জাতীয়

চট্টগ্রামে ভোটের মাঠে লড়বেন ১১১ প্রার্থী, আজ প্রতীক বরাদ্দ

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে চট্টগ্রামে ১২ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এখন চূড়ান্তভাবে ১১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেন। আজ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং প্রতীক পাওয়ার পর আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা, যা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মোট ১২ জন প্রার্থী চট্টগ্রামের তিন রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরীর কার্যালয়ে গিয়ে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

 

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে চট্টগ্রামে ১২ প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম–৬ রাউজান আসনে বিএনপির দ্বৈত প্রার্থীর মধ্যে গোলাম আকবর খোন্দকার তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। তবে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটের আসন সমঝোতায় চট্টগ্রামে জোটের শরিকদের ছেড়ে দেওয়া ৬টি আসনের মধ্যে ৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালি আসনে এবং চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে জোটের শরিক দলের প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

 

চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর মুফতি মোহাম্মদ ইমরান ইসলামাবাদী বলেন, জোট আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। তারপরও ভোটের মাঠে আমরা জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। আমরা ইসলামপন্থি দল। আমরা একসঙ্গে জোটের প্রার্থীর জন্য কাজ করব। ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ তারিখ এই আসনসহ ১০ দলীয় জোট বিজয় লাভ করবে।

 

চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. ওসমান আলী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচএম আশরাফ বিন ইয়াকুব মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মোক্তার আহমেদ, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালি আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. নেজাম উদ্দীন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

 

চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির মোহাম্মদ লোকমান, চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমদাদুল হাসান এবং চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ ইমরান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি–এলডিপির মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মুহাম্মদ মুসা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

 

অন্যদিকে চট্টগ্রাম–১, চট্টগ্রাম–৩, চট্টগ্রাম–৪, চট্টগ্রাম–১০, চট্টগ্রাম–১৪ ও চট্টগ্রাম–১৫ আসনে কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।

 

নগরীর তিনটি সংসদীয় আসন এবং নগরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও দুটিসহ মোট ৫টি আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। জেলার ১০ আসনের রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়া চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনের রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।

 

চট্টগ্রামের-১৬ আসনে ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র বাছাইকালে নানা ত্রুটির কারণে রিটার্নিং অফিসারগণ ৪২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। বাছাইকালে রিটার্নিং অফিসার ১০১ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেন। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। এর মধ্যে ২০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্ট থেকে প্রার্থিতা ফিরে পান দুজন। গতকাল ১২ প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় চট্টগ্রামে ১৬ আসনে এখন বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১১১ জন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
কোলাকুলিতে হৃদয় জয়, প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী

ঈদের আনন্দ শুধু উৎসবের রঙে নয়, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শ্রদ্ধাবোধেই যে পূর্ণতা পায়—তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   ঈদের দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় দায়িত্বরত এক পুলিশ সার্জেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে দেখে দ্রুত এগিয়ে আসেন। তিনি স্যালুট ও হাত মেলাতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে তাকে কাছে টেনে নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহীর এমন আন্তরিক ও সাদামাটা আচরণে ওই পুলিশ সদস্যসহ আশপাশের সবার মধ্যেই এক ভিন্নধর্মী উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক ও সহজ-সরল আচরণে মুগ্ধ হয়েছেন সাধারণ মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি হাজারো মানুষ শেয়ার করে তাদের ভালো লাগা প্রকাশ করছেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ২২, ২০২৬ 0
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ শনিবার সকালে কুমিল্লার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদ জামাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন

সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য : কৃষিমন্ত্রী

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মা-বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করে মোনাজাত করেন। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ঈদের দিন বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে দুপুরে তিনি তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, তাঁর ছোট ভাই প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিণী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং তার দুই মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তারেক রহমান মা-বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করে মোনাজাত করেন। এরপর বিএনপির পক্ষ থেকে কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মাহবুব উদ্দিন খোকন, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এটিএম শামসুল ইসলামসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গুলশানের বাসায় ফিরেছেন।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ছয় লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণভাবে শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত

লঞ্চে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে টাকা লুট, যাত্রীর মৃত্যু

মীরসরাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, চালক নিহত

ছবি : সংগৃহীত
প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আজকে আমার মনে হয়, আমাদের সবার জন্য ঈদের আনন্দ তো আছেই, এর পাশাপাশি দেশের পরিবর্তিত পরিবেশে ও গণতান্ত্রিক আবহে এবারের আনন্দটা কিছুটা ভিন্ন।  তিনি বলেন, আমরা চাই, প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে।  শনিবার (২১ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী নাজির বাড়ি মসজিদে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করেন তিনি।  এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা চাই, দেশটা যেন এভাবেই থাকে — সবাই মুক্তভাবে থাকতে পারে, মুক্তভাবে কথা বলতে পারে ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে।  তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকে যেন তার সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করতে পারে। ঈদের সঙ্গে এই বিষয়গুলোরও একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কারণ মানুষ যদি মুক্ত না থাকে, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ অনুভব করা যায় না। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই আজ আমাদের যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল। মনে হয়, নির্বাচনের পর তার অনেকাংশেই ফিরে পেয়েছি।  আর তাই এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি এক অনুভূতি। তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, এবারের ঈদের আনন্দ সত্যিই ভিন্ন। তাই দেশবাসী সবাইকে জানাচ্ছি ঈদের শুভেচ্ছা। এই ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি যেন আমাদের মাঝে অব্যাহত থাকে— বাংলাদেশের জন্য, সকল মানুষের জন্য।  আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার মধ্যে এই অবিরাম বন্ধন অটুট থাকুক।’ এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে বিএনপি নেতা ইসরাফিল খসরুসহ পরিবারের সদস্য ও রাজনৈতিক কর্মীরা। 

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আইইএ’র সঙ্গে পঞ্চম কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক স্বাক্ষর বাংলাদেশের

ছবি : সংগৃহীত

আমরা প্রতিটি মুহূর্তে জনসেবায় নিয়োজিত আছি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৩ জামাত অনুষ্ঠিত

0 Comments