জাতীয়

নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু

মো: দেলোয়ার হোসাইন ডিসেম্বর ১০, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনি প্রস্তুতিতে এখন পুরো দেশ সরব। যে কোনো সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার হুইসেল বাজাতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে আজ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য কমিশনাররা। এরপর বিকেলে জাতির উদ্দেশে সিইসির ভাষণ রেকর্ড করা হবে, যেখানে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, চূড়ান্ত তফসিল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হতে পারে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ১১ বা ১২ ফেব্রুয়ারি।

 

ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। আসন বিন্যাস, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠনসহ প্রয়োজনীয় সব পরিপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা তফসিল ঘোষণার পরপরই প্রকাশ করা হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ–আরপিও’র সংশোধনী ইতোমধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও, প্রার্থী আচরণবিধি ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার সংশোধনী দ্রুতই প্রকাশিত হবে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবার নির্বাচনকে ঘিরে আলাদা উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন, ফলে রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও অতিরিক্ত আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বেশ কয়েকটি দল ইতোমধ্যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে এবং প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন।

এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকার ফলে তাদের প্রতীক ‘নৌকা’ পোস্টাল ব্যালটে রাখা হয়নি। নিবন্ধিত অন্য সব দলের প্রতীক পোস্টাল ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ধারণা করা হচ্ছে, ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, বিশেষত প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া বড় একটি তরুণ ভোটারগোষ্ঠী নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত করবে।

এই নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকেই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হবে। কমিশনারদের মতে, রাজনৈতিক দলগুলো আচরণবিধি না মানলে নির্বাচন পরিচালনা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোটকেন্দ্র ও দুই লাখ ৪৫ হাজার ১৯৫টি ভোটকক্ষ নিয়ে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ রাখা হবে। প্রবাসীদের জন্য আইটি–সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

সরকারি পদে বহাল থেকে নির্বাচন করার সুযোগ নেই এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন। কোনো উপদেষ্টা বা কর্মকর্তা তাদের দায়িত্বে থেকে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

 

সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দল, ভোটার ও নির্বাচন কমিশন সব পক্ষই নির্বাচনি উত্তাপে প্রস্তুত। শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনই এখন দেশের প্রধান প্রত্যাশা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ, ট্রাইব্যুনালে ৩০ আসামি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ হিসেবে পরিচিত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে।   বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জন আসামি রয়েছেন।   মামলার চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আবু সাঈদ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম শহীদ এবং তার হত্যাকাণ্ড বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে এ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   এ মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ৬ জন গ্রেফতার আছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রক্টর, পুলিশ সদস্য এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতা। অন্যদিকে ২৪ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।   উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তার মৃত্যুর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিল না করার আহ্বান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ পরিচিত মিজানুর রহমান শাহীন গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়

ছবি: সংগৃহীত
লালমনিরহাট সীমান্তে গুলিতে নিহতের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত আলী হোসেনের (৪৫) মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।   বুধবার রাত ৯টার দিকে সীমান্তের ৮৬৮/৩-এস নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফ মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিজিবি লাশটি গ্রহণ করে পাটগ্রাম থানা-পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেয়।   এর আগে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আলী হোসেন। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় চোরাচালানিদের সহযোগিতায় কয়েকজন ব্যক্তি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে তারা আরও ভেতরে প্রবেশ করলে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান আলী হোসেন।   ঘটনার পর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিএসএফ গুলির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।   বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম এবং বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ১৫৬ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট সৌরভসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।   পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শেরপুর-৩ আসনে পুনঃনির্বাচন: ১২৮ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধ বন্ধে বিশ্বনেতাদের জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ড. ইউনূসের

ছবি : সংগৃহীত

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জটিল প্রেক্ষাপটে সরকারের পথচলা মসৃণ নয় : মুশফিক ফজল

ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর চূড়ান্ত নয়, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় সফরের দিন-তারিখ ও সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি কোন দেশে প্রথম সফর করবেন, সেটিও এখনও নির্ধারিত হয়নি।   বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে কয়েকটি মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই ভারত সফর করবেন। এ বিষয়ে আতিকুর রহমান বলেন, এসব তথ্য ভিত্তিহীন। এর কোনও সত্যতা নেই। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এসব মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কয়েকটি মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।   একই সঙ্গে বিভ্রান্ত করতে এ ধরনের গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আতিকুর রহমান রুমন। সরকারি সূত্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানানো হলে তা যথাসময়ে অবহিত করা হবে বলে জানান তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত দিতে সম্মত ভারত

ছবি : সংগৃহীত

সংসদে আরও ১৩টি বিল পাস

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদন নিয়ে ১৩ দেশের সতর্কতা

0 Comments