বিনোদন

মধুমিতা সিনেমা হলে শুরু হচ্ছে ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’, থাকছে ১৩ সিনেমা

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর মতিঝিলের মধুমিতা সিনেমা হলে শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসব ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’। আগামী ২২ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ উৎসবে প্রদর্শিত হবে ১৩টি জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা।

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবের বিস্তারিত বুধবার (১৯ আগস্ট) মধুমিতা সিনেমা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

 

আয়োজকরা জানান, উৎসবের উদ্বোধন করবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

 

উৎসবের প্রথম দিন ২২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে ‘মুখ ও মুখোশ’। ২৩ আগস্ট বেলা ৩টায় ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘১৩ নং ফেকুওস্তাগার লেন’ দেখানো হবে।

 

২৪ আগস্ট বেলা ৩টায় থাকছে ‘জীবন থেকে নেয়া’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘নান্টু ঘটক’। ২৫ আগস্ট বেলা ৩টায় ‘অশিক্ষিত’ ও সন্ধ্যা ৬টায় ‘রংবাজ’ প্রদর্শিত হবে।

 

এ ছাড়া ২৬ আগস্ট ‘সবুজ সাথী’ ও ‘নাচের পুতুল’, ২৭ আগস্ট ‘দূরদেশ’ ও ‘দহন’ এবং ২৮ আগস্ট সমাপনী দিনে বেলা ৩টায় ‘দোস্ত দুশমন’ ও সন্ধ্যা ৬টায় ‘বধূ বিদায়’ প্রদর্শিত হবে।

 

সমাপনী দিনে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি শিল্পী, পরিচালক, লেখক, সংগীতশিল্পী, সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও চিত্রগ্রাহকসহ সংস্কৃতি অঙ্গনের ৫৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।

 

উৎসব আয়োজন ও বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার উননেছা শিউলি। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অভিনেত্রী দিলারা জামান, প্রযোজক আব্দুল আজিজ, অভিনেতা শিবা সানু ও সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
বিয়ের ছবি প্রকাশ করলেন এমা রবার্টস

গত ২৫ জুলাই হলিউড অভিনেত্রী এমা রবার্টস ও কোডি জন বিয়ে করেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহোর সান ভ্যালিতে কোডি জনের পরিবারের এস্টেটে বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিয়ের দুই মাস পর ভক্তদের সঙ্গে বিয়ের ছবি শেয়ার করেছেন এমা রবার্টস।   শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইনস্টাগ্রামে একাধিক ছবি পোস্ট করেন এমা। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, ‘হিটচড’।   ছবিগুলোতে দেখা যায়, কাপল একে অপরকে কিস করছেন, ওয়েডিং ভাউস বিনিময় করছেন এবং হাত ধরে আইল দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন।   বিয়ের অনুষ্ঠানে এমা রবার্টস পরেছিলেন শিফনের তৈরি একটি ওয়েডিং গাউন। এর সঙ্গে ছিল ম্যাচিং হেডব্যান্ড এবং উরু পর্যন্ত লম্বা স্লিট। অন্যদিকে কোডি জন বেছে নিয়েছিলেন ক্লাসিক কালো টাক্সেডো।   ২০২২ সালের আগস্টে এমা রবার্টস ও কোডি জনের প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তারা বাগদানের ঘোষণা দেন। এরপর ২৫ জুলাই তাঁরা বিয়ে করেন।   ব্লো সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে ডেবিউ করেন এমা রবার্টস। এরপর নিকেলোডিয়নের সিরিজ আনফ্যাবুলাস-এ অভিনয় করে ফেম পান তিনি। পরে অ্যাকোয়ামারিন, ওয়াইল্ড চাইল্ড, স্ক্রিম ৪, উই আর দ্য মিলার্স, পালো আল্টো, নার্ভ, হলিডেট এবং ম্যাডাম ওয়েব-সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন।   সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে সরাস সিটি সিনেমায়। নেট স্মিথ পরিচালিত এই স্টপ-মোশন ফ্যান্টাসি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এমা রবার্টস।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ০৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

সামান্থার ডিপফেক ঠেকাতে আদালতের কড়া নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে থালাপতি জুনিয়রের

সংগৃহীত ছবি

বালিতে সড়ক দুর্ঘটনা: এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে মুম্বাই নেওয়া হচ্ছে নুসরাতকে

ছবি: সংগৃহীত
শুভশ্রীর হাতে চুমু, ইধিকার কপাল মুছিয়ে দিলেন দেব—ভাইরাল মুহূর্ত ঘিরে আলোচনা

