অন্যান্য

পুরুষদের হরমোন ভারসাম্যহীনতার প্রাথমিক ৫ লক্ষণ

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নারীদের মতো পুরুষদের মধ্যেও হরমোনের ভারসাম্যহীনতা একটি বাস্তব সমস্যা। তবে বিষয়টি তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত এবং অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্ব পায় না।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, পুরুষদের মধ্যে হরমোনজনিত সমস্যা, বিশেষ করে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যাওয়ার প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে কম বয়সেই টেস্টোস্টেরন হ্রাস, পুরুষদের প্রজননক্ষমতা কমে যাওয়া, যৌন আগ্রহ ও কর্মশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যায়।

এ কারণে টেস্টোস্টেরন ভারসাম্যহীনতার প্রাথমিক লক্ষণগুলো জানা এবং সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

পুরুষদের হরমোন ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ ও উপসর্গ

পুরুষদের হরমোন বা টেস্টোস্টেরনের ঘাটতির কয়েকটি প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। এগুলো হলো—

যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া

পুরুষদের যৌন আকাঙ্ক্ষা ও সক্ষমতার সঙ্গে টেস্টোস্টেরনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এই হরমোনের মাত্রা কমে গেলে যৌন আগ্রহ কমে যেতে পারে। যৌন সম্পর্কে আগ্রহ হ্রাস পাওয়া কিংবা ইরেকশন ধরে রাখতে সমস্যায় পড়লে তা টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।

অতিরিক্ত ক্লান্তি ও শক্তির অভাব

টেস্টোস্টেরন পুরুষদের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই হরমোনের ঘাটতি হলে পর্যাপ্ত ঘুম বা বিশ্রামের পরও ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। অল্প কাজেই অবসন্ন লাগা বা সারাদিন শক্তিহীন মনে হওয়াও এর লক্ষণ।

পেশি কমে যাওয়া ও শক্তি হ্রাস

শরীরের পেশি গঠন ও ধরে রাখতে টেস্টোস্টেরন অপরিহার্য। এর মাত্রা কমে গেলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শক্তি কমতে শুরু করে। নিয়মিত কাজ বা ব্যায়ামে আগের মতো শক্তি না পাওয়া বা পেশির আকার ছোট হয়ে যাওয়াও সতর্ক সংকেত হতে পারে।

মেজাজের পরিবর্তন

টেস্টোস্টেরন মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত। এই হরমোন কমে গেলে মুড সুইং, অতিরিক্ত বিরক্তি বা হতাশা দেখা দিতে পারে। অকারণে রেগে যাওয়া, মন খারাপ থাকা বা বিষণ্নতায় ভোগাও টেস্টোস্টেরন ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।

শরীরের চর্বি বৃদ্ধি

টেস্টোস্টেরন শরীরে চর্বি বণ্টন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এর ঘাটতি হলে বিশেষ করে পেটের চারপাশে অতিরিক্ত মেদ জমতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার ও ব্যায়াম সত্ত্বেও পেটের চর্বি বাড়তে থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে করণীয়

উল্লেখ্য, এসব উপসর্গ শুধু টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ার কারণেই নয়; অন্য সমস্যার কারণেও দেখা দিতে পারে। তাই সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সমস্যার কারণ ও মাত্রার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত ঘুম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক। সুস্থ জীবনের শুরুটা হয় স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল থেকেই—যা অনেক সময় আমরা উপেক্ষা করি।

ওষুধ

কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে এমন ওষুধ দেওয়া হতে পারে, যা শরীরে টেস্টোস্টেরন উৎপাদন বাড়াতে বা টেস্টোস্টেরন থেকে ইস্ট্রোজেনে রূপান্তর কমাতে সাহায্য করে।

সাপ্লিমেন্ট

ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই এবং শিলাজিৎ, অশ্বগন্ধা, সাফেদ মুসলি, মেথি (ফেনুগ্রীক)–জাতীয় ভেষজ উপাদানসমৃদ্ধ কিছু সাপ্লিমেন্ট টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এগুলো নিয়মিত প্রতিদিন অন্তত ৩–৪ মাস গ্রহণ করতে হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালিয়ে যেতে হয়।

হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি

টেস্টোস্টেরনের মাত্রা অত্যন্ত কমে গেলে বিশেষ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি দেওয়া হয়। ইনজেকশন, জেল, প্যাচ বা পেলেটের মাধ্যমে শরীরে টেস্টোস্টেরন সরবরাহ করা হয়। তবে এটি শুধু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শেই গ্রহণযোগ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের হরমোনজনিত সমস্যার চিকিৎসা অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পুরুষদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়া, খোলামেলা আলোচনা করা এবং প্রয়োজন হলে সময়মতো চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণ করা।

