আন্তর্জাতিক

কানাডায় ভারতীয় গ্যাংয়ের তাণ্ডব, এবার পাঞ্জাবি গায়ককে গুলি

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২২, ২০২৫

কানাডায় ফের ভারতীয় গ্যাংস্টারদের তাণ্ডব শুরু হয়েছে। এবার তাদের টার্গেটে পড়েছেন জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক তেজি কাহলন।
গায়কের পেটে গুলি লেগেছে এবং তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে

 

হামলার দায় স্বীকার গ্যাংস্টার রোহিত গোদারার, হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্যাংস্টার রোহিত গোদারা ও তার সহযোগীরা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে গুলিবর্ষণের দায় স্বীকার করেন।


তাদের দাবি, প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাংকে অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহের অভিযোগে তেজিকে সতর্ক করতেই এ হামলা চালানো হয়।

পোস্টে লেখা ছিল— আমরা কানাডায় তেজি কাহলনের ওপর গুলি চালিয়েছি। তার পেটে গুলি লেগেছে। যদি সে বুঝে যায়, ভালো। না বুঝলে পরের বার আমরা তাকে শেষ করব।


ওই পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয় যে, রোহিতের সহযোগী মাহেন্দ্র সরণ দিলনা, রাহুল রিনাউ, এবং ভিকি ফলওয়ান এই হামলায় জড়িত ছিলেন।

পাঞ্জাবি সংগীতের জনপ্রিয় মুখ, তেজি কাহলন পাঞ্জাবি সংগীতজগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এক নাম। তার গাওয়া গানগুলোর মধ্যে—
‘মিঠি জেল’, ‘ঝুমার’, ‘৮ কিতিয়ান’, ‘টাইম চাক দা’ এবং ‘গিদ্দা’ বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
তবে কেন তিনি গ্যাংস্টারদের লক্ষ্যবস্তু হলেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়; বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা জল্পনা।

 


কানাডায় গ্যাং সহিংসতা বাড়ছে, ঘটনার পর কানাডার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে ভারতীয় গ্যাংস্টারদের প্রভাব ও সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।

কয়েকদিন আগেই ভারতের কৌতুকশিল্পী কপিল শর্মার ক্যাফেতে গুলি চালায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং।
গত কয়েক মাসে একাধিকবার গুলি চলে সেই ক্যাফেতে।
এই ঘটনায় গোল্ডি ধিল্লোঁ ও কুলবীর সিধু দায় স্বীকার করেছিলেন।

 

এর মধ্যেই আবার তেজি কাহলনের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটল, যা কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় পুনর্নির্মাণের ইঙ্গিত, নতুন প্রশ্ন চুক্তি মানা নিয়ে

ইরানের কয়েকটি সন্দেহভাজন পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র-সম্পর্কিত স্থাপনায় পুনর্নির্মাণ বা মেরামতের কাজ চলার ইঙ্গিত মিলেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় নতুন নির্মাণকাজ ও যানবাহনের চলাচল লক্ষ্য করা গেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি-এর সহযোগিতায় বিশ্লেষণ করা চিত্রে তেহরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সের একটি স্থাপনায় মেরামতের আলামত পাওয়া গেছে। সেখানে হামলায় সৃষ্ট গর্ত ঢেকে দেওয়া, লোহার জাল বসানো এবং কংক্রিট মিশ্রণের যানবাহন দেখা গেছে।   এ ছাড়া ইসফাহানের কাছে অবস্থিত পিক্যাক্স মাউন্টেন এলাকার একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনার টানেলে ট্রাক চলাচলের চিত্রও ধরা পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব কার্যক্রম জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারকের শর্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যেখানে পারমাণবিক কর্মসূচিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছিল।   তবে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা কার্যক্রমের বিষয়ে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। একই সঙ্গে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে।   সূত্র: সিএনএন

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২০২৮ সালের মধ্যে সুদমুক্ত ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান, বিদেশি ব্যাংকের জন্য থাকছে বিশেষ ছাড়

সংগৃহীত ছবি

রুশ ড্রোন ও বোমা হামলায় কাঁপছে জাপোরিঝঝিয়া

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা ইস্যুতে বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য সুখবর সৌদি আরবের