পূজার সিনেমা ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন টালিউড অভিনেতা দেব। তার অভিনীত ও প্রযোজিত নতুন সিনেমা ‘দেশু ৭’-এর প্রচারণায় সম্প্রতি ত্রিপুরায় হাজির হয়েছিলেন দেব, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, ইধিকা পাল ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য। সেখানে সহশিল্পীদের সঙ্গে দেবের কিছু মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।   ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চে দেবের দুই পাশে ছিলেন শুভশ্রী ও ইধিকা। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দেব টিস্যু দিয়ে প্রথমে শুভশ্রীর কপাল মুছে দেন। পরে একইভাবে ইধিকার কপালও মুছে দিতে দেখা যায় তাকে।   অনুষ্ঠানের আরেকটি মুহূর্তও নজর কেড়েছে। সেখানে দেবকে হাঁটু গেড়ে শুভশ্রীর হাতে চুমু দিতে দেখা যায়। এসব দৃশ্যের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।   অনেকেই দেবের আচরণকে সহশিল্পীদের প্রতি আন্তরিকতা ও যত্নের প্রকাশ হিসেবে দেখেছেন। আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একাংশ এটিকে সিনেমার প্রচারণার কৌশল বা ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ বলে মন্তব্য করেছেন।   কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, সিনেমার প্রচারণায় এমন আচরণ না করলেও চলত। আবার কয়েকজন দেবের ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে এনে কটাক্ষও করেছেন। শুভশ্রীর সঙ্গে দেবের পুরোনো সম্পর্কের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।   তবে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা আচরণের উদ্দেশ্য বা সেটি পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ ছিল কি না, সে বিষয়ে দেব, শুভশ্রী কিংবা ইধিকার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   পূজায় মুক্তি পাচ্ছে ‘দেশু ৭’ দেব ও শুভশ্রীর নতুন জুটিকে ঘিরে আগে থেকেই দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। অ্যাকশন ও রোমান্টিক ঘরানার এ সিনেমা দেবের ক্যারিয়ারে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।   এর আগে ২০০৯ সালে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমার মাধ্যমে দেব-শুভশ্রীর পর্দার জুটি জনপ্রিয়তা পায়। এরপর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’ ও ‘খোকাবাবু’সহ একাধিক সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা।   পরবর্তী সময়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটলেও পর্দায় তাদের জুটি আবার দেখা যায় ‘ধূমকেতু’ সিনেমায়। দীর্ঘ সময় আটকে থাকার পর ২০২৫ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি।   এদিকে বর্তমানে শুভশ্রী পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে সংসার করছেন। অন্যদিকে দেবের সঙ্গে অভিনেত্রী ও মডেল রুক্মিণী মৈত্রর সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০২, ২০২৬

'শুভ জন্মদিন' চার দশকেও অপ্রতিদ্বন্দ্বী জেমস

ছবি: সংগৃহীত

কলম্বিয়া-সিউনিতে নতুন দায়িত্ব পেলেন মিথিলা

ছবি : সংগৃহীত

ব্যবসায় ধস: বিশাল গার্মেন্টস পার্ক বিক্রি করছেন অনন্ত জলিল

ছবি: সংগৃহীত
ঈদে প্রেক্ষাগৃহে শাকিব খানের ‘মহব্বত’, নির্মাণে হিমেল আশরাফ

অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় একের পর এক চরিত্রে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার পর এবার প্রেমের গল্প নিয়ে ফিরছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান। তার নতুন সিনেমার নাম ‘মহব্বত’। সিনেমাটি নির্মাণ করছেন হিমেল আশরাফ।   বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিনেমাটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন নির্মাতা। এ উপলক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে একটি পোস্টার। সেখানে কালো ওভারকোট পরা এক যুবককে এক তরুণীর হাত ধরে হাঁটতে দেখা যায়। পোস্টারের ওপর লাল অক্ষরে লেখা রয়েছে সিনেমাটির নাম—‘মহব্বত’।   সিনেমাটিতে শাকিব খান অভিনয় করছেন—এ তথ্য আগেই জানা গিয়েছিল। তবে তার বিপরীতে কে অভিনয় করবেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।   নির্মাতা হিমেল আশরাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটির পোস্টার প্রকাশ করে লিখেছেন, “কখনো কখনো ভালোবাসার জন্য মূল্য চোকাতে হয়; কখনো এটি প্রতিজ্ঞা আর কখনো এক লড়াই। ‘মহব্বত’, এক নতুন গল্পের নতুন যাত্রার শুরু।”   ‘মহব্বত’ সিনেমার মাধ্যমে দুই বছরের বেশি সময় পর আবারও হিমেল আশরাফের পরিচালনায় কাজ করছেন শাকিব খান। এর আগে এই জুটি ‘প্রিয়তমা’ ও ‘রাজকুমার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন। দুটি সিনেমাতেই শাকিবের অভিনয় এবং হিমেলের নির্মাণ দর্শকদের মধ্যে আলোচনায় আসে।   সাম্প্রতিক সময়ে শাকিব খানকে অ্যাকশন ঘরানার সিনেমায় বেশি দেখা গেছে। ‘তুফান’, ‘তাণ্ডব’, ‘বরবাদ’ ও ‘প্রিন্স’-এর মতো সিনেমায় অ্যাকশন চরিত্রে অভিনয়ের পর এবার তাকে ভিন্ন আবহের প্রেমের গল্পে দেখা যাবে।   চলতি বছরের কোরবানির ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘রকস্টার’ সিনেমায় গায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শাকিব। এবার ‘মহব্বত’-এ প্রেমের গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রে তার উপস্থিতি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।   সিনেমাটির মুক্তির সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের কোরবানির ঈদে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘মহব্বত’-এর।   আগের দুই সিনেমার মতো ‘মহব্বত’-এরও প্রযোজনায় থাকছেন আরশাদ আদনান। ফলে হিমেল আশরাফ, শাকিব খান ও আরশাদ আদনান—এই নির্মাতা, অভিনেতা ও প্রযোজকের সমন্বয়ে নতুন সিনেমাটি নিয়ে ইতোমধ্যে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।   তবে সিনেমার গল্প, শাকিবের চরিত্র এবং নায়িকা হিসেবে কে থাকছেন—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্টরা।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মাঝরাতে অভিনেত্রীর দরজায় পরিচালক, স্বরা ভাস্করের বিস্ফোরক অভিজ্ঞতা

সংগৃহীত ছবি

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার অভিনেত্রী নুসরাত

হ্যালো সুপারস্টারস নিয়ে এলো “টক অফ দ্য টাউন"

0 Comments