সূত্র দ্য হেলথ সাইট

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
নারীর অধিকার নিশ্চিতে জামায়াতের ১২ প্রতিশ্রুতি

নারীর ন্যায্য সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুর প্রতি বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে জামায়াত। আজ বুধবার জামায়াতের ঘোষিত ইশতেহারে এ কথা উল্লেখ করা হয়।  ইশতেহারে নারীদের জন্য বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে।    এক. নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা : জাতীয় নারী সুরক্ষা টাস্কফোর্স গঠন করে সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।   দুই. ‘নারী চলবে নির্ভয়ে’ লক্ষ্য বাস্তবায়ন :  ১) নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস (পিক আওয়ারে), ২) গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ৩) দোতলা বাসে আলাদা কম্পার্টমেন্ট চালু, ৪) ইমার্জেন্সি কল নম্বর চালু করা হবে, ও ৫) নারীর নিরাপত্তায় ইমার্জেন্সি পোল স্থাপন করা হবে ।   তিন. আমার আয়ে আমার সংসার :  প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করা হবে। এর জন্য হাঁস-মুরগির খামার, গবাদি পশু পালন, মাছ চাষ ইত্যাদি প্রকল্প তৈরিতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। নারীবান্ধব নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্রেস্টফিডিং কর্নার এবং নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট ও নামাজের ব্যবস্থা করা হবে।   চার. নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা : জীবনব্যাপী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সুযোগ চালু করে নারীদের কর্মজীবনে ফিরে আসার পথ তৈরি করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার সেন্টার (Day Care Centre) উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাড়ানো হবে।   পাঁচ. নারীর স্বাস্থ্য ও খেলাধুলা : মানসিক স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও ক্যান্সার সচেতনতায় প্রতিটি জেলায় নারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।   ছয়. আইন সংস্কার : নারীর সম্পত্তি অধিকার রক্ষায় ‘সম্পত্তি সুরক্ষা কমিটি’ গঠন করা হবে।উত্তরাধিকার সম্পত্তির মামলা এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের দ্রুত বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। নারীর প্রতি সহিংসতায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার চালু করা হবে।   সাত. হিজড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন : প্রকৃত হিজড়া শনাক্ত করে পুনর্বাসন করা হবে ও তাঁদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও চাকরির কোটা সংরক্ষণ করা হবে।   আট. নারী, শিশু ও পরিবারের উন্নয়ন : পরিবার কাউন্সেলিং ও মোটিভেশন সেন্টার চালু করা, নিরাপদ বিদ্যালয় কর্মসূচি ও মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অনুদান ও সেবার পরিসর বাড়ানো হবে।   নয়.  নারীর সম্পদের অধিকার নিশ্চিতে ধর্মীয় প্রচারণা বাড়ানো হবে।   দশ. ভিকটিম নারীর সকল প্রকার আইনি, মানসিক, আর্থিক সহায়তার জন্য প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। অভাবগ্রস্ত, সুবিধাবঞ্চিত সধবা ও বিধবা নারীদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্পের মাধ্যমে সাবলম্বী করার লক্ষ্যে এককালীন পুঁজি সরবরাহ করা ও তদারকি করা হবে। হাসপাতালে ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরিতে নারী ভিকটিম ও নারী আসামির জন্য নারী চিকিৎসকের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।   এগারো. দরিদ্র গর্ভবতী ও প্রসূতি নারী এবং শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে। শিশু খাদ্যের ওপর মূল্য সংযোজন কর (VAT) থাকবে না।   বারো. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিকিৎসা, শিক্ষা, ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপিএড প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু আগামীকাল

ছবি: সংগৃহীত

কারিগরি শিক্ষাক্রমের ৬ বিভাগে এইচএসসি ভর্তির ফল প্রকাশ : ভর্তি শুরু কাল

ছবি: সংগৃহীত

কারিগরির ৩৬০ ঘণ্টা মেয়াদী শর্ট কোর্সের রেজিস্ট্রেশন শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি

ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষা ক্যাডারে ৬৯২১ ‘সুপারনিউমেরারি’ পদসৃজনের প্রস্তাব, খুলছে পদোন্নতির জট

