ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ শেষে সিরিজ ১-১ সমতায় রয়েছে। চলমান সিরিজে ব্যাট, বল ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন তরুণ লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। তার এই ধারাবাহিক সাফল্যের পুরস্কার হিসেবে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে তার।
রিশাদ বোলিংয়ে ৬৫ ধাপ এগিয়ে ৬৮তম স্থানে, আর অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ৮৭ ধাপ এগিয়ে ৩৭তম স্থানে উঠেছেন।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সেখানে ব্যাট হাতে ১৪ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩৯ রান করেন রিশাদ। এরপর বোলিংয়ে ১০ ওভারে ৪২ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন, যা বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ।
এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে ১৩ বলে ২৬ রান করার পর মাত্র ৩৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি — যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।
আইসিসির র্যাঙ্কিং আপডেটে দেখা গেছে, রিশাদের বর্তমান ৪৩০ রেটিং পয়েন্ট তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।
অলরাউন্ডার বিভাগেও তিনি ক্যারিয়ারসেরা ১৫১ পয়েন্ট নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন।
বাংলাদেশের অন্যান্য ক্রিকেটারদের অবস্থান -
মেহেদী হাসান মিরাজ – বোলিংয়ে ৬ ধাপ এগিয়ে ১৮তম, অলরাউন্ডারে ১ ধাপ এগিয়ে ৪র্থ স্থানে।
নাসুম আহমেদ – ১৬ ধাপ এগিয়ে ৭১তম।
তানভীর ইসলাম – ২ ধাপ এগিয়ে ৯৬তম।
অন্যদিকে স্পিন-সহায়ক উইকেটে পেসারদের প্রভাব কম থাকায় র্যাঙ্কিংয়ে কিছুটা অবনতি হয়েছে—
তাসকিন আহমেদ ৪ ধাপ পিছিয়ে ৩৮তম, শরিফুল ইসলাম ৩ ধাপ পিছিয়ে ৬১তম, এবং তানজিম সাকিব ৬ ধাপ পিছিয়ে ৭৩তম স্থানে নেমে গেছেন।
ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিং - তাওহীদ হৃদয় – ৭ ধাপ এগিয়ে ৩৫তম
মিরাজ – ২ ধাপ এগিয়ে ৬৩তম
সৌম্য সরকার – ৫ ধাপ এগিয়ে ৮৬তম
জাকের আলি – ৩ ধাপ পিছিয়ে ৭৮তম
লিটন দাস – ৭ ধাপ পিছিয়ে ৯১তম
ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের শীর্ষ তিনে রয়েছেন শুভমান গিল, ইব্রাহিম জাদরান, ও রোহিত শর্মা।
বোলারদের মধ্যে শীর্ষে রশিদ খান, কেশভ মহারাজ, ও মহেশ থিকশানা।
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে রয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই, সিকান্দার রাজা, ও মোহাম্মদ নবি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
দিন চারেক আগে এই আতলেতিকো মাদ্রিদকেই লিগ ম্যাচে হারিয়েছিল বার্সেলোনা। তার ওপর প্রতিপক্ষ আতলেতিকো টানা ৩ ম্যাচ ধরে জয়ের দেখা পাচ্ছিল না। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ফেভারিট ছিল কোচ হানসি ফ্লিকের দলই, ম্যাচের শুরুটাও করেছিল তেমন দাপট নিয়েই। তবে শেষমেশ শেষ হাসিটা হাসল আতলেতিকোই। ম্যাচের মাঝপথে দেখা এক লাল কার্ড সর্বনাশ করল বার্সার। ১০ জনের বার্সেলোনার বিপক্ষে ২ গোল করে প্রথম লেগেই চালকের আসনে বসে গেছে রোহিব্ল্যাঙ্কোরা। ম্যাচের শুরুতে বার্সেলোনাই ভালো খেলছিল। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে আসা মার্কাস রাশফোর্ড বাঁ প্রান্ত দিয়ে বারবার বিপদ তৈরি করছিলেন। এরপর জোয়াও কানসেলোও সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। তারই খেসারতটা পরে দিতে হয়েছে বার্সাকে। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাউ কুবারসির একটি ভুলে ম্যাচের মোড় বদলে যায়। আতলেতিকোর জুলিয়ানো সিমিওনে গোলের দিকে একা দৌড়ে যাচ্ছিলেন। পেছন থেকে কুবারসি তাকে ফেলে দেন। রেফারি প্রথমে হলুদ কার্ড দেখালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি লাল কার্ডে পরিণত হয়। বার্সেলোনা দশ জনে নেমে যায়। এর পরেই জুলিয়ান আলভারেজ ফ্রি-কিক থেকে বল জালে পাঠান। সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার বলটি কোণা দিয়ে জালে পাঠান। আলভারেজের সেই ফ্রি কিক বার্সাকে আঘাত কমই দিয়েছে। তার চেয়ে বেশি