খেলাধুলা

ইয়ামালের মুখে হাসি ফেরায় ফ্লিকের স্বস্তি

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম ম‍্যাচে মন খারাপ করে বসে থাকা লামিন ইয়ামালের মুখে হাসি ফিরেছে পরের ম‍্যাচে। স্বাভাবিকভাবেই তা স্বস্তি হয়ে এসেছে বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিকের জন‍্য।

 

এলচেকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আসর শুরু করে বার্সেলোনা। লা লিগায় ওই ম‍্যাচে ৬০ মিনিট খেলেন ইয়ামাল। মাঠ ছাড়ার পর মুখ ভার করে বসে ছিলেন তিনি। পরের ম‍্যাচে গত দুই আসরের চ‍্যাম্পিয়নরা ২-০ গোলে হারায় আথলেতিক বিলবাওকে। এই ম‍্যাচের পর হাসিখুশি ইয়ামালের দেখা মেলে।

 

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ১টায় (এএম) রায়ো ভাইয়েকানোর বিপক্ষে খেলবে বার্সেলোনা। এর আগে ফ্লিকের সংবাদ সম্মেলনে এলো ইয়ামালের প্রসঙ্গ। বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড যে ধীরে ধীরে স্বরূপে ফিরবেন, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই বার্সেলোনা কোচের।

 

“একজন খেলোয়াড়ের মুখে হাসি থাকা সবসময়ই ভালো কিছু। তবে প্রতিদিন একরকম হয় না। আমি জানি, সবাই লামিনকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে পরিস্থিতি এমনই।

 

“হয়তো প্রথম ম‍্যাচে সে তার সেরা অবস্থায় ছিল না। তবে সে যেমন পরিশ্রম করেছে, তাতে আমি খুশি। সে সুযোগ তৈরি করেছে। আথলেতিকের বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলেছে, পুরো ৯০ মিনিট খেলতে পারা তার জন‍্য ভালো। আমরা তাকে উঁচু পর্যায়ে পারফরম‍ করতে দেখেছি, অনুশীলনেও তাকে আমি সেটা করতে দেখি। আজ অনুশীলনে সে ছিল দুর্দান্ত। তাকে আমাদের সাহায‍্য করে যেতে হবে, আমি সেটা করব।”

 

দুই ম‍্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত দুই নম্বরে আছে বার্সেলোনা। সমান পয়েন্ট রেয়াল মাদ্রিদ, সেভিয়া ও রেয়াল বেতিসেরও। তিন ম‍্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম দুটি স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও আলাভেস।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আবু ধাবিতে বাংলাদেশের হতাশার দিন