দেশের অন্যতম বৃহৎ বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদোন্নতির জটিলতা কাটাতে এবং পেশাগত স্থবিরতা নিরসনে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই ক্যাডারের ২১তম থেকে ৩৫তম ব্যাচ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের জন্য মোট ৬ হাজার ৯২১টি ‘সুপারনিউমেরারি’ (সংখ্যাতিরিক্ত) পদসৃজনের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছেন মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে গত ২০ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছে।  মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। জনপ্রশাসন প্রস্তাবনার অধিকতর পর্যালোচনা করে পদসৃজনের চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা শাখায় পাঠাবে। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ‘সুপারনিউমেরারি’ পদসৃজনের আদেশ জারি করবে।  মহাপরিচালক বলেন, ‘শিক্ষা ক্যাডারের ইতিহাসে এই প্রথম ‘সুপারনিউমেরারি’ বা ‘সংখ্যাতিরিক্ত’ পদসৃজনে সরকারের ওপর তেমন কোনো বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপবে না, কারণ অধিকাংশ কর্মকর্তা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট স্কেলের শেষ ধাপে পৌঁছে গেছেন।’ গত ২০ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো পত্রে ‘পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও পদোন্নতিযোগ্য’ দুই স্তরের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য ‘ব্যাচভিত্তিক’ পদসৃজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ম্যাধমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসসকে জানান, সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো— সকল প্রকার বৈষম্য নিরসন করে একটি আধুনিক ও পেশাদার শিক্ষা ক্যাডার গঠন করা। তিনি বলেন, ‘মাউশির সংশোধিত প্রস্তাবনা পাওয়া গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই প্রস্তাব এখন যাচাই-বাছাই করে জনপ্রশাসনে পাঠানো হবে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করবে জনপ্রশাসন। মন্ত্রণালয়ের পাঠানো মাউশির প্রস্তাবনা অনুযায়ী, তিন স্তরের সুপারনিউমেরারি (সংখ্যাতিরিক্ত) পদসৃজন প্রস্তাবের মধ্যে অধ্যাপক পর্যায়ে ২ হাজার ২৯৮টি, সহযোগী অধ্যাপক ২ হাজার ৭৫২টি এবং সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে ১ হাজার ৮৭১টি সহ মোট ৬ হাজার ৯২১টি পদসৃজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।  প্রস্তাবনায় ‘ব্যাচভিত্তিক’ পদোন্নতির রূপরেখায় বলা হয়েছে, শিক্ষা ক্যাডারে ২১তম থেকে ২৪তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তাদের জন্য অধ্যাপক পদ; ২৪তম থেকে ৩০তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তাদের জন্য সহযোগী অধ্যাপক পদ এবং ৩২তম থেকে ৩৫তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তাদের জন্য সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে সুপারনিউমেরারি পদসৃজন করা হবে।  কেন এই সুপারনিউমেরারি পদ? ‘সুপারনিউমেরারি’ বা ‘সংখ্যাতিরিক্ত’ পদ হলো এমন একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যেখানে নিয়মিত পদ খালি না থাকলেও যোগ্য কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়ে একই কর্মস্থলে বা অন্য কোথাও পদায়ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অবসরে গেলে বা অন্য কোনোভাবে পদটি শূন্য হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়। পদসৃজনের যৌক্তিকতা : পদসৃজনের যৌক্তিকতা বিষয়ে মাউশির প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য প্রায় ৭ হাজার ৯৯৪ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। এর মধ্যে সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মকর্তা ২ হাজার ৯২৬ জন, সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ে ৩ হাজার ৫৫৩ জন এবং অধ্যাপক পদে ২ হাজার ২৯৮ জন কর্মকর্তা পদোন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় শূন্যপদ না থাকায় এই বিশাল সংখ্যক কর্মকর্তা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। বিশেষ করে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মানসিক ও সামাজিক হতাশা তৈরি হয়েছে। এই বঞ্চনার ফলে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের কর্মস্পৃহা হ্রাস পাচ্ছে। যার ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাউশি জানিয়েছে, দীর্ঘদিন উচ্চতর ধাপে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পদসৃষ্টি না হওয়ায় শিক্ষা ক্যাডারের বিপুল পরিমাণ কর্মকর্তাকে সহযোগী অধ্যাপক পদ থেকে অবসরে যেতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সিভিল সার্ভিসের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা যথাসময়ে পদোন্নতি পেলেও শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এই বঞ্চনা প্রকট। মাউশির প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে শিক্ষা ক্যাডারে মোট সৃষ্টপদ রয়েছে ১৯ হাজার ৮৬৮টি। এর মধ্যে প্রভাষক পর্যায়ের কর্মকর্তার সংখ্যা ৯ হাজার ৭৮২জন, সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে পদসংখ্যা ৪ হাজার ৪৫১ টি, অর্থাৎ প্রভাষক থেকে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ রয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৪৫১ জন কর্মকর্তার। বাকি কর্মকর্তাদের প্রথম ধাপে পদোন্নতির সুযোগ নেই। মাউশি বলছে, পরবর্তী পদোন্নতি সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপকের পদসংখ্যা যথাক্রমে ২ হাজার ২৬৮ ও ৫২৮টি। শিক্ষা ক্যাডার কয়েকজন সিনিয়র অধ্যাপক বাসসকে বলেন, ‘এই ক্যাডারের ইতিহাসে এই প্রথম সুপারনিউমেরারি পদসৃজন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূল পদের বিপরীতে ‘সংখ্যাতিরিক্ত’ এই পদগুলো সরকার সৃজন করলে কর্মকর্তাদের উচ্চতর পদে আসীন হওয়ার পথ সুগম হবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনবে।  তারা আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে পদগুলো সৃজিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের নিয়মিত কাজের পাশাপাশি পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদের মর্যাদা ও আর্থিক সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বাসসকে বলেন, শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিন ধরে উপরের ধাপে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পদসৃষ্টি করা হয়নি। বর্তমানে সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পর্যায় পর্যন্ত পদের সংখ্যা খুবই কম। তাই প্রতি নিয়ত বিপুল পরিমাণ কর্মকর্তাকে সহযোগী অধ্যাপক পদ থেকে অবসরে যেতে হচ্ছে। এই সংকট নিরসনে এবং উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে সুপারনিউমেরারি পদসৃজন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।  তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে সাধুবাদ জানাই, এই প্রথম শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৭ হাজার সুপারনিউমেরারি পদসৃজন করা হচ্ছে। এই প্রস্তাবনাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই পদসৃষ্টির ফলে শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিনের পদোন্নতির জট কমবে। একই সঙ্গে ‘চেইন অফ কমান্ড’ বা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

