আন্তর্জাতিক

কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পর ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলা

আক্তারুজ্জামান জুন ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে দেশটির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।

 

সেন্টকোমের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপে অবস্থিত ইরানের একটি ‘গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন’ লক্ষ্য করে বিমান হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অভিযানে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে।

 

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইরান কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটির দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই হামলাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করে এর পাল্টা জবাব হিসেবে কেশম দ্বীপে অভিযান চালানোর কথা জানায় সেন্টকোম।

 

মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরানের নিক্ষেপ করা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করা হয়েছে। কুয়েতে দুটি এবং বাহরাইনে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

 

এছাড়া পারস্য উপসাগরে কয়েকটি বেসামরিক জাহাজের দিকে ইরান ড্রোন পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে সেন্টকোম। তাদের দাবি, মার্কিন নৌবাহিনী এসব ড্রোনও ধ্বংস করেছে।

 

অর্থনৈতিক ও সামরিক গুরুত্বের কারণে কেশম দ্বীপ ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বীপটিতে তেল ও গ্যাস সংরক্ষণের একাধিক স্থাপনা রয়েছে এবং এখানকার বন্দর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল করে।

 

অন্যদিকে, কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ জানিয়েছে, কেশমে বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরই আইআরজিসি ওই হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

সূত্র: এএফপি, এনডিটিভি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক বসাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

পণ্য উৎপাদনে জোরপূর্বক শ্রম নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসন আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের এ প্রস্তাব দেয়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) প্রস্তাবটি প্রকাশ করে। সংস্থাটি বলেছে, তদন্তে তারা দেখতে পেয়েছে যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য অযৌক্তিক বাধা সৃষ্টি করছে। ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে আরোপ করা শুল্কগুলো পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আরোপিত জরুরি শুল্ক বাতিল করে দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত সেকশন ৩০১-এর তদন্ত-সংক্রান্ত সর্বশেষ সিদ্ধান্ত এটি।   ইউএসটিআর জানিয়েছে, জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত তদন্তের ভিত্তিতে কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ থেকে আমদানির ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এ ছাড়া তদন্তে অন্তর্ভুক্ত বাকি ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়।   ইউএসটিআর আরও জানিয়েছে, তারা একটি নতুন টেক্সটাইল ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য কম শুল্ক হারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে শুল্কের হার বা পণ্যের পরিমাণ কত হবে, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।   উল্লেখ্য, আগামী ২৪ জুলাই ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বাতিল করার দিনই ওই অস্থায়ী শুল্ক কার্যকর করা হয়েছিল।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজা ও দাফনের সময়সূচি ঘোষণা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পর ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলা

ছবি: সংগৃহীত
মোজতবা খামেনি জীবিত, রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়: মার্কো রুবিও

  মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে ক্রমশ আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা এবং কূটনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে রুবিও বলেন, মোজতবা খামেনি জীবিত রয়েছেন এবং ইরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থায় তার সম্পৃক্ততা বাড়ছে। তিনি বলেন, চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবরের পর ইরানের নেতৃত্ব কাঠামোয় যে পরিবর্তন এসেছে, এটি তারই প্রতিফলন।   আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে তার নামে প্রচারিত বিভিন্ন লিখিত বার্তা ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যা তার বর্তমান ভূমিকা ও ক্ষমতার পরিধি নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মার্কো রুবিওর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হত্যাচেষ্টার লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, তার সীমিত জনসম্মুখ উপস্থিতি ইরানের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও জল্পনা তৈরি করেছে। একই শুনানিতে রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হয়নি। নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে শর্তসাপেক্ষ হবে এবং তা ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি ও অন্যান্য পারমাণবিক কার্যক্রম পরিত্যাগের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়ে রুবিও দাবি করেন, সামরিক অভিযানটি ‘অত্যন্ত সফল’ ছিল এবং এর ফলে ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্প সক্ষমতা ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইরানের কোনো নৌবাহিনী আর অবশিষ্ট নেই। সেটি এখন সমুদ্রের তলদেশে পড়ে আছে।’ রুবিওর এই মন্তব্য সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরানের প্রতি ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। পারমাণবিক আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রথমবারের মতো ইরান হয়তো তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী, যেগুলো আগে আলোচনার বাইরে ছিল। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, আলোচনা শুরু হলেও তা ওয়াশিংটনের কাছে গ্রহণযোগ্য কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক বাজেট শুনানির অংশ হিসেবে রুবিও মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের বিভিন্ন কমিটির সামনে হাজির হন। তবে শুনানির মূল আলোচ্য দ্রুতই ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতে চলে যায়। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারা যুদ্ধের আর্থিক ব্যয় এবং কৌশলগত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৩, ২০২৬
ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন এক ফিলিস্তিনি। ছবি : সংগৃহীত

সাইবার হামলায় ফাঁস গাজার ৬ লাখ পরিবারের গোপন তথ্য

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ছবি: সংগৃহীত

লেবানন থেকে ছোড়া দুই ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের দাবি ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত
হিজবুল্লাহ হামলা না থামালে বৈরুতে আঘাত হানবে ইসরায়েল: নেতানিয়াহু

হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলের শহর ও নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো বন্ধ না করে, তাহলে লেবাননের রাজধানী বৈরুতেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, তার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। হিজবুল্লাহর হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল বৈরুতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে চলমান সামরিক অভিযানও পরিকল্পনা অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।   এদিকে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।    সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহুর ওপর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

লেবানন ও গাজায় হামলা না থামলে বাব-এল-মান্দেবেও বিধিনিষেধের হুমকি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ‘পারিবারিক কলহের জেরে’ এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৭

0 Comments