জাতীয়

নির্বাচন উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে ৩ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা তিন দিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।


একইসঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বন্ধ থাকবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাতায়াত। নির্বাচন শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রম চালু হবে।


বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে জানান, ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কাজী আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বেনাপোলসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দেওয়া হয়।


বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিন ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন ভারত ভ্রমণও বন্ধ থাকবে।


বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে। বুধ ও বৃহস্পতিবার আমদানি-রপ্তানিও বন্ধ থাকবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
নিত্যপণ্যের দাম কমানো হলেও বিরোধী দল বাজেট নিয়ে সমালোচনা করছে: প্রধানমন্ত্রী

নতুন বাজেট জনগণের জন্য স্বস্তির হলেও এটি বিরোধী দলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।   তিনি বলেন, বিরোধী দল বাজেটকে জনবিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে এটি গ্রহণ করছে না। তাদের এমন অবস্থান দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার চেষ্টা এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার একটি প্রয়াস।   তারেক রহমান বলেন, বিএনপির রাজনীতি সবসময় জনগণের কল্যাণকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে ইতোমধ্যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এককালীন আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা বীজ ও কীটনাশক কেনায় কাজে লাগবে।   তিনি আরও বলেন, দেশের একটি বড় অংশ গ্রামীণ খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।   নারী উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের স্বাবলম্বী না করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষা বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   তিনি আরও জানান, ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে শিক্ষায় আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পায়।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক হিসাব খোলাসহ ৭ সেবায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নয়, প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে: শিশির মনির

ছবি: সংগৃহীত

নেপালে বাংলাদেশের ‘ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি’, বিশিষ্টজনদের কাছে পৌঁছাল ১,৭৫০ কেজি আম

ছবি: সংগৃহীত
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানাল সচিবালয় কর্মচারীরা

বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।   বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. বেলাল হোসেন এবং মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদ এ ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান শুরু করার সিদ্ধান্ত কর্মজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে।   বিবৃতিতে তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন বেতন কাঠামো সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।   উল্লেখ্য, দুই দশক পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট এবং বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম কক্সবাজার সফরে তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

আজ কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প

পুশইন’ সমস্যা কূটনৈতিকভাবে সমাধানে কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আজকের কিশোররাই বাংলাদেশকে উন্নত করবে: মাসুদ সাঈদী

পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী বলেছেন, আজকের কিশোররাই তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করবে। বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটাতে পারলে আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে তারাই।   শুক্রবার (১২ জুন) পিরোজপুরের সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   ‘মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ— সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করে।   মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নতুন কিছু আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহী হতে হবে। তাদের সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশে পরিবার, শিক্ষক এবং সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। আধুনিক বিশ্বে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং গবেষণাধর্মী উদ্যোগকে কাজে লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।’   উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার মদন মোহন মন্ডলের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাসুদ সাঈদী এমপি আরও বলেন, ‘উন্নত রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা। কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর দিলে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব। এই জন্য তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে ব্যবসায়িক মডেলে পরিণত করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সহজ অর্থায়ন এবং মেন্টরিং সুবিধা প্রয়োজন।’   মেলায় উপজেলার ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে তাদের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেরা তিনটি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।   উল্লেখ্য, এর আগে এমপি মাসুদ সাঈদী নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তার ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ঢেউটিন, গৃহমঞ্জুরির নগদ সহায়তার চেক ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন। এছাড়াও, ১৩ জন নারীকে ৩ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা এবং এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে একটি হুইলচেয়ার প্রদান করেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

নারী শিক্ষা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় : বিমানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সীমিত সম্পদের মধ্যেই সবার জন্য বাজেট দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

0 Comments