পোড়াচ্ছিল ১০ জনে পরিণত হওয়ার বিষয়টা। সময় যত গড়াচ্ছিল, আতলেতিকো জমাট রক্ষণে লিড ধরে রাখার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছিল। তবে এরপরও বার্সা সুযোগ তৈরি করেছে দ্বিতীয়ার্ধে। এরপরই আসে কফিনে শেষ পেরেকটা। ম্যাচ শেষ হওয়ার ২০ মিনিট আগে আলেকজান্ডার শরলথ আতলেতিকোর দ্বিতীয় গোল করেন। গ্রিজমান ও রুজেরির সমন্বয়ে তৈরি সুযোগে শরলথ জেরার্ড মার্টিনকে বোকা বানিয়ে গোল করেন। আতলেতিকোর এই জয় বেশ কয়েকটি কারণে ঐতিহাসিক। এটি ২০০৬ সালের পর ক্যাম্প ন্যুতে আতলেতিকোর প্রথম জয়। সিমিওনে তার ১৪ বছরের আতলেতিকো কোচিং ক্যারিয়ারে এই মাঠে প্রথমবার জিতলেন। এছাড়া নভেম্বর ২০২৫-এ ক্যাম্প ন্যু পুনরায় খোলার পর এটি বার্সেলোনার ঘরের মাঠে প্রথম হার। ২০১৫ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা বার্সেলোনাকে দ্বিতীয় লেগে অসাধারণ কামব্যাক করতে হবে। জিততে হবে অন্তত ৩ গোলের ব্যবধানে। ২ গোলে জিতলেও সুযোগ থাকছে, তবে সেক্ষেত্রে টাইব্রেকারের লটারির মুখে পড়তে হবে। আতলেতিকো এর আগে ২০১৪ ও ২০১৬ সালে ফাইনালে উঠেছিল। দুবারই বার্সাকে বিদায় করেছিল দলটা, সেই দুবারই মঞ্চটা ছিল কোয়ার্টার ফাইনালের। তবে সেই দুই আসরেই রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরেছে। এবার ইতিহাস বদলানোর সুযোগ তাদের সামনে।
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দায়িত্ব নিয়েছেন তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার দায়িত্ব পাওয়ার পর অ্যাডহক কমিটির সভায় এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভা ও কার্যক্রমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল। বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র তানজিল চৌধুরি বলেন, ‘আজকে প্রথমে আসলে একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ, আমাদের ইন্ট্রোডাকশন হলো। তারপর যেটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, আমাদের কিছু নিয়মিত কার্যক্রম আছে, সেটাকে বহাল রাখার জন্য কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। মূলত আমাদের যে ব্যাংকের সিগনেটরি আছে, সেগুলো দুটো গ্রুপে ভাগ করা থাকে- একটা ম্যানেজমেন্ট গ্রুপে এবং আরেকটা বোর্ড থেকে বা অ্যাডহক কমিটি থেকে। সেটা আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ আইসিসি ও এসিসিতে তামিমকে প্রতিনিধি করার বিষয়টি নিয়ে তানজিল বলেন, ‘আরেকটি সিদ্ধান্ত যেটা আমরা নিয়েছি। আইসিসি এবং এসিসিতে আমাদের একটা রিপ্রেজেন্টেশন থাকে, ক্রিকেট বোর্ড থেকে। সেটা মূলত বাই ট্রাডিশন এন্ড অলসো বাই ডিজাইন এবং কন্ডাক্ট, ওটা প্রেসিডেন্ট মহোদয় অ্যাটেন্ড করেন। আমাদের ক্ষেত্রে আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালকে আমরা মনোনীত করেছি। পাশাপাশি যেহেতু আমরা একটা অ্যাডহক কমিটি, আমরা নির্বাচিত কমিটি নই বা বোর্ড নই, আইসিসি আমাদেরকে গাইড করেছে যে, এখানে সিইও থাকলে ভালো হয় পদাধিকার বলে। সেটাও আমরা আজকে অনুমোদন করেছি।’ আজ বুধবারও বোর্ড সভা রয়েছে অ্যাডহক কমিটির। বিসিবির ক্ষমতার এই পালাবদলের মাঝে আরেকটি আন্তর্জাতিক সিরিজের সময় ঘনিয়ে এসেছে। আগামী সোমবারই বাংলাদেশে আসবে নিউজিল্যান্ড দল। আসন্ন এই সিরিজ নিয়ে তানজিল বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড দলের যে সফর, সেটার জন্য যা যা দরকার, প্রস্তুতি যেগুলো দরকার, সেটা নিয়ে আমরা একটা আপডেট নিয়েছি। বিস্তারিত আরও আগামী সভায় এটা নিয়ে আলোচনা করব।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সবশেষ নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি। সেই প্রেক্ষিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে ১১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে এনএসসি। এদিকে, সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিসিবির সাবেক সভাপতি। এমন পরিস্থিতিতে অ্যাডহক কমিটি যাতে কাজ করতে না পারে সেজন্য আইসিসির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বুলবুল। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক।