও বেশি বেড়ে যায় এবং পরে সামান্য কমে আসে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই সংকট দীর্ঘমেয়াদে কয়েক বছর পর্যন্ত চলতে পারে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে বড়গুলোর একটি। তার মতে, হরমুজ প্রণালি এখন খুললেও বাজার স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস লাগবে, আর পরিস্থিতি চলতে থাকলে ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রভাব থাকতে পারে। জাতিসংঘের ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেসের নির্বাহী পরিচালক জর্জ মোরেইরা দা সিলভা বলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংকটে প্রায় ৪৫ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধা ও দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়, পাশাপাশি সারের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহও এই পথেই নির্ভরশীল। ফলে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়তে পারে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে লেবাননে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলা বন্ধের ইঙ্গিতও রয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের জনগণের বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, এটি কোনো ছাড় নয় বরং ইরানের ‘বৈধ অধিকার’। এই অবস্থানকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপ থেকে বেরিয়ে আসার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত সংঘাত শেষ হবে না। তিনি দাবি করেন, ইরানে এখনো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোও ধ্বংস করতে হবে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান আলোচনার অংশ হিসেবে কিছু উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাতলা করার প্রস্তাব দিয়েছে, বাকি অংশ তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের কথা বিবেচনায় ছিল। তবে ইরান শর্ত দিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হলে সেই ইউরেনিয়াম ফেরত দিতে হবে। হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও টোল আদায়ের ব্যবস্থা চালু করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ইরানের কিছু বন্দরে নজরদারি ও বাধা আরোপ করছে বলে জানা গেছে। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র বলেন, এখন থেকে ইরান আর সংযম দেখাবে না এবং কোনো হামলার জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানি জাহাজে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ ও ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সমালোচকদের ভুল প্রমাণের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ সংকটে ক্ষুধার ঝুঁকিতে কোটি কোটি মানুষ: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের তেল রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) তেল রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় সোমবার এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। তাদের অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল চীনে বিক্রি ও পরিবহনে সহযোগিতা করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ওয়াশিংটনের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ অভিযানের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যাতে ইরানকে অস্ত্র কর্মসূচি, প্রক্সি গোষ্ঠী ও পারমাণবিক কার্যক্রমের অর্থায়ন থেকে বিরত রাখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আইআরজিসি বিদেশে ভুয়া ও আড়াল করা কোম্পানি ব্যবহার করে তেল বিক্রির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা গোপন করে এবং সেই অর্থ ইরানি সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আইআরজিসির শহীদ পুরজাফারি অয়েল হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে। এছাড়া হংকং, দুবাই, ওমান ও শারজাহভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আরও অভিযোগ করেছে, এসব প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ট্যাংকার ব্যবহার করে ইরানি তেল বিদেশে, বিশেষ করে চীনে পাঠাতে সহায়তা করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে এবং মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের লেনদেন নিষিদ্ধ থাকবে। এর আগে চলতি মাসেই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামুদ্রিক তৎপরতার অভিযোগে আরও ৩০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ওয়াশিংটন। ইরানের তেল রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) তেল রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় সোমবার এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। তাদের অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল চীনে বিক্রি ও পরিবহনে সহযোগিতা করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ওয়াশিংটনের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ অভিযানের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যাতে ইরানকে অস্ত্র কর্মসূচি, প্রক্সি গোষ্ঠী ও পারমাণবিক কার্যক্রমের অর্থায়ন থেকে বিরত রাখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আইআরজিসি বিদেশে ভুয়া ও আড়াল করা কোম্পানি ব্যবহার করে তেল বিক্রির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা গোপন করে এবং সেই অর্থ ইরানি সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আইআরজিসির শহীদ পুরজাফারি অয়েল হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে। এছাড়া হংকং, দুবাই, ওমান ও শারজাহভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আরও অভিযোগ করেছে, এসব প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ট্যাংকার ব্যবহার করে ইরানি তেল বিদেশে, বিশেষ করে চীনে পাঠাতে সহায়তা করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে এবং মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের লেনদেন নিষিদ্ধ থাকবে। এর আগে চলতি মাসেই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামুদ্রিক তৎপরতার অভিযোগে আরও ৩০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ওয়াশিংটন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

আত্মঘাতী বোমা হামলায় পাকিস্তানে ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ফাইল ছবি: এএনআই

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়ার জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে জমি পাবে বিএসএফ: শুভেন্দু

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা। ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননের ৯ গ্রাম খালি করতে ইসরায়েলের নির্দেশ

0 Comments