বিশ্ব

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়ার জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে জমি পাবে বিএসএফ: শুভেন্দু

মারিয়া রহমান মে ১১, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ফাইল ছবি: এএনআই
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ফাইল ছবি: এএনআই

বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেতৃত্বাধীন নতুন রাজ্য সরকার।

আজ সোমবার হাওড়ায় রাজ্য সচিবালয়ে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এ ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফের কাছে প্রয়োজনীয় জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এ জন্য মুখ্যসচিব এবং ভূমি ও রাজস্বসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’


বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ইস্যুটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত ও বিতর্কিত একটি বিষয় হয়ে এত দিন ঝুলে ছিল। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও বিজেপি ইস্যুটি নিয়ে সরব ছিল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের সরকারকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গড়েছে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শুভেন্দু। সরকার গড়ে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তিনি সীমান্তে বিএসএফকে জমি দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতা হাইকোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য নয়টি জেলায় বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন আদালত।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
একীভূত হচ্ছে মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক বাহিনী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে আরো কাছাকাছি নিয়ে আসতে মার্কিন কংগ্রেসে একটি বিলের বিধান উত্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে অস্ত্র গবেষণা, উৎপাদন ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরো গভীর হবে। ২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় প্রতিরক্ষা অনুমোদন আইনের (এনডিএএ) হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সংস্করণে ‘সেকশন ২২৪’-এ এই প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘ইউনাইটেড স্টেটস-ইসরাইল ডিফেন্স টেকনোলজি কো-অপারেশন ইনিশিয়েটিভ’। এই পদক্ষেপ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রতি বছর মার্কিন সামরিক নীতিনির্ধারণ এবং প্রতিরক্ষা কর্মসূচি ও ব্যয়ের মাত্রা অনুমোদনের জন্য কংগ্রেসে এনডিএএ পাস হয়। এটি আইন হিসেবে পাস হলে বিশ্বের অন্যতম ঘনিষ্ঠ এই সামরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসবে। তখন দুই দেশের অংশীদারিত্ব কেবল মার্কিন সামরিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিরক্ষাশিল্পের গভীর মেলবন্ধনে রূপ নেবে। এই সেকশন ২২৪-এর আওতায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে একজন ‘এক্সিকিউটিভ এজেন্ট’ বা একক কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে, যিনি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি সমন্বয় করবেন। এ কাজের মধ্যে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন, যৌথ অস্ত্র উৎপাদন এবং সামরিক ব্যবস্থা ও ডেটার সংযোগ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই বিতর্কিত বিধানের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা ও অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘এ নিউ পলিসি’-এর প্রতিষ্ঠাতা জশ পল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘কংগ্রেস এখন এই সম্পর্ককে আমেরিকার নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তির এত গভীরে প্রোথিত করার চেষ্টা করছে, যা উপড়ে ফেলা অসম্ভব।’ তিনি আরো বলেন, এই আইন ইসরাইলকে আমেরিকার প্রযুক্তিতে নজিরবিহীন প্রবেশাধিকার দেবে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীকে তাদের নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরবরাহ চেইনে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি একীভূত করতে বাধ্য করবে, যা আমেরিকার নিজস্ব প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকারের ওপর ইসরাইলকে অবিশ্বাস্য সুবিধা দেবে। উভয় দেশ ইতোমধ্যেই আয়রন ডোম-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যৌথভাবে তৈরি করছে। তবে এই বিলের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ড্রোন এবং সাইবার অপারেশনের মতো আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের আরো অনেক ক্ষেত্রে তাদের যৌথ কাজ প্রসারিত হবে। চলতি বছরের শুরুতে ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই এই বিধানটি সামনে এলো। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়, যা পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধের সূত্রপাত করে। গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে ইরান ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছিল। এছাড়া গাজা যুদ্ধের কারণে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত-আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা একটি মামলায় ইসরাইল গণহত্যার অভিযোগের মুখোমুখি রয়েছে। কয়েক দশকের সমর্থন বিলটি পূর্ণাঙ্গ হাউজ এবং সিনেটে পাস হওয়ার আগে আগামী জুনের শুরুতে হাউজ আর্মড সার্ভিসেস কমিটিতে অনুমোদিত হতে হবে। কমিটির রিপাবলিকান চেয়ারম্যান মাইক রজার্স এবং জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট অ্যাডাম স্মিথ এটি প্রস্তাব করেছেন। ফলে বিলটিতে দুই প্রধান দলেরই সমর্থন রয়েছে, যদিও সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী ইসরাইলকে আরো সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন ডেমোক্র্যাট এবং কিছু রিপাবলিকানের মধ্যে বিরোধিতা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করে আসছে। ২০০৮ সাল থেকে মার্কিন আইন অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের জন্য ইসরাইলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ বা গুণগত সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষা করা বাধ্যতামূলক, যেন এই অঞ্চলের যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ইসরাইলি বাহিনী শক্তিশালী ও উন্নত থাকে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের আমলে স্বাক্ষরিত ১০ বছর মেয়াদী বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ইসরাইলকে প্রতি বছর প্রায় ৩৮০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দেয়। এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত রয়েছে। ১৯৪৮ সালের পর থেকে ইসরাইল মার্কিন বৈদেশিক সহায়তার সবচেয়ে বড় গ্রহীতা, যার প্রায় পুরোটাই সামরিক এবং মুদ্রাস্ফীতি সমন্বয় করলে এর মূল্যমান ৩০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। তবে এই সহায়তার ধরন এখন বদলে যেতে পারে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি আগামী ১০ বছরের মধ্যে মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর ইসরাইলের নির্ভরতা শেষ করতে চান। নগদ অর্থের পরিবর্তে দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যকার এই ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা সম্ভবত সেই লক্ষ্যের সঙ্গেই মিলে যায়। সূত্র: আলজাজিরা

