বিশ্ব

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পশ্চিম জাপান, পরপর আফটারশক

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ 0


প্রথম দফার পর দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ওই এলাকায় অন্তত ১২টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।


শিমানে ও তোত্তোরি প্রদেশে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে আঘাত হানা প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ২। জাপানের সিসমিক ইনটেনসিটি স্কেলে এর তীব্রতা ছিল 'স্ট্রং ৫'।

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে আজ মঙ্গলবার সকালে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শিমানে ও তোত্তোরি প্রদেশে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে আঘাত হানা প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ২। জাপানের সিসমিক ইনটেনসিটি স্কেলে এর তীব্রতা ছিল 'স্ট্রং ৫'। খবর জাপান টাইমস।


প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া না গেলেও জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল শিমানে অঞ্চলের পূর্ব দিকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে এর কম্পন সমগ্র পশ্চিম জাপানজুড়ে অনুভূত হয়েছে।


জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, প্রথম দফার পর দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ওই এলাকায় অন্তত ১২টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। তবে এই ভূমিকম্পের ফলে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

তোত্তোরি অঞ্চলে প্রথমবারের মতো 'লেভেল ৪' দীর্ঘমেয়াদী ভূ-কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। এ ধরনের কম্পন সাধারণত বহুতল ভবনকে দীর্ঘক্ষণ ধরে দোলাতে থাকে। জেএমএ কর্মকর্তা আয়াতাকা এবিতা সতর্ক করে বলেছেন, আগামী দুই-তিন দিন বা এক সপ্তাহ পর্যন্ত আবারও 'স্ট্রং ৫' বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। সিসমিক অ্যাক্টিভিটি এখনো সক্রিয় রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি নতো উপদ্বীপে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৬৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। মঙ্গলবারের এ ভূমিকম্পটি ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জাপানে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মক্কায় বিমানবন্দর ও মেট্রো নির্মাণের পরিকল্পনা সৌদির

সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে নতুন বিমানবন্দর ও মেট্রো ব্যবস্থা নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব। হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করতে এবং পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নে এ পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। সম্প্রতি সৌদি সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সৌদি আরবের মক্কা ও পবিত্র স্থানবিষয়ক রয়্যাল কমিশন-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আল-রশিদ হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, লাখ লাখ মুসল্লিদের পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে মক্কা বিমানবন্দরকে বৈশ্বিক মানের করে তোলার জন্য কৌশলগত ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগের দিকনির্দেশনার অনুমোদন পাওয়া গেছে। তিনি জানান, বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। তবে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যকারিতা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ পর্যায়ে রয়েছে।সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হলেও নির্মাণের সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ কর্মসূচির অংশ, যার লক্ষ্য হজ ও ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা বাড়ানো এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা। বর্তমানে হজ যাত্রীরা জেদ্দা হয়ে মক্কায় পৌঁছান, যা শহরটি থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে। নতুন বিমানবন্দর চালু হলে এই যাত্রা সময় অনেকাংশে কমে আসবে। এ ছাড়া মক্কা মেট্রো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রাথমিক নকশার কাজও শেষ হয়েছে। এটি পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরো সহজ করবে বলেও জানান আল-রাশিদ। এ ছাড়া ‘স্মার্ট মক্কা’ কর্মসূচির আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মসজিদুল হারাম এলাকায় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে জামারাত সেতু এলাকায় ভিড় কমাতে পূর্বাভাসভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ০৩, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি - রয়টার্স

ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে হামলা, আহত ৬

ছবি : রয়টার্স

পাকিস্তানে এক রাতের ব্যবধানে ‘দ্বিগুণ’ হলো জ্বালানির দাম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপন। ছবি: সংগৃহীত

দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপছে ইসরায়েল

ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকছে হরমুজ প্রণালি

বর্তমানে অধিকাংশ জাহাজের জন্য বন্ধ থাকলেও রাশিয়ার জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ। বৃহস্পতিবার তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই প্রণালি আমাদের জন্য খোলা রয়েছে।   ইন্টারন্যাশনাল মেরিন অর্গানাইজেশনের (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় প্রায় দুই হাজার জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে। তবে ইরান, চীন, ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু জাহাজ চলাচল করতে পেরেছে।   রাশিয়া ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাম্প্রতিক ফোনালাপের পরই উশাকভ এই মন্তব্য করেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চলমান আলোচনা নিয়েও তারা মতবিনিময় করেছেন।   এদিকে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে চাপ বাড়ছে।    সূত্র : সিএনএন

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে দিনে কত বিলিয়ন ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র?

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের আঘাতে ইরানে অবকাঠামো ধ্বংস, নিহত ৮

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জ বরখাস্ত

ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি খুলতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য।   যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার জানিয়েছেন, প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। এ লক্ষ্যেই ৪০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণে একটি ভার্চুয়াল সম্মেলন আয়োজন করে লন্ডন। এতে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেয়নি। তবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ যোগ দেয়। সম্মেলনে ইরানের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়, যাতে হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়া যায়। ইয়েভেট কুপার বলেন, প্রণালির অচলাবস্থা শুধু যুক্তরাজ্য নয়, বিশ্বজুড়েই জ্বালানি, সার ও গ্যাস সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে। এদিকে জাতিসংঘের আওতায় বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা চলছে। এর মধ্যে মানবিক পণ্য পরিবহনের জন্য বিশেষ করিডোর তৈরির বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। আগামী সপ্তাহে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে বসে সমুদ্রের মাইন অপসারণ ও আটকে পড়া জাহাজগুলোকে সহায়তার বিষয়েও আলোচনা করবেন। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২ মার্চ থেকে প্রণালিটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য কার্যত বন্ধ রয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি-বেসরকারি অফিসের নতুন সময় নির্ধারণ

জব্দ করা সিলিন্ডার। ছবি : সংগৃহীত

কবরস্থানে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, এরপর যা ঘটল…

বক্তব্য রাখছেন রণধীর জয়সওয়াল। ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবেশী দেশগুলোকে জ্বালানি সহায়তা দিচ্ছে ভারত

0 Comments