খেলাধুলা

সান্ত্বনার জয়ে বিপিএল শেষ ঢাকার

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
উইকেট নেওয়ার পর সাইফউদ্দিনের উচ্ছ্বাস। ছবি : মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে
উইকেট নেওয়ার পর সাইফউদ্দিনের উচ্ছ্বাস। ছবি : মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে


শেষ চার আগেই নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সঙ্গে পয়েন্ট তালিকার দুইও। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটা তাই বলা যায় নিয়মরক্ষার ছিল তাদের জন্য।

তবে প্রথম কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করলেও জয়ে গ্রুপ পর্বের শেষটা করতে পারেনি চট্টগ্রাম।


মিরপুরে আজ ঢাকার কাছে ৪২ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে তারা। 
১৭১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম। দলীয় ১৯ রানে ৩ ‍উইকেট হারায় তারা। চতুর্থ উইকেটে ২৫ রানের জুটি গড়ে ধাক্কাটা সামলানোর চেষ্টা করেছিলেন নাঈম শেখ (১৮) ও হাসান নওয়াজ (১৯)।


তবে ৪ রানের ব্যবধানে দুজনে আউট হলে ১০০’র নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জাগে।
কেননা দলীয় ৭৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে চট্টগ্রাম। সেখান থেকে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রানের ইনিংস খেলে শুধু পরাজয়ের ব্যবধান কমান আমের জামাল। সবমিলিয়ে ১২৮ রান করতে পারে চট্টগ্রাম।


তাতে সান্ত্বনার জয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
এর আগে নিজেদের শেষ ম্যাচে এসে প্রথমবার ফিফটি পেয়েছেন সাইফ হাসান। তার ৭৩ রানের ইনিংসে ভর করে প্রতিপক্ষকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দেয় ঢাকা। ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তানভীর ইসলাম।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারতীয় দল

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশের ভারতে না খেলা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল ক্রিকেট দুনিয়া। এ ঘটনায় Board of Control for Cricket in India এবং Bangladesh Cricket Board–এর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে আলোচনা ছিল। বিষয়টি শুধু ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ ছিল না; দুই দেশের কূটনৈতিক মহলেও তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই সেই উত্তাপ অনেকটাই কমে এসেছে বলে মনে হচ্ছে।   গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে সাদা বলের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে India national cricket team। সম্ভাব্য এই সফরে তিনটি টি–টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে Bangladesh national cricket team–এর বিপক্ষে। এর আগে গত বছর আগস্টে নির্ধারিত বাংলাদেশ সফর স্থগিত করেছিল Board of Control for Cricket in India। তখনই আলোচনা হয় যে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে নতুন সূচিতে সিরিজটি আয়োজন করা হবে। তবে এরই মধ্যে Mustafizur Rahman–কে Indian Premier League–এ খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দুই দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকেই মনে করেছিলেন, এতে দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই উত্তেজনা ধীরে ধীরে কমছে। কূটনৈতিক ও ক্রীড়া মহলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দুই দেশের সম্পর্ক আবারও স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। এ পরিবর্তনের পেছনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনকেও একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। Bangladesh Nationalist Party ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন আগের মতো নেই বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Aminul Haque নিজেও ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ। সাবেক এই ফুটবলার দায়িত্ব নেওয়ার পরই জানিয়েছেন, ক্রীড়া ক্ষেত্রের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করতে চান তিনি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগে অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের স্বার্থে ক্রিকেটকে ব্যবহার করছিল। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। তাই দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হতে বাধা থাকার কথা নয়।’

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

রোনালদো ভক্তদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

ছবি : সংগৃহীত

ক্রিকেটারদের আগেই ঢাকায় পৌঁছাল পাকিস্তানের কোচিং স্টাফ

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের আগে রোনালদোর চোট নিয়ে গুঞ্জন, বাড়ছে শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত
ভাগ্যের ছোঁয়ায় শেষ মুহূর্তের গোলে জিতল রেয়াল মাদ্রিদ