হরমুজ প্রণালী
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে কাতারের আহ্বান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে তাদের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক মেনে চলার এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়া রোধ করতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কাতার।   কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানান, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তির সাথে এক ফোনালাপে তিনি এই আহ্বান জানান।   তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নৌচলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন এবং সতর্ক করে বলেন যে, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য এই জলপথ দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত বজায় রাখা অপরিহার্য।   উল্লেখ্য-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত জুন মাসের যুদ্ধবিরতি সমঝোতা ভেঙে নতুন করে তীব্র সামরিক সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি চুক্তি সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।   ইরানের ইরানশাহর, বন্দর আব্বাস, চাবাহার, বুশেহর, কোনারাক এবং আক কালা অঞ্চলে এই হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে আইআরজিসির ব্যারাক, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং লজিস্টিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসনের জবাবে ইরান কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে তাদের নির্ধারিত রুট ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না। এই উত্তেজনার কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

হামলা-পাল্টা হামলার উত্তেজনায় টিকবে কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি উদ্যোগ?

ফাইল ছবি

ইরানে হামলা হলে ইসরায়েলকে ‘কোনো রেহাই’ নয় : তেহরান

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর লন্ডনে মরক্কো সমর্থকদের তাণ্ডব, আহত পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত
খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল, আড়ালে ভিন্ন এক বাস্তবতা

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তেহরানজুড়ে লাখো মানুষের ঢল নামলেও এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক বিভেদ ও নাগরিক উদাসীনতা। রবিবার খামেনির কফিনের সামনে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ কর্মকর্তা ও তার তিন ছেলের উপস্থিতিতে জানাজা অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন দেশটির বেশ কয়েকজন সাবেক প্রেসিডেন্ট, যা তেহরানের প্রচারিত ‘জাতীয় ঐক্য’র দাবিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিতেই এই জানাজা অনুষ্ঠানকে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। তবে ৯০ মিলিয়নের এই দেশে খামেনির মৃত্যুকে ঘিরে নাগরিকদের মনোভাব সম্পূর্ণ দুই ভাগে বিভক্ত। কড়া শাসনব্যবস্থায় ক্ষুব্ধ অনেক ইরানি যেমন এই আয়োজনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, তেমনি অনেকে চরম উদাসীনতা প্রকাশ করে জ্যামাকীর্ণ শহর ছেড়ে উত্তর দিকে কাস্পিয়ান সাগরের দিকে সপরিবারে ঘুরতে বের হয়েছেন। ফলে চালুস রোড ও তেহরান-উত্তর এক্সপ্রেসওয়েতে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।   ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের আলি বায়েজ জানান, বিপুল ভিড় জমিয়ে শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হলেও সংস্কারপন্থি সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানি এবং একসময়ের কট্টরপন্থি শাসক মাহমুদ আহমাদিনেজাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে কেবল অনুগতদের নিয়ে আয়োজনটি সম্পন্ন করা হয়েছে। অবশ্য আহমাদিনেজাদকে পরে সোমবারের মিছিলে সাধারণ মানুষের মাঝে হাঁটতে দেখা গেছে।   এদিকে খামেনির মৃত্যুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিযুক্ত তার ছেলে মোজতবা খামেনির অনুপস্থিতিও নানান গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছে।   অন্যদিকে, যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ইরানে ভিন্নমত দমনে ধরপাকড় তীব্র করা হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মে মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারী, সাংবাদিক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মীসহ ৬ হাজারেরও বেশি মানুষকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।   এমনকি গত মাসে ‘শত্রুর সঙ্গে সহযোগিতার’ অভিযোগে আরও ৩ হাজার মানুষকে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গীর।   তেহরানের এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, যিনি মানুষের জীবন ধ্বংস করেছেন, তার জন্য পুরো শহর স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে।   এক নারী শিক্ষিকা সরকারের দাবি করা ১০ বা ২০ মিলিয়ন মানুষের উপস্থিতির সংখ্যাকে সম্পূর্ণ ‘বানোয়াট’ ও অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেছেন।   অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ট্রিতা পার্সি মনে করেন, খামেনির মৃত্যুতে তার সমর্থক ঘাঁটি এলাকায় মানুষের মাঝে আবেগ ও ক্ষোভের সঞ্চার হলেও তা কোনোভাবেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রকৃত চিত্র নয়।   সূত্র: সিএনএন

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১০, ২০২৬
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

মেসি নন, আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ কাকে বললেন নেতানিয়াহু?

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ

ছবি : সংগৃহীত

নিজ জন্মভূমির মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

0 Comments