ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজার রাফাহ সীমান্ত খুলে না দিয়ে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করেছেন।
শনিবার এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করে হামাস।
গোষ্ঠীটি জানায়, রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকায় রোগী ও সাধারণ মানুষ দুই দিকেই চলাচল করতে পারছেন না। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা হতাহতদের উদ্ধার সরঞ্জাম ও মৃতদেহ শনাক্তে প্রয়োজনীয় দলও গাজায় ঢুকতে পারছে না।
এদিকে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, রাফাহ সীমান্ত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এর আগে কায়রোতে ফিলিস্তিনি দূতাবাস জানিয়েছিল, সীমান্তটি সোমবার খুলে দেওয়া হবে।
রাফাহ সীমান্ত পুনরায় খোলা ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ বন্ধ করে গাজার মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব করা।
রাফাহ সীমান্ত গাজা ও মিশরের মধ্যে অবস্থিত। এটি গাজার একমাত্র পথ যা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নয়। এ সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা ও জরুরি ভ্রমণের জন্য গাজার মানুষের প্রধান ভরসা। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি সেনারা গাজার দিকের রাফাহ সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। সূত্র : শাফাক নিউজ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজার রাফাহ সীমান্ত খুলে না দিয়ে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করেছেন।
শনিবার এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করে হামাস।
গোষ্ঠীটি জানায়, রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকায় রোগী ও সাধারণ মানুষ দুই দিকেই চলাচল করতে পারছেন না। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা হতাহতদের উদ্ধার সরঞ্জাম ও মৃতদেহ শনাক্তে প্রয়োজনীয় দলও গাজায় ঢুকতে পারছে না।
এদিকে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, রাফাহ সীমান্ত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এর আগে কায়রোতে ফিলিস্তিনি দূতাবাস জানিয়েছিল, সীমান্তটি সোমবার খুলে দেওয়া হবে।
রাফাহ সীমান্ত পুনরায় খোলা ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ বন্ধ করে গাজার মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব করা।
রাফাহ সীমান্ত গাজা ও মিশরের মধ্যে অবস্থিত। এটি গাজার একমাত্র পথ যা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নয়। এ সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা ও জরুরি ভ্রমণের জন্য গাজার মানুষের প্রধান ভরসা। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি সেনারা গাজার দিকের রাফাহ সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দেশটির পুলিশ বাহিনীর বরাতে এ তথ্য জানায় আনাদোলু এজেন্সি। গত বছরের শেষের দিকে জেনজি নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনে তার সরকারের পতন ঘটে। আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান ওলি তার এই গ্রেপ্তারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। নেপালের জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা পবন কুমার ভট্টরাই আনাদোলুকে জানিয়েছেন, ‘৭৪ বছর বয়সি ওলিকে রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার কিডনির অস্ত্রোপচার করা হবে।’ কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত ওলিকে গত মার্চের শেষের দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ থাকার কারণে হাসপাতালেই ভর্তি রাখা হয়েছিল তাকে। এমনকি হাসপাতালেই তার জবানবন্দি রেকর্ড করে পুলিশ। ওলি ছাড়াও নেপালের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকও বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছেন। দেশটির সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে তাদের আটকাদেশের সময় না বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। সেই আন্দোলনে অন্তত ৭৭ বিক্ষোভকারী নিহত এবং ৭০০ জন আহত হন, যার ফলশ্রুতিতে ওলি সরকারের পতন ঘটে। বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন ৩৫ বছর বয়সি বালেন শাহ। সাবেক এই র্যাপার নেপালের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী, যিনি এর আগে কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে ২০২৫ সালের প্রাণঘাতী দমন-পীড়নে ভূমিকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১২ দিন পর হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে। ওলি ও লেখককে গত ২৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পর গ্রেপ্তার করা হয়। সেপ্টেম্বরে গণঅভ্যুত্থানে ওলির সরকার পতনের পর দেশের প্রথম নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর বালেন্দ্র শাহর দল সরকার গঠন করে। কাঠমান্ডু পুলিশের মুখপাত্র পাওয়ান কুমার ভট্টারাই এএফপিকে জানান, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- দুজনকেই আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে, শর্ত হলো প্রয়োজন হলে তারা পুলিশে হাজির হবেন।’ তাদের কারও বিরুদ্ধেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি এবং দুজনই সহিংসতার দায় অস্বীকার করেছেন। ভট্টারাই আরও বলেন, ‘তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ গ্রেপ্তারের আগে একটি তদন্ত কমিশন সুপারিশ করেছিল যে, চারবারের প্রধানমন্ত্রী ওলি ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত, কারণ তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সহিংসতার বিষয়ে কিছুই জানতেন না—এমন দাবি করে দেওয়া তাদের বক্তব্য দায় এড়ানোর চেষ্টা এবং তা ‘অপরাধমূলক অবহেলা’র শামিল। ৭৪ বছর বয়সী ওলিকে গ্রেপ্তারের পরপরই হাসপাতালে নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এটি ছিল নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং তিনি হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। গ্রেপ্তারের পর তাদের স্ত্রীগণ সুপ্রিম কোর্টে হেবিয়াস করপাস আবেদন করেন, যেখানে আটকাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র অর্জুন প্রসাদ কৈরালা জানান, আবেদনগুলো খারিজ করা হয়েছে, তবে আদালত কর্তৃপক্ষকে অতিরিক্ত সময় না দিয়ে তদন্ত দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। ওলির দল সিপিএন-ইউএমএল এই গ্রেপ্তারকে ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ বলে আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলন কাঠমান্ডুতে শুরু হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার জেরে শুরু হলেও পরে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের ক্ষোভ এতে জ্বালানি জোগায়। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত সরকার পতন ঘটায়।
ইরান যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার তেল রাজস্ব বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এবার এপ্রিল মাসে তেল উত্তোলনের ওপর রাশিয়ার ‘খনিজ নিষ্কাশন কর’ বেড়ে হবে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন রুবল (৯ বিলিয়ন ডলার)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আলজাজিরা এ সংবাদ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে হামলার ফলে সৃষ্ট তেল ও গ্যাস সংকটের কারণে রাশিয়ার প্রধান তেল রাজস্ব দ্বিগুণ হতে যাচ্ছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলার পর দেশটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দেয়। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি (গ্যাস) প্রবাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। এই পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। তখন বিশ্বের অন্যতম তেল রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়ার আয়ও বৃদ্ধি পায়। প্রাথমিক উৎপাদন তথ্য এবং তেলের দামের ওপর ভিত্তি করে রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে তেল উত্তোলনের ওপর রাশিয়ার ‘খনিজ নিষ্কাশন কর’ বেড়ে হবে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন রুবল (৯ বিলিয়ন ডলার)। অথচ, মার্চ মাসে এ রাজস্বের পরিমাণ ছিল ৩২৭ বিলিয়ন রুবল। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে রাশিয়ার জন্য এটি একটি বিশাল অপ্রত্যাশিত লাভ। তেল ব্যবসায়ীদের মতে, ইরান যুদ্ধ সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে, যার সরাসরি সুফল পাচ্ছে রাশিয়া। রয়টার্সের এই পরিসংখ্যানটিই রাশিয়ার এই বাড়তি আয়ের প্রথম সুনির্দিষ্ট প্রমাণ।