তাইজুল ইসলামের করা অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে ক্যাচের মতো তুললেন রেহমাত শাহ। কিন্তু শর্ট কাভারে থাকা নাঈম হাসানের নাগালের অল্প একটু সামনে পড়ল বল। বেঁচে গেলেন আফগানিস্তান অধিনায়ক। এর আগে-পরে দিলেন না আর কোনো সুযোগ।   আবু ধাবিতে হতাশাময় একটি দিন পার করল বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২১১ রান।   পুরোদস্তুর টেস্ট মেজাজে খেলে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন রেহমাত। তার সামনে সেঞ্চুরির হাতছানি। একটি ছক্কা ও আটটি চারে ৮৪ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। ২৬ রানে খেলছেন ইকরাম আলিখিল।   এর আগে নতুন দিনের প্রথম সেশনে ৯ ওভারের মধ্যে ২৯ রান যোগ করে বাকি ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তাতে তাদের প্রথম ইনিংস থামে ৩৪৬ রানে।   ১৩৫ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিন শুরু করবে আফগানিস্তান।   অনুমেয়ই ছিল, তীব্র গরমে উইকেটে বোলারদের জন্য তেমন কোনো সুবিধা থাকবে না। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন সেটি টের পেয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। নতুন বলে কিছু মুভমেন্ট ছাড়া দিনের বাকি অংশে সুবিধা করতে পারেননি কেউই।   এর মাঝেও উপভোগ্য ছিল হাসান মাহমুদ ও রেহমাতের ব্যক্তিগত লড়াই। দিনের খেলা হওয়ার কিছুক্ষণ বাকি থাকতে পুরোনো বলেই লাইন-লেংথের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ রেখে আফগান অধিনায়ককে কিছুটা বিপাকে ফেলেন ছন্দে থাকা পেসার।   ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। শুরুতে লড়াইয়ের আভাস দেন নাঈম হাসান। তবে অন্য প্রান্ত থেকে সমর্থন পাননি। দিনের ষষ্ঠ ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান তাইজুল ইসলাম। দুই ওভার পর ইবাদত হোসেনও আউট হলে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।   শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে ৬৭ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম।   আফগানিস্তানের হয়ে ৪টি উইকেট নেন মোহাম্মাদ সালিম সাফি। আরেক পেসার ইয়ামিন আহমাদজাই নেন ৩ উইকেট।   ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারের প্রথম বলেই হাসানকে বাউন্ডারি মারেন সেদিকউল্লাহ আতাল। ওভারের পঞ্চম বলে কট বিহাইন্ডের জোরাল আবেদন করে বাংলাদেশ। রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হয় তারা। রিপ্লেতে দেখা যায়, পেছনের প্যাড ছুঁয়ে যায় বল।   তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সেদিকউল্লাহ। হাসানের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি দূর থেকে ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে ধরা পড়েন ১৭ রান করা ওপেনার।   ৩০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর প্রতিরোধের চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার আব্দুল মালিক ও শাহিদউল্লাহ কামাল। তাদের বেশি দূর যেতে দেননি ইবাদত হোসেন। এতে অবশ্য বড় কৃতিত্ব হাসানেরই।   ইবাদতের শর্ট বল দূর থেকে পুল করতে গিয়ে হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন কামাল। সামনে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্যাচ নেন হাসান। ৬৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট নিয়ে আফগানদের চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ।   তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মালিক ও রেহমাত। চা বিরতি পর্যন্ত আর সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ।   শেষ সেশনে ফিরে প্রথম ওভারেই বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আভাস দেওয়া জুটি ভাঙেন ইবাদত। হালকা লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারি কাভার ড্রাইভের লোভে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মালিক। তার ব্যাট থেকে আসে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১২০ বলে ৬২ রান।   পরের ওভারে চমৎকার ডেলিভারিতে হাশমাতউল্লাহ শাহিদিকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রানের খাতা খুলতে পারেননি আফগানদের সাবেক অধিনায়ক।   এরপর শুধুই হতাশা। দিনের বাকি ৩২.২ ওভারে কোনো বিপদ ঘটতে দেননি রেহমাত ও ইকরাম আলি খিল। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে তাদের সংগ্রহ ৭২ রান।   সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: (আগের দিন ৩১৭/৮) ৯২.৩ ওভারে ৩৪৬ (নাঈম ৩৫*, তাইজুল ৯, ইবাদত ০; ইয়ামিন ২০.৩-৩-৭৯-৩, সালিম ২৩-২-৮২-৪, শাহিদি ৩-০-২৪-০, ইসমাত ১২.৪-৫-২০-২, জিয়া ১৯-১-৭৭-০, কাইস ১৪.২-১-৬০-১)   আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ৭৯ ওভারে ২১১/৪ (আতাল ১৭, মালিক ৬২, কামাল ২০, রেহমাত ৮৪*, শাহিদি ০, ইকরাম ২৬*; হাসান ১৬-৩-৩৬-১, ইবাদত ১১-২-৫০-২, মিরাজ ২০-৭-৩৭-১, তাইজুল ২১-৪-৪৪-০, নাঈম ১০-০-৩৭-০, মুমিনুল ১-০-৬-০)

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ক্লাব মালিকের বিরুদ্ধে সমর্থকদের প্রতিবাদে পণ্ড লা লিগার ম‍্যাচ