স্পঞ্জ সিটির আদলে বদলে যাচ্ছে দুবাই-সাংহাই

ছবি : সংগৃহীত

উপবৃত্তিতে বড় পরিবর্তন, খুলল নতুন সুযোগ

ছবি: সংগৃহীত

দারিদ্র্য ও বেকারত্ব নিরসনে মহানবী (সা.)

ছবি: সংগৃহীত
আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল : সালাহউদ্দিন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামীতে হয়তো কেউ এমনও বলবে যে জামায়াতে ইসলামী এ দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল।   তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশে নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার একটি অপচেষ্টা চলছে। একটি রাজনৈতিক দল—যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল—আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বর্ণনা করার চেষ্টা করছে। গতকালের একটি বক্তব্যে স্বাধীনতার ঘোষণাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, বরং অন্য একজন করেছেন।   সালাহউদ্দিন বলেন, এই ধরনের বক্তব্য অস্বাভাবিক নয়। যারা একাত্তরে দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ ইতিহাস বিকৃত করবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশের মানুষ সব জানে। জনগণ জানে, তারা নতুন রূপে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে চেষ্টা করছে, তা সম্পূর্ণ প্রতারণা ও ভণ্ডামি।   তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে যুক্ত করে, কার্যত ভাড়া করে, একটি সাইনবোর্ড দেখাতে চাইছে যে তাদেরও মুক্তিযোদ্ধা আছে। সেই মুক্তিযোদ্ধাকে ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নিজেদের অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা এটা কখনোই মেনে নেবেন না, এবং এটি নিয়ে তারা প্রতিবাদ জানাবেন।   সালাহউদ্দিন বলেন, দেশের সকল দেশপ্রেমিক মানুষ এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তুলবে। একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো—যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়, মিথ্যা তথ্য ছড়াতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে শালীন ভাষায় হলেও দৃঢ়ভাবে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি তাদের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।   তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি তারা দেশের নারী সমাজকে অপমান করেছে। সাক্ষাৎকারে কর্মজীবী নারীদের পতিতাদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তারা নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, যা বাস্তবে নারীর কল্যাণ নয়, বরং কর্মসংস্থান ধ্বংস করার পরিকল্পনা। এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সেক্রেটারি জেনারেলের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, যা বলছে জামায়াত

ছবি: সংগৃহীত

প্রচারণায় গিয়ে স্বর্ণের আংটি পেলেন হান্নান মাসউদের স্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ডিএসসিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কিবরিয়া সম্পাদক আতাহার

0 Comments