বিশ্ব

ইয়েমেনে জাতিসংঘ ভবনে হামলা

খবর৭১ ডেস্ক, অক্টোবর ১৯, ২০২৫

ইয়েমেনে জাতিসংঘের একটি ভবনে শনিবার হুতি বিদ্রোহীরা হামলা চালিয়েছে। তবে জাতিসংঘ জানিয়েছে, সব কর্মীই নিরাপদ আছেন।

জাতিসংঘের ইয়েমেন আবাসিক সমন্বয়কারীর মুখপাত্র জিন আলম এএফপিকে জানান, সানায় অবস্থিত জাতিসংঘ কম্পাউন্ডে আনসার আল্লাহর (হুতি) নিরাপত্তা সদস্যরা অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে। সেখানে বর্তমানে ১৫ জন আন্তর্জাতিক কর্মী রয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সবাই নিরাপদে আছেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।’ আলম জানান, জাতিসংঘ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এর আগে গত ৩১ আগস্টও বিদ্রোহীরা সানায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১১ জনেরও বেশি কর্মীকে আটক করে। হুতি কর্মকর্তারা দাবি করেন, ওই কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফান ডুজারিক বলেন, ‘আমরা আমাদের ৫৩ জন সহকর্মীর নির্বিচারে আটকের অবসান চাই।’ তিনি হুতি নেতা আবদেলমালেক আল-হুতির বক্তব্যের জবাবে জানান, এসব অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান-সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে বহু জাতিসংঘ কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ কারণে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারীকে সানা থেকে সরিয়ে আদেনে স্থানান্তর করা হয়।

দশ বছরের গৃহযুদ্ধে ইয়েমেন এখন বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখে রয়েছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

এনসিপিআই-এ যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি
এনসিপিআইতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ বিদ্রোহী এমপি ত্রিপুরাভিত্তিক বাংলা-আঞ্চলিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ার (এনসিপিআই) সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ-সংক্রান্ত চিঠি জমা দেওয়ার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আমরা এনডিএর অংশ হব এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কাজ করবো। এই পদক্ষেপে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে লোকসভায় দলটির ২৮ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। বিদ্রোহী এমপিদের এই সিদ্ধান্ত সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনের আগে বিরোধী শিবিরের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে। এর আগে তৃণমূলের সংসদ সদস্য সাগরিকা ঘোষ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সংসদীয় দলনেতা অভিষেক ব্যানার্জীর একটি চিঠি জমা দেন। সেখানে বিদ্রোহী এমপিদের স্বীকৃতি না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। আদালতের রায় উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, আইন কোনো রাজনৈতিক দলের বিভক্তিকে বৈধ ঘটনা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে দলত্যাগবিরোধী আইনের আলোকে বিবেচনা করা হয়। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্পিকার রাজনৈতিক দলকে স্বীকৃতি দেন, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে নয়। যদি একাধিক পক্ষ নিজেদের প্রকৃত রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে, তবে স্পিকারকে প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করতে হয় কোন পক্ষটি প্রকৃত দল। আইনি কাঠামো একটি ‘প্রকৃত রাজনৈতিক দল’ নির্ধারণের কথা বলে, কোনো গোষ্ঠীকে আলাদা স্বীকৃতি দেওয়ার নয়। সূত্র: এনডিটিভি

মারিয়া রহমান জুন ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকলে ২ ঘণ্টাও টিকত না ইসরায়েল: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।ফাইল ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

সংগৃহীত ছবি

আরব আমিরাতে প্রদর্শনীতে বিশ্বের সবচেয়ে দামি সোনার পোশাক

ছবি: সংগৃহীত
ব্রাজিলে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, সব আরোহী নিহত