লা লিগায় টানা দুই হারের হতাশা পেছনে ফেলার লক্ষ্যে নেমে শুরুতে এগিয়ে গেল রেয়াল মাদ্রিদ। সেল্তা ভিগো জবাব দিতে বেশি সময় নিল না। বিবর্ণ ফুটবলে পয়েন্ট হারানোর দুয়ারে যখন আলভারো আরবেলোয়ার দল, তখনই নাটকীয়তা। শেষ মুহূর্তে ভাগ্যের ছোঁয়ায় গোল পেল মাদ্রিদের দলটি।   প্রতিপক্ষের মাঠে শুক্রবার রাতের লিগ ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতেছে রেয়াল মাদ্রিদ।   অহেলিয়া চুয়ামেনি রেয়ালকে এগিয়ে নেওয়ার পর, প্রথমার্ধেই সমতা টানেন বোর্হা ইগলেসিয়াস। ৯০ মিনিট পেরিয়ে পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ফেদে ভালভের্দের গোল গড়ে দেয় ব্যবধান। তার শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়।   গোটা ম্যাচে গোল দুটি ছাড়া রেয়াল লক্ষ্যে শট রাখতে পারে আর কেবল একটি, যেটি গোলরক্ষককে ভাবাতেই পারেনি। তুলনামূলক ভালো খেলে মূল্যবান একটি পয়েন্ট পাওয়ার আশা জাগিয়েও, হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সেল্তা ভিগোকে।   এই জয়ের পর ২৭ ম্যাচে ২০ জয় ও তিন ড্রয়ে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে রেয়াল। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা।   চোটের কারণে রেয়ালের একগাদা ফুটবলার মাঠের বাইরে। গত রাউন্ডে গেতাফের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারা ম্যাচ থেকে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ আরবেলোয়া।   ষষ্ঠ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি পায় সেল্তা। তাদের ফরোয়ার্ড ইগলেসিয়াসের নিচু শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।   দশম মিনিটে গোল পেতে পারতেন ভিনিসিউস জুনিয়র। দুই পাশে সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে ছিটকে ফেলে বক্সে ঢুকে শট নেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড, কিন্তু বল লাগে পোস্টে।   গোলের জন্য অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি রেয়ালকে। একাদশ মিনিটে ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের ছোট করে নেওয়া কর্নারে বল পেয়ে আর্দা গিলের পাস দেন বক্সে, প্রথম স্পর্শে জোরাল শটে দলকে এগিয়ে নেন চুয়ামেনি।   তাদের সেই স্বস্তি উবে যায় ২৫তম মিনিটে। নিজেদের অর্ধ থেকে সতীর্থের উঁচু করে বাড়ানো বল ধরে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডকে কাটিয়ে পাস দেন উইলিয়ট সুইডবার্গ, ছুটে গিয়ে বাঁ পায়ের শটে সমতা টানেন অরক্ষিত ইগলেসিয়াস।   প্রথমার্ধে লক্ষ্যে শুধু একটি শটই রাখতে পারে রেয়াল। ৪৫তম মিনিটে আরেকটি গোল খেতে বসেছিল তারা। ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে সুইডবার্গের জোরাল শট ফিরিয়ে দলকে বাঁচান কোর্তোয়া।   দ্বিতীয়ার্ধেও সুবিধা করতে পারছিল না রেয়াল। লক্ষ্যে দ্বিতীয় শট রাখতে পারে তারা ৬৭তম মিনিটে। কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে ভিনিসিউসের সেই প্রচেষ্টা গোলরক্ষককে একটুও পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।   ৭০তম মিনিটে রেয়ালের কর্নারে বল বক্সে সেল্তার ফরোয়ার্ড ফেররানের হাতে লাগলে পেনাল্টির আবেদন করে রেয়াল। মনিটরে দেখে উল্টো সেল্তাকে ফ্রি-কিক দেন রেফারি। কারণ, আগ মুহূর্তে সেল্তার এক খেলোয়াড়কে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছিলেন চুয়ামেনি।   নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট বাকি থাকতে বেঁচে যায় রেয়াল। মিনিট চারেক আগে বদলি নামা ইয়াগো আসপাসের কাছ থেকে নেওয়া শট পোস্টে লাগে।   ম্যাচ যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে, তখনই বক্সের বাইরে থেকে ভালভের্দের শটে বল প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে অনেকটা দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষকের।   ২৭ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে সেল্তা ভিগো।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

