জাতীয়

দেশকে এগিয়ে নিতে নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠার আহ্বান : রিজওয়ানা হাসানের

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ১৫, ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের জন্য কাজ করতে হলে আগে নিজেকে বদলাতে হবে। তিনি বলেন, নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কথা ভাবতে হবে এবং সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে নিজেকে অন্যান্য প্রাণ ও প্রকৃতির সেবায় নিয়োজিত করতে হবে।


ঢাকায় বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের ৭৫তম জন্মদিবস উপলক্ষে ‘রুটস টু লিগাসি: প্লাটিনাম জুবিলি সেলিব্রেশন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তিনি আজ প্রধান অতিথি হিসেবে নয়, বরং স্কুল পরিবারের সদস্য হিসেবে উপস্থিত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি স্কুলের অগণিত যোগ্য ও স্বনামধন্য শিক্ষার্থী তৈরির প্রশংসা করে শিক্ষকদের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জানান।

পরিবেশের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমরা কেন প্লাস্টিকের বোতল ছেড়ে কাচের জগ-গ্লাসে ফিরে যাচ্ছি, তা আমাদের মূল্যবোধের বিষয়। যারা এখানে আছেন তারা পরিবারকে প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে আগের মতো চটের ব্যাগ ব্যবহার করতে অনুরোধ করবেন। প্লাস্টিক আমাদের শরীরের রক্তে, ফুসফুসে, মায়ের দুধে পর্যন্ত প্রবেশ করছে, এবং এর জন্য মানুষের অসচেতনতা দায়ী।

কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তার মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রেরণার উৎস। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্কুলের অন্তর্বর্তী কমিটির সভাপতি মো. আজমল হক এবং অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
অবশেষে এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেটর এনার্জি পরিচালিত ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বা এলএনজি টার্মিনাল তিন দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।   বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আজ (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু হয়েছে এবং বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করছে।’   তিনি বলেন, দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহের ফলে এলএনজিভিত্তিক মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। মধ্যরাতের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে।   পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, একটি এলএনজি কার্গো আগামীকাল রোববার (২৩ আগস্ট) টার্মিনালে পৌঁছানোর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই তা এসে পৌঁছায়। ফলে আজ (২২ আগস্ট) থেকেই টার্মিনালটি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।   তিনি বলেন, আজ (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এলএনজিভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ মাত্র ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট ছিল। নতুন এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর পর সরবরাহ বাড়তে শুরু করে এবং বর্তমানে তা প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।   মোট এলএনজি সরবরাহের মধ্যে বর্তমানে সামিট প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে।    এদিকে দেশে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে।   আব্দুল মান্নান বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহ নির্ভরযোগ্য পর্যায়ে রাখতে আমরা আরও এলএনজি কার্গো আনার জন্য কাজ করছি।’   পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালটি গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে টার্মিনালটি এলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু করলেও ১৯ আগস্ট থেকে এলএনজি কার্গোর মজুত না থাকায় এর কার্যক্রম আবারও বন্ধ হয়ে যায়।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ২২, ২০২৬

গ্যাস সংকটে ৩০০ কারখানা বন্ধ, রপ্তানি ক্ষতির আশঙ্কা: বিকেএমইএর ৬ দাবি

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জহির উদ্দিন স্বপন

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা টেররিস্ট (সন্ত্রাসী) এবং দেড় হাজার মানুষ হত্যা করে ভারতে পালিয়ে গেছেন।’   শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।   শেখ হাসিনাসহ ভারতে পালিয়ে থাকা অন্য ব্যক্তিদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট, দেড় হাজার মানুষ হত্যা করে ভারতে গেছে। শুধু তিনিই নন, এরপর যারা আরও অপরাধী ভারতে পালিয়ে আছে। এটা একটা স্বাভাবিক দাবি, যাতে আমরা ওই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে ভারতের সঙ্গে এনগেজড করি।’   ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সো ওই উইল এনগেজড, উই ওয়ান্ট পজিটিভ রিলেশনশিপ উইথ ইন্ডিয়া। তারা আমাদের প্রতিবেশী। উই শোড ওয়ার্কিং রিলেশনশিপ। শুধু ভারত না, কোনও দেশের সঙ্গে ন্যাশনাল ইন্টারেস্টকে কম্প্রোমাইজ করে আমরা কোনও কিছু করতে পারি না।’   প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে একটা কনসেনসাসে আমরা আসবো। দেন উই ক্যান ভিজিট ইন্ডিয়া। কালকের ভেতরেই যদি আমরা পারি তাহলে উই ক্যান ভিজিট নেক্সট উইক। এখানে কোনও রাশ নাই, এখানে আলাপ আলোচনার বিষয় আছে, এখানে ওয়ার্ক করার বিষয় আছে। একজন প্রাইমিনিস্টার টু প্রাইমিনিস্টার ভিজিট তো আর হইতে পারে না।’   শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে মানুষের সেন্টিমেন্ট হার্ট করেছে। আর আমরা ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে যাবো।’   হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু এবং প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন উপস্থিত ছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ২২, ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে: রাশেদ খান

কাল থেকে অফিস শুরু করবো, গেলে বুঝতে পারবো মন্ত্রণালয়ের পরিধি কত: পার্থ

ছবি: সংগৃহীত

আনোয়ারায় ঘরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, পরিবারের সন্দেহ হত্যাকাণ্ডের

ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহে গরু চুরির সন্দেহে দুই ভাইকে পিটুনি, নিহত ১

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে হাবিব হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সুমন হোসেন (৪০) গুরুতর আহত হয়েছেন।   শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের বাদুরগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিব ও আহত সুমন যশোর সদর উপজেলার আরাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তারা মৃত আইয়ুব হোসেনের ছেলে।   স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় বাদুরগাছা গ্রামের বিধবা নিলুফা ইয়াসমিন নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতের কোনো একসময় ঘুম ভেঙে তিনি দেখতে পান, তার ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তালা ভেঙে তাকে বের করেন।   পরে নিলুফা ইয়াসমিন গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন, সেখানে থাকা দুটি গরুর মধ্যে একটি নেই। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা আশপাশে গরুটির সন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি গরু উদ্ধার করা হয়।   এরপর গরু চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একটি পিকআপে থাকা ৫-৬ জনকে স্থানীয়রা ধাওয়া করেন। পিকআপে থাকা অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও হাবিব ও সুমনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের মারধর করা হয়।   খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে হাবিব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।   অন্যদিকে গুরুতর আহত সুমন হোসেনকে শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।   কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, গরু চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

খোয়াই নদীর পানি উজানে বাড়ছে, হবিগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা

ছবি: সংগৃহীত

সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা ধরে পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনের দাবি

0 Comments