বিশ্ব

পরীক্ষায় ৫০০-তে ৪৯৯ পেয়েও মায়ের আফসোস ‘আরও একটু মনোযোগী হলে পূর্ণ নম্বর আসত

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই প্রতিযোগিতা ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এক ছাত্রের ফলাফলকে কেন্দ্র করে। কারণ, ৫০০-এর মধ্যে ৪৯৯ নম্বর পেয়েও মায়ের আক্ষেপ ‘আরও মন দিয়ে পড়লে পুরো নম্বর পেত।’ আর সেই মন্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

 

ভারতের শিলিগুড়ির অক্সিলিয়াম কনভেন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র দিব্যেন্দু প্রামাণিক সম্প্রতি আইসিএসই বোর্ড পরীক্ষায় ৫০০ নম্বরের মধ্যে ৪৯৯ পেয়ে সর্বভারতীয় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। অসাধারণ এই ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই প্রশংসা কুড়িয়েছে শিক্ষক, সহপাঠী ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে। কিন্তু ফল প্রকাশের পর তার মা বাণী প্রামাণিক শর্মার প্রতিক্রিয়াই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

 

পেশায় স্কুলশিক্ষিকা বাণী প্রামাণিক শর্মা ছেলের এই সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করলেও এক নম্বর কম পাওয়ার আক্ষেপও প্রকাশ করেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমার মন খারাপ... ও যদি আরও এক নম্বর পেত, তাহলে ভালো হতো। যদি ও আরেকটু মন দিয়ে পড়াশোনা করত, তাহলে হয়তো ওই এক নম্বর না পাওয়ার জন্য আমাদের এতটা দুঃখ হতো না।’

 

তার এই মন্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে এটিকে অতিরিক্ত প্রত্যাশার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, ভারতীয় উপমহাদেশে সন্তানদের ফলাফল নিয়ে অভিভাবকদের মানসিক চাপ কতটা প্রবল এই ঘটনাই তার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

 

ভিডিওটির নিচে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, ‘এমন বাবা-মা যেন আমার জীবনে কখনো না আসে।’ 

 

কেউ লিখেছেন, ‘৪৯৯ পেয়েও যদি সন্তুষ্টি না থাকে, তাহলে সন্তানের সাফল্যের মূল্য কোথায়?’ 

 

আবার কেউ বলেছেন, ‘এ ধরনের চাপ শিশুদের মানসিকভাবে ভেঙে দিতে পারে।’

 

তবে সমালোচনার মাঝেও দিব্যেন্দুর প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ শান্ত ও পরিণত। সে জানায়, এক নম্বর হারানোয় খারাপ লাগলেও নিজের ফলাফল নিয়ে সে সন্তুষ্ট। ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে দিব্যেন্দু। এজন্য ভারতের অন্যতম কঠিন ভর্তি পরীক্ষা আইআইটি প্রবেশিকার প্রস্তুতিও নিতে চায় সে।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ দখল নিতে চাওয়া খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলা

ভারতের বিহার রাজ্যের জনপ্রিয় শিক্ষক ও ইউটিউবার ফয়সাল খান। তিনি খান স্যার নামে পরিচিত। তার পাটনার কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পাটনার কদমকুয়ান এলাকায় অবস্থিত ‘খান গ্লোবাল কোচিং ইনস্টিটিউটে’ একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। হামলায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এক নিরাপত্তারক্ষী আহত হন।   পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হামলায় ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি জড়িত ছিলেন। তাদের সঙ্গে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।   ঘটনার পর খান স্যার অভিযোগ করেন, কম খরচে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী একটি প্রতিষ্ঠানের কিছু ব্যক্তি তাদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা ভাঙচুরের পাশাপাশি নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করেছে এবং গুলিও ছুড়েছে।   এদিকে হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও আলোচনায় এসেছে খান স্যারের একটি পুরোনো ভিডিও। ওই ভিডিওতে তিনি বাংলাদেশের রংপুর ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন।   ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল তার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে বাংলাদেশের রংপুর ও চট্টগ্রাম নিয়ে খান স্যারকে বলতে শোনা যায়, আমরা যদি বাংলাদেশের রংপুর নামের জেলাটির দিকে তাকাই—যদি এই রংপুর দখল করে নেওয়া হয়, তবে পুরো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। যদি আমরা এই এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করি, তবে পথটি চওড়া এবং সমান হয়ে যাবে। আমাদের যাতায়াতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না; আমাদের যে সরু ঘাড় (চিকেনস নেক) ছিল, তা চওড়া হয়ে যাবে।   চট্টগ্রাম নিয়ে একই ভিডিওতে তিনি আরও দাবি করেন, আমাদের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে মাত্র ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পরেই সমুদ্র শুরু হয়ে যায়। আমরা যদি এই সামান্য অংশটুকু দখল করে নিচে নেমে যাই, তবে ত্রিপুরা সরাসরি সমুদ্র পেয়ে যাবে। তাহলে আমরা কেন মেঘালয়কে গ্রেটার মেঘালয় এবং ত্রিপুরাকে ‘গ্রেটার ত্রিপুরা’ বানিয়ে দিচ্ছি না? খেলা খতম। ইন্ডিয়ান আর্মির এই ভূখণ্ডের কোথায় কী আছে সে বিষয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা এবং ধারণা রয়েছে। তারা সহজেই এলাকাটি ঘিরে ফেলতে পারবে। এর ফলে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। চট্টগ্রাম বিভাগ যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন এই এলাকায় বাংলাদেশের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণও খতম হয়ে যাবে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা ভারতের

ছবি : সংগৃহীত

সামরিক প্রশিক্ষণে ব্যবহারের জন্য ৮৯ মরদেহ ‘বিক্রির’ অভিযোগ মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে

ছবি : সংগৃহীত

সৌদির মরুভূমিতে সুখবর, শত বছর পর জন্ম নিল বিরল বুনো গাধা

ছবি : সংগৃহীত
ইরান পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে, ইতিবাচক ফলের আশা ট্রাম্পের

ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।   তিনি জানান, চলমান আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক ফল আসবে বলে তিনি আশা করছেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে নজর রাখছে বলেও জানান তিনি।   ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।  মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, তারা ইতোমধ্যেই সম্মত হয়েছে যে তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।   তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

খামেনির দাফনে ২ কোটি মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় উপসাগরীয় অঞ্চলে সতর্কতা জারি

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার দায় কুয়েত ও বাহরাইনেরও আছে : ইরান

ছবি : সংগৃহীত
সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির অভাবের কারণে বুধবার তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। খবর রয়টার্সের। বাজার তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৯৬.৮১ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৯১ সেন্ট বা ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার উভয় বেঞ্চমার্কই এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে লেনদেন শেষ করে। এদিকে ইরান থেকে কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরবরাহ ঝুঁকি নিয়ে আশঙ্কা বেড়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ৩০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ পাবে ইরান

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব সাইকেল দিবস আজ

ছবি : সংগৃহীত

কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজে পাল্টা আঘাত যুক্তরাষ্ট্রের

0 Comments