মারিয়া রহমান জুন ০২, ২০২৬
সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত মসজিদুল হারাম | ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় কী কী পরিবর্তন আসছে

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: ইরান

সামরিক মহড়া চালাচ্ছে চীনের বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং। ছবি : সংগৃহীত

প্রশান্ত মহাসাগরে সামরিক মহড়া চালাল চীন

পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী কালিতা মাঝি। ছবি : সংগৃহীত
গৃহকর্মী থেকে সোজা মন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গে কালিতা মাঝির ইতিহাস

একসময় মাসে মাত্র আড়াই হাজার রুপি বেতনে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। আর এখন তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী। এমনই এক অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক যাত্রার সাক্ষী হলেন পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী কালিতা মাঝি। সোমবার (১ জুন) পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর আরএন রবি কলকাতার লোক ভবনে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে কালিতা মাঝিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ নেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় কালিতা মাঝি বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। কখনো কল্পনাও করিনি যে আমি বিধায়ক হব, মন্ত্রী হওয়া তো আরও দূরের কথা। ২০১৪ সাল থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে কাজ করছি। আগে শুধু নিজের কেন্দ্রের দায়িত্ব ছিল, এখন পুরো পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব আমার কাঁধে। কালিতা মাঝি আর্থিক সংকটের কারণে নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য বিভিন্ন বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেছেন। তার স্বামী পেশায় একজন প্লাম্বার এবং ছেলে পার্থ বর্তমানে স্কুলে পড়াশোনা করছে। রাজনীতিতে তার যাত্রা শুরু হয় দলীয় বুথকর্মী হিসেবে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হলেও পরাজিত হন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনে আবারও সুযোগ পেয়ে আউশগ্রাম আসন থেকে জয়ী হন এবং এবার মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে মোট ৩৫ জন নতুন মন্ত্রী শপথ নেন। এর ফলে রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ১৩ জন মন্ত্রিসভার সদস্য, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সূত্র : এনডিটিভি