২০৩৪ পর্যন্ত চেলসিতেই থাকছেন পালমার

ছবি: সংগৃহীত

পিছিয়ে পড়েও লিডসকে ২-১ গোলে হারাল আর্সেনাল

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য জিম্বাবুয়ের স্কোয়াড ঘোষণা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভার ইনজুরি থেকে সেরে না উঠায় দলকে নেতৃত্ব দিবেন সিকান্দার রাজা।   এছাড়া জিম্বাবুয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলবে।     ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে হারারেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলা ওয়ানডে দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারই আছেন এবারের স্কোয়াডে। তবে ইনোসেন্ট কাইয়া ও গ্রায়েম ক্রেমারের জায়গায় দলে এসেছেন ৩২ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান তাফাদজওয়া সিগা ও ২৯ বছর বয়সী লেগস্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। উরুর চোটে ভুগতে থাকা কাইয়া এখনো সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় আছেন।       তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাকে পাওয়ার আশা করছে জিম্বাবুয়ে। অন্যদিকে সিগা ও মাসেকেসার সামনে দুই সংস্করণেই অভিষেকের সুযোগ রয়েছে।     ব্যাটিং বিভাগে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয় রেখেছে জিম্বাবুয়ে। রাজা, ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের সঙ্গে আছেন বেন কারান, ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি।       পেস আক্রমণে নেতৃত্ব দেবেন ব্লেসিং মুজারাবানি। তার সঙ্গে আছেন ব্র্যাড ইভান্স, আর্নেস্ট মাসুকু ও নিউম্যান ন্যামহুরি। স্পিন বিভাগে রয়েছেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও মাসেকেসা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ইভান্সের বদলি হিসেবে খেলবেন কুনদাই মাতিগিমু।       ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করবে জিম্বাবুয়ে।     ১৯ অক্টোবর তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। ২১ অক্টোবর আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে লিগ পর্ব। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ২৩ অক্টোবর ফাইনালে মুখোমুখি হবে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ২৭ ও ২৯ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর। এরপর ৫ থেকে ৯ নভেম্বর প্রথম টেস্ট এবং ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে দুই দল।       জিম্বাবুয়ের ওয়ানডে দল: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), বেন কারান, ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স, ব্রেন্ডন টেলর, ব্রায়ান বেনেট, ক্রেইগ আরভিন, আর্নেস্ট মাসুকু, নিউম্যান ন্যামহুরি, রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, তাফাদজওয়া সিগা, ভিনসেন্ট মাসেকেসা, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ওয়েসলি মাধেভেরে।       জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি দল: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), বেন কারান, ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স, ব্রায়ান বেনেট, ইনোসেন্ট কাইয়া, কুনদাই মাতিগিমু, নিউম্যান ন্যামহুরি, রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, তাফাদজওয়া সিগা, ভিনসেন্ট মাসেকেসা, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ওয়েসলি মাধেভেরে।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আল নাসরে ফিরেই গোল রোনালদোর, পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯৮০তম মাইলফলক

ছবি: সংগৃহীত

হোপের শতকে ভারতের বিপক্ষে রেকর্ড রান তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা জটিলতায় ওমানযাত্রা পেছাল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের

ছবি: সংগৃহীত
হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপুটে জয়

জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ১০ রান। সেঞ্চুরি থেকে শাই হোপও ছিলেন ১০ রান দূরে। অক্ষর প্যাটেলের ওভারে পরপর দুই ছক্কায় দুই লক্ষ্যই পূরণ করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে দলকে ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় এনে দিলেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়ায় এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয়।   আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ডের ম্যাচেও ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়ানের সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে রেকর্ড গড়তে দেখে ক্যারিবীয়রা। ২৫৯ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে জিতে গিয়েছিল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।   আজ রান তাড়ার শুরুতে মনে হয়নি এমন কিছুর সাক্ষী হবেন রাঁচির দর্শক।   ভারতের ফাস্ট বোলার মায়াঙ্ক যাদব প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরটাকে ৫/২ বানিয়ে দেন। এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ২৭ বলে ৫৩ রান যোগ করেন হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে বিদায় নেওয়ার পর শেরফান রাদারফোর্ডকে নিয়ে ৯ ওভারে ১২০ রানের জুটি হোপের। ৩৭ বলে ৭ ছক্কায় ৮৪ রান করে রাদারফোর্ড যখন ফেরেন ৩৫ বলে ৭২ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের।   সে সময়ে ৬৩ রানে ব্যাট করা হোপ ৯ বল হাতে রেখেই জয় এনে দিলেন রোমারিও শেফার্ডকে নিয়ে।   দুজনের জুটিতে ৭৪ রান এসেছে মাত্র ২৬ বলেই। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া হোপের ৪৫ বলের ইনিংসে চার ৬টি, ছক্কা ৯টি।    আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হোপের আগের সেঞ্চুরিটিও ছিল ১০২ রানের। গত বছর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। এদিন জয়ের পথে তাঁর সঙ্গে ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন রোমারিও শেফার্ড। মাত্র ১৩ বলে ৩৪ রান করেন তিনি।   এর আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছিল ভারত। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। ৪১ বলের ইনিংসটি সাজাতে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি। এ ছাড়া তিলক বর্মা ১৮ বলে অপরাজিত ৪৪, ঈশান কিষান ২২ বলে ৪৩ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৮ বলে ৪০ রান করেন।   সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে রবিবার, ইন্দোরে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে বসুন্ধরা কিংসের গোল উৎসব

ছবি: সংগৃহীত

সাহিবজাদা ও সাদাকাতের ঝড়ে পাকিস্তানের জয়

ছবি: সংগৃহীত

টানা ৪ ম্যাচ হেরে বরখাস্ত তুরস্কের কোচ

0 Comments