রোনালদোর কাছে জেট বিমান চাইলেন উইন্ডিজ তারকা

ছবি : সংগৃহীত

আফ্রিদির ‘বয়স’ শুনেই হাসির রোল পড়ে

ছবি : সংগৃহীত

‘বাংলাদেশের হারানোর কিছু নেই

সস্ত্রীক ধোনি এবং রোহিত। ছবি : সংগৃহীত
সাক্ষীর লাফালাফি, ধোনি বললেন বসে পড়ো কিছুই হয়নি

ভারতের সাবেক অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি জানিয়েছিলেন, তার ক্রিকেট জ্ঞানকে মোটেই তোয়াক্কা করেন না সাক্ষী। বরং ধোনিপত্নী মনে করেন, ক্রিকেটের খুঁটিনাটি তিনি বেশ বোঝেন। যদিও বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখতে গিয়ে ভুল করে ফেললেন সাক্ষী। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল দেখতে সস্ত্রীক হাজির হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ম্যাচের সময় বারবার ক্যামেরায় ধরা পড়ছিল ভারতকে জোড়া বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অধিনায়কের মুখ। তার মধ্যেই দেখা গেল এক মজার দৃশ্য। ইংল্যান্ডের উইকেট পড়ে গিয়েছে ভেবে আনন্দে লাফিয়ে ওঠেন ধোনিপত্নী সাক্ষী, কিন্তু ইংলিশ ব্যাটার আসলে আউট ছিলেন না। স্ত্রী ভুলবশত উদযাপনে মেতে উঠেন, ধোনির মুখে চওড়া হাসি। এরপর মুহুর্তেই সেই ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল।   ঘটনাটা ঘটে ইংল্যান্ডের ইনিংসের ১৮তম ওভারে। তখন বল করতে আসেন জাশপ্রীত বুমরাহ। তখন ক্রিজে ছিলেন শতরান হাঁকানো জেকব বেথেল। কিন্তু স্ট্রাইকে ছিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার স্যাম কুরান। ওভারের প্রথম বলে বুমরাহর ডেলিভারি সোজাসুজি মারতে যান তিনি। সেটাকে ক্যাচ ধরার চেষ্ট করেন ভারতীয় পেসার, কিন্তু তার আগেই মাঠে পড়ে গিয়েছিল বল। গ্যালারিতে থাকা সাক্ষী ক্যাচ হয়েছে ভেবে লাফাতে শুরু করেন। সেই মুহূর্তের ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল।   উচ্ছ্বাসে লাফিয়ে ওঠা সাক্ষীকে শান্ত করতে চেষ্টা করেন ধোনি। তখন তিনি বলেন, ‘আরে আপাতত বসে পড়ো, কিছুই হয়নি।’ সেসময়ে ধোনিদের আশেপাশে ছিলেন বেশ কয়েকজন তারকা। সাক্ষীর কাণ্ড দেখে হেসে ফেলেন সকলেই।   বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ের গ্যালারি যেন সেলিব্রেটিদের গ্যালারিতে পরিণত হয়েছিল। রণবীর-আলিয়া, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, রজিত কাপুর-সহ বিটাউনের অনেকেই হাজির ছিলেন ম্যাচ উপভোগ করতে। এছাড়াও আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ ছিলেন সপরিবারে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, রোহিত শর্মা এবং বিসিসিআইয়ের অন্যান্য কর্তারাও ছিলেন মাঠে। ছিল মুকেশ আম্বানির গোটা পরিবার। তবে সেলিব্রেটিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়ে নিয়েছে ধোনিপত্নীর উচ্ছ্বাসের ভিডিওটাই।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
বরকতউল্লাহ বুলু

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মোহামেডানের নতুন সভাপতি বুলু

পাকিস্তান সিরিজে নতুন ভূমিকায় লিটন, আশাবাদী ফাহিম

পরিসংখ্যান টেনে ভারতীয় ক্রিকেটারকে ধুয়ে দিলেন আমির

0 Comments