মারিয়া রহমান জুন ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় উল্লম্ফন, বেড়েছে ২ শতাংশের বেশি

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সামরিক জোটে যোগ দিতে পারবে ইসরাইলও, মানতে হবে এক শর্ত

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা সম্মেলনে চীনকে পরোক্ষ কটাক্ষ জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন অভিযান ‘পোড়ামাটি নীতি’: নাওয়াফ সালাম

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন করে বিমান হামলা চালানো ও বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা জারি করায় দেশটির বিরুদ্ধে শনিবার ‘পোড়ামাটি নীতি’ অনুসরণের অভিযোগ তুলেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম।    তিনি এই সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।   বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।   ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একদিন আগে বলেন, তার বাহিনী লেবাননের আরও গভীরে অগ্রসর হয়েছে।    এর পরদিন নাওয়াফ সালাম সতর্ক করে বলেন, দেশটি একটি ‘বিপজ্জনক’ উত্তেজনার মুখোমুখি।    তিনি ‘দ্রুত ও বাস্তব যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানান।   টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে সালাম অভিযোগ করেন, ইসরাইল শহর ও গ্রাম ধ্বংস করছে এবং বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত করে ‘পোড়ামাটি নীতি’ ও ‘সম্মিলিত সাজা ’ প্রয়োগ করছে।   তিনি বলেন, এতে করে ইসরাইলের জন্য ‘নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতাÑ কোনোটিই আসবে না।’   তবে তিনি দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে তার সরকারের যোগাযোগের বিষয়টি সমর্থন করেন।    শুক্রবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের সামরিক প্রতিনিধি দল নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা করেছে। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দু’পক্ষের মধ্যে আরও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।   সালাম বলেন, আলোচনার ফলাফল ‘নিশ্চিত নয়।’    তবে এটিকে তিনি ‘আমাদের দেশ ও জনগণের জন্য সবচেয়ে কম খরচের পথ’ বলে উল্লেখ করেন।   লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানায়, শনিবার দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক ইসরাইলি হামলা হয়েছে।    লেবাননের সেনাবাহিনী বলেছে, দক্ষিণের শহর নাবাতিয়েহর কাছে একটি ‘শত্রু ইসরাইলি ড্রোনের’ হামলায় তাদের দুই সেনা সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।   ইসরাইলি বাহিনী নাবাতিয়েহর আশপাশের গ্রামসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের নতুন করে অন্যত্র চলে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে।   হিজবুল্লাহ জানায়, তারা শনিবার উত্তর ইসরাইল লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি তারা দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে।   এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, তারা জাওতার আল-শারকিয়াহ, ইয়োহমোর আল-শাকিফ ও দিব্বিনে শহরের উপকণ্ঠে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।    তাদের দাবি, সেনারা এখনো শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়নি।   ইসরাইলি সেনাবাহিনী এএফপিকে জানায়, শনিবার লেবানন থেকে ইসরাইলের দিকে ২৫টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।   নেতানিয়াহু শুক্রবার ঘোষণা দেন, ইসরাইলি বাহিনী লিতানি নদীর উত্তরেও অগ্রসর হয়েছে। নদীটি লেবানন-ইসরাইল সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।    তিনি বলেন, তার বাহিনী ‘হিজবুল্লাহকে সরাসরি আঘাত করছে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নরওয়ের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলের ঘটনায় মালয়েশিয়ার ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

খসড়া প্রস্তাবে ১২শ’ কোটি ডলারের সম্পদ ছাড়ের দাবি ইরানের : রাষ্ট্রীয় টিভি

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ক্রুসেডার আমলের ঐতিহাসিক বেউফোর্ট দুর্গ দখল করে নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। ছবি: ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

লেবাননের ঐতিহাসিক বেউফোর্ট দুর্গ দখলের দাবি ইসরায়েলের

0 Comments