ব্রাজিলের রিওডি জেনিরো শহরে মাঝআকাশে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষে হয়েছে। এতে হেলিকপ্টারে থাকা ক্রু ও আরোহীসহ মোট ছয়জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (১৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় উপশহর রেক্রিও দোস বান্দেইরান্তেসের আকাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। খবর আলজাজিরার। একটি হেলিকপ্টারে পাঁচ আরোহী ছিলেন। অন্যটিতে ছিলেন শুধু পাইলট। এতে কেউ বেঁচে নেই। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস জানায়, মাঝআকাশে সংঘর্ষের পর হেলিকপ্টার দুটি একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির শোরুমের পার্কিং লটে ভেঙে পড়ে। এ কারণে পার্কিং লটে থাকা প্রায় ২০টি বৈদ্যুতিক গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র ফাবিও কনট্রেইরাস জানান, বৈদ্যুতিক গাড়ির লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাসের কারণে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এই ধরনের ব্যাটারিতে আগুন লাগলে তা অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস নির্গত করে এবং আগুনের তীব্রতা ও তাপমাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। একটি সাধারণ গাড়ির তুলনায় এই বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোর আগুন নেভাতে তিন থেকে চার গুণ বেশি পানির প্রয়োজন হয়। ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ছিল। হেলিকপ্টার দুটি শোরুমের ফাঁকা পার্কিং লটে আছড়ে না পড়ে যদি আবাসিক এলাকায় পড়ত, তবে প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত। উদ্ধারকারীরা পার্কিং লটের জ্বলন্ত বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোর ভেতর থেকে একটি হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করে, যার ভেতর পাঁচ আরোহীর লাশ পাওয়া যায়। এর থেকে প্রায় ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দূরে অন্য হেলিকপ্টারটি পাওয়া যায়, যেখানে শুধু পাইলটের লাশ ছিল।

মারিয়া রহমান জুন ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা ৪ ইউরোপীয় দেশের

ইরানি ক্যাফেগুলো যেভাবে হলো মুম্বাইয়ের প্রাণ

বাংলাদেশ সীমান্তে এলাকার জনমিতিক পরিবর্তন খতিয়ে দেখবে ভারত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি আজ সই হচ্ছে কি

  যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে বহু প্রতীক্ষিত একটি চুক্তি আজ রোববারই স্বাক্ষরিত হবে—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শনিবার জোর দিয়ে এ কথা বলেছেন। এ চুক্তির ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার পথ তৈরি হবে। কিন্তু ট্রাম্পের এ বক্তব্যের সঙ্গে ইরানের বক্তব্য না মেলায় চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।   নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে গতকাল ট্রাম্প লেখেন, ‘আগামীকাল (রোববার) চুক্তি স্বাক্ষর হবে এবং চুক্তি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।’   ট্রাম্পের এ ঘোষণা ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তেহরান আজ এ চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।   ট্রাম্পের ঘোষণার আগে গতকাল ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সুনির্দিষ্ট তারিখ কবে, তা জানতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে, তবে এটি আগামীকাল (রোববার) হবে না।’   মুখপাত্র বাঘাই আরও বলেন, ‘তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এটি হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’   ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও (আইআরজিসি) আজ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে দিয়েছে বলে খবর দিয়েছে সিএনএন।   এ নিয়ে মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভার্চ্যুয়ালি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হতে পারে। তবে আগে থেকে প্রকাশিত ট্রাম্পের সরকারি কর্মসূচিতে রোববার (আজ) প্রেসিডেন্টের কোনো স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ নেই।   ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়েও পোস্টে কথা বলেছেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘উপযুক্ত সময়ে, যখন সবকিছু শান্ত হবে, আমরা সেখানে গিয়ে “নিউক্লিয়ার ডাস্ট” সংগ্রহ করব, যেগুলো শক্তিশালী গ্রানাইট পাহাড়ের গভীরে চাপা পড়ে রয়েছে। আমাদের সুন্দর বি-২ বোমারু বিমান ও এগুলোর দক্ষ পাইলটদের সহায়তায় তা প্রক্রিয়াজাত করে ধ্বংস করব—এটা ইরানেও হতে পারে বা যুক্তরাষ্ট্রেও।’   সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও কথা বলেছেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তিতে মূল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান।   গতকাল শনিবার শাহবাজ বলেন, ইসলামাবাদ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে (ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি)। এরপর আগামী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা হওয়ার আশা করা হচ্ছে।’   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহবাজ আরও লেখেন, ‘আমরা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন একটি শান্তিচুক্তির সবচেয়ে কাছাকাছি রয়েছি…আমরা আত্মবিশ্বাসী যে এই ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্থায়ী শান্তির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৪, ২০২৬

নেপাল থেকে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ২,৪০০ কোটি ডলারের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করতে রাজি হয়েছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে এক রাজকুমারীর মৃত্যুতে উত্তরাধিকার নিয়ে প্রশ্ন

0 Comments